পাসপোর্ট নবায়ন
পাসপোর্ট নবায়নের ক্ষেত্রে আর্জেন্ট করা দরকার ছিল পরবর্তীতে ৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়ে আর্জেন্ট পাসপোর্ট করিয়ে দিয়েছিল ব্যাংক ড্রাফ টাকা বাদেই,না হয় বলেছিল 15 দিন সময় লাগবে তাই ৩০০০ টাকা দিয়েই ৫দিনের মধ্যে নবায়ন করেছি।
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট নবায়নের ক্ষেত্রে আর্জেন্ট করা দরকার ছিল পরবর্তীতে ৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়ে আর্জেন্ট পাসপোর্ট করিয়ে দিয়েছিল ব্যাংক ড্রাফ টাকা বাদেই,না হয় বলেছিল 15 দিন সময় লাগবে তাই ৩০০০ টাকা দিয়েই ৫দিনের মধ্যে নবায়ন করেছি।
we two Brother take heba dolil from my mother in Sub Registry office. they demand 1% of total Value. first 2 time i have tried without Ghush but can't. finally i have given Ghush then Registry done.
টাকা না দিলে পাসপোর্ট করতে দিবে না, টাকা দিলে করতে দিবে।
ইমার্জেন্সি কারণে জমি বিক্রি করতে হয়েছিল তাই খারিজ অফিসে গিয়েছিলাম তারা দুই মাস ঘুরাইছে খারিজ করা যাবে না ১৫০০০ হাজার টাকা না দিলে। বাধ্য হয়ে দিয়েছে
যেকোনো টেস্ট করানোর ফি জমানদিতে গেলে ৫০ টাকা বেশি রাখে, যা দৈনিক ১০০০০টাকার উপরে, কেউ প্রতিবাদ করলে, বাহির থেকে টেস্ট করতে বলে,
এক পুলিশের এ স আই কে আমি ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। আমি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম আমাকে ডেকেছিল। কিন্তু পুলিশের এই সদস্য অফিস থেকে বের করে আমাকে অন্য এক দোকানের পিছনে নিয়ে যায়। বলতেছে তাকে কিছু খরচ পাতি দেওয়ার জন্য না দিলে সে রিপোর্ট দিবে না। আবার আমাকে সতর্ক করেছে অফিস থেকে ফোন দিলে যেন আমি না বলি টাকা দিয়েছি। প্রথমে আমি অস্বীকৃতি জানিয়েছিলাম যে আমি টাকা দিব না। পরে আমাকে বলা হয়েছিল রিপোর্ট দিবেন না সেজন্য আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।
আমার বাইকের কাগজ মামলার কারণে জব্দ ছিল এবং মামলার ডেট ওভার হয়ে গিয়েছিলাম আমি বলেছিলাম আমি মামলা ভাঙ্গিয়ে নিব এখনই, তারা ডাম্পিংয়ের ভয় দেখিয়ে আমার কাছে পনেরশো টাকা দাবি করে পরে আমি 700 টাকা দিয়ে বাইক ছাড়িয়ে নিয়ে আসি
আমার জায়গার উপরে বিদ্যুতের লাইন আছে আমি বাড়ি নির্মাণ করতে পারছি না এই বিদ্যুতের লাইনের জন্য। এই বিদ্যুতের লাইন সরাতে হলে বিদ্যুৎ অফিসে ১৭২৫ টাকা দিয়ে আবেদন করি তারপর একজন ইঞ্জিনিয়ার এসে সেটা দেখে গেলে তাকে ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে তারপর এই ইঞ্জিনিয়ার অফিসে সাবমিট করলে ওইখানে একটা বিল তৈরি হয় প্রায় ৮০ হাজার ২৫৬ টাকা তারপর এই টাকা অফিসে জমা দিতে হইছে জরুরী তা সরানোর জন্য আবার বিদ্যুতের এক লোকে আমার কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করছে যা উনি এক সপ্তাহের ভিতর সরায় দিবে আমার মনে হচ্ছে আমার ব্যক্তিগত জায়গার রূপ দিয়ে বিদ্যুতের কারণে লাইন নিয়েছে যারা তারা নিজের দেখে আমার সমস্যার কারণে শরীফ বলা উচিত কিন্তু এসব কাজ করতে গেলে প্রতিটা জায়গায় জায়গায় টাকা দিতে হয় হয়রানি হতে হয় অনেক
ওয়ারিস সূত্রে নামজারি করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব সাহেব আমার নিকট ৩০০০০ টাকা দাবি করে। আমি অস্বীকার করে ঘুষ দিতে রাজি হয়নি । এখনো আমার কাজটি হয়নি ।
আমি আমার জমির খতিয়ানের জন্য বার হাজার টাকা পরিশোধ করছি। ১২০০০ টাকা কম উনি নিতে চাননি।
প্রকল্পের ১ম কিস্তি অর্থছাড় করার জন্য প্রয়োজনীয় কাজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট সফটওয়ারে পোস্টিং শেষ করে জমা দিই । ঢাকায় অবস্থিত পরিবহন সেকটরের সাথে জড়িত ১টি মন্ত্রনালয়ের চিপ অ্যাকাউন্ট এন্ড ফিণ্যান্স অফিসারের কার্যালয়ের প্রতিনিধি আমার দপ্তরের অর্থছাড়ের সাথে জড়িত ও তাদের পূর্বপরিচিত কর্মকর্তার সাথে যোগসাজস করে মোট ছাড়কৃত অর্থের ১% অথবা সর্বনিম্ন ১৫০০০/= টাকা কিস্তি প্রতি( বছরে মোট ৪ কিস্তি) দাবি করে ও আমার আবেদনট কাল বিলম্ব করে ধরে রাখে । আমি জানি তাদের দাবি পুরন না করলে( যা অন্যান্য অগ্রগতি সম্পন্ন প্রকল্পের পিডিরা দিতে বাধ্য হয় হয়রানি এড়ানোর জন্য) আমার আবেদনে অসংগতি রয়েছে এটি বলে তারা অর্থছাড় নাও করতে পারে । আমার প্রকল্পের অগ্রগতি শুরু না হওয়ায় তাদের দাবি প্রত্যাখান করি যা এখনো পেন্ডিং
জমির নাম জারি বাবত এই টাকা দেওয়া হয়েছিল।
সহকারী পোস্টমাস্টার পদের জন্য ১২০০০ টাকা দাবি করেন উর্দথনও কর্মকর্তা । এই পোস্টের বেতন মাত্র ৪৫০০৳ ।
জমিটি আমার বাবা ও তার দুই ভাই এর নামে। BDS জরিপের সার্ভেয়ার ও সেলেটমেন্ট অফিসাররা মিলে বলে আপনাদের সব কাগজপত্র ঠিক আছে কিন্তু RS নকশায় ভুল আছে। এরকম করে অনেক দিন ঘুরিয়ে পরে বলে ৫০,০০০ টাকা দিলে কাজ করে দিবো। আমাদের পক্ষে এত টাকা দেয়া সম্ভব হয় না। তাই সে ও আর কাজ করে না।
একটু নাম সংশোধন করবে,সেটা নাকি ইলেকশন কমিশন থেকে ঠিক করে দিবে। পরে বিশ্বাস করে দিলাম 7 দিনের মধ্যে করে দিল।কিন্তু আমাকে বোকা বানায় টাকা মেরে দিছে
আমি কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমার পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। আমার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঠিক ও সম্পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও সেদিন আমি ফাইলটি জমা দিতে পারিনি। কারণ আমি কোনো দালালের সহায়তা না নিয়ে নিজে সরাসরি পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল।
নামজারীর তদন্তের জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন পাঠাতে চাইছেনা ২০০০ টাকার জন্য, তার ১০০০ টাকা দেওয়ার পর প্রতিবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে পাঠায় সেখানে অফিস সহকারী ঘুষ দাবি করে,অবশ্য কানুনগো টাকা ছাড়াই অনুমোদন দিয়েছে।
মোহাম্মদপুর বেরিবাদ এলাকায় পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম প্রথমে আমার কাগজ দেখে বলে দেখা করবে অনেক সমস্যা আছে আপনি পরে আসেন তারপর এক দালাল আছে বলে ওকে আপনি আড়াই হাজার টাকা দিয়েন আমি পাসওয়ার্ড করে দেবো আমি বাধ্য হয়ে আড়াই হাজার টাকা দেই তারপর আমার পাসপোর্ট করে দেয়
নাম জারি করতে গেলে বলে ৮০০০টাকা লাগবে আমি বলি কেন সরকারি ১১৭০ টাকা লাগার কথা । তিনি বলেন ৮০০০লাগবে করলে করেন নইত যান।
এটি জমির নামজারি করতে হবে যার জন্য টাকা ছেয়েছিল