ড্রাইভিং লাইসেন্স
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করছিলাম প্রথমবার পরীক্ষা দিয়েছিলাম ফেল আসার পর দ্বিতীয়বারে আর কোন সমস্যা জড়াতে চাইনি এর জন্য পরবর্তীতে দালাল ধরে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছি
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করছিলাম প্রথমবার পরীক্ষা দিয়েছিলাম ফেল আসার পর দ্বিতীয়বারে আর কোন সমস্যা জড়াতে চাইনি এর জন্য পরবর্তীতে দালাল ধরে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছি
বিদ্যুৎ এর ৩ টি মিটারের জন্য১৫০০০ (পনের হাজার) টাকা ঘুস দাবি করেছে এবং আমি তা দিতে বাধ্য হয়েছি।
এমপিও শীটে জন্মসাল সংশোধন। টাকা চেয়েছে অম্য একজনের মাধ্যমে। কি করবো বুঝতেছিন।
আমরা যখন আমার বাবার অবসর ভাতা তুলতে যায় তখন ওরা বলে পয়সা ছাড়া আপনার অডিট হবে না তখন আমি অনেক অনুনয় বিনয় বললেও কোন কাজে আসে না আমরা এভাবে পাঁচ দিন যায় কিন্তু ওরা কোন কন্যপাত করে নি আমরা অনেক প্রতারণার শিকার হয়েছি এখন পর্যন্ত আমার বাবা মারা গিয়েছে আজ ছয় বছর আমরা টাকা উত্তোলন করতে পারিনি এ অবস্থায় আমাদের কি করনীয় আমরা জানি না
আমার দুইটি দলিল ছিল ক্রয় কৃত জায়গার দুইটা দলিল একসাথে মিউটেশন করিয়ে দিবে এজন্য আমাকে বারো হাজার টাকা দিতে বলে আমি দশ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়ে আসছি।
জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম খারিজের জন্য 5000 টাকা চেয়েছে
50 থেকে ৫০০ যাই দিবেন তাই নিবে নেওয়া শেষ হলে কাজ
ফাইল আটকে অর্থ দাবি। অন্যথায় নামজারি ফাইল বাতিল হবে
নামজারি করার কাগজপত্র সঠিক ছিল কিন্তু অনলাইন পিডিএফ করার সময় ক্রমিক অনুসারে ছিলনা এই অজুহাতে আমার আবেদন বাতিল করে। কিন্তু যখন আবার দশ হাজার টাকা ঘুষ দেই তখন আবার সবকিছু সঠিক হয়ে যায়। এবং আমার নামজারিও সম্পন্ন হয়ে যায়।
সরকারি কাজে যাতায়াত বাবদ টিএ/ডিএ বিল দাবী করা হয়েছিল। তারা নাকি সব বিলের উপর ১৭%, ২০% এবং ২৫% হিসেবে নিয়ে থাকেন। এটা চলমান প্রক্রিয়া।
DGFI এর পমেন্ট নিতে গিয়ে ৩% দাবি করছিলো পরে ১.৫% দেওয়ার পরে একাউন্টা এ টাকা আসছে
একাধিক বার ঘুরাতে থাকে,আজ হবে না অমুক দিন আসবেন। একপর্যায়ে বললাম সমস্যা কিসের, তখন নাস্তার টাকা দাবি করে ৩০০০ টাকা চেয়ে বসে পরে আলোচনা সাপেক্ষে ২০০০ টাকায় আমার কাজ করে।
ঘুষ ছাড়া একাউস্টস অফিস কোনো বিল পাস করে না
আদালতে দেওয়ানী মামলা থাকা সত্ত্বেও।নায়েবের কাছে মামলার নথী দেওয়া আছে।এরপরওনায়েব সাহেব ৩০০০০ টাকা ঘুষ খেয়ে আমার বিববদীকে আমার ক্রয়কৃত ভূমির নামজারী করে দেয়।আমি গেলে বলে আপনি মিস কেইস দেন আমি ভেঙ্গে দিব।এতে করে আমাকে বিবাদীগণ আমার দখলকৃত ভূমি নামজারীর কারণে বেদখল দিতে চাইছে।ঘুষ নিয়ে নামজারী না করে দিলে আমাকে হয়রানী হতে হত না।আদালতে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সে এই কাজ করেছে।আমার কাছে প্রমাণ আছে সে যে ঘুষ নিয়েছে।
মর্গেজ টেক ওভার ইস্টার্ন ব্যাংক থেকে ব্যাংক এশিয়া ৫ কোটি টাকার মাত্র ০.১০% দাবি করেন সাব রেজিস্ট্রার মহোদয়। ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ এর পরে উনি স্বাক্ষর করেন।
টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না, মাসের পর মাস ঘুরাবে
আমি আমার জমি খারিজ করতে গেলে ১০ হাজার টাকা আমাকে দিতে হয়েছে। আমার খারিজ করা জরুরি প্রয়োজন ছিলো । না করে উপায় ছিলো না।
আমি গাইবান্ধা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম গত জুন মাসের ২৮ তারিখের দিকে। আমার সকল কাগজপত্র বৈধ ছিল। তারপরে অফিসের পিয়ন এবং ড্রাগ সুপারের সহকারী ২০০ টাকা দাবি করে। বাধ্য হয়ে আমি ২০০ টাকা দেই
জমির খারিজ নিতে গিয়েছিলাম। আমাকে বলে ২০০০০ টাকা লাগবে। বাধ্য হয়ে দিয়েছি।
আমি পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সহ পাসপোর্ট এর আবেদন পত্র জমা দেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের জন্য জমা দেই। আবেদন পত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও তারা আমাকে কাগজপত্রের বিভিন্ন ঘাটতি দেখিয়ে বিভিন্ন টেবিলে ঘোরাঘুরি করিয়ে নাস্তানাবোদ করে। পরে আনসার কে ও অন্য আরেকজনকে ৫০০ টাকা দেওয়ার পরে আমার পুরাতন কাগজ দিয়েই কাজটি সম্পন্ন হয়।