Port Clearance
Per Port clearer jonno eita nirdharito Ghus, late hole double.
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Per Port clearer jonno eita nirdharito Ghus, late hole double.
আমার সন্তান ৫ম শ্রেনীর সমাপনী পরীক্ষায় ৯৮% নম্ব্রর পেছিল কিন্তু ৪র্থ শ্রেনিতে কিল্ডার গার্টেন স্কুলে পড়েছিল বলে বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ দিবে না।পরে UNO এর কাছে অভিযোগ দেওয়ার পরে বাধ্য হয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেয়। কিন্তু আমাকে বলা হয় যে কি ভাবে বৃত্তি পায় দেখে নেব। আমার সন্তান বৃত্তি পায় নাই।আমার সন্দেহ সে এমন কিছু করেছে যে কারনে আমার সন্তান বৃত্তি পায় নাই।
বৈদেশিক কোর্সে যাবার আগে অগ্রিম বিল নেবার সময় ঘুষ দাবি করেছিল। সকল কাগজ সঠিক থাকা সত্তেও ঘুষ দাবি করে বাধ্য হয়ে দিতে হয়। সেখানে যারা কাজ করে সবাই অসামরিক অর্থমন্ত্রনালয় এর হিসাব শাখার।
উত্তরা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে আমাদের একটা তিন কাঠা জমির মিউটেশন করাতে গিয়েছিলাম। প্রায় চার দিন ঘুড়িয়ে কাগজে কোন ফল্ট না পেয়েও ৫০হাজার টাকা দাবি করে। তা না হলে মিউটেশন হবে না। পরবর্তিতে তেজগাও সাত রাস্তার ভুমি অফিসের এক বড় কর্মকর্তা উত্তরা অফিসে বলে দেয়ার পরে আমাদের মিউটেশন হয়।
বিগত ০৫-০৭-২০২১ তারিখ আমার মা মারা যান ঠিক ১১ মাস পরে মৃত সার্টিফিকেটের জন্য আমি মানিক পীর কবরস্থানে যাই তখন তারা আমাকে অবগত করেন ১৪১ নম্বর বইটি সিলেট সিটি কর্পোরেশনে চলে গেছে ওখান থেকে মৃত সার্টিফিকেট নিতে হবে, তখন আমি সিটি কর্পোরেশনে যাই এবং তারা আমাকে আশ্বস্ত করেন যে ১৪১ নম্বর বইটি এখনো তাদের কাছে যায় নাই, তখন আমি আবার মানিক পীর কবরস্থানে যাই এবং তাদেরকে অবগত করি ওখানের দায়িত্বশীল ব্যক্তি সাথে সাথে সিটি কর্পোরেশনে ফোন করে এবং আমার সামনেই (লাউড স্পিকারে) বলে যে বইটি সিটি কর্পোরেশনে দেয়া হয়েছে তখন সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ বলে হ্যাঁ বইটি আমাদের কাছে আছে আমি আবার সিলেট সিটি কর্পোরেশনে যোগাযোগ করি তখন তারা নানান বাহানা দেখায় হঠাৎ করে একজন ব্যক্তি কোথা থেকে উদয় হয়ে এসে বলে ভাই কিছু(টাকা)
গাড়ির লাইসেন্স করতে গেলে অফিসের কর্মচারী লাইসেন্স করা বাবদ ১২০০০ টাকা চেয়েছিল তা প্রত্যাখ্যান করে নিজে অনলাইনে আবেদন করে অনলাইনে টাকা জমা দিয়ে লাইসেন্সের আবেদন সম্পন্ন করি।
জন্ম নিবন্ধন সনদ ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ বানাতে সরকারি ফিস ৫০ টাকা , অথচ ইউনিয়ন পরিষদ এ ব্যাক্তি বেদে বিভিন্ন টাকা নেওয়া হয় ,, এখানে জন্মনিবন্ধন সনদ আবেদন করতে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা নেওয়া হয় । আর যদি প্রশ্ন করা হয় জন্মনিবন্ধন এর ফিসতো ৫০ টাকা সেক্ষেত্রে বলে হ্যা ৫০ টাকা কিন্তু আমি এখানে আবেদন পত্র জমা দিয়ে দিবো কিন্তু আপনার উপজেলা জমা দিতে হবে এবং সেখানেও টাকা দিতে হবে । ( অথচ এখানে আবেদন জমা ও ডুকেমেন্ট চেক করে ) সব কাজ তার । এভাবে হয়রানি করে মানুষ দের থেকে অতিরিক্ত বেশি টাকা নেয় । এটা ঘুষ না কিন্তু সরকারি ফিস থেকে অতিরিক্ত বেশি টাকা সে নেয় । আবার কোন কাজে গেলে সে করে না ,, সে বলে বাইরের কম্পিউটার দোকান (যেটা তার) সেখান থেকে করে আসতে বলে। ভুক্তভোগী ইউনিয়ন বাসী
Driving Lisence exam perfectly প্রথমবার দিলেও আমাকে ফেইল করাই দেই।দ্বিতীয়বার ঘুষ দিয়ে এক্সাম ছাড়াই পাশ করে আসি ৫০০০ টাকা কন্টাক্ট করে।কারণ আমার আর এক্সাম দেওয়ার সময় ছিলনা।
অফিসার টাকা ছাড়া কাজ করে না
আমি প্রথম অনলাইন আবেদন করছি কিন্তু আমাকে বললো ভূল আছে পরে আবার এই আবেদন নিয়ে টাকা দিয়ে যাই হয়ে গেছে
দলিল দেখতে চেয়েছিলাম আমার কাছে 1500 টাকা চাইছে ও আমি দিয়েছি
আমার ভাতা কার্ড সচল করে দেবে যদি টাকা দি
আমার একটা নাল জমির নামজারি আবেদন মঞ্জুর করার জন্য আমার থেকে সরাসরি খরচের টাকা ৪ হাজার দাবি করেছিল। আমি না দেওয়ায় আমার আবেদন না মঞ্জুর করে দেয় ওই অফিসের জনৈক সহকারী ভূমি কর্মকর্তা পদধারী ব্যক্তি। পরে আমার আবার টাকা খরচ করে আবেদন করে মঞ্জুর করানোর জন্য তাকে চাহিত টাকা দিতে হয় ঘুষ বাবদ।
সেখানের লোক দিয়ে করতে হবে নাহলে ৩ মাস লাগবে পেতে তাই বাধ্য হয়ে করা
বগুড়ার শেরপুরে অগ্রণী ব্যাংকে তখন বিদ্যুৎ বিল দিতাম। ঘটনাটা ২০০১ সালের। আমার বাড়ি সহ আরও দুই রিলেটিভের দিতে গিয়েছি। গিয়ে দেখি লম্বা লাইন। দোতলা ব্যাংকের ভেতরের ক্যাশ কাউন্টার থেকে শুরু করে একেবারে নিচতলার বাইরে রাস্তা পর্যন্ত লাইন। কিছুক্ষণ লাইনে থাকার পর দেখি দুইজন ব্যক্তি লাইনের মধ্য থেকে বের হয়ে গেলো। তাদের অনুসরণ করে দেখি উনারা পাশের চা স্টলে থাকা ব্যাংকের পিয়নের কাছে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ আর বিলের সমপরিমাণ টাকা দিলো এবং বাড়তি হিসেবে প্রতি বিলের জন্য ৫ টাকা অতিরিক্ত দিলো। আমিও তিন বিলের জন্য অতিরিক্ত ১৫ টাকা দিয়ে বসে থাকলাম। খেয়াল করে দেখলাম, আমি লাইনের যে লোকটার পেছনে দাঁড়িয়েছিলাম, উনি প্রচন্ড রোদে এখনো লাইনেই আছেন আর আমি পরিশোধ করা বিলের গ্রাহক কপি হাতে পেলাম! এটাই আমার দেয়া প্রথম ঘুষ!
আমার লাইসেস হারিয়ে গেছে। আমি লাইসেন্স উঠানোর জন্য গিয়েছিলাম। কমর্কর্তা আমার কছে অতিরিক্ত টসকা দাবি করে।
সরকারি চাকুরির পুলিশ ভ্যারিফিকেশন টাকা না দিলে থ্রেট দেয় ভ্যারিফিকেশন উলটা পালটা দিবে। এগুলো থেকে মুক্তি চাই!!
টাকা দিয়ে নিকটস্থ কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করতে হয়। অন্যথায় নিজে নিজে পাসপোর্ট করতে গেলে বিভিন্ন সমস্যা দেখায় পাসপোর্ট সহজে পাওয়া যায় না।
প্রতিটি নামজারি তামিল করতে 1000/- টাকা দিতে হবে।
নামজারি করে দিবে। না হলে ঘুরতে হবে। মূল দলিল দস্তাবেজ নিয়ে হাজিরায় হাজির হতে হবে না। যশোরে থাকি তাই বাধ্য হয়ে চুক্তিতে যেতে হল।