ড্রাইভিং লাইসেন্স
ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা না দিয়ে পাশ
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা না দিয়ে পাশ
নামজারির সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকা স্বতেও ৮০০০ টাকা দাবি করে, না দিলে কাজ হবেনা বলে।
টাকা দিলে রিটেন ভাইবা পাশ করে দিবে আর না হলে পরীক্ষায় পাশ করাবে না ও লাইসেন্স সরবরাহ করবে না।
প্রতিদিন সুপ্রিম কোর্টের স্টাফ এবং বি.ও রা কয়েক কোটি টাকা ঘুষ গ্রহন করে থাকে। এসকল ঘুষের টাকা জনগনের পকেট থেকেই যাচ্ছে।
কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা তে বৃহৎ করদাতা ইউনিটে বদলীর পর LPC প্রেরণ না করে পাঁচ মাস বেতন বন্ধ রেখেছিল। নতুন অফিসের ক্যাশিয়ার কে ২০০০ ও পুরাতন অফিসের ক্যাশিয়ার কে ৩০০০ পরিশোধ করার পরও এল পি সি নিয়ে টালবাহানা করছিল। শেষমেষ টাকা পরিশোধে বাধ্য হয়ে বেতন সচল করি। এই পাচ মাস নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণায় পড়েছিলাম। নতুন সরকার এল পি সি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করে অন্য কর্মচারীদের ও ঘুষ নিতে উতসাহিত করবে আশা করছি। কারণ অনেক কর্মচারী মনে করে সে ঘুষ দিতে বাধ্য হলে সে খাবেনা কেন?! এজি অফিস এসবের হাতেখড়ি দেই।
কোরবানি ঈদের আগে আমার বদলি হয়েছে আজমেরীগঞ্জে উপজেলা থেকে লাখাই উপজেলায়, এখন যেটা হয়েছে একাউন্টস অফিসার বা একাউন্টস অফিস এল পিসি স্থানান্তরের জন্য আমি যোগাযোগ করলে আমাকে বলে আপনি ১৭ হাজার টাকা বেতন পান আমরা দশ হাজার টাকা দিয়ে দিই ৭০০০ টাকা আপনি আমাদেরকে দিবেন তারপর আমি যখন দিতে রাজি হই নাই আমাকে বলল আজমিরগঞ্জ তো হাওর এলাকা এখানে হাওর ভাতা পেতাম আর লাখাই উপজেলা হাওর এলাকা না, এ ভাতা না দেওয়ার জন্য ভয়-ভীতি দেখায় তখন বলে লাখাই হাওর এলাকা কি না সে পরিদর্শ করবে এবং আমাকে দিয়ে বাইক(মোটরসাইকেল) ভাড়া করিয়ে সে এলাকায় ঘুরে দেখো এবং বাইকের ভাড়া পরিশোধ করি এবং উল্লখিত ঘুষ না দেয়ার কারণে আমাকে হয়রানি করে এবং আমি বেতন বোনাস ছাড়া ঈদ পালন করি
আমি সোদি ভিসা নিয়েছি এক দালালের কাছ থেকে, দালাল আমাকে ১০ আইডি ভিসা দিয়েছে, এখনএজেন্সি বলছে ৫ আইডি ভিসা হলে কোন টাকা লাগে না, কিন্তু ১০ আইডি ভিসা ম্যান পাওয়ার করতে ৩০,০০০ টাকা ঘুস লাগে এর আগে তাকামুল ট্রেনিং করতে ১৭০০০ টাকা ঘুস দিয়েছি। যা সরকারি ফি মাত্র ৬০০০ টাকা এখন আমার বিদেশ যাওয়া অনিশ্চিত।
আমি বাইক ড্রাইভিং পরীক্ষা পাস করেও আমাকে ফেল করে দিছে এবং শেষে টাকা দিতে হয়েছে।
পুরাতন পাসপোর্ট জন্ম নিবন্ধন দিয়ে করা ছিলো । নতুন পাসপোর্ট এ এন আই ডি দিয়ে করতে গেলে সরাসরি ঐ টাকা চায়। জরুরী ছিল তাই দিয়েছি।
তিন টা দলিলের বিপরীতে আট হাজার করে (8000×3)=24000/, দিয়েছি। না দিলে করতো না।আমি সহ আমরা যে অসহায়।
ট্রেন লাইনে আমার মাত্র এক দশমিক ৯৪ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ হয়। মোট আমাদের ১০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ হয়, আমি সহ আমার ছোট ভাই, মোট ৮ হাজার টাকা দেই চেক বাবদ দেই ২০০০ টাকা। আমাদের এক বছরেরও বেশি সময়ই বিভিন্নভাবে ঘুরানো হয়। তারপর আমরা জানতে পারি তাদের ঘুষ দিতে হবে।
বি এস রেকর্ডের জন্য অনেকের কাছ থেকে ৫০০০/১০০০০ আরো বেশি টাকা ও তারা নিছে। আমাদের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা নিয়ে বি এস রেকর্ডের জন্য।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে সরকারি ফি-এর চেয়ে বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। বাইরের দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয় এবং যারা টাকা দেয়, তাদের আলাদা রুমে নিয়ে এমনভাবে পরীক্ষা নেওয়া হয় যেন কেউ ফেল না করে
আমি হিন্দু। আমার ওয়াইফ ও বাচ্চা সহ পাসপোর্ট অফিসে সবার আবেদন জমা দিতে গিয়েছি। তখন অফিস থেকে বলে বিবাহিত সনদ দিতে কিন্তু আমি বললাম আমার বাচ্চার জন্ম সনদ আছে সেখানে আমার ও ওয়াইফের নাম আছে তাতেও কাজ হয়নি ২০০০ টাকা না দিলে সনদ দিতে হবে তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।
আমি নতুন আইডি কার্ড করার জন্য গিয়ে ছিলাম । বলল সার্টিফিকেট দেয়ার জন্য, আমার সার্টিফিকেটে নাম ভুল থাকার জন্য আমি আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিরক্ষর দিয়েছি, আবেদন কারীর পরামর্শে ।ওরা বললেন নিরক্ষর দিলে শিক্ষাগত যোগ্যতা সার্টিফিকেট দেখাতে হবে না। এখন উপজেলা অফিসে যাওয়ার পর উনারা বলেন সার্টিফিকেট দেখানোর জন্য । আমি বললা আমার সার্টিফিকেটের নামে সমস্যা থাকার কারণে আমি শিক্ষাগত যোগ্যতা নিরক্ষর দিয়েছি। আমি আইডি কার্ড হয়ে গেলে আমি সার্টিফিকেট ঠিক করব। উনারা বলেন এভাবে হবে না।আমি বললাম কিভাবে করব ? ওরা বললেন বাহিরে একটি ডিজিটাল সেন্টার আছে সেখানে আপনি কথা বলুন । সেখানে যাওয়ার পর বললেন এগুলো সব কিছু হয়ে যাবে মাত্র দুই দিনেই ।তবে ট আড়াই হাজার টাকা লাগবে। তাহলেই হয়ে যাবে । আর কিছু করতে হবে না।
প্রতি ১ কোটি টাকা বিলের জন্য ১ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়,সেই অনুপাতে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
আমার ছেলে পুলান্ড এম্বাসীর মিনার জন্য সব নিয়ম মেনে ইন্ডিয়ান ভিষার জন্য যা পেপার জমা দেওয়ার কথা সব ই চাহিদা মোতাবেক জমা করেছে। কি কারণে তার আবেদন বাতিল করেছেন তা উল্লেখ্য নেই। দালাল এর কাছে গেলে ৭০০০০ হাজার টাকা দাবি করেছেন। টাকা দিলে যদি ভিষা হয় তাহলে এমনি হলো না কেন। দালাল টাকা কাকে দেন। টাকা দিলে ভিষা হবে। না দিলে হবে না কেন। পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন।
আমাদের ই-রিটার্ন প্রথ৬বার জমা করার সময় কিছুটা ভুল পরিলক্ষিত হয়। তখন সেখানে থাকা একজন অফিসার ১০০০০ টাকা চেয়েছিলো। পরে ৫০০০ টাকা নিয়ে সেটি ঠিক করে এবং ই-টিন সার্টিফিকেট প্রদান করে
বলা হয়েছিল কিছু খরচ করতে হবে কিছু টাকা পয়সা ছাড়া তো কাজ করা যায় না উপরের স্যারকে কিছু টাকা পয়সা দিতে হবে।
Tk na dile kaj hobe na