নির্বাচন অফিস।। একটি ছেলে আমার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিল আমার আই কার্ডের নাম সং
নির্বাচন অফিসে নাম সংশোধন ও ধর্ম সংশোধন করার জন্য। যেহেতু আমি হিন্দু থেকে মুসলমান হয়েছিলাম এই কারণে। তাই নাম সংশোধন করার জন্য বিশ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিল
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নির্বাচন অফিসে নাম সংশোধন ও ধর্ম সংশোধন করার জন্য। যেহেতু আমি হিন্দু থেকে মুসলমান হয়েছিলাম এই কারণে। তাই নাম সংশোধন করার জন্য বিশ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিল
জমি নাম জারির করার জন্য আবেদন করেছিলাম, সেখানে প্রতি শতাংশে ১০ হাজার টাকা অতিক্রিতো দাবি করেছিল ভূমিক কর্মকর্তারা আমি ওই মুহূর্তেই প্রত্যাখ্যান করেছিলাম
সরকারি ফি ৫০৳, সচিবকে দিতে হয় ৩০০ থেকে ৪০০টাকা, সরকারি ফি ১০০ টাকা সচিবকে দিতে হয় ৭০০/৮০০ টাকা, এটা ভাগ হয়, UNO অফিস সহ সকলে ভাগ পায়
Amader TTC theke bola hoyechilo taka na dile 99% probability je amra license pabo na. It was not stated to us directly but somehow we got the vibe that if we pay then and only then we will get the license. Tai amra license ar learner er takar sathe 3100 taka hush money hisabe di. Ager batch 2900 diyechilo amader batch theke ghush ta 3100. Pore amra zig zag test e fail kori ba pass kori matter na. Je taka dise se pass na dile fail. Erokom taka diye license kine pore rasta ghat e manus jon accident kore. Mayer kol khali hoy. Eder biruddhe kobe ke bebostha nibe god knows.
২০১৮ সালে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পরেও অনুমোদন কার্যকর করতে মিরসরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমরা ৬ কলিগ থেকে এই অর্থ নেন।
আমার জাতীয় পরিচয় পত্র NID কার্ডে আমাকে মৃত উল্লেখ করে দিয়ে দিয়েছিল যার কারণে আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট তৈরি করতে পারছিলাম না সিম তুলতে পারছিলাম না এক কথায় সরকারের সকল কাগজপত্রে আমাকে মৃত বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল তারপর ঘুষ দিয়ে আমি আমার NID ঠিক করেছি
driving licences পরিক্ষায় পাশ করলেও, পরের ধাপে উর্ত্তিন্ন করে নাই। ৮০০০t aka দাবি করে। taka দেওয়ার পর আমাকে licence দেয় সরকারি ৮০০০+ ঘুস ৮০০০ = ১৬০০০/- লাগছে
আমার বাবার ২ টা বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স এর টাকা দিতে গিয়ে সরকারি চাকরি করা লোক সরাসরি চাইছে টাকা।৪ বছরের ফি কম দেখিয়ে দিবে আর ২৫০০০ টাকা ভাগাভাগি করে অফিসের সবাই নিবে। এছাড়া আমি নাকি কোন ভাবেই বকেয়া টাকা জমা দিতে পারবো না।
১১০০ শত টাকার নামজারির আবেদন করতে আমার লেগেছে ৬০০০ টাকা।তারপরও কত তোষামোদ করতে হইছে
২০২২ সালে জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম ১৫০০০ টাকা দাবি করেছে দেইনি বলে দুই মাস ঘুরাইছে।পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে খারিজ করে এসেছিলাম। কারণ জমি বিক্রি করা ইমার্জেন্সি ছিল আমার জন্য। নিরুপায় বাপ দাদার কষ্টের টাকা কেন জমির টাকা তাদেরকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বন্ড লাইসেন্স রি-নিউ করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ৩ জন অফিসাররা মিলে এই টাকা নেয়। বন্ড অফিসারসহ ছোট ছোট সেপাহীরাও ৫-১৫ হাজার করে টাকা নেয় এক একটা ফাইল এর রিনিউয়ালে। ছোট ছোট কাজ হলেও পরিমাণ ৩-৫ লাখ হয় যেমন মেশিন সংযোজন, প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, নতুন লাইসেন্স ইত্যাদি। একটা কাজও একটা কাস্টমস বন্ড দপ্তরে ঘুষ ছাড়া হয় না।
আমি কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমার পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। আমার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঠিক ও সম্পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও সেদিন আমি ফাইলটি জমা দিতে পারিনি। কারণ আমি কোনো দালালের সহায়তা না নিয়ে নিজে সরাসরি পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল। পরে দালালের সহযোগিতায় অবশেষে পাসপোর্ট এপ্লিকেশন জমা করে পাসপোর্ট পাই । উল্লেখ্য সব মিলিয়ে আমার পাসপোর্ট ৪ টি । ১ কি সিঙ্গাপুরে করিয়েছি কোন ঘুষ ছাড়া, বাকি তিনটি বাংলাদেশে ঘুষের বিনিময়ে।
আমি বদলীজনিত কারণে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ছাড়পত্র আনতে গেলে ৫০০ টাকা নিয়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
নামজারীর জন্য ২০,০০০ টাকা চেয়েছে। কিন্তু আমি বাধ্য হয়ে ১৬০০০ টাকা দিয়ে করি। আমার কাগজ পত্র সব কিছ।
নাম জারি আবেদন করতে গেলে নায়েব সাহেব ১০০০০ টাকা দাবি করেন। সিমলা ইউনিয়নের মনাটি বাজারে অবস্থিত ভুমি অফিস থেকে ঘোষ ছাড়া কোন কাজ হয়না
ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এফসি-বিবিধ অফিসে বেতন পাশ করানোর জন্য টাকা দিতে হয়েছে।
এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় বদলী হওয়াতে শেষ বেতনের প্রত্যয়নপত্র বা এলপিসি নিতে ও নতুন কর্মস্থলে জমা দিতে এই অর্থ দিতে হয়েছে।
জমিটি আমার বাবা ও তার দুই ভাই এর নামে। BDS জরিপের সার্ভেয়ার ও সেলেটমেন্ট অফিসাররা মিলে বলে আপনাদের সব কাগজপত্র ঠিক আছে কিন্তু RS নকশায় ভুল আছে। এরকম করে অনেক দিন ঘুরিয়ে পরে বলে ৫০,০০০ টাকা দিলে কাজ করে দিবো। আমাদের পক্ষে এত টাকা দেয়া সম্ভব হয় না। তাই সে ও আর কাজ করে না।
একটু নাম সংশোধন করবে,সেটা নাকি ইলেকশন কমিশন থেকে ঠিক করে দিবে। পরে বিশ্বাস করে দিলাম 7 দিনের মধ্যে করে দিল।কিন্তু আমাকে বোকা বানায় টাকা মেরে দিছে
আমি কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমার পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। আমার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঠিক ও সম্পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও সেদিন আমি ফাইলটি জমা দিতে পারিনি। কারণ আমি কোনো দালালের সহায়তা না নিয়ে নিজে সরাসরি পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল।