nid card সংশোধন
একটু নাম সংশোধন করবে,সেটা নাকি ইলেকশন কমিশন থেকে ঠিক করে দিবে। পরে বিশ্বাস করে দিলাম 7 দিনের মধ্যে করে দিল।কিন্তু আমাকে বোকা বানায় টাকা মেরে দিছে
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
একটু নাম সংশোধন করবে,সেটা নাকি ইলেকশন কমিশন থেকে ঠিক করে দিবে। পরে বিশ্বাস করে দিলাম 7 দিনের মধ্যে করে দিল।কিন্তু আমাকে বোকা বানায় টাকা মেরে দিছে
আমি কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমার পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। আমার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঠিক ও সম্পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও সেদিন আমি ফাইলটি জমা দিতে পারিনি। কারণ আমি কোনো দালালের সহায়তা না নিয়ে নিজে সরাসরি পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল।
নামজারীর তদন্তের জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন পাঠাতে চাইছেনা ২০০০ টাকার জন্য, তার ১০০০ টাকা দেওয়ার পর প্রতিবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে পাঠায় সেখানে অফিস সহকারী ঘুষ দাবি করে,অবশ্য কানুনগো টাকা ছাড়াই অনুমোদন দিয়েছে।
মোহাম্মদপুর বেরিবাদ এলাকায় পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম প্রথমে আমার কাগজ দেখে বলে দেখা করবে অনেক সমস্যা আছে আপনি পরে আসেন তারপর এক দালাল আছে বলে ওকে আপনি আড়াই হাজার টাকা দিয়েন আমি পাসওয়ার্ড করে দেবো আমি বাধ্য হয়ে আড়াই হাজার টাকা দেই তারপর আমার পাসপোর্ট করে দেয়
নাম জারি করতে গেলে বলে ৮০০০টাকা লাগবে আমি বলি কেন সরকারি ১১৭০ টাকা লাগার কথা । তিনি বলেন ৮০০০লাগবে করলে করেন নইত যান।
এটি জমির নামজারি করতে হবে যার জন্য টাকা ছেয়েছিল
They wanted 70k to expand the amount of pension and give it faster. They were people from Sena Kollan Sangstha.
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ফাইল জমা দিলে চাহিদা মত 500-1500/- টাকা দিলে সার্টিফিকেট 7 দিনে দেয় আর টাকা না দিলে সার্টিফিকেট পেতে 20 দিন-30 দিন এর বেশি লাগে
প্রাইমারি শিক্ষক হিসেবে বদলি হতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ১৫০০০ টাকা দাবি করেন। না প্রদান করতে চাইলে বদলি আবেদন বাতিল করে দেন
আমি আমার চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল কুড়িগ্রাম সদর থানা থেকে আমার মালিকানাধীন কাগজ পত্র দেখানোর পর আদালতের মাধ্যমে নিতে বলে আদালতে জি আর ও অফিসের মাধ্যমে আবেদন করি। আবেদন প্রকৃয়া শুরু করতেই দশ হাজার টাকা চায়। অন্য উপায় না পেয়ে পাচঁ হাজার দরকষাকষি করি একদিনে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতিতে টাকা নিয়ে চার মাস পর যেতে বলেন এবং কাল ক্ষেপন করে আবার তিন হাজার দাবি করে টাকা দেওয়ার পর আমাকে আদালতের নির্দেশ করিয়ে দেন। নির্দেশ নামা রেকর্ড বাবদ দু'শ টাকা দিয়ে কাগজ নিয়ে থানায় গেলে পুলিশ আন্তরিকতার সাথে কাজ সম্পন্ন করে খরচ বাবদ আবার নগদ পনের শত টাকা এস আই কে নাস্তা বাবদ সাত শত খরচ করার পর। মোটরসাইকেল হাতে পাই। মোটরসাইকেলের বর্তমান বাজার মূল্য ত্রিশ হাজার টাকা ফিরিয়ে আনার খরচ পঁচিশ হাজার টাকা
নামজারী আবেদন করলে পঞ্চাশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। বাধ্য হয়ে উক্ত টাকা দিয়ে নামজারী করি। টাকা না দিলে কোন না কোন অজুহাত দিয়ে নামজারী আবেদন বাতিল করে দেয়। আমার অফিস সহকর্মী নামজারী আবেদন করে শুনানিতে উপস্থিত থেকে কম্পিলিট করে আসার পরেও তার নামজারী বাতিল করে দিয়েছে। কারন হিসেবে ওয়েবসাইটে ব্যাখ্যা করেছে শুনানিতে অনুপস্থিত হওয়ার কারনে নামজারী বাতিল করা হলো। ভূমি অফিসের নামজারী প্রক্রিয়া বা খাজনা প্রদান প্রক্রিয়া অনলাইন করা হলেও, তাদেরকে ঘুষ না দিলে, কম্পিউটারে শুধু ওকে ক্লিক করবে, সকল কিছু সঠিক থাকার পরেও তারা তালবাহানা করে বলবে অনেক কাজ করতে হবে। টাকা (ঘুষ) লাগবে। অথচ তাদের মনে এটা আসেনা যে, উক্ত কাজের বিনিময় সরকার তাদেরকে বেতন প্রদান করেন। তাদেরকে দেখলে মনে হয় তারা খুবই ভাল মানুষ।
পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে খরচের টাকা দিতে হবে, না দিলে ভেরিফিকেশন এখন করতে পারবেন না।
নতুন আবেদন করলে সেখানে পেশা শ্রমিক দেওয়ার কারণে এটি জমা নেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ১৫০০ টাকা দিয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।
There are so many broker in front of Passport office ,Agargaon where they requested me to provide 10 k taka bribe and that person communicate with officer where the token were given ( Mathar chul kom) and he just take the money and communicate with high official and broker to settle the dead. Unfortunately that day the server was not functioning, the broker told me if you want to make the pasport you have to go to Siddirganj branch-Narayanganj, can I arrange it? Then I went to Siddirganj Passport office and agreed to provide 10 k taka to respective broker and he sent me to Siddirganj and I give my finger. This is the process of ghush, but after getting the passport, i didn't provide gush.
সোনালী ব্যাংকে জয়েন করার জন্য মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট দরকার হয়। যার জন্য সোনালী ব্যাংক ৩ টা টেষ্ট করতে বলে। সিভিল সার্জন কার্যালয়, সিরাজগঞ্জ থেকে সার্টিফিকেট নিতে গেলে তারা অতিরিক্ত আরও অনেক টেস্ট ধরিয়ে দেয়, যেগুলোর প্রয়োজন নাই, সোনালী ব্যাংক চায়নি এগুলো। এগুলো না আনতে চাইলে কৌশলে ৫০/১০০ টাকা দাবি করে( ব্যাংকে চালানে টাকা জমা দেয়ার বাইরে)
আমি যশোর জেলা, শার্শা উপজেলার লক্ষনপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারী করার জন্য যাই কিন্তু আমার কাগজের কোন প্রকারের ভূল না থাকার পরও আমার জমি খারিজ করতে রাজি হয় নাই বিধায় আমি বাধ্য হয়েই ১০০০০/- ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
জমির খতিয়ান করতে ১৫০০০ টাকা লাগে সরকারি ভাবে কিন্তু আমার কাছে নিছে ১২৫০০০ টাকা।
৮০০০ টাকা না দিলে কাজ করবো না।তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি। এর মধ্যে ১১৭০টাকা ফি বাকিটা ঘুষ।
দলিল লেখক আতিররিক্ত টাকা নিছে
নামজারির আবেদন করছিলাম,তহসিলদার কে দেওয়া লাগছে, নিজে চাইনে,ওনার এক দালাল ওনার সামনে বলতেছে টাকা দেন,দিছি নিয়ে নিছে