Heba dolil Registry
we two Brother take heba dolil from my mother in Sub Registry office. they demand 1% of total Value. first 2 time i have tried without Ghush but can't. finally i have given Ghush then Registry done.
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
we two Brother take heba dolil from my mother in Sub Registry office. they demand 1% of total Value. first 2 time i have tried without Ghush but can't. finally i have given Ghush then Registry done.
আমার জমির দলিল হইছে এখন নামজারি করতে হবে, এখন নামজারি বা মিউটেশন করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা সে লোক আমার কাছে ১২০০০ টাকা করে ৩৬০০০ টালা দাবি করে।জমির মিউটিশন করা জরুরি টাই রাজি হইলাম। এবং পরিশোধ করে মিউটিশন করলাম।
প্রথমে আমি আবেদন করি বিপিডিবি তে।আমি জানি আবেদন ফি ৪০০+ টাকা। কিন্তু আমাকে বলা হয় এটা কাজ করতে ৫০০০ টাকা লাগবে। আমি প্রথম দিন টাকা না দিয়ে আবেদন করে আসি। কিন্তু বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে আমার কাজ করতে ছিলোনা কিন্তু যারা টাকা দিচ্ছিলো তাদের কাজ সাথে সাথে হয়ে যাচ্ছিলো।আমার খুব প্রয়োজন ছিলো আমার বাসায় কারেন্ট লোড নিতে পারতেছিলোনা তাই আমি পরে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে কাজ করি। গ্রাহক সেবার নামে এরা গ্রাহককে হয়রানি করতেছে।
অদ্য 04 মাস হয়েছে সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। সোনালী ব্যাংক লি. কতৃৃক পারিবারিক সঞ্চয়পত্রের ক্রেতার বৈধ নমিনি পরবতী অনলাইনকৃত মৃত্যুসনদ দিয়ে সঞ্চয় পত্র চলমান রাখার আবেদন করেছেন। 20/04/2026 ইং তারিখে। পরবর্তীতে ব্যাংকে যোগাযোগ করলে এখনো পরিবর্তন হয়নি। PENDING (পেন্ডিং) দেখায়। অনেক পরিবার আছে সঞ্চয় পত্রের লাভের টাকায সংসার চালায়। ব্যাংকে যোগাযোগ করলে তাহারা জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো কর্পোরেট অফিস টাঙ্গাইল (মান্না টাওয়ার) যোগাযোগ করার জন্য বলে। জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো কর্পোরেট অফিস টাঙ্গাইল (মান্না টাওয়ার) আসলে সময়ক্ষেপন করে কি বুঝাতে চায় অথবা কি চায়?
ই-পাসপোর্ট ফর্মে প্রাইভেট সার্ভিস নির্বাচন করি আমার কাছে আমার চাকরির আইডি কার্ড আছে। পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমায় চাকরির প্রত্যায়ন পত্র আনতে বলে। আমি ফিরে আসতে চাইলে একজন কর্তব্যরত আনসার আমার সমস্যার কথা জানতে চায়। আমি তাকে সমস্যার কথা বলতেই তিনি দুই হাজার টাকা চায়। তারপর অফিসের বাহিরে বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বল্লে তারা জানায় টাকা দিলে সব পাশ হয়ে যাবে এগুলো কিছু না। পরে আমি ১৫০০ টাকায় আমার পাসপোর্টের কাজ শেষ করি।
“কুমিল্লা-দাউদকান্দি-গোয়ালমারী-শ্রীরায়েরচর-চাঁদপুর” মহাসড়ক প্রশস্তকরণের জন্য কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কর্তৃক অধিগ্রহণকৃত জমির টাকা পাওয়ার জন্য এল.এ শাখায় ৯৬০০০/- ঘুষ দিতে হয়েছে। প্রতিটি মঞ্জুরিকৃত অর্থের জন্য এল.এ শাখা অধিগ্রহণকৃত জমির মালিক হতে প্রাপ্য টাকা অনুসারে কমিশন ভিত্তিক এই ঘুষ দিতে হয়।
আমি একটা ছোট সরকারি চাকরী করি। আমার বাড়ী নাটোরে। আমার পোষ্টিং ছিলো আরিচা নদী বন্দর। আমার বাড়ী থেকে সব থেকে কাছে হয়। হটাত করে আমাকে বদলী করে দেয় বরিশাল নদীবন্দর। বর্তমানে আমার পোষ্টিং ভোলা,মনপুরা,ঢালচর এলাকাতে। যেখানে আমার বাড়ী থেকে যেতে ৩০ ঘন্টা লাগে যেতে। মূলত আমার বদলী হয়েছে ঘুষ বানিজ্য থেকে। একজনকে সুবিধা দিতে গিয়ে আমাকে সাগড়ে ফেলে দিছে। এসব বানিজ্য কবে বন্ধ হবে?
আমার নতুন কেনা মোটরসাইকেলটির রেজিস্ট্রেশন করা এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য তারা ১৯ হাজার টাকা দাবি করেছে এবং আমি সেটি পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি।
পাসপোর্ট করতে গেলে ভেতরের থেকে কর্মকর্তারা বিভিন্ন তালবাহনায় ফিরিয়ে দেয়, নোটিসের ভিতরে যেসব তথ্য দেয়ার কথা তার দেওয়ার পরও সব ডকুমেন্ট ঠিক নেই, বাহিরের দালালদের মাধ্যমে পাসপোর্ট নির্দিষ্ট চিহ্ন দিয়ে এখানে গেলে পাসপোর্ট কমপ্লিট করা যায়।
২০২৪ সালের ঘটনা, আমার বোনের মোহরের মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ছুটাছুটি করা লেগেছিল। এখানে মামলার বিভিন্ন নথি,সাক্ষ্যির নকল,রায়ের কফি ইত্যাদি উঠাতে প্রতিটা ডিপার্টমেন্টে ঘুস দেয়া লেগেছিল।অন্যথায় মামলা বছরের পর বছর পরে থাকে এখানে।দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই অবস্থা।
আমার মামার ৩.৫ শতাংশ জমি থেকে অর্ধেক কিনে দলিল করতে গিয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। কর্মকর্তার দাবি জমি নাকি প্লট করে বিক্রি হচ্ছে। তাই হয় ৫০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা নয়তো ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে।
আমি আমার জমির খাজনা দিতে গেলে আমাকে বলে ২০ সতাংস জমির খাজনা করা লাগবে আমার জমি মাত্র ১০ সতাংস সেখানে বলে যদি খারিজ করতে চাউ ১০ সতাংসের তাহলে ৩০০০০ টাকা দিতে হবে আমি আএর কি করব টাকা দিয়া করচি
কাজ টা এখনো হয় নি,টাকা দি নাই তাই
Taka chara kaj kore na
২০২৩ সালে আমার এমপিও আবেদন করা হয়। আবেদন ডিজিতে পাঠানোর জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রিন্সিপালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। পরবর্তীতে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই
আম্মুর পাসপোর্টের জন্য ২০০০ টাকা ঘুষ দিছি। ঘুষ না দিলে বলে সার্ভারে সমস্যা। আর দিলে সার্ভার ঠিক হয়ে যায়। উপর মহল থেকে আনসার সদস্য সবাই জড়িত।
অভিযোগের বিষয়ে তদন্তে আসা, ও রিপোর্ট প্রধান করা বাবদ
আমার চাচার নামজারি খতিয়ান ঘুষ দিয়ে করে নিছে কিন্তু আমার বাপের অংশটুকু নামজারি শুনানীর দিন বাতিল করা হলো। অথচ একই দলিল অনুযায়ী আমার চাচা অংশটুকু নামজারি ঠিকই হয়ে গেছে আমাদের টা হয়নি। চাচার নামজারি খতিয়ান দেখাইছি এসিল্যান্ড কোন কথা বলে না আর কানুনগো অফিস সহকারী যারা আছে ওরা বলে টাকা ছাড়া হয় নাকি মিয়া। এত ঘুরাঘুরি না করে টাকা দেন ১৫০০০ হাজার করে দিবনি।
আমি একজন বিদেশ গামী স্টুডেন্ট ।পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করার পরে থানা থেকে কল দেয়।সব লিগাল ডকুমেন্ট সত্যায়িত করে নিয়ে জাওয়ার পরেও সে বলে বাবার নামের শেষ অংশের সাথে আমার নামের শেষ অংশের মিল নেই। আমি বলি এইটা কোন আইনে লিখা জে বাবার নামের শেষ অংশের সাথে নিজের নাম মিন থাকতে হবে। এতে সে চিরাও হয় এবং বলে আপনার ডকুমেন্টস সাবমিট করা সম্ভব না। পরে ২০০০ টাকা দাবি করে একজন পুলিশ কর্মকর্তা।
We were asked pay pay at first 70k as it was commission based registration, where the registry officers would come to one's house and do the registration there.It was Ramadan and they were not coming on time so when we called, they said if we pay 20k more up front they will show up, when we had already paid 70k for the whole process.There were many elderly people who were the owners and wouldn't be able to go the registry office physically,one was on wheelchair, hence this application for commission was applied for. So we paid 20k more as they were black mailing us for it.Then same day for the application for copy of registered deed they asked for 10k when back in 2019 it was 3k-5k.