পুলিশ ভেরিফিকেশন
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকিশন এর জন্য টাকা চায়, না দিলে খারাপ রিপোর্ট দিবে, মিষ্টিমুখ করার জন্য টাকা চায়। ১০০০ দিলে নেয় না, পরবর্তীতে ২,০০০ টাকা দেওয়া হয়। বি:দ্র - ছবি, ডকুমেন্টস এড করার পদ্ধতি থাকলে ভালো হতো।
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকিশন এর জন্য টাকা চায়, না দিলে খারাপ রিপোর্ট দিবে, মিষ্টিমুখ করার জন্য টাকা চায়। ১০০০ দিলে নেয় না, পরবর্তীতে ২,০০০ টাকা দেওয়া হয়। বি:দ্র - ছবি, ডকুমেন্টস এড করার পদ্ধতি থাকলে ভালো হতো।
এমপিওভুক্ত হাইস্কুলে ৪মাসের বকেয়া বিল সাবমিট করে ফাইল রিজেক্ট আসার ভয়কে জিম্মি করে শিক্ষা অফিস ডিডি অফিসে টাকা নিবে বলে দাবি করে আপাতত ৫০০০ টাকা বলে
আমার জমির রেজিস্ট্রিকৃত দলিলটি উত্তোলন করতে গেলে সংশ্লিষ্ট সেকশন থেকে দলিলটি হস্তান্তরপূর্বক বলেন যে অফিস খরচ দেন। আমি বললাম কত? প্রতি উত্তরে বলা হলো কেউ 500 দেয় কেউ ১০০০ দেয় আপনার যেটা ভালো মনে হয় দেন। আমি ১০০ টাকা অফার করলে তিনি বলেন এটা কি দিলেন? আমি বললাম চা খাওয়ার জন্য। তিনি বললেন হবে না। পরে ২০০ টাকা দিয়ে পার পেয়েছি।
জীবনে কোনোদিন ডিসি অফিস গাজীপুরে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কে ঘুষ দিতে হয়নি। বাট এখন সবাই তাদের অ্যাসিস্ট্যান্ট কে দিয়ে বলছে যে ইন্সপেকশন এ গেলে নাকি ১০০০০টাকা করে সম্মানী দিতে হবে ম্যাজিস্ট্রেট স্যার দের। আমিও দিলাম কোম্পানির কাজ খুব দ্রুত লাগবে তাই। বাট এখনও কাজ করে দেয়নি ম্যাজিস্ট্রেট ঘুরাচ্ছে।
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন এর জন্য ৫০০ টাকা দিতে হবে আমি ৩০০ টাকা দিয়েছিলাম কিন্তু আমার কাজ করে দেয়নি পরে অন্য একজনের মাধ্যমে ২০০ টাকা দিয়ে করে নিয়েছি
নামজারি করার জন্য গেলে, ঘুষ না দিলে এই ভূল সেই ভূল বলে ফাইল আটকে রাখে, পরবর্তীতে বাধ্য টাকা দিতে হয়েছে।
ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইন করার জন্য। ১ মিনিটের কাজ ছিলো। ধানমন্ডি ভূমি অফিস। কাটাবন।
সব কাগজপত্র ও ফি জমা দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গেলে কর্মকর্তা ওয়েবসাইটের নিয়ম ভেঙে নাগরিকত্ব সনদের মূল কপি চান এবং সত্যায়িত কপি ফিরিয়ে দেন। হতাশ হয়ে সামনের দোকানে গেলে দোকানদার জানান, টাকা ছাড়া কাজ হয় না। বাধ্য হয়ে ২ হাজার টাকা দেওয়ার পর দোকানদার ভেতরের আনসার সদস্যের WhatsApp-এ ফাইল পাঠালে কোনো কাগজপত্র যাচাই ছাড়াই সরাসরি ছবি তুলে নেওয়া হয়। এর ১৫ দিন পর পাসপোর্ট হাতে পাই।
বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেনস থানা থেকে জেলা ডিএসভি অফিসে যেতে যাতায়াত ভাড়া ও চা পান খরচ বাবদ ও কিছু সরকারি খরচ আছে ঐদিকে আমার লাগবেই তাই আমি দিতে বাধ্য হয়েছি ।
খিলগাঁও সিটি কপোরেশন এর নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে করতে গেলে ফ্রম থেকে শুরু করে যেখানে ফাইল জমা দেওয়া হয় সে খানে নতুন ট্রেড লাইসেন্স ফি যত টাকা ঘুষ নেয় তত টাকা । এটাই নিয়ম হয়েছে।
টাকার বিনিময়ে সুপার আর শিক্ষা অফিস মিলে নিয়োগ কার্য সম্পুর্ন করতেছে ।
ফোনে টাকা চেয়েছিল। টাকা না দিলে স্মার্ট কার্ড পাবো না
এরিয়ার/ বকেয়া টাকা প্রাপ্তির জন্য আবেদন করা হয়েছিলো, বারবার রিজেকশন হয় যদি আপনি মিষ্টিমুখ না করান।
নামজরী করতে হলে টাকা দিতে হবে। নইলে তুচ্ছ ঘটনায় তা বাতিল হবে। যেমন আমার এক কাঠা জায়গায় ৪ টি রুম আছে, সেখানে হয়ত এক ফিট জায়গা বেশি ব্যবহার হচ্ছে। এই অতিরিক্ত এক ফিট জায়গার দোহাই দিয়ে নাম জারি বাতিল হবে।
কী আর বলব? পে ফিক্সেশন বাবদ যেখানে ঘুষ দিতে হয়।
একটি ট্রেড লাইসেন্স এর ঠিকানা পরিবর্তন করতে গেলে টাকা লাগে ৩০০ টাকা তারা আমার কাছ থেকে ২৫০০ টাকা নিয়ে নিয়েছে, বলেছে টাকা না দিয়ে অনেক সময় লেগে যাবে সব অফিসারদের টাকা না দিলে কেউ স্বাক্ষর করে না।
আমার মা চাকরি থেকে রিটায়ার্ড করেন ২০১৪ সালে। তাকে লোকাল হাসপাতাল একাউন্টেন্ট সেসময় জিনি ছিলেন, তিনি সকল কার্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ৫০, ০০০ টাকা চান। স্থানীয় নেতা দ্বারা ৩০, ০০০ টাকা নেয়ার জন্যও সুপারিশ করা হয় কিন্তু সে মায়া করেনি। ভুলভাল উল্টোপাল্টা রিপোর্ট করার ভয় দেখায় এবং ফাইল আটকে রাখে। সৎ মানুষদের এটা সহ্য করা অনেক কঠিন। আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দেশের সংস্কৃতি হিসেবে মেনে নিয়ে, মাকে বুঝিয়ে তারপর ৫০, ০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে তার কার্য প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করি। এই বিষয়টা আমাদের অনেক ব্যাতীত করেছে যায় সারা জীবন মনে রাখার মতো।
পাসপোর্ট করার পর আমার নাম জনিত কিছু সমস্যা থাকার কারনে আমি পাসপোর্ট অফিসে যাই। তারপর অফিসের কর্মকরতা সাথে সব সমস্যার বিস্তারিত কথা বলি।তখন এক কমকর্তা বলেন নাম পরিবর্তন করতে টাকা লাগবে। আমি বললাম কত লাগবে ঐ লোক টা ১ম বার ৩০ হাজার টাকা লাগবে। আমি বললাম এতো কেনো। ঐ লোকটা বললো করলে কর না করলে এখন আসতে পারেন। পরে আর কি আমি রাজি হইয়াগেছি পাসপোর্ট টাও দার ছিলো। আমার কথা হলো নাম পরিবর্তন করার জন্য ৩০ হাজার টাকা কেন লাগবে।
তার অফিস সহায়কের মাধ্যমে
আমার বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার জন্য একটি ট্রান্সফর্মার স্থাপন জরুরি হয়ে পড়ে । এজন্য ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বিদ্যুৎ অফিসে উপ-সহকারী প্রকৌশলী জনাব রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাড়ে ছয় লাখ টাকা দাবি করেন । পরবর্তীতে বিষয়টি আমার পরিচিত একজন অবসরপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে জানালে তিনি রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করেন । ঘুষের টাকা দুই লাখ টাকায় কাজটি করে দিতে রাজি হন। টাকা পরিশোধ করা হয় । তবে প্রতি মিটারে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা গ্রহণ করেন । দুই / তিন মাস অসংখ্য বার ঘুরতে হয় সেই অফিসে । সেখানে তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আবাসিক প্রকৌশলী হামজা ইমাম সরাসরি এসব হয়রানি মূলক কাজে জড়িত ছিলেন ।