সরকারি চাকুরিতে যোগদানের সময়, পে ফিক্সেশন এর সময়
সরকারি চাকুরীতে যোগদানের সময়, পে ফিক্সেশন এর সময় আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়, আমি প্রত্যাক্ষান করি, কিন্তু পরবর্তীতে আমাদের অফিসের এক দালাল এর জন্য অন্য কলিগরা রাজি হওয়াতে দিতে বাধ্য হই।।
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সরকারি চাকুরীতে যোগদানের সময়, পে ফিক্সেশন এর সময় আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়, আমি প্রত্যাক্ষান করি, কিন্তু পরবর্তীতে আমাদের অফিসের এক দালাল এর জন্য অন্য কলিগরা রাজি হওয়াতে দিতে বাধ্য হই।।
মাতৃত্বকালীন ছুটির আবেদনের সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিভিন্ন টালবাহানা করতো।শেষ টাকা দিলে মাতৃত্ব কালীন ছুটিতে স্বাক্ষর করেন।
সাব রেজিস্টার যা বলে তাই করতে হয়। কারন অতিরিক্ত টাকার একটা বড় অংশ ভূমি রেজিস্ট্রার অফিসে দিতে হয়।
ঘুষ না দিলে তারা ফাইল ঢাকায় পাঠাবে না। তাই
কাগজ জমা দিয়েছে। এই সমস্যা, সেই সমস্যা বলে টাকা চাইছে। টাকা না দিলে কাজ হবে না। বাইক ৬ মাসের ব্যবহার করা। একেবারে নতুন। তারপরও টাকা ছাড়া কাজ হয় নাই। ব্যাংকে টাকা জমা দিতে প্রায় ২ ঘন্টা লাগছে। Nrbc জমা দিয়েছি, সরকারি খরচ ৩৬৯০ টাকা। আমার কাছ থেকে ৩৭০০ টাকা নিয়েছি। জায়গাটা এইরকম ব্যাংকের কর্মকর্তা ১০ টা বেশি নিয়েছে তাও মহিলা কর্মকর্তা।
মাতৃকালীন ছুটি অনুমোদন, পাসপোর্ট এর জন্য এনওসি অনুমোদন, মাতৃকালীন ছুটি পরবর্তী যোগদান বা কোন কাগজপত্র নথিভূত্তিকরণের ক্ষেত্রে শিক্ষা অফিসের কেরানি বা শিক্ষা অফিসে কর্মরত প্রেশনে থাকা শিক্ষক, (যিনি লোকবলের অভাবে শিক্ষা অফিসে কাজ করেন), দুই হাজার, তিন হাজার, পাচ হাজার, ৫০০ টাকা না দিলে তারা উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোন কাজ করে দেয় না এবং কাজ ধরে রাখে। আমার মত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদেরকে টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে হয়।
জামালপুর বিআরটি ৫০০০ টাকা অতিরিক্ত দিলে লাইসেন্স সহজে হয়ে যায়
আমি স্টুডেন্ট , পাসপোর্ট করে ইন্ডিয়াতে যেতে হবে । পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গেলে অনেক ভুল ধরে । লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসের মানুষ মনে হয় মানুষের সেবা করে না পার্লামেন্টে বসে থাকে । তো যাইহোক ভুল ধরে আমাকে বলে যেগুলো সংশোধন করে নিয়ে আসেন । সংশোধন করতে গেলে প্রায় এক মাসের মত সময় দরকার যদিও বা করার সময় ছিল কিন্তু এতটা হয়রানি আমার একদম সহ্য হচ্ছিল না । পড়ে যেতে থাকা একজন সিকিউরিটি ম্যান তিনি আমাকে বলে যে কাজ হইলো না তো তো আমাকে কিছু টাকা দিলে আমি এই বিষয়ে সহযোগিতা করতে পারি । আমি বললাম না লাগবে না । আমার বাহিরে আরেকজন পরিচিত মানুষ ছিল দেইনি আমাকে আবেদন করে দিছেন, পরে উনি আমাকে বলেন যে ২৬০০ টাকা দিলে সব সমাধান হয়ে যাবে। চাপে পড়ে আমাকে সেটা করতে হয় ।
এমপিও বেতন/বকেয়া/বিএড স্কেল চালু।শিক্ষা কর্মকর্তার পছন্দের দোকান থেকে ৩০০০/- দিয়ে আবেদন করতে হয়।আবেদন ফরওয়ার্ড করতে ৫/৬ হাজার নেন।
টাকা ছাড়া পে ফিক্সেশন চালু করবে না,তিন মাস ঘুরিয়েছিল। পরে টাকা দিয়েছি
সদরঘাট খেওয়া পারাপার এর সময় থেকে নামার পরে অতিরিক্ত ৫ টাকা দিতে হয় কিন্তু সপকানে কোনো টার্মিনাল নাই
আমি জানি খাজনা দাখিলা অনলাইনে ফ্রিতে করানো হয় সে অনলাইনে সেট করার বাবদ আমার কাছ থেকে ৩০০ টাকা দাবি করে আমি পরে করব বলে আমি চলে আসছি।
আমি একটি নামজারী খতিয়ান করতে অনলাইন আবেদনের পর তহসিলদার রিপোর্ট এর জন্য যাই। তহসিলদার আমার দলিলে ভুল আছে বলিয়া ২০ হাজার টাকা ঘুষ চায়।
আমি জমির খতিয়ান করতে দিয়েছিলাম।সরকারি খরচ ১১৭০/-টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১২০০০/- টাকা তারপরও ভুল।আবার আমাকেই সংশোধন করতে হবে টাকা দিয়ে।
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে সামান্য ভূল ধরতে পারলেই ১০০০-২০০০ টাকা দিতে হয় না হলে জন্ম নিবন্ধন দেয় না।
আমার ভূমি অফিসে খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম তাড়া ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করছে
দলিল করতে সাব রেজিস্টার কে ঘুষ দিতে হয়েছে
আমি ওয়ারিশ সম্পত্তি নিজ নামে খারিজ করতে ভুমি অফিসে গেলে সেখানে নানা অজুহাত আর নানা ভুল বের করে ।পরে দশ হাজার টাকায় কাজ করে দিতে রাজি হয়।
মোটরসাইকেল চুরি হয়েছিল। জিডি করতে গিয়েছিলাম জিডি করে নাই টাকা নিছে
আমি জমি ক্রয় করেছি, নামজারিও করছি কিন্তু নতুন রেকড আসছে ওরা বলতেছে ওদের টাকা না দিলে আগে যাদের জমি ছিলো তাদের নামেই রেকড হয়ে যাবে। আমাদের এলাকার সবায় তাদেরকে টাকা দিতেছে তাদের ক্রয় করা জমির জন্য