টিন দাখিল
টিন দাখিল করা হয়নি চার বছর উনাকে 5000টাকা দিলে সব ঠিক করে দিবে
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টিন দাখিল করা হয়নি চার বছর উনাকে 5000টাকা দিলে সব ঠিক করে দিবে
Trade license renewal, 13010 taka, the officer took extra 200tk
Firm TIN application korle approved kora te taka chy 3k taka na dile approved Dei na
আমার বাবা আমাকে আমাদের নামে সাবক কাবলা দিবে সেই কারণে ভূমি অফিসার অর্থাৎ রেজিস্টার অফিসার আমার কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে সে ক্ষেত্রে আমি পরিশোধ করি।
আমি ২৮/৮২৬ সালে ভূমি অফিসে যাই আমি জমি নিয়েছি ১৯৯৮ সালে এবং খারিজ করেছি অন 999 সালে এবং চেক কাটছে ১৯৯৯ সালে এবং ২০০১ সালে। এখন আমি আবার চেক কাটতে যাচ্ছি তো বলছে ৪০০০০ হাজার টাকা লাগবে,,,,,,অথচো আমার ১২০০০/১৫০০০ হাজার টাকা হলেই হবে
আমাদের পরিবারের সদস্যদের ভেতরে বাড়ি জমি নিয়ে একটা ৪৪ এবং ৪৫ ধারা মামলা হয়েছে এবং বিবাদীপক্ষ অনেক ভুল তথ্য দিয়ে মামলা করেছে যে আমরা জায়গা জমি পাবোনা সেই মর্মে। তাই মহামান্য আদালত ভূমি অফিসে তদন্তের জন্য চিঠি দিয়েছে এবং ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা আমাদের ওখানে গিয়ে নিজ চোখে দেখেছে এবং আশেপাশের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেছে তৎপর আমাদের কে অফিসে যেতে বলেছে এবং আমরা যখন অফিসে যাই তখন ১২ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে কিন্তু আমরা তাৎক্ষণিক ৩০০০ হাজার টাকা দিয়েছি আর নয় হাজার টাকা দিতে পারিনি তাই এখন পর্যন্ত প্রতিবেদন করে পাঠাইনি
মুলত আমি একটি মিসকেইস মামলার রায় পাই যেটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তামিল করার জন্য প্রেরণ করা হয় আমার মাধ্যমে সেখানে শিমুলিয়া ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তা কাগজটি নিজের কাছে জমা রাখে এবং সাতদিন পরে আসতে বলে,,, সাত দিন পরে গেলে সে জানায় তার কাছে লেখার সময় নেই এবং তিনি নিজেই আমাকে বাইরে একটি কম্পিউটারের দোকান পাঠায় যে মূলত দালাল তিনি আমার কাছে ৩০০০ দাবী করে আমি নিরুপায় হয়ে দুই হাজার টাকা দিয়ে কাজটি করাই।
বিদেশে চাকরি করার জন্য পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম আমার কিছু প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিয়েছিলাম নিজে গিয়ে এবং পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারীদের কাছে তারা বলল তোমার কাগজে অনেক ভুল আছে ভুলগুলো সংশোধন করে নিয়ে এসো আমি পরের সপ্তাহে সংশোধন করে নিয়ে এসেছিলাম ওই পাসপোর্ট অফিসে তারা আবারা বলল আমার নাকি আরো কিছু ভুল আছে পাসপোর্ট অফিস থেকে বাইর হয়ে আসলাম একটা লোক বলল কি সমস্যা ভাই আমি বললাম স্যার কথা বল বলল আমাকে দুই হাজার টাকা দাও সব সমস্যা সমাধান করে দিব আমি টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই আমার ফাইলটা প্রস্তুত হয়ে গেল এ থেকেই বুঝতে পারলাম আমার দেশ কতটুকু দুর্নীতি বা ঘুষ সরকারি অফিস গুলো এরকমভাবে লেনদেন করা হয় তারপরে আমি পাসপোর্ট পেয়ে বিদেশে চাকরির উদ্দেশ্যে চলে আসলাম
সেবাটি ছিল জমির খাজনা।স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে ঘুস চাওয়া হয় এবং প্রত্যাখ্যান করি। কিন্তু কাজ না করে দিনের পর দিন হয়রান করে কাজ হয় না। বাধ্য হয়ে দাবিকৃত ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা দি। এতে আমার কাজ হয়।
আমি আমার স্ত্রীর নামে একটা গর্ভবতী কার্ডের জন্য আবেদন করি।সেখানে তো কয়েক জায়গায় কিছু কিছু টাকা লেগেছে। কোনটা ঘুষ আর কোনটা ঘুষ না এটা বুঝার ও কোন উপায় নেই। ধাপে ধাপে টাকা নিয়েছে।যেমন সাস্থ সেবা কার্ড ২০০/ ব্যংক একাউন্ট আবেদন ২০০/সংস্লিষ্ঠ ইউনিয়ন অফিসেই আবেদন করেছিলাম।পরে টাকা তোলার সময় ১০০/ আমার ঢাকা সিলেট মহাসরকের নরসিংদী শিবপুরস্থ এক স্থানে হোটেল ছিল সরকারি প্রনোদনা পেয়েছি কর্মচারী হিসেবে ২৬০০০/সেখান থেকে নন অফিসিয়াল ভাবে যে আমাদের নাম জমা নিয়েছে অন্যত্র দেখা করে কিছু টাকা দেয়ার দাবি করে।পরে আমি ১০০০/টাকা দিয়েছি। মোবাইল চুরি হয়েছিল উদ্ধারের জন্য শিবপুরের একজন এস আই কে ৪০০০/টাকা দিয়েছি উল্লেখ্য তিনি এই টাকার কথা কোথাও না বলার কথা বলেছেন।এই সব কাছাকাছি সময়ের গঠনা।আরো আগে অনেক হয়েছে এমন।
একটি জন্মসনদ সংশোধন করতে গেলে আমাকে বলে আপনার কোন কিছু লাগবে না শুধু 5000 টাকা দিলেই হয়ে যাবে।
জন্মনিবন্ধনে নাম সংশোধন করার জন্য ১০০০ টাকা দাবি করে, যা না দিলে কয়েকমাসেও কাজটি হবে না. তবে ঘুষ দেওয়ায় দুই দিনের মাথায় কাজটি করে দেয়.
পঞ্চগড় জেলার দেবীঞ্জ উপলোর সোনাহার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দুনীতি ্িামি নিজে খাজনার জন্য আবেদর করছি 90543 টাকা দেখাইল্ িকিন্তু আমার কাছে 7000 টাকায় কাজ করে দিছে পরে
নাল জমিকে ভিটে- বাড়ি দেখিয়ে আমার থেকে আরও ২৪৫০০০ টাকা বেশি রেজিস্ট্রি খরচ দাবী করা হয়। আমি অপারগ হলে নাল জমি দেখিয়ে করে দেয়ার জন্য ১,৮৫,০০০ টাকা ঘুষ নেয় রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মচারীরা ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে। দলিল সম্পাদিত হয় ১৫/০৯/২০২৪ সালে।
আমি একটা পাসপোর্ট করার।জন্য প্রথম। ইউনিয়ন পরিষদে যাই সেখান থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করার জন্য ফর্ম কার্যক্রম সম্পূর্ণ করি করি।চলে চাই চাঁদপুর সোনালি ব্যাংক , সেখার সরকারী ফি সম্পন্ন করে। তার চাঁদপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সিরিয়ালে দাঁড়াই চেকিং রুমে যাওয়ার পরে আমাকে বলে আমার ফর্মে ভুল আছে ঠিক করে নিয়ে আসি। তার সেখানে থেকে বের হয়ে পাসপোর্ট অফিসে সামনে ছোট দোকান আছে সেখানেই যাই,তার আমার কাগজ পত্র দেখাই, সে আমাকে বলে ভাই এখানে কোন ভুল নেই,আপনি কি কোন দালাল ধরে আইছেন এখানে।আমি বললাম ন। সে আমাকে জবাব দিল,তাহলে আপনার পাসপোর্ট হবেনা,বললাম কেন? সে আমাকে বলল এখানে সিক্রেট কোড আছে সেটাই নেই অর্থাৎ, দালালের যেই কোড আছে সেটাই নেই,তাই আপনার কোন দালালের মধ্যেই পাসপোর্ট করতে হবে।
নামজারি আবেদনের শুনানির ডেটে আমার সকল কাগজ অকে থাকার পরেও আমার কাছে ৩০হাজার ঘুস চাওয়া হয়।দিতে না চাইলে বলে সব আমাদের হাতে নামজারি না মঞ্জুর হবে।আমার কাছে যাবতীয় ভিডিও সহ তথ্য প্রমান আছে।গাবতলি ভূমি অফিসে যতজন নামজারি করতে আসে সবার থেকে টাকা নেওয়া হয়।
সৌদি আরব যেতে হলে যেই তাকামূল পরীক্ষা দিতে হয় সেটি দেওয়ার জন্য শুধু মমিনশিং টিটিসি সেন্টার নয় বাংলাদেশের যতগুলো তাকামূল পরীক্ষা দেওয়ার কেন্দ্র রয়েছে টিটিসি ভবন তারা সকলেই এই ঘুষ খেয়ে থাকে যা ভিসা পেশা পরিবর্তনের সাথে সাথে ঘুষের মান বাড়ে যেমন লোড আনলোড এ পেশায় কম নেওয়া হয় কিন্তু ড্রাইভিং যে পেশাগুলো আছে সেগুলোতে আপনার পাস করতে হবে এবং তাদের টাকাও দিতে হবে যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে তারা ফেল দিয়ে দেয় যদি আপনি পাস ও করেন এবং এটি বাংলাদেশের প্রতিটি টিটিসি সেন্টারে করা হচ্ছে এবং তারা বলে তারা কোন ধরনের ঘুষ খায় না কিন্তু বাস্তবে সবাই ঘুষ দিয়ে তাদের থেকে পাস করে আসে কিন্তু তাদের নিয়ম আপনি পরীক্ষায় পাশ করতে হবে এবং তাদের টাকা দিতে হবে যদি আপনি পরীক্ষায় পাস না করেন তাহলে তারা টাকা
নাম জারি করার জন্য আবেদন করেছি, নাম জারি করে দিতেছেন তার পর আমি এসিলেন্ড অফিসে নামজারি সহকারীর সাথে দেখ করে কারন জানতে চাইলে বলে সব ঠিক আছে কিন্তু ৩০০০০ টাকা ছাড় হবে না, তার পর কাজ করে ৩০০০০ টাকা নিয়েছে।
অনলাইনে আবেদন করলে অনুমোদন দেয়নি পরদিন সাব রেজিস্ট্রার অফিস গেলে ৫০০০ টাকা দাবি করে। অন্যথায় অনুমোদন করবো না বলে
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটির সভাপতি মনোনয়নের জন্য জেলা শিক্ষা অফিস ও ডিসি অফিসের শিক্ষা শাখায় খরচপাতি কিছু দিন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫০০৳ করে ১০০০৳ দিতে হয়েছে।