পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গেছিলাম
সেবাটি ছিল আমার বিদেশ যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর আবেদন ফাইল জমা দিতে, সেখানে আমার কাছে 700 টাকা দাবি করেছিল, পরে আমি সেটা দিয়েছিলাম।
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সেবাটি ছিল আমার বিদেশ যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর আবেদন ফাইল জমা দিতে, সেখানে আমার কাছে 700 টাকা দাবি করেছিল, পরে আমি সেটা দিয়েছিলাম।
আমি আমার ভাইয়ের জন্য এন আই ডি আবেদন করতে গিয়েছিলাম কিন্তু এই কাজটি আমাকে অনেক দ্রুত সময়ে সম্পূর্ণ করে দিবে এর জন্যে ৪০০০ টাকা দাবি করেন এবং আমি যদি টাকা না দেই তাহলে অনেক সময় লাগবে কিন্তু আমি বলেছি এই বিষয়ে আপনার সাথে ফোনে কথা বলবো তারপর মোবাইল নাম্বার নিয়ে আসি।
নতুন ড্রাগ লাইসেন্স করতে প্রতিজনের কাছেই ১৫/২০/৩০ হাজার টাকা করে দাবি করে তারা। কিন্তু আমি টাকা দিতে রাজি হইনি, নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করেছি ১ বছর হল কিন্তু কাজের কোনোই অগ্রগতিই নেই।
ওয়ারিসি সম্পত্তি নামজারি করতে গেলে ৮৫০০ টাকা চাইছে তহশিলদার
কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রতিনিয়ত স্কুলটাকে লুটপাট করে খাচ্ছে স্কুলের ছাত্রীদের কাছ থেকে একদিন স্কুলে না গিয়ে থাকলে তার বদল স্যার বিশ টাকা জরিমানা আদায় করে নেয় কোন প্রমান পত্র দেয় না এরপর স্কাস পরিক্ষা হলে ৩০০ টাকা করে নিয়ে যায় এরপর মাসিক বেতন ৪০০ টাকা আমার প্রশ্ন হলো একজন ছাত্রী স্কুলে অসুস্থতার কারনে না যেতে পারলে ছুটির দরখাস্ত দিয়ে থাকে যেন জরিমানা দিতে না হয় কিন্তু ছুটির দরখাস্ত দেওয়ার পর ও ২০ টাকা জরিমানা আদায় করে নেয় বাংলাদেশের কোন স্কুলে এমন হয় কিনা আমার জানা নেই এরপর রেজিষ্ট্রেশন করার সময় মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন তিনি
অন্ত উপজেলা বদলির জন্য। ঘুষ না দেয়ায় ১৫ বছর যাবত বদলি হতে পারছিনা। বদলি নীতিমালা অনুকূল হয়না। অথচ আমার স্কুল থেকে যারা ঘুষ দিচ্ছে তারা বদলি হয়ে যাচ্ছে।
অবশ্যই। কথাগুলো একটু পরিষ্কার, ভদ্র ও প্রভাবশালীভাবে সাজিয়ে দিলাম: আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে বিভিন্ন ভুল-ত্রুটির কথা বলে তারা পাসপোর্টের আবেদন জমা নেয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে অফিসেরই একজন লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, ১২,০০০ টাকা দিলে কোনো ধরনের কাগজপত্রের ঝামেলা ছাড়াই পাসপোর্টের কাজ করে দেওয়া হবে। বিষয়টি আমার কাছে অনৈতিক ও অত্যন্ত হতাশাজনক মনে হয়েছে। তাই আমি শেষ পর্যন্ত কোনো কাগজপত্র জমা দিইনি; বর্তমানে আমার সব কাগজপত্র আমার কাছেই আছে।
অনলাইন এ মাসিক vat return জমা দেওয়ার পর প্রতি মাসের 15 তারিখের মধ্যে প্রিন্ট কপি নিয়ে তাদেরকে দেখতে হবে এবং অফিসার এবং পিয়ন কে সর্বমোট 2700 টাকা দিতে হয়। না দিলে হয়রানি করবে
জমি রেজিস্ট্রি করার পর সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও খারিজের জন্য ১১০০০/- টাকা দিতে হয়েছে।
A G office hote bill charanor jonno dite haiche
ঘুষ না দিলে কোনো কাজ সহজে করে দেয় না। শুধু দিন পার করে দেয়। একজন বদলি হয়ে আসলে বলে এখনো এলপিসির হার্ড কপি আসেনি। অথচ টাকা দিলে অনলাইনে কাজ করে দেয়😁।
আমাদের দোখানের একটা ছেলেকে নিয়া গেছিলো পরে পুলিশ কে আমরা জানাই পরে উনারা যাই অকে বের করে আনে আইন্না টাকা চাই
রহমত পুর মাদ্রাসা সুপার অন্তত ১২ জন লোক কে ঘুষ দিয়ে চাকরি দিছে এক একজন কাজ থেকে পেরায় দশ লাখ টাকা ১২ লাখ করে টাকা নিছে এটা হলো উপজেলা আমতলী জেলা বরগুনা ইউনিয়ন কুকুয়া ওয়াড নং ০৯ মাদ্রাসা নাম রহমত পুর কিছুদিন আগে একজন লোক নিছে নাইট গাড তাও ১০ লাখ টাকা দিয়ে
আমি ৩১/ ৮/২০২৬ তারিখ পিরোজপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গিয়ে কাগজে ওয়ার্ড দি নাই। তার জন্য আমার কাগজটা বাতিল হয়ে গেছে, আনসার সদস্য জিজ্ঞেস করল কি সমস্যা আমি বললাম,সে তখন ১৭ শত টাকা দাবি করলে আমি ৮০০ টাকা দি, পরে কাগজটা সে নিয়ে দিয়েছে কাজটা হয়ে গেছে।
বাবা মৃত্যুর পর বাবার পেনশনের টাকা উত্তলোন এর জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে শুরু করে জেলা শিক্ষা অফিস পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সব মিলিয়ে ১.৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
টাকা দাবি করেছিল ১০,০০০/- … জরিপের কাগজ উত্তোলন করতে ৬০০০/- টাকা দিতেই হয়েছে । পরে যখন দেখলাম যে সরকার এই পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ করে নাই তখন অভিযোগ করলে ঐ লোক বলে যে ভূমি অফিসারকে বলে আমার কিছুই করতে পারবেন না । আমার কাছে সব স্ক্রিনশট আছে ।
সরকারিভাবে দেওয়া হেক্সিং প্রিপেইড মিটার যেটা জনগণকে সরকার প্রতি মাসে ৪০ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে দিয়েছিল সেই মিটার নতুন সংযোগ বা পরিবর্তন এর সময় নির্বাহি প্রপ্রকৌশলী থেকে শুরু করে সহকারী উপসহকারী প্রকৌশলী প্রজেক্ট এর প্রকৌশলী গন সকলে প্রতি মিটার ৪০০০ টাকা থেকে কেউ কেউ ৫০০ টাকা ১০০০ টাকা করে ভাগ নেয়।অর্থাৎ সরকারি সম্পদ তারা জনগণের কাছে বিক্রি করছে। এছাড়া প্রতিটি নতুন সংযোগের ফাইলে এপ্লিকেশন ফি ও ইস্টিমেট ফি এর কাগজে সাক্ষরের সময় প্রতি স্বাক্ষরে নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে সহকারী, উপসহকারী প্রকৌশলীগণ উচ্চমান সহকারী অফিসের পিয়ন ছা সকলে ২০০ টাকা করে ঘুষ নেয়। পিয়ন নেয় ৫০ টাকা। নতুন খুঁটি লাগাতে গেলে ১৫ হাজার টাকা করে ঘুষ নেয় লেবার খরচকষ্টের নামে। মিটারের লোড কমানো বাড়ানোতেও ঘুষ দিতে হয়।
নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলা ভূমি অফিসে প্রতিটি নামজারী অনুমোদন এর জন্য ৩১০০ টাকা করে আদায় করে যা ডি সি আর ফি ব্যতীত টাকা। এই টাকা না দিলে ফাইল অনুমোদন হয় না। তাই বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয়। এসিল্যান্ড প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত। নোট: অর্থবছরে বছরে প্রায় ১০ হাজার এর বেশি নামজারী হয়।
আমার কর আসছে ১৭০০০ টাকা। পরে সে বলে আমাকে ১০০০০ দিলে করে দিবে। পরে দেখি চালানে মাত্র ২৪৭৫ টাকা লাগলো। বাকি টা সে রেখে দিলো।
প্রথমবার রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে জমা দেয়ার নিয়ম জানতে চাইলে কম্পিউটার অপারেটর বললেন বাইরে চলুন কথা বলি। তারপর রাস্তার মধ্যে এসে বললেন ১২০০ টাকা হলে সব কিছু করে দিবেন। পরবর্তীতে অন্য একজন কর্মচারী বড়বাবু পদবী ধারী ৫০০ টাকায় কাজটি করে দেন। অথচ পরের বছর থেকে নিজের রিটার্ন নিজেই দিতে পারি