পেনশন / পিআরএল
পেনশন ফাইল প্রতি ৫০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পেনশন ফাইল প্রতি ৫০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
ট্যাক্স অফিসে একজন সাধারণ করদাতা যখন নিজের দায়িত্ব পালন করতে যান, তখন তার প্রত্যাশা খুব সাধারণ—নিয়ম মেনে কাগজপত্র জমা দেবেন, প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করবেন এবং বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু বাস্তবতা অনেক সময় ভিন্ন। আর কখনো কখনো এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেখানে নিয়ম অনুযায়ী যে কাজটি বিনা খরচে হওয়ার কথা, সেটি দ্রুত করাতে অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার চাপ বা ইঙ্গিত আসে। তখন প্রশ্ন জাগে— রাষ্ট্রকে কর দেওয়ার পরও একজন করদাতাকে কেন তার ন্যায্য সেবা পাওয়ার জন্য আলাদা করে টাকা দিতে হবে? কমিশনার থেকে শুরু করে অফিসের পিয়ন পর্যন্ত সবাইকে কেন ঘুষ দিতে হবে যেখানে আমি আমার সবটুকু ট্যাক্স পেমেন্ট করছি। এই নোংরা সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।
সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে গাজীপুরের একজন ইমারত পরিদর্শক আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। তবে প্রতিষ্ঠানপ্রধান বরিশালের দুইজন প্রার্থীকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য টাকা দিতে চাইলেও তিনি তা নেননি। বর্তমানে আমাদের ওয়েটিংয়ে রাখা হয়েছে। একজন মেধাবী ছাত্রী রয়েছেন; তিনি যদি চলে যান, তাহলে আমাকে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে নিয়োগ দেওয়া হবে—এই আশায় অপেক্ষা করছি।
Amar ma ekjon school teacher chilen, uni retired er por chele meyeder sathe thakar jonno desher bahire thaken, tai onar pension er taka age monthly tulte parto na , deshe gele tulto eksathe 2 years kore oi taka tular jonno protiber 15000 taka kore gush ney tara.
বিদ্যুত উপকেন্দ্র অনুমোদনের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অফিস খরচ বাবদ ২৫০০০/- টাকা নিয়েছিল।সংশ্লিষ্ঠ পরিদর্শক বলেন তার অনুমতি বেতিত ৬ মাস পূর্বে কেন টাকা নেয়া হয়েছে।সে বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বকা দেন ও আমার টাকা ফেরত দিতে তাঁকে বাধ্য করেন।আসলে আমাদের উচিত উপকেন্দ্র অনুমোদন এর জন্য এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে কাজ না দিয়ে সরাসরি করলে সিনিয়র বিদ্যুৎ পরিদর্শক এর দপ্তরের ঘুষ বিহীন সেবা পাবো বলে আমার বিশ্বাস ।
বললো এখানে কাজ করতে হলে টাকা ছারা কাজ করা যায় না রং এক দুই দিনের কাজ ৫-৬ মাসেও হবে না। এবং জটিলতা সমস্যা করা হয় নানা মন্তব্য করেছে আমাদের মানুষ এই মনে করে না বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।
প্রতি লাখে ১৫ হাজার টাকা করে না দিলে প্রকল্প পাওয়া যায়না
বাংলাদেশ দূতাবাস রোম এর কতিপয় কর্মকর্তা এর যোগসাজসে প্রতিনিয়ত প্রবাসী বাংলাদেশিরা চরম ভোগান্তির স্বীকার। পাসপোর্ট এর এপয়েন্টমেন্ট মূল্য সর্র্বনিম্ন ১০০ ইউরো থেকে ৩০০ ইউরো পর্যন্ত, ভিসা এপয়েন্টমেন্ট ১০০ থেকে ১৫০ ইউরো জন্ম নিবন্ধন এর জন্যে সর্র্বনিম্ন ১০০ ইউরো সার্টিফিকেট এর জন্যে ৫০ থেকে ১০০ ইউরো
আমার ব্যবসা ২০১৫ থেকে সেই সুবাদে আমি ২০১৫ থেকে ট্রেড লাইসেন্স করি। প্রতি বছরের ন্যায় এইবার যখন আমি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে গেলাম, তখন তারা বললো এবার নাকি গভমেন্ট নিয়ম করেছে উপজেলা,কোনাখোলা থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রত্যয়ন ছারপত্র লাগবে। এরপর আমি চলে গেলাম উপজেলা,কোনাখোলা, আমি সেখানে যাওয়ার পর - নির্বাহী অফিসার বললেন আমার ব্যবসার ইনকোয়েরী হবে তারপর ছারপত্র দেবে, আমি বললাম ঠিক আছে। তারপর ইনকোয়েরী হল আর আমাকে ফোনে যানালো হল ৫ হাজার টাকা দিতে হবে ছারপত্র নেওয়ার জন্য, এরপর আর কি করার উপজেলা,কোনাখোলা এর নির্বাহী অফিসার কে ৩হাজার টাকায় কোন রকম রাজি করিয়ে প্রত্যয়ন ছারপত্র নিয়েছি।
আমাদের দুই চুলার গ্যাসের লাইনের রাইজারের স্থান পরিবর্তনের জন্য আমার কাছে ৬০০০০/- টাকা দাবি করে।। সত্যি কথা বললাম ভাই আল্লাহ গজব আছে আমার উপর না হলে এমন একটা চোর মার্কা দেশে জন্ম হয়। বাস্টার্ড এ ভরা এই দেশ। কেন ভাই বাড়ির এক সাইট থেকে আরেক সাইটে পাইপ পরিবর্তনে ৬০০০০/- টাকা চান কেন ভাই। এদের কি কোন লজ্জা নাই । নাকি আমাদের উপর জুলুম করার জন্যই এদের জন্ম। ভাই যদি এমনই হতে থাকে কেন ভাই আশা দেশ এদেশ থাকা । ভিসা দেক চলে যাই ।
এই বিদ্যুৎ অফিসটি পারহাউজ মোড়ে, সেখানে আমি আমার বাসায় মিটার লাগানোর জন্য তথ্য নিয়ে গেছিলাম, সেখানে আমাকে প্রথমে ৬ হাজার টাকার মতো খরচ বললো, তারপর দেরি হওয়াতে আবার সেখানে গেলে বলে উপরের বস আছে এই বলে মোট ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে। পরে জানতে পারি মিটার লাগাতে এত টাকা খরচ হয় না, ব্যস্ততা এর কারণে এইসব ব্যাপারে মনোযোগ দিতে পারি নি
নওগাঁ জেলার পত্নীতলার আকবরপুর ইউনিয়নের আকবরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিসসহকারী কাম হিসাব সহকারী পদে চাকুরী পেয়েছিলাম কিন্তু ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ার কারণে কোন নিয়োগ পত্র পাঠাচ্ছে না। রেজাল্ট পেলাম কিন্তু নিয়োগ পত্র পেলাম না। ২ বছর হয়ে গেল।
এখানে দলিল করার জন্য তিনটি চাঁদা দিতে হয়। প্রথমটি ৬০০০ টাকা, দ্বিতীয়টি ৩০০০, তৃতীয়টি ৩০০০, এছাড়াও হলফনামা প্রদানের জন্য ৩০০০ টাকা দিতে হয়। অথচ হলফনামার দাম ২০০ টাকা।
নামজারির জন্য সরকারি ফিস ১১৭০ টাকা হলেও এই অফিসে সর্বনিম্ন ৬০০০ টাকা নেয়।
শোভন টিকেট ৩৫০/৪০০ টাকা করে ব্লেকারদের সাথে হাত মিলিয়ে বিক্রি করে
ঘুষ নিয়েও আমাকে অনেক পেরেশানি করেছে কাজ ঠিকমতো করে দেয় নাই ঘুরাইছে অনেক মানে জীবনের চরম বাজে অভিজ্ঞতা।
আমি জমির জাবেদা তুলার জন্য সাব- রেজিস্টার অফিস এ যাই । আমার কাছে ১৫০০ টাকা চাইছিল, ১১০০ টাকা দিয়ে কাজ করে। অফিসার কে এই বিষয় বললে , উল্টা বুঝায় আমাকে, যেন এই টাকা তার অধিকার।
নগদ ৪২০০০ টাকা দিয়েছিলাম তার মধ্যে ২৫০০০ টাকার খাজনা পরিশোধ করে আর বাকি টাকা তার ১৭০০০ ঘুষ।
পাসপোর্ট এর ছবি তোলার ডেট এ গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছি, লাইন আগায়না ঘন্টার পর ঘন্টা কিন্তু কিছুক্ষন পর পর দেখছি পুলিশ সাইড দিয়ে আলাদা একটা রুমে লোক ঢুকাচ্ছে এবং ছবি তুলতে পাঠাচ্ছে। আমি ও একটা পর্যায়ে পুলিশ কে জিজ্ঞেস করলাম কিভাবে আগে ছবি তোলা যাবে? পুলিশ বললো ২৫০০ টাকা লাগবে, আমি বললাম এতো টাকা তো এখন নাই আমার কাছে, পুলিশ বললো কতো দিতে পারবেন? আমার কাছে ১৮০০ টাকা ছিল দেয়ার মতো,আমাকে সেই আলাদা রুমে নিয়ে গেলো এবং ভিতরে গিয়ে দেখলাম আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য বসা ওখানে। ১৮০০ টাকা দিলাম সাথে সাথে আমাকে লাইনের সামনে দাড় করিয়ে দিলো এবং ৫/৬ মিনিটের মধ্যে ছবি তোলার সিরিয়াল পেয়ে গেলাম।
Subcontcat permission SRO is a black law, before we took this permossion form BGMEA no expenses. Now customs taking gush 75000 to 100000 taka.. and need 6-7 days to get the permission , then we have to apply subcontcat receiving area customs/epz area customs pernission , it is fully blak law and gushkhor customs officer are making money , they damaging our country business , immidiate stop or cancelled this SRO. businsess units are help less by the NBR hushkhor haynas.