দলিল - মালিকানা পরিবর্তন
সাব রেজিস্ট্রার দলিল মালিকানা পরিবর্তন - জমি বিক্রি করতে গেলে নামের আক্ষরিক বানাম ভুলের কারনে টাকা দাবি করে , এর পতিবাদ করে কোনো ফলাফল হয় নাই, পরে ৩ য় পক্ষ দলিল লেখক টাকা নিয়ে সাবরেজিস্টার সে দিলে স্্াক্ষর করে
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সাব রেজিস্ট্রার দলিল মালিকানা পরিবর্তন - জমি বিক্রি করতে গেলে নামের আক্ষরিক বানাম ভুলের কারনে টাকা দাবি করে , এর পতিবাদ করে কোনো ফলাফল হয় নাই, পরে ৩ য় পক্ষ দলিল লেখক টাকা নিয়ে সাবরেজিস্টার সে দিলে স্্াক্ষর করে
আমি প্রায় ৭-৮ বছর ধরে বাইক চালাই, কিন্তু এতো দিন কারন বসত ডাইবিং লাইসেন্স করা হয় নি, কিন্তু এই বছর ১২-০৫-২০২৬ইং তারিখে আমি গাবতলি বি আর টি এ আমার পরিক্ষা পরে আমি লিখিত এবং ওরাল পরিক্ষায় পাস করি এর মধ্যে আমার অনেক লোকের সাথে কথা হয়েছে তারা ফিজ্ঞার দিয়ে অবশ্যই চলে গিয়েছে, কিন্তু আমার চিন্তা ভাবনা ছিলো আমি দালাল ছাড়া করবো তাই আমি ৪ টা পযন্ত অপেক্ষা করে মোটরসাইকেল চালানো পরিক্ষায় পাস করেছি কিন্তু তারপর দিন আমার রেজাল্ট ফেল আসে, পরবর্তীতে আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে আবার পরিক্ষা দেওয়ার কথা বলে এবং এইটা ও বলে আমার বিষয়টি দেখবে এর জন্য 4000 টাকা খরচ করতে হবে, কিন্তু আমি অশিকার করি, কারন আমার চিন্তা ভাবনা ছিলো আমি কেন টাকা দিবো আমি তো সব পরিক্ষায় পাস করেছি এর উওরে তারা হলে এইখানে এমনই হয়।
বাইকের কাগজপত্র এবং আমার মাথায় হেলমেট সবই ঠিক ছিলো, শুধুমাত্র পিছনের পিলিয়ন মানে আমার বউয়ের মাথায় হেলমেট ছিলো না বলে বাইক নিয়ে ভৈরব হাইওয়ে থানায় আটকে রাখে। আমি মামলা দিয়ে ছেড়ে দিতে বললাম সেটাও করে না। তার ২ ঘন্টা পরে তাদের ৫০০ টাকা দিলে তারা ছেড়ে দেয়। এই ঘটনার সাথে ওসি সহ বাকি সবাই জড়িত।
আমি আমার বাবার নিজ বসত বাড়ির আমার ভাগের অংশ হেবা দলিল মুলে রেজিস্ট্রি করে নেই। সেই জমির মিউটেশন করতে গেলে প্রতিটি ধাপে ধাপে ঘুষ দিতে হয়। যেহেতু ঘুষ ছাড়া এখানে সামান্য তম কাজ হয়না তাই আমি মিউটেশন আবেদন থেকে ঘুষ দেওয়া শুরু করি। সব শেষ এসি ল্যাড সাহেবের পালা আসে ঐখানে ঘুষ দেওয়াটা আমার কাছে খুবই অসম্মানের এবং লজ্জাজনক মনে হয়েছে। কারন ওনার মতো একজন কর্মকর্তাকে এই সামান্য কাজের জন্য ২০০০/- ঘুষ দিতে হবে!!! তা আমি মানতে পারিনি। তাই আমি ঘুষ দেইনি। ফলে আমার আবেদনটি খারিজ করে দেয়। পরবর্তীতে আবার আবেদন করতে চাইলে বলে আপনি সকল টেবিলের ঘুষ কন্ট্রাক্ট করে নেন তাতে আপনার কাজ হয়ে যাবে। জানতে চাইলাম কতো দিতে হবে? আমাকে বললো মোট ১০,০০০/- টাকা দিলেই হবে। আমি দেইনি। তাই আজও আমার জমির মিউটেশন হয়নি। মানুষ হবো কবে?
পাসপোর্ট এর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য সিরিয়াল নাম্বার ৪৩৮ লিখে দেয়, তারপর বলে আপনি কোত্থেকে এসেছেন, আমি বলি ঢাকা থেকে এসেছি, তারপর সে বলে আপনার তো অনেক দেরি হয়ে যাবে আপনি আমাকে 500 টাকা দিন আপনার কাজ দ্রুত করে দিব। আমার আবার ওই দিন ঢাকায় ফিরা লাগবে, আমি অনেক রিকোয়েস্ট করি। তারপর সে বলে ঠিক আছে 400 টাকা দেন। একটা আনসার আমার কাছ থেকে টাকাটা নিছে
Fire Service and Civil Defence, Cumilla/ warehouse inspectors demand from BDT300,000 to BDT200,000 for approval of Fire Safety Plan for new factory building.
পরীক্ষা না দিয়ে লাইসেন্স করার জন্য বারো হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছিল।
আমরা একটা কাজ পেয়েছিলাম সেই কাজের বিল তুলতে গিয়ে এই ঘুষ দেয়া লাগছে।
নামজারি করতে ঘুষ দিয়েছি, তবু প্রপারলি করে দিতে পারে নি, নির্ভূল হয়নি
নতুন পাসপোর্ট অতিরিক্তদাবি,
ঈশ্বরগনজ সিভিল সার্ভিস আদালতে রায়ের কপি আনতে ৪০০০টাকা লাগে।
আমার কাছ থেকে ইনডিরেক্টলি ডিমান্ড করেছিলো
City Corporation, Cumilla Sadar South/ officer doesn't demand but asks for a under-table money for quick confirmation of renewed Trade License every year.
আমি অনলাইনে নামজারি আবেদন করেছিলাম। কিন্তু এসিল্যান্ড না মঞ্জর করেছে উল্টাপাল্টা কারন দেখিয়ে। তবে দলিল লেখকরা বল্লো ৭০০০/- দিলেই সব হয়ে যাবে
বিভিন্ন খাতে টাকা দিয়ে করে আনতে হয়।
চাকরি স্থায়ী করণ ও বিনোদন ভাতা পেতে হলে তাকে ঘিষ প্রদান করতে হয়। এছাড়াও গ্রেড উন্নয়ন সহ সকল কাজে সে ঘুষ নেয়।
Passport officer Ansar sodossorae amk deke Nia ghush dabi korte silo.ghush dile oray sob kore dibe.
ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য আমার উকিলের মাধ্যমে করা রিটার্নের কপি নিজে নিয়ে ট্যাক্স অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে নানা ধরনের কথা বলে এবং বিভিন্ন ভুল ধরিয়ে আমার কাছে সরাসরি ২,০০০ টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আমি বেশ দ্বিধায় পড়ে যাই। আমি তাদের বললাম, “আমার উকিলই তো আমার রিটার্ন তৈরি করে দিয়েছেন। কোনো ভুল থাকলে পরে আমি দেখে নেব।” কিন্তু তারা কোনোভাবেই আমাকে ছাড়তে চাচ্ছিল না। একপর্যায়ে আমার দ্বিধা দেখে টুপি পরা লোকটি আমাকে তাড়াহুড়া করে বলল, “তাড়াতাড়ি টাকা দেন, নামাজে যাব।” বিষয়টি শুনে আমি আরও হতবাক হয়ে যাই। সে তখন আমাকে সরাসরি বলল, “ম্যাডাম, আমরা একা খাই না, সবাই মিলে-মিশে খাই।”
আমি ২০১৩ সালে ইউনিভার্সিটির ২য় বর্ষে পড়ার সময় প্রথমবারের মতো একটি ব্যবসা শুরু করার উদ্যোগ নিই। নতুন ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে আমি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে যাই। আমি তাদের সকল নিয়ম মেনে, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র ও তথ্য সঠিকভাবে দিয়ে, যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করি। এমনকি ভেরিফিকেশনের জন্য কর্মকর্তারা আমার প্রতিষ্ঠানে এসেছিলেন এবং সবকিছু ঠিকঠাকই পেয়েছিলেন। এরপর তারা আমাকে ট্রেড লাইসেন্স নেওয়ার একটি তারিখ দেন। নির্ধারিত দিনে আমি ট্রেড লাইসেন্স নিতে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি, যিনি আমার কাজটি দেখছিলেন, তিনি নামাজ পড়তেন, মাথায় টুপি ছিল এবং দাড়িও ছিল। তিনি আমাকে বললেন, “ব্যবসা করবেন, ভালো কথা। আমাদের চা-পানি খাওয়ার টাকা দেন।” আমিও সরল মনে ২০ টাকা দিলাম। ভাবলাম, আর কত
একটা জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য অফিসের দালালরা ২ লাখ টাকা দাবি করেছিল। টাকা না দেওয়ার কারণে আমার কাজটিও করে দেয়নি তারা।