বদলি বাণিজ্য
পিয়ন থেকে কেরানী বদলি, সহকারী শিক্ষক থেকে সিনিয়র শিক্ষক বদলিতে টাকা না দিলে বদলিই হয় না। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পিয়ন থেকে কেরানী বদলি, সহকারী শিক্ষক থেকে সিনিয়র শিক্ষক বদলিতে টাকা না দিলে বদলিই হয় না। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
২০২৩ সালের শেষের দিকে আমার বাবার পাসপোর্ট করাতে পাসপোর্ট অফিসের ভিতর থেকে আমাদেরকে বাহিরে থেকে আবেদন করে নিয়ে আসতে বলা হয়। রাজবাড়ী পাসপোর্ট অফিসের পাশে বিভিন্ন ছোট বড় আবেদনের দোকান আমরা দেখতে পাই। সেখানে লিগাল প্রসেসে আবেদন করাতে গেলে তারা বলে লিগ্যাল প্রসেসে করালে পাসপোর্ট করাতে পারবেন না। তার থেকে আমাকে কিছু টাকা বেশি দেন, পাসপোর্ট অফিসের ভিতরে আমার পরিচিত লোক আছে, আমি সবকিছু করে দিব। তারপর আমরা রীতিমত বাধ্য হই তাদেরকে ঘুষ দিতে।
আইটেম বেশি, টাকা না দিলে পরীক্ষন রিপোর্টে সাক্ষর করবেন না।
আমাকে চাকরি দিবে বলে বুকিং এর জন্য ১০১১৩৫ টাকা নিয়ে ব্লগ করে দিছে
দলিল নকল তুলতে গেলে সরকারি ফি থেকেও বেশি টাকা দিয়ে উঠাতে হয়।
আমার ভূমির বিডিএস জরিপের পর্চা ও নকশা দিতে ৩০,০০০/- ঘুষ দাবী করে সার্ভেয়ার সহকারী তখন সার্ভেয়ারও তার সম্মতি জানায়।তাদের চাহিদা মত ঘুষ দিলে ঐ দিনই (২৮/০৭/২০২৬ ইং) পর্চও নকশা দিয়ে দিবে জানায়।ইতোমধ্যে তাদের সাথে যোগাযোগ করেছি।অদ্য ০১/০৯/২০২৬ ইং তারিখেও আমাকে পর্চা ও নকশা প্রদান করে নাই।
আমার ভাতিজা (১২) গাছ থেকে পড়ে পা ভেঙ্গে যায়। আমি এবং ভাতিজার মা সহ ভাতিজাকে নিয়ে ঢাকা পঙ্গু হসপিটালে যাই ইমারজেন্সিতে দেখানোর পরে ওটিতে পাঠায়। তখন রাত 9 টা ডাক্তারদের সিফট চেঞ্জ হওয়াতে ওটিতে কোন ডাক্তার ছিল না। ওখানে থাকা সিকিউরিটি গার্ড আমাদের অফার করে ২০০০ টাকা দিলে সবার আগে আপনাদের কাজটা করে দিব। আমার ভাতিজার অবস্থা খুবই খারাপ তখন। উপায় না দেখে আমরা রাজি হই। এবং টাকা দিয়ে দেই। কিন্তু রাত বারোটা একটা বেজে যাচ্ছে সে ওটির বেডে নিচ্ছে না। তারপর রাত ২ঃ০০ টায় অপারেশন করার আগে বিভিন্ন সরঞ্জামা বাবদ আমার কাছ থেকে আরো ২৫০০ টাকা দাবি করে প্লাস্টার করার জন্য।আমি নিরুপায় হয়ে দিলাম।আমাকে বোঝায় এটা সেটা অনেক কিছু লাগবে কিন্তু অপারেশনের পরে দেখলাম তেমন বেশি কিছু লাগেনি।
জমি খারিজ করতে দেওয়ার পর একটা ভুল ধরে যে ৯ শতাংশ জমিতে দখলের কলামে একজনের নাম লেখা আছে (বাড়ি)। ৫২ বছর আগের রেকর্ড। কিন্তু সে জমির মালিক না এবং এখন দখলেও নাই। তাই নামজারি করতে দিবে না। কিন্তু ৩০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর আর কোন আপত্তি না করে কাজ করে দিয়েছে।
আমি ২০২৩ সালে হালকা যানবাহন চালানোর জন্য একটি লাইসেন্স করতে রাজশাহীর বিআরটিএ তে যোগাযোগ করি, তাদের ঠিক করা দালালের মাধ্যমে জানতে পারি ঘুষ না দিলে ২ বছরেও লাইসেন্স পাওয়া যাবে না, তাই বাধ্য হয়ে ঘুস দিয়ে আমার লাইসেন্সটি করা হয় এবং মাধ্যম হিসেবে তাদের ঠিক করা দালালের সাহায্য নিতে হয়।
থানা পুলিশ চাকরির ভেরিফিকেশন এর সময় চা নাস্তা খাওয়ার জন্য ১৫০০ টাকা নিয়েছিলো
আমি জমির খারিজ করতে এ গিয়েছিলাম তারা আমার কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা চেয়েছে।আমার সব ঠিকঠাক ছিল
DCT has framed the final assessment and after that it is needed to approval by joint commissioner of taxes, the joint commissioner of taxes demand tk. 2 lac or he added more income by dis-allowing the revenue. I ignored his demand and he directed the DCT to add Revenue income more tk. 25 lac, as a result tax burden is charged more tk. 720,000/-.
বণ্টনামা দলিল আছে, পারিবারিক জমি খারিজ করার জন্য দেওয়া হয়েছে, তাতে ২৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত দাবি করা হয়েছে,সরকারি খরচের বাহিরে ২৫ হাজার টাকা দিতে হবে।
আমি সন্দ্বীপ বিদ্যুত অফিসে মিটারের জন্য আবেদন করি।ওখানের একজন কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ১২০০০ হাজার টাকা দাবী করে।আমি যখন বলছি মিটারের সরকারি দাম তো এত টাকা না,তখন তিনি আমাকে বলে আপনি গিয়ে সরকারের কাছ থেকে মিটার নেন।এই লোক আরো অনেক জনের কাছ থেকে এভাবে ঘুস নিয়েছিলো।সন্দ্বীপের লোকজন জিগাস করলে এর প্রমাণ পাওয়া যাবে।
আমার পূর্ব বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স ২০২২ সাল পর্যন্ত পরিশোধ করি, ২০২৩ থেকে হোল্ডিং ট্যাক্স এর পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি করে ফেলে যা আমার পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়, অর্থাৎ আগে আমার বাড়ির ভেলু ছিল ১০ হাজার টাকা এখন তা করেছে ৫৬ হাজার টাকা তাই আমি আপিল করেছিলাম, কিন্তু আপনি কি তো কর্মকর্তা তার কোন সূরহা না দিয়ে আমার থেকে দশ হাজার টাকা দাবি করে, যার বিনিময়ে উনি বলে পূর্বের ভ্যালু করে দিবে। আরো বলো যে সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের কাছে গেলেও কাজ হবে না।
তারিখ দেখার জন্য জেলা লিগ্যাল এইড এর অফিসের অফিস সহ কারী। প্রতিদিন ই সবার কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নেন। ১০০। ২০০ লোক এর কাছ থেকে এমন নেন। এবং ময়মনসিংহ জেলা জজ কোর্ট এর পেসকার থেকে অফিস পিয়ন সবাই টাকা ছাড়া কোনো কাজ করেন না।
নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গিয়ে গত ৩ দিন ধরে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছি। আমার সব কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকার পরও বারবার বলা হয়েছে—“এই ভুল, সেই ভুল, ঠিক করে আনেন।” প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র দেওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত আবেদন রিজেক্ট করে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে মনে হলো, পাসপোর্ট করাটাই বাদ দিয়ে দিই। অথচ সরকারি নির্ধারিত ফি আগেই জমা দিয়েছি, সেটিও নাকি ফেরত পাওয়ার সুযোগ নেই। শেষ পর্যন্ত একজন দালালের সঙ্গে পরিচয় হয়। সরকারি কোষাগারে ৩,০০০ টাকা জমা দেওয়ার পর দালালকে আরও ৬,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। দালাল কাগজে একটি সিল মেরে দেওয়ার পরই যেন সব সমস্যার সমাধান! সেই সিল দেখার সঙ্গে সঙ্গেই আমার কাগজপত্র গ্রহণ করা হলো—এরপর আর কোনো ভুল বা সমস্যা দেখানো হয়নি।
মারসিট তুলে কলেজে টাকা নিয়েছে
মিস্কেসে এর জন্য টাকা লাগবে
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম। পাস করার পরেও ফেল করাইছে পরে শুনলাম সবাই টাকা দিয়ে করে