মামলার জাবেদা নকল উত্তোলন
জেলা রেকর্ডরুম শাখায় মামলার জাবেদা নকলের আবেদন করলে তারা ১০০০ টাকা চেয়ে বসে। আমি দিতে নারাজ হলে তারা ১০-১২ দিন সময় বেধে দেয়। বলে টাকা দিলে আজকেই পাবেন।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জেলা রেকর্ডরুম শাখায় মামলার জাবেদা নকলের আবেদন করলে তারা ১০০০ টাকা চেয়ে বসে। আমি দিতে নারাজ হলে তারা ১০-১২ দিন সময় বেধে দেয়। বলে টাকা দিলে আজকেই পাবেন।
২০ বছর চাকুরী শেষ করে যখন আমার পেনশন কার্যক্রমের জন্য ফিল্ড পে অফিস এ গেলাম, অডিটর আমার কাছে ৭০,০০০/- দাবী করে। আমি প্রত্যাখ্যান করি।
আমার মিলের জন্য লাইন নামাতে বন বিভাগের ক্লিয়ারেন্স নিতে হচ্ছিল। এবং তা পাওয়ার জন্য আমাকে ৪ মাস ঘুরানো হয়েছে।
বাড়ির ব্যক্তিগত জায়গা থেকে রাস্তা সরিয়ে যেখান থেকে রাস্তা হওয়ার কথা ছিল সেখানে স্থানান্তরিত করার জন্য ১০০০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ইঞ্জিনিয়াররা।
আমার ভেলিড বি.এড সার্টিফিকেট এপ্রোভ করে ১০ম গ্রেডে আবেদন করি,উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে আমাকে যোগাযোগ করতে বলা হয়,যোগাযোগ মানে হলো আবেদন তারা পরবর্তী ডিডি অফিস এ পাঠাবে যদি আমি যোগাযোগ করি,যোগাযোগ করি নি বিদায়, others coause লিখে ফাইল রিজেক্ট করে দিয়েছে। বি.দ্র: ফাইল সাবমিট করা হয় অনলাইন এ , এখানে সরাসরি কোনো অফিস এ যোগাযোগ এর দরকার নেই।
সার্টিফিকেট আর্জেন্ট এপ্লাই করি, ফি সরকারি ব্যাংকে জমা দিয়ে প্রয়োজনী কাগজ কর্তব্যরত অফিসারকে জমা দিলে তিনি চা নাস্তা খাওয়ার টাকা চায় আমার বাহিরে এপ্লাই করার ডেডলাইন আছে তাই আমি দামাদামি করি নাই যা চাইসে দিয়ে দিসি যাতে পেপার দ্রুত সময়মত পাই।
আমি বায়োমেট্রিক দিতে গেছিলাম। উনারা টাকা ছাড়া বায়োমেট্রিক গ্রহণ করে না। তাই আমাকে বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা দিতে হয়েছে।
ট্রেড লাইসেন্স 2000দিয়েছি কিন্তূ অতিরিক্ত 500টাকা আলাদা নিয়েছে তাই আমরা চাই অনলাইন নিজের টাকা নিজে যেন টাকা দিতে পারি
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে সব কাগজপত্র ঠিক থাকা স্বত্বেও ফাইল রিজেক্ট করে দিয়েছিল। পরবর্তী মাসে ১৫০০০ টাকা দেওয়ায় পূর্বের কাগজেই ফাইল সেইভ হয়েছে।
ভূমি অফিসে নায়েব এই টাকা চাইছে। কিন্তু জমি আমরা ৪০ বছর দখলে।
Bsti license er jonno 15000 gos dai
নিজের নামে দলিল নামজারি করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মচারির কাছে গিয়ে সহয়তা চাইলে তিনি বলেন হবে তার জন্য এ করতে হবে ও করতে হবে দলীল প্রতি ৫ হাজার আবার অনেক দিনের পুরাতন কাগজ তুলা লাগবে আবেদন খরচ আছে ইত্যাদি বুঝিয়ে টাকা দাবি করে ২৫০০০ টাকা
ঘুষ চেয়েছিল প্ল্যান পাস করার জন্য
সম্প্রতি ভ্যাট বিডি (vat.gov.bd) ওয়েবসাইট থেকে BIN (Business Identification Number) সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করি। ভেবেছিলাম অটোমেটেড সার্ভিস, ঝামেলা ছাড়াই হয়ে যাবে। কিন্তু আবেদন করার পরপরই আমার ফোন নম্বরে একটি কল আসে। সরাসরি জানানো হয়, কোনো ঝামেলা ছাড়া দ্রুত এপ্রুভাল পেতে চাইলে ১,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। টাকা না দিলে নাকি ফাইল ঝুলে থাকবে এবং সার্টিফিকেট অনুমোদন করা হবে না! অনলাইন সার্ভিসের সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল সাধারণ উদ্যোক্তাদের, কিন্তু এখানেও মধ্যস্বত্বভোগী আর অসাধু কর্মকর্তাদের চাঁদাবাজি শুরু হয়ে গেছে। ১,০০০ টাকা হয়তো অঙ্কের হিসেবে বড় কিছু নয়, কিন্তু এই সংস্কৃতি একটা নতুন ব্যবসার শুরুতেই বাধা তৈরি করে। আমরা যদি প্রতি পদক্ষেপে এভাবে নীরব থাকি, তবে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার কোনো অর্থই থ
Jomi bikri registri Korte gele joto Jon jomir aongshidar , portijoner tip soy per head 100 tk diyeci Dolil par Korte protik doliler Sathe tk na dile dolil par Hoy na Bisoy ta dekhle Amra hoyrani theke bachtam
দুই বছর আগে আমাকে প্রায় ১৪ বছর আগের রিটার্নের ভিত্তিতে কর ফাঁকির মিথ্যা এবং সাজানো মামলা দিয়ে ফাঁসানো হয়েছিল। যে বছরের রিটার্ন দাখিল করেছিলাম সেই বছর আমার সর্বমোট আয় ছিল প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। আমি একজন ডাক্তার এবং একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করতাম। আমার বেতনের পুরোটাই জমা হত ব্যাঙ্কে। বেতন ছাড়া আমার অন্য কোন আয় ছিলনা। যেহেতু আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করতাম তাই প্রাইভেট প্রাকটিস এর সুযোগ বা সময় কোনটাই ছিলনা। একমাত্র বসত বাড়ি ছাড়া আমার ব্যাক্তিগত বা পৈত্রিক বা অন্য কোন সুত্রে পাওয়া জমি বা সম্পদ বা আয়ের উৎস ছিলনা। কোথাও কোন ব্যাবসার শেয়ার ছিলনা। অথচ আমার নামে প্রায় ৭/৮ টি মিথ্যা এবং সাজানো আয়ের উৎস উল্লেখ করে আয় লুকানো এবং কর ফাঁকির মামলা দিয়ে প্রায় ৪৪ লক্ষ টাকা দাবী করা হয়েছিল।
Amar choto Vai er sob papers thik thakly passport office niccilo na, jokhon Dalal diye joma dilo tkn niye nilo .
নামজারি করতে গেছি, জিজ্ঞেস করলেন কি আনছেন কাগজ পত্র সব নিয় আনছেন? বলছি আনছি, আবেদন করছেন? করছি।ফাইল নাম্বার কত? বলছি, তারপর সবকিছু দেখে বলতছে সব ঠিক আছে, দেন টাকা দেন? কিসের টাকা? আপনি জানেন না? না। প্রতি ফাইলের জন্য ২৫০০ টাকা দেন। তা না হলে রিপোর্ট দেবে না। আমি প্রাবাসি মানুষ, আমার ছুটি কম, দশ দিন পরে ছলে জাব, বলিতেছ জলদি দেন, আপনার লেট আপনি করবেন, দিলাম।আজ বদি কাজটা করে দেই নাই । আমি ছলে আসছি বিদেশে,ছয় সাত মাস পরে দেখি, আবেদন বাতিল।
কাস্টম অডিট করার জন্য প্রতিবছর চক্রবৃদ্ধি আকারে বাড়তে থাকে ২০১৯ এ ২০০,০০০ দিয়েছিলাম ২০২৫ এ ৪০০,০০০ এখন আবার চাই ৫০০,০০০। কমবেশি করার সুযোগ ও থাকে না। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। কারখানা বন্ধ করতে হলেও ২০,০০,০০০ টাকা দিতে হবে। এরকম হলে তরুণ প্রজন্ম কখনো উদ্যোক্তা সাহস দেখাতে পারবে না।
টিকা দিলে দিতে হবে জন প্রতি।