খারিজ
খারিজের আবেদন বার বার বাতিল করা হয়েছে কোন কারন ছাড়াই
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
খারিজের আবেদন বার বার বাতিল করা হয়েছে কোন কারন ছাড়াই
আমাকে বলা হয়েছিল খাজনা ১২০০০ টাকা দিতে হবে আমি দিয়েছি আমাকে রশিদ দিয়েছে ৮৬০ টাকা তখন প্রতিবাদ করলে বলে কিছু করার নেই তখন আমি অনেক সময় তর্ক বিতর্ক করে ওদের সাথে পারছিনা খাজনা ১২০০০ টাকা দিতে আমি বাধ্য হই কারণ আমি ওই জায়গাটা রেজিস্টারি করব তাই
আমি সেনাবাহিনীর সৈনিক। সরকারি কাজে নিজের টাকা খরচ করে এক ক্যান্টনমেন্ট থেকে অন্য ক্যান্টনমেন্ট এ গিয়েছি দায়িত্ব পালন করে আবার ফিরেছি নিজের খরচে। নিয়ম অনুযায়ী আমি আমার খরচ করা টাকা আমি দাবি করতে পারি আমি নিয়ম অনুযায়ী যা পাবো তাই দাবি করেছি। কিন্তু পে অফিস থেকে আমার কাছে বিভিন্ন মাধ্যমে জানানো হয় দাবিকৃত টাকার ১৫% টাকা আগে তাকে দিতে হবে তারপর অনুমোদন করে দিবে। আমি দেয়নি। আমার প্রতিবেদন প্রতিটি সৈনিক এর উপর করা জুলুম এর প্রতিচ্ছবি। তাই সরকারের কাছে বিশেষ অনুরোধ এই সেক্টরে নজর দেওয়ার জন্য।
সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত, বাংলাদেশ দূতাবাসে ই- পাসপোর্ট করার জন্য এপয়েন্টমেন্ট নিতে গেলে ২/৩ মাস পরে তারিখ পাওয়া যাচ্ছে। ২০০ রিয়াল= ৬৬০০ টাকা দিলে ১ দিনের মধ্যেই ফিঙ্গার দেওয়া যায়। অনেক মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে করতেছে।”
স্থান: নৌ এবং সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর চট্টগ্রাম আমি একজন মেরিনার । আমি সেদিন আমার CDC তৈরি করতে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানকার এক কর্মচারী আমার কাছে 1000 টাকা দাবি করে এবং নৌ পরিবহন অধিদপ্তরে আমার চোখের পরীক্ষার জন্য সেখানকার কর্মচারী 500 টাকা অর্থ দাবি করে আমি আমার EYE TEST এবং CDC খুব দরকার ছিল সেজন্য আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হই ।
Passport korar jonno niyesilo, ami nije theke 2 din try koresi but hoyni, pore ghush dile ar kono issue hoyni, perfacet vabe passport korte parsi
খতিয়ান সংক্রান্ত কিছু তথ্য দিয়েছে নায়েব এজন্য তার পিয়নকে কিছু খরচা-পাতি দিতে বলেছিলো। আমি শেষ পর্যন্ত চারশত টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। কারণ কাজটা জরুরী ছিলো।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নেয়ার পর ড্রেসিং করতে গেলে , , তখন ওখানে নাকি গ্লাভস দেওয়া হয় না । কিনে নিয়ে আসতে হবে । আমাকে একটা চিরকুট দেওয়া হলো, ওখানে সিরিয়াল নাম্বার উল্লেখ করা ছিলো। একটা দোকান দেখায় দিলো ওখান থেকে নিয়ে এসে তাপর আমার কাজ করলো। আমি নিয়ে আসছি টাকা দিয়ে আমি ঐখানে দায়িত্বরত জন কে বলায় যে কেনো কিনে নিয়ে আসব এখন আমাকে , আমার রিপোর্ট হাতে ধরা দিয়ে পাঠায় দিচ্ছি বলার জন্য ওখানে করেনি এবং ব্যবহার ছিল খুবই খারাপ ।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে, বলা হয় সকলেই কন্টাকে করে ঝামেলামুক্ত। এবং অফিসের মধ্যে কর্মকর্তা কর্মচারীরা সরাসরি বলতেছিলো নিজে নিজে করতে গেলে সহযে পার পাবেন না।
সহকারি শিক্ষকের উচ্চতর গ্রেডে বেতন উন্নিত করতে জন প্রতি ২০০০/- টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। বর্তমানে কাজ চলমান।
খাজনার রশিদ আনতে গেলে প্রায়শই টাকা দাবি করে অতিরিক্ত এবং বাইরের লোক দিয়ে অফিস পরিচালনা করে ইভেন অতিরিক্ত টাকা দাবি করে।
নামজারির জন্য একটা কাগজে সমস্যা ছিল তাই নামজারি হবে না বলেছিল পরে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে আমি ২ লক্ষ টাকা দিলে ৬/৭ মাস পর আমার নামজারি হয়ে গেছে।
আমার বাবা প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক ছিলেন, পেনশনের টাকা তোলার জন্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে টিও অফিসের এক কেরানি এর কাছে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চেয়েছিলাম। ১২০০০ টাকা চাইলো। বল্লো সব আমরা করে দিব। টাকা না দিলে ভাইভায় পাস করতে পারবেন না।
২০২৪ সালে, সময় ইদুলআজহার পরে, আমার মোবাইল ফোনটি চুরি হয়,, উদ্ধার করার জন্য ৫০০০ টাকার নেয়, বলে মোবাইল চাঁদপুর থেকে আনতে হয়েছে, কীন্তু মোবাইল আমাকে দেয়ার পর আমি ওই মোবাইলে চোরের লগিন করা জিমেইল আইডি পাই,, এবং চোরের সন্ধান করপ পাই আমার গলাচিপা থানার বাহিরে ও চোর ফোন নেয় ই নি,, মিথ্যে অজুহাত দেখিয়ে ৫০০০ টাকা নিয়েছে,, বলছে না দিলে মোবাইল পাবানা,,, পরে৷ সুলাম ওই চোরের কাছথেকে আরো মোটা অংকের টাকা নিয়েছে। প্রমান সাক্ষী সমেত দেয়া যাবে৷,, সেই চুরি যাওয়া ফোনথেকেই অভিযোগ করতেছি।
আমি প্রথম পাসপোর্ট বানাতে দেয়ার পর verification এর জন্য শান্তি নগর office এ গিয়ে আনতে সময়ে verification officer বলে কিছু দিয়ে গেলেন না তারপর আমি 500 টাকা দিলে বলে 1000 tk দেন, তারপর ওই টাকা দিয়ে ই আসতে হয়েছিলো .নয়তো অপমানজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল.
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের কাগজ জমা দিতে গিয়ে ঘুষ ছাড়া কাগজ জমা নেওয়া হয় না। কোন কিছু ভুল না থাকার পরও ভুল দেখিয়ে টাকা দাবি করে। বাঙ্গরা বাজার থানা।
প্রথম পে ফিক্সেশন করানোর ক্ষেত্রে আমার প্রতিষ্ঠানের আ্যকাউট্যান্ট দাবি করে যে অডিট অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না৷ তাই, ইন পার্সন গিয়ে গিয়ে পোক করে করে আদায় করসি। তবে সময় বেশি লেগেছে, অযথা বিভিন্ন ডকুমেন্টের জন্য ডিলে করসে। সেকেন্ড টাইম আ্যডভান্স ইনক্রিমেন্ট আ্যড করানোর ক্ষেত্রে সাহস করতে পারি নাই, কজ বাকি সকল কলিগ কনভিন্সড৷ ঘুষ দিতে হইসে৷
আমি যখন নামজারি করতে ভুমি অফিসে যাই ওনারা বলে কাগজ পত্র জমা দেন পরে আসিয়েন। পরে আসতে আসতে ৬ মাস আসলাম। তার পরেও হয়নাই। পরে বলি কি বেপার ভাই হবেনা। ওনি বলে ভাই টাকা দিলে আজকেই হবে। আমি কত দিতে হবে ওনি বলে ২০.০০০ টাকা। পরে ১৫৫০০ টাকা নেয়। দিনে দিনে নামজারি হয়ে যায়। রাত ৮ টায় বলে তোমার কাগজ নিয়ে যাও।
পাসপোর্ট রেনু আমাকে বলছে জদি টা না দেন তাহলে ফাইল জমা হবেনা দুই তিন ঘন্টা ঘুরে আবার আমার কাছে আসবেন পরে একটু হয়রানী হইতে হইছে