এনআইডি করা
নতুন করে এনআইডি করতে গেলে ৪০০০ টাকা দিতে হয় প্রতি জনকে। সপ্তাহে দুইদিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ছবি তোলা হয়। ২ দিনের মধ্যে কমপক্ষে ১৫০-২০০ জন নতুন ভোটার ও সংশোধন সংক্রান্ত কাজে উপজেলা নির্বাচন কমিশনে যান।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নতুন করে এনআইডি করতে গেলে ৪০০০ টাকা দিতে হয় প্রতি জনকে। সপ্তাহে দুইদিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ছবি তোলা হয়। ২ দিনের মধ্যে কমপক্ষে ১৫০-২০০ জন নতুন ভোটার ও সংশোধন সংক্রান্ত কাজে উপজেলা নির্বাচন কমিশনে যান।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য নিজে আবেদন করেছি অনলাইনে এবং সম্পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করে পরীক্ষা দিতে যাই । যেয়ে দেখি ৯৯% লোক দালালের মাধ্যমে লাইসেন্স করতে আসছে। তখন আমি এগুলো দেখে ঘাবড়ে যাই তখন পরিচিত এক লোকের সাথে দেখা হল সে আমাকে বলল ভাইয়া আমিও আপনার মতো নিজে এপ্লাই করে পরীক্ষা দিতে এসেছিলাম আমাকে ফেল করায় দিছে এখন আমি দ্বিতীয়বার আবার আসলাম দালালের মাধ্যমে করার জন্য ও আমাকে বলতেছে আপনি পারলে দালালকে কিছু টাকা দিয়ে দেন তাহলে আপনার দ্বিতীয়বার আসা লাগবে না । ফেনীতে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা দিতে যারা আসে তাদের কাছ থেকে properly পরীক্ষা নেওয়া হয় না প্রত্যেকটা জায়গায় করাপশন এবং ভিতরে ভিডিও করা নিষেধ একটা সাইনবোর্ড এর মধ্যে লিখে দিছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে যিনি ফর্ম বিতরণ করেন, ওই আংকেলটা ফর্ম তোলার জন্য সময় আমার কে বলে যদি আমি ফলাফলের তালিকায় না আসি তবে তার মাধ্যমে আমি ওইখানে ভর্তি হইতে পারবো। তারপর উনি ব্যক্তিগতভাবে উনার নাম্বারটা দেয়, এবং ওনাকে কল দিয়ে বললে বিকাশে বা নগদের টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে বলে আমাকে জানে। যদিও আমি এই অন্যায় পথ অবলম্বন করি নাই
একবার সার্ভে করা জমি যা তসদিককৃত। এখন সেটেলমেন্ট ট্রাইবুনাল চেক করে গেজেট করবে। কাগজপত্র সব ঠিক আছে। দেখানোর হাজিরা ৫০০ টাকা। আর কাজ ফাইনাল করবে এই জন্য ৫০,০০০ চাইল। পরে ২০,০০০ দিয়ে পার পেলাম। ৩০ ধারা শুনানী কালে এসব হচ্ছে। বৈধ ক্রয় কৃত সম্পত্তি তাও ঘুষ ছাড়া সম্ভব না। একজন ও টাকা ছাড়া কাজ করতে পারেনা। সরে জমিনে ওপেন সিক্রেট। রেইট করা। জমির পরিমানের উপর ঘুষ কমে বাড়ে।
আমি শিক্ষা বোর্ডে যায় মেসেজ আসার পর নাম কারেকশন এর সার্ভার কপি প্রিন্ট করে জমা দেওয়ার জন্য। কিন্তু তিনি আমাকে এভয়েট করে। রিকোয়েস্ট করার পর তা নিল এবং বলল তাড়াতাড়ি করার ব্যবস্থা কর। পরে উনার মোবাইল নম্বর নিয়ে চলে আসি ।এখনো আমাকে মিটিং এ ডাকা হয়নি।
আমার বাচ্চার জন্য ইতালিতে পাসপোর্ট তৈরি করা বাধ্যতামূলক আমি পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য বাংলাদেশ থেকে জন্ম সনদপত্র বানিয়েছি সেখানে তারা জন্ম তারিখ ভুল দিয়েছে। আমি বারবার তাদেরকে সকল ডকুমেন্ট দিয়েছিলাম কিন্তু তারা জন্ম তারিখটি ভুল আসছে বলে আমাকে জানিয়েছে। পরবর্তীতে আমি এটা সংশোধন করার জন্য দিয়েছি সে ক্ষেত্রে তারা তিন হাজার টাকা চেয়েছে তারা জন্ম তারিখ সংশোধন করে দিয়েছে ঠিকই কিন্তু জন্মস্থানের জায়গায় বাংলাদেশ লিখে দিয়েছে। যেটা ভুল হয়েছে আবারও সেখানে সংশোধন করার জন্য তাদের কাছে দিতে হয়েছে নতুন করে জন্মস্থান ইতালি লিখার জন্য। সে ক্ষেত্রে তারা আবারও আমার কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়েছে এছাড়াও প্রথমবার জন্ম সনদ তৈরি করার ক্ষেত্রেও তারা টাকা নিয়েছে।তাছাড়াও প্রচুর পরিমাণে হয়রানি করেছে.
অবশ্যই। কথাগুলো একটু পরিষ্কার, ভদ্র ও প্রভাবশালীভাবে সাজিয়ে দিলাম: আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে বিভিন্ন ভুল-ত্রুটির কথা বলে তারা পাসপোর্টের আবেদন জমা নেয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে অফিসেরই একজন লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, ১২,০০০ টাকা দিলে কোনো ধরনের কাগজপত্রের ঝামেলা ছাড়াই পাসপোর্টের কাজ করে দেওয়া হবে। বিষয়টি আমার কাছে অনৈতিক ও অত্যন্ত হতাশাজনক মনে হয়েছে। তাই আমি শেষ পর্যন্ত কোনো কাগজপত্র জমা দিইনি; বর্তমানে আমার সব কাগজপত্র আমার কাছেই আছে।
আমার বার্ত সার্টফিকেট কারেকশন এবং ছেলের বার্ত সার্টিফিকেট করার জন্য দুইটা মিলে ৪০০০ দিতে বাধ্য হয়েছি। মহাখালী সিটি করপোরেশন অফিসে দালাল এ ভরা
আমাদের তিন জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা একটি মিথ্যা মামলা হয়েছে, এই মামলার তদন্ত প্রথম তদন্ত জন্য বড়ুয়া থানার তদন্ত কারী অফিসার কে দেওয়া হয়, উনি তদন্ত করে রিপোর্ট আমাদের পক্ষে দেন কারণ মামলা টি সম্পুন্ম মিথ্যা ছিল তবুও আমাকে পনের হাজার টাকা দিতে হয়েছে, বাদী নারাজি দিয়ে মামলা টি সিআইডি অফিসে দেয়, তদন্ত কারী অফিসার আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা দাবি করেন, আমার পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রমাণ থাকার পরও টাকা না দেয়ায় আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা রিপোর্ট দেয়, প্রকাশ করলে মামলায় ঢুকানোর ভয় দেখায়,৭/৯/২৬ আমাদের জাহিনের জন্য আদালতে হাজির হতে হবে
৩ বার,৩ দিন জমাকৃত কাগজে অযাচিত ভুল ধরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বাসায় চলে যেতে নিলে ৩য় দিনে একজন কর্মকর্তা বলেন ২০০০ টাকা দিলে আর ফেরত যাওয়া লাগবে না।
আমার বাবার নামে জমি ছিল সেই জমি আমার বাবার নামে দাগ ভুল হয়ে দলিল হয়েছিল, পরবর্তীতে আমার বাবা মারা যায় ২০২০ সালে তখন আমি তার উত্তরাধিকার সন্তান হিসেবে সেই জমি আমরা তিন ভাই বন্টন মামা দলিল করতে গিয়ে দেখি দাগ-ভুল পরবর্তীতে বাবা যার কাছ থেকে জমি কিনেছিল তার কাছ থেকে সংশোধনী ঘোষণাপত্র দলিল করি তারপরে সঠিক দাগ দিয়ে দলিল করার পরে সেই দলিল দিয়ে গাজীপুর কোনাবাড়ি ভূমি অফিসে যাই খারিজ করার জন্য তখন সেই ভূমিকম্পকর্তা আমার কাছে তিন লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে সেই টাকা পরিশোধ করলে উনি আমাকে খারিজ দিতে পারবেন নতুন দেখে ঘুষের টাকা না দিলে খারিজ হবে না আমাকে বলে দেয় যেহেতু বাবার নামের দলিল দাগ ভুল ছিল দাগ নাম্বার নিরুপায় হয়ে তিন লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে আমি সঠিক দাগে খারিজ পাই ২০২৩ সালে, এটাই আমাদের বাংলাদেশ
BSখতিয়ান তুলতে ৩শত টাকা ঘুষ দিলাম পরে CS এর জন্য আবেদন করলাম ৪হাজার টাকা বেশি দাবি করলো আমি প্রত্যাখান করলাম সময় খতিয়ান নিবো এখন না নিলে চলবে সরকার এই সব কাজপত্র অনলাইন করে দিলে পাবলিক অনলাইন থেকে নিবে মানুষের ভোগান্তি থাকবে না ঘুষখোর কর্মকর্তা কর্মচারী গুলো মনে করে সরকারি অফিস কাগজপত্র তাদের বাপদাদার সম্পত্তি নিজ এলাকাতে জমির খাজনা দিলাম ৩২০০টাকা রসিদ পেলাম ২২০০টাকার পাশের একজন বলতেছে আপনি না হয়ে অন্যকেউ হলে রসিদ ৫০০টাকার দিতাম এই হলো সরকারি অফিসের কার্যক্রর্ম
ভ্যাট চালান অনলাইনে প্রতি মাসে জমা না দিলে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা হবে। বিষয়টি আমার জানা ছিল না। প্রথম যখন জানতে পারলাম তখন অনলাইনে আমি চালান সহ জমা করি। সে সময় দায়িত্ব প্রাপ্ত কাস্টম ইন্সপেক্টর আমাকে ফোন দিয়ে বলেন আপনি যে জমা করেছেন। আপনি এসবের খাতা নিয়ে আসেন। আমি বললাম কন্টাকটারি কাজে এভাবে আমরা করি নাই । তখন উনি বললেন তারপর সজার করে ৩০ হাজার টাকা ফাইন হয়েছে। আমাকে ১০ হাজার টাকা দেন না হলে আপনাকে ফাইন করে দিব। পরে বাধ্য হয়ে তাকে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে আমাকে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিমাস কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ১০০০০ করে টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে ভ্যাট বাবদ।
পটুয়াখালী জেলার খেপুপাড়া (কলাপাড়া) সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পেছন দিকে একটি কক্ষ আছে সেখানে সাব-রেজিস্ট্রাররর ভাই (সম্ভাবত) ঘুষ নেয়ার জন্য বসে থাকেন। সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও এটা নেই ওটা নেই ইত্যাদি বাহানায় অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়। ওয়ান বাই ওয়ান ক্লায়েন্ট বা তাদের দলিল লেখক ঐ কক্ষে প্রবেশ করামাত্র দরজা বন্ধ করে টাকা নিয়ে আবদেনকৃত দলিলের উপরে পেন্সিল দিয়ে টিক মার্ক বা বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দেন। এজলাসে সাব-রেজিস্ট্রার উঠে ঐ চিহ্ন দেখলেই বুঝতে পারেন সব ঠিক আছে এবং স্বাক্ষর করে দেন। এভাবই চলছে দিনের পর দিন কলাপাড়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের রমরম ঘুষ লেনদেন।
বাবা মাসে পেনশন পায় ১১০০০ টাকা। ট্যাক্স রিটার্ন নিজে নিজে দিতে গিয়ে কিছু গরমিলের কারণে অডিট ফাইল হয়। সেই প্রেক্ষিতে ট্যাক্স সার্কেল-৩০০ বাবার কাছে ২৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। বাবার রাগ করে চলে আসলে পরবর্তীতে আমি যোগাযোগ করি কয়েক দফা। শেষ পর্যন্ত ৭০০০ টাকা ঘুষ খেয়ে বাবার ফাইল ঠিক করে। আদৌ সে কাগজপত্র সঠিক কিনা জানার কোন উপায় নেই। চালানের কপিটা অনলাইনে ভেরিফাই হয় না। ভেগান্তির শেষ নেই এই দেশে।
আমার বাচ্চার পাসপোর্ট নবায়নের সময়, আমি যখন পাসপোর্ট জমা করি নিজে নিজে অনলাইনে পূরণ করে লাইনে দাঁড়িয়ে চট্টগ্রাম পাঁচলাই পাসপোর্ট অফিসে জমা করি, তখন আমাকে বলেন নতুন করে কমিশনার সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে, আগের সার্টিফিকেট হবে না, যদিও এটি তার দ্বিতীয় পাসপোর্ট ছিল। অথবা একটা লোকের নাম দিয়ে বলল যোগাযোগ করার জন্য, পরে আমি যোগাযোগ করে ওর সাথে জানতে পারি তাকে ৩৫০০/- হাজার টাকা দিতে হবে, তাইলে নতুন করে সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে না। পাসপোর্টটি আমার জরুরী প্রয়োজন হয় আমি তাকে ৩৫০০ /-টাকা দিয়ে দিলাম, সাথে সাথে আমার বাচ্চার ছবি তোলা সহ পাসপোর্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। বাংলাদেশের জন্ম করায় আমাদের অপরাধ।
সেবাটি ছিল আমার বিদেশ যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর আবেদন ফাইল জমা দিতে, সেখানে আমার কাছে 700 টাকা দাবি করেছিল, পরে আমি সেটা দিয়েছিলাম।
আমি আমার ভাইয়ের জন্য এন আই ডি আবেদন করতে গিয়েছিলাম কিন্তু এই কাজটি আমাকে অনেক দ্রুত সময়ে সম্পূর্ণ করে দিবে এর জন্যে ৪০০০ টাকা দাবি করেন এবং আমি যদি টাকা না দেই তাহলে অনেক সময় লাগবে কিন্তু আমি বলেছি এই বিষয়ে আপনার সাথে ফোনে কথা বলবো তারপর মোবাইল নাম্বার নিয়ে আসি।
নতুন ড্রাগ লাইসেন্স করতে প্রতিজনের কাছেই ১৫/২০/৩০ হাজার টাকা করে দাবি করে তারা। কিন্তু আমি টাকা দিতে রাজি হইনি, নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করেছি ১ বছর হল কিন্তু কাজের কোনোই অগ্রগতিই নেই।
ওয়ারিসি সম্পত্তি নামজারি করতে গেলে ৮৫০০ টাকা চাইছে তহশিলদার