পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য আমার কাছ থেকে নিকলী থানার এসআই ৩ হাজার টাকা ঘুষ চাইছি সেটা নাকি তাদের খরচ স্যার বিনিময় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করে দিবে এক সপ্তাহের মধ্যে হয়ে যাবে অন্যথায় নাকি হবে না
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য আমার কাছ থেকে নিকলী থানার এসআই ৩ হাজার টাকা ঘুষ চাইছি সেটা নাকি তাদের খরচ স্যার বিনিময় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করে দিবে এক সপ্তাহের মধ্যে হয়ে যাবে অন্যথায় নাকি হবে না
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আবেদন করার পর থানা থেকে ভেরিফিকেশনে আসে। এস আই টাকা দাবি করে ৫০০০ তারপর দামাদামি করে ৩০০০ পর্যন্ত দিতে বাধ্য হই। তারপর এসপি অফিস থেকে আবার ভেরিফিকেশনের জন্য দেখা করতে বলে, সেখানেও ২৫০০ দিতে বাধ্য হই। অন্যথায় কাজ হবেনা বলে জানায়।
আমার বাসা মানিকগঞ্জ সিংগাইর ইউনিয়ন পরিষ ৬ নং ওয়ার্ডে আমি পাসপোর্ট নবায়নের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যাই পাসপোর্ট নবায়ন এবং সংশোধনের জন্য আমার কাছে ১৭ হাজার টাকা নেয় এবং বলে যদি ব্যান্ডে পড়ে তাহলে পরে আরো পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে পরে আমি অন্য এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে এক কম্পিউটার দোকানে যাই সেখানে আমি যাচাই করার জন্য বলি বলে যে ৯ হাজার টাকার ভিতরে সব করে দিতে পারবে পরে আমি আবার ইউনিয়ন পরিষদে যাই সেখানে কথার মাধ্যমে বাঘ বেতনটা হওয়ার পরে হওয়ার পরে আমাকে ওই ১৭ হাজার টাকা দিয়েই পাসপোর্ট করে দেয়
আমি বদলীজনিত কারণে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ছাড়পত্র আনতে গেলে ৫০০ টাকা নিয়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
আমার একটা জমির খাজনা বকেয়া ছিল। তো খাজনা দিতে গেলাম। খাজনা বকেয়া প্রায় ৩৫০০০ টাকার মতো।তারা আমার থেকে ৩০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করলো। ঘুষ না দিলে জমি লাল তালিকা ভুক্ত করে ফেলবে।উপায় না দেখে ৩০০০০টাকা দিলাম। ৩০০০০ টাকার পরিবর্তে তারা আমাকে ১০টাকার একটা খাজনা পরিশোধ রশিদ ধরিয়ে দিল। তারা কতটাকা এখান ঘুষ খেল একবার ভেবে দেখেন। আমাকে বললো খাজনা পরিশোধ হয়েছে।আমিও ওয়েবসাইটে লগিন করে দেখলাম হ্যাঁ আসলেই পরিশোধ হয়েছে। কিন্তু ৩০০০০টাকা বা ৩৫০০০টাকা না সেখানে ১০ টাকা পরিশোধ করে বাকি বকেয়া তারা সিস্টেমিক্যালি ১০টাকায় কনভার্ট করেছে।
আমি আমার চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল কুড়িগ্রাম সদর থানা থেকে আমার মালিকানাধীন কাগজ পত্র দেখানোর পর আদালতের মাধ্যমে নিতে বলে আদালতে জি আর ও অফিসের মাধ্যমে আবেদন করি। আবেদন প্রকৃয়া শুরু করতেই দশ হাজার টাকা চায়। অন্য উপায় না পেয়ে পাচঁ হাজার দরকষাকষি করি একদিনে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতিতে টাকা নিয়ে চার মাস পর যেতে বলেন এবং কাল ক্ষেপন করে আবার তিন হাজার দাবি করে টাকা দেওয়ার পর আমাকে আদালতের নির্দেশ করিয়ে দেন। নির্দেশ নামা রেকর্ড বাবদ দু'শ টাকা দিয়ে কাগজ নিয়ে থানায় গেলে পুলিশ আন্তরিকতার সাথে কাজ সম্পন্ন করে খরচ বাবদ আবার নগদ পনের শত টাকা এস আই কে নাস্তা বাবদ সাত শত খরচ করার পর। মোটরসাইকেল হাতে পাই। মোটরসাইকেলের বর্তমান বাজার মূল্য ত্রিশ হাজার টাকা ফিরিয়ে আনার খরচ পঁচিশ হাজার টাকা
আমার অনেক তাড়াহুড়া ছিল গাজীপুরের একটা ফ্যাক্টরি তে মেশিন problem solve করার তাই আমি House Building এ U -Turn নিয়ে একটু wrong lane ধরে BRT তে উঠতে যাই তখন একটা পুলিশ আমাকে দেখে দূর থেকেই ২ হাত দুই দিকে উঁচিয়ে যেন মুরগি ধরার জন্য দৌড়াতে লাগলো। তারপর আমিও চুপ চাপ থেমে যাই তারপর আমার রেজিস্ট্রেশন পেপার এন্ড লাইসেন্স চায় আমি দিতে চাই নি বলেছি পেপারস বাসায় যদিও আমার সাথেই ছিল। তারপর বলে আমার bike থানাতে নিয়ে যাবে। আমাকে পেপারস নিয়ে আসতে বলে মামলা দেবার জন্য। তারপর ৪০ মিনিট পরে বলে রেকার বিল আসবে ১২৫০ টাকা,তো আপনি ১০০০ টাকা দিয়ে দেন। তারপর আমি বিকাশ থেকে ১০০০ টাকা তুলে তাকে দিতে যাই তখন বলে আমি যেন আমার হেলমেট এর ভিতর টাকা টা রাখি। তারপর আমার হেলমেট থেকে টাকা তা নিয়ে আমার নাম এড্রেস লিখে নিয়ে j
এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় বদলী হওয়াতে শেষ বেতনের প্রত্যয়নপত্র বা এলপিসি নিতে ও নতুন কর্মস্থলে জমা দিতে এই অর্থ দিতে হয়েছে।
আমি কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমার পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। আমার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঠিক ও সম্পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও সেদিন আমি ফাইলটি জমা দিতে পারিনি। কারণ আমি কোনো দালালের সহায়তা না নিয়ে নিজে সরাসরি পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল। পরে দালালের সহযোগিতায় অবশেষে পাসপোর্ট এপ্লিকেশন জমা করে পাসপোর্ট পাই । উল্লেখ্য সব মিলিয়ে আমার পাসপোর্ট ৪ টি । ১ কি সিঙ্গাপুরে করিয়েছি কোন ঘুষ ছাড়া, বাকি তিনটি বাংলাদেশে ঘুষের বিনিময়ে।
আমি হজ্জের উদ্দেশ্য পাসপোর্ট করতে গেলে, সমস্ত কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও আমাকে সার্টিফিকেট এর নামের মাঝে স্পেস নেই অথচ এনআইডি কার্ডের নামের মাঝে স্পেস আছে এটা বলে ফিরিয়ে দেয়। আমি সকাল থেকে দুইটা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। পরবর্তীতে বের হয়ে আসার সময় বাইরে থেকে একজন দালাল আমার কাছে ১৫০০টাকা চায় এবং বলে পাঁচ মিনিটে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে দিবে। আমার হাতে সময় কম থাকাই নিরুপায় হয়ে ১২০০ টাকার বিনিময়ে রাজি হয়। যেহেতু আমি হজ্জ এজেন্সিক অলরেডি টাকা জমা দিয়ে দিয়েছিলাম। বারোশো টাকার বিনিময়ে সাথে সাথে আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট করে দেয়।
তুমি যদি আমাদের নাস্তার টাকা না দাও তাহলে তোমার নতুন পাসপোর্ট হবে না,আমি বললাম কেন সে বলল আমরা যদি এখান থেকে রিপোর্ট করি তাহলে তোমার পাসপোর্ট হবে না, আমি বললাম এটা কেমন কথা সে বলল পাসপোর্ট না করতে চাইলে টাকা দিতে হবে না আর যদি করতে চাও তাহলে টাকা দাও ওই লাইনে দাঁড়াও বাকিরা তোমার জন্য সামনে আসতে পারছে না তাদের সুযোগ দাও।
সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় হিসাবরক্ষণ অফিসে।বৈধ বেতন, পেনশন, ইনক্রিমেন্ট চালু সহ ভ্রমণ বিলের জন্য টাকা। পে ফিক্সেশন এর জন্য টাকা, বেতন চালুকরণ, বকেয়া বিল,ভ্রমণ বিল,পেনশনের জন্য টাকা নেয় উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার, হাতিয়া। টাকা না দিলে দুর্ব্যবহার করেন।ফাইল ছুড়ে মারেন।সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী জিম্মি এই লোকের কাছে। এর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার
এফসি বিবিধ, ঢাকা সেনানিবাস হতে টিএ ডিএ, চিত্তবিনোদন, বিভিন্ন বকেয়া দাবী, পেনশন, জিপিএফ, জিপিএফ চুড়ান্ত টাকা দাবী, ছুটির নগদায়ন, উচ্চতর গ্রেড, নতুন নিয়োগের বিল, পারিবারিক পেনশন ইত্যাদির বিল দাবী করা হলে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করা যায় না যদিও করে দেয় তাহলে কোন বিল পাঠালে এখানে ভূল ওখানে ভূল এরুপ করে মাসের পর মাস লেগে যায় বিল হাতে আসতে।।। মোট কথা টাকার অংক বড় হউক আর ছোট হউক ঘুষ ছাড়া ফাইল আসবে না।৷ ধন্যবাদ
মিসকেস এর মামলা ছিলো ভুমি অফিসে,,সব ডুকুমেন্ট আমাদের পক্ষে থাকলেও তারা বছরের পর বছর নতুন নতুন ডেট দিয়ে হয়রানী করতেছিলো,,পরে ২০ হাজার দাবি করে বলতেছে এই টাকা দিল মামলার রায় হবে না হলে রায় হবে না।
অনলাইন রিটার্ন দাখিল অসমর্থ হলে পেপার রিটার্ন দাখিল করা যাবে মর্মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিগত ২৮/৬/২০২৬ খ্রি. তারিখে বিশেষ আদেশ প্রচার করেন। আমি তৎপ্রেক্ষিতে বিগত ১৫/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখে আমি করদাতার পর্যাপ্ত উপকরন এবং পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকার কারণ উল্লেখ পূর্বক আবেদন করেছি কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় সমাধান না করে অনৈতিক অবৈধ উৎকোচ দাবি করেন।
পরপর ৫ দিন গিয়েছিলাম দীর্ঘ ২-৩ ঘন্টা লাইনে থেকে গেলে আমার Application লেটার এ তাদের কোড না থাকলে হুদাই একটা ইস্যু দিয়ে পাঠায় দেয়! যেদিন এক্সট্রা টাকা পে করেছি ওদিন আমার ৭-৮ টা অনিয়ম এর পর ও পাসপোর্ট সাবমিট হয়েছে!
বিদ্যুৎ কেন্দ্র মিটারের জন্য টাকা জমা দিয়েছি দুই বছর পশ্ন করলে উত্তর দেয় আবেদন করা হয়েছে দুই বছর একই কথা
পার্সপোটের কাগজ জমা দিতে গিয়ে ফটোকপির দোকানদার এর মাধ্যমে তারা ঘুষ নেয়।টাকা দিলে কাগজে কোনো ভুল ধরে না এবং তাড়াতাড়ি দেয়।
রিনিউ করতে গিয়ে ২০২১ সালে সিরিয়াল পেতে আমাকে ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য করেছে পাসপোর্ট অফিসের মধ্যে সেট করা দালাল চক্র।
Trade license Renewal. 12,000/-, paid 10,000/-