পুলিশ ভেরিফিকেশন
পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে এসে ঢাকাতে ১৫০০ টাকা আর স্থায়ী ঠিকানা বরিশাল এ ১৫০০ টাকা নিয়েছে
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে এসে ঢাকাতে ১৫০০ টাকা আর স্থায়ী ঠিকানা বরিশাল এ ১৫০০ টাকা নিয়েছে
আমি জোয়ারা সাহারা বিআরটি এ বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেছি, প্র্যাকটিক্যাল দেওয়ার সময় পরিক্ষা যে-ই লোক নিতাছে, সে আমাদের কাছ এসে জিজ্ঞেস করতেছে, এখানে কারা কারা কনটাক্ট করে আসছে, মানে দালাল এ-র বলতেছে, যারাই না বলতেছে যে দালাল দরি নাই, তখন বলতেছে চলে যান,আর যাঁরা দালাল ধরছে তাদের এক পাসে দাড় করাইতেছে, আমার সামনে ৩৬ জন পরিক্ষা দিছে ১ জন পাস করছে, যে-ই লোক পাস করছে সে আর্মির ড্রেস এ আসছিলো, বাকি ৩৫ জন ফেল, আমার সিরিয়াল যখন আসছে, বাইকে এ-র হ্যান্ডেল খালি ধরছি,বাইকের হ্যান্ডেল খুলে গেছে,মানে কি বলবো বুঝতে পারছি না, তখন দলাল বললো যে ফেল, তখন বুঝলাম কেনো দালাল বলছিলো, যাঁরা দালাল ছাড়া আসছে চলে যেতে, আর সে-ই লোক যে বাইকের সাথে কিছু করে রাখছে সেটাও বুঝলাম, পরে সেই লোক বাধ্য হয়ে টাকা দেওয়া লাগছে,
Birth certificate applications for 2 family members...! In total they demanded more than 4000bdt and we had to pay about 4000 in total. First they came up with an issue in the process and kept asking for more money gradually. Finally they demanded another 1500 bdt while handing over the birth certificate.
SB paper thik thakar por . online copy dekhaisi bole .taka nilo .main copy chay .ki a job sesh asi.
নামজারি করতে আমরা জানি ১১৭০ টাকা লাগে কিন্তু সেখানে কি হয় না নানান কাগজের সমস্যা এটা সেটা বইলা তারা সবকিছু ঠিক কইরা দিবে এগুলা বলে ৮000 টাকা নেয়? বাংলাদেশের প্রত্যেকটা খাতই ঘুষের প্রস্তাব বেশি থাকে ভূমি অফিস সরকারি সবখাতে পাসপোর্ট অফিস
আসসালামু আলাইকুম স্যার আমি বিদ্যুৎ গ্রাহক আবু জাকের বলছি। এলাকা কৃষ্ণরামপুর নোয়াখালী। আমার মিটারে গত কয়েক মাস যাবৎ বিদ্যুৎ বিল বেশি আসছে তাই অভিযোগ করলে বলে আপনার কিলোওয়াট বেশি কমাতে হবে।পরে ৩৫০ টাকা অফিস ফি পরিশোধ করি ও আবেদন করি ৩কিলোওয়াট কে ২ কিলোওয়াট করার জন্য। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো রেজিস্ট্রারে ৪১৭ নম্বর সিরিয়াল আমার কিন্তু ২/৩ দিন পরে সাইন হয়েছে কিনা খবর নিতে গেলে দেখি আমারটা পড়ে আছে পরে ৮/৯টা সাইন ও অনুমোদন হয়েছে।যে লোকটি আমাকে দেখালো খাতা সে আমাকে বল্লো ২০০/৩০] টাকা চা নাস্তার খরচ দিলে সাইন করে রাখবে।কিন্তু কথা হলো আমি সব রেডি করে দিছি এখন তাকে কেন খরচ দিতে হবে?? আমার পরের গুলো আগে কেন সাইন হলো??
আমি ১৯৭৭ সালের একটি দলিলেরসার্টিফাই কফির জন্য আবেদন করেছিলাম আমার নিকট থেকে ২৭০০ টাকা নেওয়া হয়েছে অনেক বেশি। সরকারি পি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা হইতে পারে। কিন্তু আমার থেকে নেওয়া হয়েছে ২০০৭০০ টাকা।
নামজারি করতে গেলে বলে এই দাগে সমস্যা আছে তাই ১ লাখ টাকা লাগবে। কী সমস্যা তা বলে না। আগের মালিক কীভাবে নামজারি করেছিল জানতে চাইলে বলে সেও টাকা দিয়ে নামজারি করেছিল। এইভাবেই নাকি চলতে থাকবে আজীবন। আমার যেহেতু নামজারি করা জরুরী ছিল তাই ফেলে না রেখে তাদের দাবি মেনে নিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসে আমার আব্বার চিকিৎসার জন্য একটা আর্থিক আবেদন করতে গিয়েছিলাম। তিনি ব্রেইন স্টোক করে প্যারালাইসড হয়ে গিয়েছিলেন। ত আমাদের আবেদনের ফাইল সমাজসেবা অফিসারের কাছে জমা দেয়না অফিস সহায়ক। সে বেশ কয়েকবার ডেট দিয়েও অফিসারের কাছে ফাইল জমা করেনা। শেষে ৫০০ টাকা চা খাওয়ায় বিল চেয়ে বসল। কিন্তু খারাপ লাগাটা ছিলো ওই অফিস সহায়কের টেবিলে লিখা ছিলো হযরত আলী রাঃ এর ঘুষ লেনদন করা কতটা জঘন্য কাজ এ সম্পর্কিত একটা বাণী। অনেকটা নিরুপায় হয়ে দিতেই হলো টাকাটা।
আমি মানিকগঞ্জের ঝিটকা থেকে বলছি, এখানে পীর পূজারী মাজার ব্যবসায়ী, যারা সমাজ পরিচালনা করে, এবং সমাজের খারাপ ছেলেদের দিয়ে নেশাদার দ্রব্য দিয়ে খারাপ পথে পরিচালনা করে এবং প্রতিনিয়তই সমাজে যারা ভালো ব্যক্তি তাদেরকে এই খারাপ মানুষ দিয়ে হয়রানি করে এবং নানা ভাবে অত্যাচার করে থাকে, এবং কি প্রশাসন ও তাদের কথাই চলে, এটা শুধু চিৎকার গল্প, মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে প্রায় সব জায়গায় এরকমই চলে
আপনি টাকা দিবেন একমাস সময়ের মধ্যে আপনার বাড়িতে মিটার লাগিয়ে দেওয়া হবে কোন কিছু আপনাকে করতে হবে না।
নতুন একাউন্ট খোলার সময় আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা দাবি করে আমি না দেওয়াই আমার ফাইল এই টেবিল ওই টেবিল করতে করতে দুপুর একটা বাজে এবং পরে বলে আজকে হবে না তিনদিন পরে আসেন আমি ঢাকাতে চাকরি করি ঐদিন ছিল বৃহস্পতিবার আমার ঢাকা তো অফিস ছিল শনিবার নতুন প্রাইভেট জব করি পরের দিন শুক্রবার তাই আমার পক্ষে তিন দিন অপেক্ষা করা সম্ভব ছিল না পরে বিষয়টি আমি ওখানকার ম্যানেজারকে বলি পরে তিনি ওদের সাথে কথা বলে পরে আমি একাউন্টটা খুলে এবং আমার টাকা ওই একাউন্টে রাখতে পারি এর জন্য আমার প্রায় আড়াইটা বেজে গিয়েছিল
ঘুষ দাবির রিপোর্ট ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানায় দায়েরকৃত ৪টি ফৌজদারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য আদালত থেকে আদেশ প্রদান করা হলেও প্রায় ১ বছর অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু এখনো তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, উক্ত ৪টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা/তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাদীপক্ষের নিকট মোট ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করেছেন। দাবি করা টাকা প্রদান না করায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বিলম্বিত করা হচ্ছে। এদিকে মামলার আসামিরা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং এর সুযোগ নিয়ে মামলার কার্যক্রমকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। আদালতের আদেশ থাকা সত্ত্বেও এক বছর ধরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখি
এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে কোন একটা বিদ্যালয়ে যোগদান করি। যোগদানের পরবর্তী ৩ মাসের বকেয়া বিল পাওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসের (রাংগামাটি)একজন চাকমা কর্মকর্তাকে ৩ হাজার টাকা প্রদান করতে হয়েছে।
10 শতাংশ অকৃষি খাস জমি লীজ এর জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করে৷ টাকা দিলেই বেবস্তা হয়ে যাবে অফিস এর একজন বলছে। এসিল্যান্ড না থাকায় আর যাচাই করা যায় নি বিষয় টি।
আমার বিদেশ যাওয়ার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট দরকার ছিল। পাথরঘাটার থানা পুলিশ এর কাছে গেলে সেখান থেকে বলে ৪০০০ টাকা দরকার। দিয়ে চলে আসলাম ১৫ দিন পরে যেতে বলল। তারপর ১৫দিন পরে গেলে বলে কাগজ আসে নাই আপনার জরুরি দরকার হলে বরগুনা জেলা প্রশাসক থেকে নিয়া আসেন। গেলাম সেখানে আমার নাম ঠিকানা বলার পর বললো হে আসছে আপনার কাগজ। চা ওানি খাওয়ার টাকা দেন। জিজ্ঞেস করলাম কত বললো ১০০০। তো কি আর করার টাকা টেবিলের নিচ দিয়া দেও উপর কাগজ নিয়া যায়। যেমন বললো ঠিক তেমন করে ১০০০ দিয়া কাগজ নিয়া চলে আসলাম । এইরকম কত যে গুশ দিয়ে হিসাব রাখি নাই। লিস্ট করলে অনেক বড় লম্বা লিস্ট হবে ধন্যবাদ সাইটটি খোলার জন্য
আমি দালাল ছাড়া নিজে নিজে ড্রাইভিং এর ব্যবহারিক এবং লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার পর রেজাল্ট বোর্ডে গিয়ে দেখি আমি ফেল তাই পরবর্তীতে দালাল দিয়ে বারো হাজার টাকা দেওয়ার পর দেখি পরীক্ষা দিয়ে পাস দিয়েছে
আমি বিদ্যুৎ এর খুঁটির জন্য আবেদন করি । এবং এটি মঞ্জুর হওয়ার পর আমাকে খুঁটি দেওয়া হয় না। তাদের কল দিলে শুধু তারা আজকে না কালকে আসব এটা বলে। পরে একদিন বলে ১৫০০ টাকা রেডি রাখেন আমরা আসতেছি। অবশেষে আমর ১৫০০ টাকা দিয়েই কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে।
সন্দ্বীপ উপজেলা একটি ভেটরেনারি হসপিটাল । যেখানে এটি মেইন শহরে থাকার কথা থাকলেও করা হয়েছে জঙ্গলে। উপকুল অঞ্চলে যে পশু হসপিটাল আছে এখানে অনেকে জানেনা।কিন্তু আমরা যারা জানি , তারা ভ্যাকসিন কিংবা পশু পাখির চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন এর জন্য গেলে টাকা দাবি করা হয়। খামারীদের কে বাৎসরিক একটা প্ নোদনা দেয়া হয়। প্ তি বছর নাম লিস্ট হলেও ভাতা পাওয়া যায়না। ডাক্তারের বদলে এখানে চিকিৎসা দিতে আসে ঔষধ কোম্পানির পৃ তিনিধি। স্থানীয় মতে ওখানকার সাবেক প্রানী কর্মকর্তা এখানে জরিত। ওনার এক ছেলে ভেটেরেনারি ফারমেসি করে। আবার ওনি নিজেই দোকান করে। আবার এক ছেলে একমি পার্র্মসিউটিক্যালসের ভেটেরেনারি তে আছে। অন্য ২ ছেলে লোকাল পশু ডাক্তার। শহর থেকে অডিট আসলেও ওনার ঘরে নিয়ে গিয়ে ভালো করে খাইয়ে মসলা পকেটে দিয়ে মুখ বন্ধ রাখে।
খুলশি লেকভ্যলি আবাসিক এলাকার ১১ শতাংশ একটি জমির অংশীদার ১৮ জনের নামে ১৮টি নামজারি খতিয়ান তৈরির জন্য চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ভূমি অফিসের (উপজেলা/থানা: কাট্টলি) তৎকালীন (ডিসেম্বর ২০২৩) ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে মোট ৫০০০০০.০০ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হই। তৎকালীন উপজেলা ভূমি অফিসের এসি ল্যান্ড এবং কানুনগোর সংশ্লিষ্টতাও ছিল বলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন। আবেদনের তারিখ: ১১/১২/২০২৩ ২০২২ এ জমি কেনা হলেও বিভিন্ন অজুহাতে অংশীদারগণ নামজারির আবেদন করতে চাইলে নামজারি আবেদন খারিজ করার ভয় দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে জমির ১৮ জন মালিককে বাধ্য করে।