থ্যালাসেমিয়া রোগীর সমাজসেবা অফিসে আর্থিক সাহায্য এর আবেদন
সমাজ সেবা অফিসে আমার ভাগ্নির থ্যালাসেমিয়া রোগের জন্য সাহায্যের আবেদন করি। অয়েটিং এ রেখে দেয়।পরে অন্য একজন বলে খরচ লাগবে ১০০০০/ বলি দেব সাথেসাথে করে দেয়। ৮০০০ টাকা দেয়া লাঘছে।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সমাজ সেবা অফিসে আমার ভাগ্নির থ্যালাসেমিয়া রোগের জন্য সাহায্যের আবেদন করি। অয়েটিং এ রেখে দেয়।পরে অন্য একজন বলে খরচ লাগবে ১০০০০/ বলি দেব সাথেসাথে করে দেয়। ৮০০০ টাকা দেয়া লাঘছে।
সম্প্রতি ভ্যাট বিডি (vat.gov.bd) ওয়েবসাইট থেকে BIN (Business Identification Number) সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করি। ভেবেছিলাম অটোমেটেড সার্ভিস, ঝামেলা ছাড়াই হয়ে যাবে। কিন্তু আবেদন করার পরপরই আমার ফোন নম্বরে একটি কল আসে। সরাসরি জানানো হয়, কোনো ঝামেলা ছাড়া দ্রুত এপ্রুভাল পেতে চাইলে ১,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। টাকা না দিলে নাকি ফাইল ঝুলে থাকবে এবং সার্টিফিকেট অনুমোদন করা হবে না! অনলাইন সার্ভিসের সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল সাধারণ উদ্যোক্তাদের, কিন্তু এখানেও মধ্যস্বত্বভোগী আর অসাধু কর্মকর্তাদের চাঁদাবাজি শুরু হয়ে গেছে। ১,০০০ টাকা হয়তো অঙ্কের হিসেবে বড় কিছু নয়, কিন্তু এই সংস্কৃতি একটা নতুন ব্যবসার শুরুতেই বাধা তৈরি করে। আমরা যদি প্রতি পদক্ষেপে এভাবে নীরব থাকি, তবে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার কোনো অর্থই থ
সাভার উপজেলা শিক্ষা অফিসে পিইসিই (PECE) সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য নোটারিসহ আবেদন করার পর কর্মকর্তা বলেছিলেন ২ মাসের মধ্যে কাজ হবে। কিন্তু টানা ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমাকে ঘুরেও কোনো কাজ হয়নি। পরবর্তীতে অন্য ভুক্তভোগীদের মাধ্যমে জানতে পারি, আবেদন গ্রহণকারীকে ২-৩ হাজার টাকা ঘুষ দিলে তিনি দ্রুত কাজ করিয়ে দেন। টাকা না দেওয়ার কারণেই আমাকে এতদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। সরাসরি ঘুষ দেওয়ার অভিজ্ঞতা না থাকায় মাধ্যমিক বিভাগের একজনের মাধ্যমে সেই টাকা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করি। টাকা দেওয়ার মাত্র ১ সপ্তাহের মধ্যে সনদটি হাতে পেয়ে যাই! ঘুষের টাকার জন্য যে কাজের পেছনে ১ বছর ঘুরতে হলো, পকেটে টাকা যেতেই তা হয়ে গেল মাত্র ৭ দিনে। সনদ হাতে পাওয়ার পরও আমি খুশি হতে পারিনি কারন আমি ঘুষ দিতে চাইনি।
আমি ধাপে ধাপে অফিসের বিভিন্ন খরচ বাবদ প্রায় ২২ হাজার টাকা দিয়েছি,,আমাকে রিছিড দেয়া হয়ে ১৭৫০০ টাকার,,যাই হোক আমি অফিসের সকল খরচ দিয়েছি,,এখন পিয়ন,,মেনেজার এবং আরো দুই জন আছে,,এই দুই জন আমার লোনের সকল কাজ করে দিয়েছে,,উনাদের নাম্বার ছবি বয়েছ, মেছেজ সব কিছু আমার কাছে আছে,,এখন উনারা বলতেছে,,মেনেজার সার ১৫ হাজার টাকা চাচ্ছে মিষ্টি খাওয়ার জন্য,,যদি টাকা না দেন,,তাহলে মেনেজার সাইন করবে না,,,আমি বলেছি মিষ্টি খাবেন ভালো কথা,, টাকা আমার একাউন্টে আসবে,,আমি সবাইকে মিষ্টি খাওয়াবো,,,তাতে রাজি হয় নাই,,বললো,,আরে ভাই,,আপনি বুঝেন না,,মিষ্টি মানে ঘুষ,,,,,,,এই ঘুষের টাকা না দিলে,,, সার,, সাইন করবে না,,,আমি ঘুষের টাকা দেই নাই,,তাই আমার লোন হয় নাই,,,২২ হাজার টাকা ধরা খেলাম,,,এখনো কল দেয়,,বলে,,,ঘুষ দেন। লোন নেন।
ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অতিরিক্ত ৫০০ টাকা নিয়েছিল
আমি পাসপোর্ট নতুন করার জন্য সবকিছু নিয়ে যাই,কিন্তু ততক্ষণে দূপুর ১ টা বেজে যায়,ওরা বললো সব ক্লোজ হয়ে গেছে এখন হবেনা, আপনি আগামী রবিবারে আসেন।কিন্তু পাশ থেকে এক আনসার সদস্য আমাকে ইশারা দিয়ে ডাকলো এবং ৪৫০০ টাকার বিনিময়ে ১০ মিনিটের মধ্যে আমার কাজ হয়ে গেলো।
উত্তরাধিকার সন্দপত্রের জন্য আবেদন।প্রশাসক টাকা ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে শুনানির জন্য প্রসেস করবে না।আর ম্যাজিস্ট্রেট এর শুনানি যদি না হয় উত্তরাধিকার সনদপত্র পাব না।তাই দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমার স্ত্রী অন্তস্ত্যা থাকা কালিন, সরকারি জেই দুঘধ ভাতা দেয়া হয় সেটার জন্য আবেদন করি, সেখানে আমাকে ৩০০০ টাকা দিতে হয়।পরে তারা আমার ব্যংকের একাউন্ট নাম্বার ভুল করে সেটা ঠিক করার জন্য আবার ২০০টাকা নেয়
গাড়ির ফিটনেস করতে গেলে টাঙ্গাইল বিআরটিএ টাকা না দিলে কোন কাগজ দেয় না।। বড় স্যারেরা এটা সরাসরি নেয় না।। অফিস পিওন এর হাত দিয়ে নেয়।। পিওন ২০০০ টাকা ছাড়া কাগজ দেয় না।। ঘোরাগুরি করায়। ৫ দিন পর কাগজ দিছে তাও ২০০০ টাকা ঘুশ দিয়ে।। আমি ওখান কার প্রতেক গাড়ির চালক দের কাছে শুনছি তারা বলেছে গাড়ি প্রতি তারা ২০০০ নেয়।। এসব টাকা নেওয়ার মুল হতা অফিস পিওন।। মুলত বড় স্যার রা ওর মাধ্যমে টাকা গুলা হালাল করে৷। ১০০% গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারও ২০০০ টাকা ছাড়া কেও ফিটনেস সদন পাবে না।। পিওন কে দেখলে মনে হবে এ তো গরিব। না ও বেনসন ছাড়া খায় না।। ওর সমস্ত কিছু তদন্ত করা হোক।।
2022, আমার মা ৪ লাখ টাকা ব্যাংক এ রাখবে। লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা কেশিয়ার কে দিলাম। উনি সব টাকা নিলেন, ও এলোমেলো করে রাখলেন। ১০০০ ,৫০০ টাকা একদিকে করলেন ও বান্ডিল বানালেন। নিজে করলেন কিছু, আবার আমাকে দিয়েও করালেন। এরপর হিসেবে ৫০০ টাকা কম দেখালো। যদিও আমরা ৪ লাখ ই গুনে দিয়েছিলাম, আমার মতে উনি গুনার সময় ৫০০ টাকা সরিয়ে ফেলেছিলান চালাকি করে। যাই হোক যথেষ্ট প্রতিবাদ করেছি , আর বেশী বাড়াবাড়ি না করে উপরে আল্লাহ এর কাছে বিচার দিয়ে, নিজ থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে ৪ লাখ পুরণ করে জমা দিয়েছি। এই লোভ আমাদের ছাড়লো না, নিজেকে নিজের দেশকে , এই মানুষ কে ভালোবাসা কমে যাচ্ছে কেবল। এর দায় কাদের।
মূল পেনশনার মৃত্যুর পরে পেনশনারের স্ত্রীর নামে পেনশন আসতে আসতে প্রায় 1 বছর এর মতো সময় লেগে যায় যেখানে 82400 টাকার মতো এককালীন টাকা জমা হয় পরে সেই টাকার চেক ছাড়াতে গেলে হিসাবরক্ষণ অফিসের পিওন দাবি করে টাকা দিলে সাথে সাথে ছাড়িয়ে দিবো অর্ধেক অর্ধেক।নাইলে ওই টাকা আর কখনোই পাবেন না।যার দরুন অর্ধেক এ রাজি হয়ে যাই। তখন আমার স্মার্ট ফোন না থাকার কারনে ভিডিও ক্লিপ তুলতে পারিনি।
আমি পাস করব বানানোর জন্য নাগরিক সনদের জন্য আবেদন করছি আবেদন করে নিয়ে যাওয়ার পর আমার আবেদন করা হয় নাই এই বলে নতুন করে আবেদন করতে হবে তাই ৫০০ টাকা নিল
আমি নিজের আবেদন নিজেই করেছিলাম। পরে অফিসে কাগজ জমা দিতে গেলে তারা বলে বড় স্যার ব্যস্ত আছে অনেক সময় লাগবে। আপনি ফাইল রেখে যান কোন একদিন হয়ে যাবে। পরবর্তীতে সাড়া দিয়ে বললো এক হাজার টাকা দেন পাঁচ মিনিটের ভিতরে সিগনেচার করে দিচ্ছি পরে আমি টাকাটা পরিশোধ করলাম এবং সত্যি ৫ মিনিটের ভিতরে সিগনেচার করে দিল। এই ফাইলটি পরবর্তীতে নড়াইল কাচারিতে তিন মাস ধরে পড়ে আছে টাকা না দেওয়ার জন্য।
আমার বাবা ওমরা হজ্ব করার জন্য পাসপোর্ট করবেন। আমি ওয়েবসাইট থেকে এপ্লিকেশন করে চালানসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপএ দিয়ে বাবাকে পাসপোর্ট অফিসে পাঠাই। ছবি তোলা ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দেয়ার জন্য গেলে সেখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তা এপ্লিকেশনে ভুল আছে বলে কাগজপএ ফেরত দেন। যদিও সেখানে কোন ধরনের ভুল ছিলো না।আমার বাবা পাশের একটি কম্পিউটার দোকানে যান। তিনি জানান, স্যারদের টাকা পয়সা না দিলে হবেনা। তিনি ২০০০ টাকা দেন। নতুন এপ্লিকেশন করে জমা দেয়া হয়। ঝামেলা ছাড়া একমাস পর পাসপোর্ট পান। এর আগে, আমার মায়ের পাসপোর্ট করার সময়, ১৫০০ টাকা পাসপোর্ট অফিস ও ১৫০০ টাকা পুলিশের ভেরিফিকেশন বাবদ দালালকে দিতে হয়৷ দালাল ছাড়া পাসপোর্ট হয়না এটা সবাই জানে এবং মেনে নিয়েছে। এই টাকা দিন শেষে ভাগ হয় সবার মধ্যে। এ কেমন কথা ভাই?
পিয়ন থেকে কেরানী বদলি, সহকারী শিক্ষক থেকে সিনিয়র শিক্ষক বদলিতে টাকা না দিলে বদলিই হয় না। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
২০২৩ সালের শেষের দিকে আমার বাবার পাসপোর্ট করাতে পাসপোর্ট অফিসের ভিতর থেকে আমাদেরকে বাহিরে থেকে আবেদন করে নিয়ে আসতে বলা হয়। রাজবাড়ী পাসপোর্ট অফিসের পাশে বিভিন্ন ছোট বড় আবেদনের দোকান আমরা দেখতে পাই। সেখানে লিগাল প্রসেসে আবেদন করাতে গেলে তারা বলে লিগ্যাল প্রসেসে করালে পাসপোর্ট করাতে পারবেন না। তার থেকে আমাকে কিছু টাকা বেশি দেন, পাসপোর্ট অফিসের ভিতরে আমার পরিচিত লোক আছে, আমি সবকিছু করে দিব। তারপর আমরা রীতিমত বাধ্য হই তাদেরকে ঘুষ দিতে।
আইটেম বেশি, টাকা না দিলে পরীক্ষন রিপোর্টে সাক্ষর করবেন না।
আমাকে চাকরি দিবে বলে বুকিং এর জন্য ১০১১৩৫ টাকা নিয়ে ব্লগ করে দিছে
দলিল নকল তুলতে গেলে সরকারি ফি থেকেও বেশি টাকা দিয়ে উঠাতে হয়।
আমার ভূমির বিডিএস জরিপের পর্চা ও নকশা দিতে ৩০,০০০/- ঘুষ দাবী করে সার্ভেয়ার সহকারী তখন সার্ভেয়ারও তার সম্মতি জানায়।তাদের চাহিদা মত ঘুষ দিলে ঐ দিনই (২৮/০৭/২০২৬ ইং) পর্চও নকশা দিয়ে দিবে জানায়।ইতোমধ্যে তাদের সাথে যোগাযোগ করেছি।অদ্য ০১/০৯/২০২৬ ইং তারিখেও আমাকে পর্চা ও নকশা প্রদান করে নাই।