দলিল দেখা নিয়ে
দলিল দেখতে চেয়েছিলাম আমার কাছে 1500 টাকা চাইছে ও আমি দিয়েছি
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
দলিল দেখতে চেয়েছিলাম আমার কাছে 1500 টাকা চাইছে ও আমি দিয়েছি
আমার ভাতা কার্ড সচল করে দেবে যদি টাকা দি
আমার একটা নাল জমির নামজারি আবেদন মঞ্জুর করার জন্য আমার থেকে সরাসরি খরচের টাকা ৪ হাজার দাবি করেছিল। আমি না দেওয়ায় আমার আবেদন না মঞ্জুর করে দেয় ওই অফিসের জনৈক সহকারী ভূমি কর্মকর্তা পদধারী ব্যক্তি। পরে আমার আবার টাকা খরচ করে আবেদন করে মঞ্জুর করানোর জন্য তাকে চাহিত টাকা দিতে হয় ঘুষ বাবদ।
সেখানের লোক দিয়ে করতে হবে নাহলে ৩ মাস লাগবে পেতে তাই বাধ্য হয়ে করা
বগুড়ার শেরপুরে অগ্রণী ব্যাংকে তখন বিদ্যুৎ বিল দিতাম। ঘটনাটা ২০০১ সালের। আমার বাড়ি সহ আরও দুই রিলেটিভের দিতে গিয়েছি। গিয়ে দেখি লম্বা লাইন। দোতলা ব্যাংকের ভেতরের ক্যাশ কাউন্টার থেকে শুরু করে একেবারে নিচতলার বাইরে রাস্তা পর্যন্ত লাইন। কিছুক্ষণ লাইনে থাকার পর দেখি দুইজন ব্যক্তি লাইনের মধ্য থেকে বের হয়ে গেলো। তাদের অনুসরণ করে দেখি উনারা পাশের চা স্টলে থাকা ব্যাংকের পিয়নের কাছে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ আর বিলের সমপরিমাণ টাকা দিলো এবং বাড়তি হিসেবে প্রতি বিলের জন্য ৫ টাকা অতিরিক্ত দিলো। আমিও তিন বিলের জন্য অতিরিক্ত ১৫ টাকা দিয়ে বসে থাকলাম। খেয়াল করে দেখলাম, আমি লাইনের যে লোকটার পেছনে দাঁড়িয়েছিলাম, উনি প্রচন্ড রোদে এখনো লাইনেই আছেন আর আমি পরিশোধ করা বিলের গ্রাহক কপি হাতে পেলাম! এটাই আমার দেয়া প্রথম ঘুষ!
আমার লাইসেস হারিয়ে গেছে। আমি লাইসেন্স উঠানোর জন্য গিয়েছিলাম। কমর্কর্তা আমার কছে অতিরিক্ত টসকা দাবি করে।
সরকারি চাকুরির পুলিশ ভ্যারিফিকেশন টাকা না দিলে থ্রেট দেয় ভ্যারিফিকেশন উলটা পালটা দিবে। এগুলো থেকে মুক্তি চাই!!
টাকা দিয়ে নিকটস্থ কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করতে হয়। অন্যথায় নিজে নিজে পাসপোর্ট করতে গেলে বিভিন্ন সমস্যা দেখায় পাসপোর্ট সহজে পাওয়া যায় না।
প্রতিটি নামজারি তামিল করতে 1000/- টাকা দিতে হবে।
নামজারি করে দিবে। না হলে ঘুরতে হবে। মূল দলিল দস্তাবেজ নিয়ে হাজিরায় হাজির হতে হবে না। যশোরে থাকি তাই বাধ্য হয়ে চুক্তিতে যেতে হল।
আমি সংশোধনের আবেদন করি।এই আবেদনের আর কোন খবর ছিলো না।এটা তদন্তকারী অফিসারের কাছে পড়ে ছিলো। নির্বাচন অফিসার আমার ভগ্নিপতির বন্ধু ছিলো।আমি উনার কাছে যাই উনি আরো কিছু কাগজ আনতে বললো। আমি কাগজ গুলো পরে নিয়ে আসি জমা দেই উনি চেক করে ওকে বলে দেয়।কিন্তু ঐ তদন্তকারী রিপোর্ট কিন্তু পাঠায় না। ২ সপ্তাহ এভাবে চলতে থাকে।আমি আবার অফিসে গেলে আমাকে বলে আমার আরো কাজ আছে আপনারটা সিরিয়াল অনুযায়ী আসবে, আমি যখন রিকোয়েস্ট করলাম বললো কাজ করে দিবো আমাদের কিছু দিবেন না! আমার কাছে ভাঙতি ৩০০ টাকা ছিলো আমি তাকে দেই সেই এই টাকা দেখে আমার কাছথেকে টাকা নেয় নাই বলে আপনার কাছে কি আমি টাকা চেয়েছি! পরে আমি বললাম আপনার বিকাশ নাম্বার দেন আমি পাঠাবো উনি নাম্বার দিলো আমি টাকা পাঠাই নাই।তারে ফোন দিলে বলে হাতে কাজ আছে কালকে পাঠাবো আ
আমি নিজের হাতে নিজের ফাইল অনলাইনে সাবমিট করি।সেটা নিয়ে নির্ধারিত দিনে যাবার পরে তারা ১০০% সঠিক ফর্ম ভুল বলে অবিহিত করে। এবং নতুন করে আমার কাছে থেকে ১৫০০ টাকা অতিরিক্ত নিয়ে একটা কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে নতুন ফর্ম তৈরি করে, যেটা ভুল ছিলো। সেই ভুল ফাইল তারা এক্সেপ্ট করে।
খাজনা দেওয়ার জন্য জুত খুলতে হয় আমি যত খুলতে গেছিলাম । তো সহকারী ভূমি অফিসারের কাছে গেলাম উনি একজনকে দেখিয়ে দিল বলল উনাদের কাছে যান দুই তিনজনের কাছে ঘুরলাম পরে এক মহিলা উনি আমার কাজটা অনেকক্ষণ পরে করে দিল। কাজ করার পরে আমার কাছে লোকজনের সামনেই ৫০০ টাকা চাইলো। পরে আমি ওনাকে ২০০ টাকা দিলাম। তাতে উনি খুশি হয় নাই।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য ২০০০ টাকা গাড়ি ভাড়া দাবি করা হয়েছে, অথচ আমি নিজে গেছি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে। তাদের রুমে কোন সিসি ক্যামেরা নেই। আমার কাছে টাকা নেই বলার পরে ও ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য আবেদন করেছিলাম। সেজন্য ঘুষ চেয়েছিল তাই দিতে বাধ্য হয়েছি।
Without paying bribe it's literally impossible to get money. It's a system, almost everyone pays so we did.
প্রতি কোটিতে ৩% টাকা চেয়েছে, সেই হিসেবে আমার ৭ লাখ এর কিছু বেশী আসছে, টাকা না দিলে ফাইল আগায় না, এই জমি অধিগ্রহণ কেন্দ্র করে আনুমানিক ১০০ কোটি টাকার ঘুষ বানিয্য চলছে।
জমির নামজারি করার জন্য ১৫০০০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। প্রতিটা সেক্টরে বাটপারি
বাবার পেনশন উঠানোর জন্য উপজেলা একাউন্টস অফিসে যায়। সেখানে তারা এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে। অনেকদিন দেনদরবার করে ৫০ হাজার টাকা দেই।
ভুল করে পাসপোর্ট এর অ্যাড্রেসের একটু ঠিকানা সমস্যা ছিল তার জন্য আমার পাসপোর্ট ভেরিফাই হচ্ছিল না তারপর আমার থেকে আট হাজার টাকা দাবি করে দেন আমি কি আর করার ৮ হাজার টাকা পরিশোধ করার পরে ভেরিফাই করে দিছে পুলিশ ভেরিফিকেশন