পাসপোর্ট
পাসপোর্ট বেরিফিকিশন কথা বলে থানায় ডাকে পুলিস আমার কাছে এক হাজার টাকা দাবি করে আমি দিতে না চাইলে তিনি আমার পাসপোর্ট আটকে দিবার ভয় দেখায় পরে আমি টাকা দিতে বাদ্য হই।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট বেরিফিকিশন কথা বলে থানায় ডাকে পুলিস আমার কাছে এক হাজার টাকা দাবি করে আমি দিতে না চাইলে তিনি আমার পাসপোর্ট আটকে দিবার ভয় দেখায় পরে আমি টাকা দিতে বাদ্য হই।
আমি অফিসে গেলে আমাকে বলাহয় লাইসেন্স বানাতে হলে প্রথমে কম্পিউটার দোকান থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন।তারপর নিছে সিডির কাছে একজন লোক টেবিল নিয়ে বসে আছেন। উনাকে সাথে যোগাযোগ করেন।আমি নিছে উনার কাছে যাই উনি ১৬০০০ টাকা দাবি করেন।টাকা দেই নাই কিন্তু ঘুষ ছাডা লাইসেন্স কিভাবে পাব?
I am student of Bachelor of Physical Education (BPED )Amnatganj barishal Session. Session:2025 I called my teacher .I had told him,Sir I cancelled my professional Masters and I want to return my registration card and forwarding letter .My teacher told me ,give me 1000 thousand taka and I give you all paper.Then, I paid 1000 taka then .My teacher gave Clarence.Then I completed my work.
৩ দিন গিয়েছি করেনি। বলেছে হবে, হবে, হবে কিন্তু হয় না। অবশেষে ৪০০০/- দালাল কে টাকা দিলে ওইদিন ই হয়ে গিয়েছে। এই হচ্ছে আমার শোনার বাংলাদেশের অবস্থা।
লাইসেন্স করতে ঘুরছিলাম. পরে টাকা দিয়ে করাতে হয়েছে।
আমার বাবার চাকরির পেনশনের টাকা উপজেলা একাউন্স অফিসার 10% দাবী করে পাশাপাশি রাউন্ড ফিগারের বেশি 42000 হাজার টাকাও রেখে দেয়।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে মিউটেশন করতে গিয়েছিলাম, তখন তারা কাগজ যাচাই করে ৮৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা পরিষোধ করার পর মিউটেশন না করেই পুরো টাকা নিয়ে নিয়েছে। এ ব্যাপারে অফিসারকে জিজ্ঞেস করলে বলে এখন নতুন নিয়ম হয়েছে মিউটেশন করা যাবে না। এ ব্যাপারে কোন সমস্যা করলে, কারো কাছে গেলে এমন কাজ করে দিবে যাতে আর যেন মিউটেশন না করতে পারি, তাই চুপ থাকতে বলেছে।
বাদি-বিবাদি স্বামী ও স্ত্রী স্বতঃস্ফূর্তভাবে মামলা প্রত্যাহার করতে চায়, দফতরী নাম তালিকাবদ্ধ করে আর কিছু টাকা দাবি করে যা উপরে উল্লেখ করিছি, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আদালতে টাইম শেষ হয়ে গেছে বলে তারা জানায় অথচ তখন ঘড়ির টাইম ১১ঃ০০ টা বেজে পনের মিনিট তারা চালাকি করে আমাদেরকে তাদের এক সহকর্মীর কাছে নিয়ে যায় সে বলে টাকা দিলে তাহলে কাজ হবে-কোন সমস্যা হবে না। তাহলে আমাদের বক্তব্য হচ্ছে যে কাজটি টাইম শেষ হয়ে গেছে বলে এখন আর হবে না জানিয়ে ছিলো নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিলে আবার কি করে কাজটি হয়ে যায়। অথচ তখন ঘড়ির সময় ছিলো, বেলা ১১টা বেজে ১৫মিনিট। তাহলে এই হয়রানি কেনো? আদালত ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই অশুভ আচরণ কে আমি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।
যেখানে পাসপোর্ট করতে সরকারি ফিঃ ৫৭৫০ টাকা লাগে ধরলাম সবকিছুর খরচ সহ ৬০০০ টাকায় হওয়ার কথা কিন্তু আমাকে বলা হয় ১১০০০ হাজার বলা হয় অনেক কথাবার্তা বলার পর ৯০০০ টাকায় এসে স্থীর হই আমার কাছ থেকে প্রায় ৩০০০ টাকা অতিরিক্ত নিচে তারা এই বলে নেয় যে পুলিশকে টাকা দিতে হবে ওরা নাকি ভেরিফিকেশনের জন্য নেয়। এখন আমি নিজে থেকে বেশ কয়েকটি পাসপোর্ট বানিয়ে দিয়েছি আমার পরিবারের অনেককেই খরচ হইছে মাত্র ৫৮৩০ টাকার মতো।
বন্টন নামা দলিল বাবদ সাব-রেজিস্ট্রার ৭৫,০০০ টাকা উপরি নিয়ে বন্টন দলিল সম্পন্ন করেছেন,যেখানে সরকারি ফি জমা দেওয়া হয়েছে মাত্র ৫০০০/-
প্রতিমাসে ভ্যাট রির্টান জমা প্রদানকালে ৩৩০০০/- ঘুষ প্রদান করতে হয় অন্যথায় প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিভিন্ন হয়রানি করে। এই বিষয় দুদকে মামলা করেও কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি।
২০২৪ সালের দিকের কথা, আমি পাসপোর্ট বানানোর জন্য আবেদন করি, আমার এলাকার এক পুলিশ কর্মকর্তা কল করেন কিছু প্রশ্ন করেন উওর ঠিকঠাক দেই তারপর উনি টাকা দাবি করেন আমি রাজি হইনি পরে আরো সাপ্তাহ দিন পরে আবার কল দিয়ে বলেন আমি টাকা না দিলে উনি পাসপোর্ট আটকে দিবেন তাই বাধ্য হয়ে আমাকে ১৫০০ টাকা দিতে হইছে, আমার কাছে প্রমাণ আছে উনার বিকাশে যে টাকা পাটিয়ে আবার উনার হোয়াটসআপে স্কিনশট পাঠিয়ে ছিলাম
আমি নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে গেছি সেখানে তারা আমাকে কৃষি খামারের জায়গায় বিভিন্ন কাজের জন্য আলাদা আলাদা ট্রেড লাইসেন্স করতে বলে প্রতি ট্রেড লাইসেন্স জন্য ৩০০ টাকা ঘুস দাবি করছে। যা আমি মেনে নাই বলে সে আমাকে বলে যে সে আমাকে কোন প্রকার সহায়তা করতে পারবে না।। আমি উনাকে জিজ্ঞেস করি যে এই বিষয়ে সরকারি কোন নীতিমালা আছে কিনা।। সে সোজা বলে যে উনি হচ্ছে এখানকার নীতিমালা প্রণয়নকারী।
নামজারি খরচ ১১৫০/- টাকা কিন্তু আমার থেকে ৫ হাজার টাকা চেয়েছে। এখনে অফিসের পিয়ন এবং কমিশনার। টাকা না দিলে অনলাইনে এপরুভ হবে না এমনটা জানানো হয়েছে।
ইউনিয়ন বাহ গ্রাম পর্যায়ে যে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলা আছে বেশির ভাগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলাতে গরিব দুঃখী মানুষ ঔষধ নিতে গেলে ৫ টাকা করে দিতে হয়। আমার ওয়ার্ড একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আছে সেখানে ৫ টাকা নেয়। আমি টাকা নিয়ে গিয়েছিলাম না বলে ঔষধ পায় নাই।আমি বাহিরে এসে সবাই কে বলতে লাগলাম সবাই বললো ঔষধ নিতে হলে ৫ টাকা নিয়ে যেতে হবে তা ছাড়া ঔধষ পাওয়া যাবে নাহ।
আমি ২০২২ সালে৷ মার্চ মাসে মাসে সৌদি থেকে বাড়িতে ছুটিতে যাই, সেখানে আমি জন্ম নিবন্ধন বাংলা ইংরেজি করার জন্য আমি দেবিদ্বার ২ নং ইউছুফপুর ইউনিয়ন অফিসে গেলে আমাকে৷ তারা ব্যস্ততা দেখায় কোন রকম ভুল না থাকলে ও শুদু বাংলা ইংরেজি করার জন্য তারা আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়,, আমি তাদের প্রশ্ন করার কারনে তারা আমাকে বলেছিলো এই টাকা নাকি তখন কার দেবিদ্বার ইউএন এই টাকা নিয়ে থাকে আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে, এই যদি হয় ইউনিয়ন এর অবস্তা , যা হয়তো এখনো চলমান রয়েছে,,,,
আমার বাবা বিদ্যুৎ অফিসে চাকরি করতো, রিটায়ার করছে,পেনশন বই নবায়ন করতে দেয়া হয়েছিল, নবায়ন শেষ হবার পর বাজে ঝামেলা, সেটা আনতে যায় আমার বাবা মা, যে অফিসার বইটা দেবে সে বই দেয়ার বিপরীতে ৫০০০ টাকা দাবী করে,আমার মা বা তো জানে না বই আনতে গেলে টাকা লাগবে, কাছে এতো টাকা ছিল না,তাই তারা টাকা দিতে পারেনি, আমার মা বা বই নিয়ে আসে এবং বলে আসে বাসায় গিয়ে টাকা টা আপনার বিকাশে পাঠিয়ে দেবো,কতো দেবো তা বলে নি,পরবর্তীতে বাসায় আসার পর আমাকে তারা বলে এভাবে ৫০০০ টাকা দাবী করা হয়েছিল ঘুষ হিসেবে, বিকাশ নাম্বারটি নিয়ে আসা হয়েছিল সে বিকাশ নাম্বারে আমি ৫০০ টাকা পঠিয়ে দেই। যেখানে একটি টাকাও লাগার কথা না সেখানে আমাকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।আমার বাবা এখন বৃদ্ধ এই পেনশনের টাকা টা তার শেষ সম্বল, এই টাকা টা দিয়ে এখনো সে ইচ্ছেমতো
অঙ্গীভূত আনসার, পোস্টিং সিসি বাণিজ্য, ভালো জায়গায় পোস্টিং নিলে যেমন পাসপোর্ট অফিস ৫০০০০ টাকা ৬ মাস জন্য, দেওয়া লাগে, কক্সবাজার সদরে যে কোন গার্ড থাকতে গেলে ৬ মাস পর ৪০০০ টাকা দেওয়া লাগে, টাকা না দিলে পোস্টিং মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ, সীফুডস বা বোগাচত্ত্বর,খারাপ জায়গায় পোস্টিং টেকনাফ সোলারটেক এইদিকে হয়।
জমিজমা সংক্রান্ত কারণে সিভিল কোর্টে মামলা করা হয় মামলার কপি বিবাদী পক্ষের বাড়ি পৌঁছে দেয় এক কেরানি সে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা গ্রহণ করে এবং আরো ১০০০ টাকা আদায় করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে
ফাইল হারিয়ে গিয়েছে বলার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে বিভিন্ন বার মিলিয়ে ৩ লাখ টাকা নিয়েছে।