পেনশন
আমরা এক শ ১৪৮ জন বন্ধুরা ৩১ বছর বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সরকারি চাকরি শেষে পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে, বিমান বাহিনী ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার অফিসে ঘুষ দিতে হয়েছে
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমরা এক শ ১৪৮ জন বন্ধুরা ৩১ বছর বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সরকারি চাকরি শেষে পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে, বিমান বাহিনী ফাইন্যান্স কন্ট্রোলার অফিসে ঘুষ দিতে হয়েছে
নতুন পাসপোর্টের জন্যে দিতে হয়েছে আমার সবকিছু ছিল
অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট চায়
Bolcilo j apnar id card bebsai dea ar apni sromik diyecen 1500 taka dile kore dibo...ami sromik kinto tao dey nai 1500 niyeche
বিগত ২০২৫ সালে আমি চট্টগ্রাম সাতকানিয়া উপজেলাধীন খাগরিয়া ভূমি অফিসে বাড়ি ও জমির খাজনা প্রদান করতে যায়।মিনিমাম তার ৩/৪বছর আগে থেকে আমার ভুমিতে নাগরিক আইডি ছিলো। আমার ৩টা খতিয়ান মিলে ওয়েব সাইডে খাজনার টাকা এসেছে ১২০০ টাকার মত। কিন্তু খাগরিয়া ভূমি অফিসে আমার কাছে টাকা চাইলো ১৯ হাজার টাকা।আমি বললাম ওয়েব সাইডে তো ১২০০ টাকা তাহলে আপনারা এত নিচ্ছেন কেন। ওনাদের কোন সঠিক উত্তর নাই।তারপর ওনাদের বলি আমি আমার সাইড থেকে অনলাইনে খাজনা পরিশোধ করবো ওনারা তখন আমাকে জানাই আমার খতিয়ান গুলো যে সাইডে আপলোড করেছি সেগুলো ফেল করে দিয়েছেন। তখন বাধ্য হয়ে রফাদফা করে ১২০০ টাকার খাজনা ১২০০০ হাজার টাকায় পরিশোধ করেছি.. তখন পরবর্তী তারা সেগুলো কর্নফার্ম করেছে। এই হচ্ছে অবস্থা
নতুন জমি ক্রয় করা হলো ১৭ লাক্ষ টাকা দিয়ে! জমিটা এখন দলিল করতে হবে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে করলে কম ব্যয়ে করা যাবে আর যা শ্রেণী আছে সেটা দিয়ে করলে টাকা লাগবে ৭ (লাক্ষ)!এখন জমি ক্রয় করার পর এতো টাকা দলিল করতে লাগে না সরকারি ভাবে আমরা জানি কিন্তু দলিল লেখক ও সহযোগী মিলে ৭ লাক্ষ এর কম করবে না।বাধ্য হয়ে শ্রেণী পরিবর্তন করে ৪ (লাক্ষ) দিয়ে করে আসছি।এরপর নামজারি করতে ৩০ (হাজার) লাগছে সরকারি রেট ১১৭০/-। এখন বলেন কই যাবো? কার কাছে যাবো? সরকার এসব মনিটরিং এ ব্যর্থ সরকারি প্রায় লোক দুর্নীতি ও ঘুষে জড়িত।জনগণের হয়রানি ও দুভোর্গ দেখার কেউ নেই? আল্লাহ ছাড়া বিচার আল্লাহ কাছেই দেই।
তেরখাদা উপজেলার ৩ নং চাকলাদা ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে ২৫ টাকার ফি সেখানে ৬০০ টাকা নিয়েছে যেটা তিনটা জন্ম নিবন্ধন এর জন্য ৭৫ টাকা ধার্য ছিল কিন্তু সেইখানে ইউনিয়ন অফিস থেকে প্রতিটা জন্ম নিবন্ধনের জন্য ২০০ টাকা করে রেখেছে আমাদের তো না করে উপায় নাই
বিল হাতে পেয়ে বলেছে ১২% এর কম টাকা না হলে এটা পাশ করানযাবে না এখানে ভুল আছে বা সিট রোল আনতে বলে চট্টগ্রাম থেকে সকল কাগজ পত্র ৩ জন সেনা কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকার পরেও অডিটরের নিকটে কোন মূল্যায়ন নেই।
২০২০ সাল থেকে আমি পাসপোর্ট অফিসের সাথে কাজ করছি। সেখানে প্রতিটি পাইল জমা দিতে হলে অফিসের লোক দের কে 1500 টাকা করে জাম দিতে হয় বিকাশের মাধ্যমে। ২০২০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় 50000/- পঞ্চাশ হাজার ফাইল জমা দিয়েছে। তাহলে হিসাব করে দেখেন 50000*1500 টাকা 75000000/- সাত কুটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা অফিসের লোকদের জামা দিয়েছি। হিসেব করে কত টাকা ঘুস দিয়েছে।
এমসিটিএসসি, ছদু চৌধুরী রোড,চট্টগ্রামের আইটি সাপোর্ট সার্ভিস বিভাগের এসেট প্রজেক্ট এর আওতায় প্রশিক্ষণের নিয়মিত প্রশিক্ষণার্থী।কিন্তু আমাদেরকে এসেসমেন্টের আগে ও সর্বশেষ আগের দিন ৬ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে প্রতিষ্টানটির আইটি সাপোর্ট সার্ভিস এর প্রশিক্ষক যিনি অত্র প্রতিষ্টানে ২২আগষ্ট এনএসডিএর এসেসর হিসেবেও মনোনয়ন পান।যেহেতু আমরা এসেট প্রজেক্ট থেকে ১২ হাজার টাকা বৃত্তি পাব তাই বারবার ৬ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।এসেসমেন্টের আগেও পর্যায়ক্রমে আমাদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি করে।কিন্তু আমরা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এসেসমেন্টে বসতে দিবে না বলে হুমকি প্রদান করে এবং বসতে দেননি।সেই জায়গায় এনএসডিএ ওয়েব জালিয়াতি করে অত্র প্রতিষ্টানে জব প্লেসমেন্ট দুর্নীতিবাজকে বসানো হয়।প্রিন্সিপাল সহমত পোষন করেন যা জালিয়াতির অংশ।
নাম জারি সরকারি ফ্রী ১১৭০ টাকা।আমার কাছ থেকে নিয়েছে ৫০০০ টাকা। আমি অনলাইনে আবেদন করে ভূমি অফিসে নায়েবের কাছে গিয়েছিলাম।নায়েব সাহেব বলেন এভাবে কাজ হবে না। উপজেলা ভূমি অফিসে রেট বেশি।এসিল্যান্ডকে অনেক টাকা দিতে হয়। আপনাকে ৫০০০ টাকা দিতে হবে। এই টাকা দেওয়ার আগে আমি ভূমি অফিসে এসিল্যান্ডের সাথে দেখা করেছিলাম।উনি আমাকে বিভিন্ন সমস্যা দেখায়।দলিলটা বাতিল হয়ে যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি।
মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশনের জন্য শোরুম থেকে প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট নিয়ে BRTA অফিসে যাই। সেখানে বিভিন্ন রুমে যোগাযোগ করেও কেউ কাগজপত্র জমা নেয়নি। পরে পরিচালকের কাছে গেলে তিনি জানান, কাগজপত্র শোরুম থেকেই জমা দিতে হবে। শোরুমে গেলে তারা কাগজ জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ৩,০০০ টাকা দাবি করে। বিষয়টি নিয়ে পুনরায় BRTA অফিসে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা প্রথমে আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। পরে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানতে চাইলে তিনি কাগজে লিখে দেন, “শোরুম কাগজ জমা নিন।” এরপর শোরুম কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র জমা নেয়। পুরো প্রক্রিয়ায় শোরুম ও Rangpur BRTA অফিসের মধ্যে আমাকে ২–৩ বার অযথা হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে।
আমার নামজারী মামলা ১৬০৫৫/২৫-২৬, এই মামলাটির জন্য আমি ৪৫০০০ টাকা প্রদান করি, কিন্তু এখনো, আমার ফাইলটি অনুমোদন করেনি। আরেকটি মামলা ১২৫৭/২৬-২৭ ইং, আরো একটি মামলা ২২২১/২৬-২৭ ইং, এই দুই মামলার জন্য ৪০ হাজার প্রদান করেছি, তাও এখনো অনুমোদন আসেনি। পেন্ডিংয়ে পড়ে আছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাটহাজারীর নিয়মিত অফিসেই থাকে না, সপ্তাহে বা মাসে একদিন আসে।
বিয়ের দিন বাড়ির উঠানে ল্যান্টা হইয়া নাচ শুরু করসে আর অকথ্য ভাষায় গালাগালি। আগত মেহমান থেকে শুরু করে ছোট বাচ্চাকাচ্চা বয়স্ক মহিলা যুবতি মেয়েরা সবাই বিব্রত ও লজ্জিত। ২০ হাজার টাকা দাবি পরিশোধের পরেও মৃত বাবা মা কে বিশ্রী গালাগালি করতে করতে যায়।
নবজাতকের জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করলে কোনো ফি বা টাকা লাগে না, এটি সম্পূর্ণ ফ্রি। তবে, ৭ নং হোগলাপাশা ইউনিয়ন পরিষদে আমি এই কাজটি করাই আমার কাছ থেকে ১০০ টাকা দাবি করে এবং আমি দিতে বাধ্য হই, ইউনিয়ন পরিষদে কর্তব্যরত কম্পিউটার অপারেটর বলে এটা তার টাইপিং খরচ. আমার বাচ্চা জন্মের এক মাস দুই দিনের মধ্যে আবেদন করি ।
আম্মুর হার্ট এটাক হয় উত্তরা কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার পর তার ECG করে কিন্তু রিপোর্ট বুঝে না তাই আমাকে বললো আপনারা অন্য হাসপাতাল নিয়ে যান পরবর্তী তে আমরা হৃদরোগ হাসপাতাল নিয়ে যাই সেখানকার আয়া আমাদের বলে যে আমাকে আপনি চা নাস্তা টাকা দিলে আমি আপনাকে কোনো সিরিয়েল ছাড়া ডাক্তার ম্যানেজ করে দিবো তার পর সে কোনো সিরিয়েল ছাড়া ই ডাক্তার দেখালো বাঁধ হয়ে তাকে 200 টাকা দেয়া লাগলো এর পর টাকা না দিলে সিট থাকলেও সেখানে সিট পাওয়া যায় না আমার আম্মুর অবস্থা খুবই সিরিয়াস ছিল তার পরও ওনারা সিট দিলো না মাটি রাখলো ওয়ার্ড বয় এর সাথে কথা বললাম সে বললো যে আমরা ৮ আছি আমাদের টাকা দিন আমি সিট ম্যানেজ করে দিচ্ছি আমার থেকে ১০০০ টাকা নিয়ে সিট দিয়েছে সংক্ষেপে বলতে গেলে সরকারি হাসপাতাল এ টাকা ছাড়া কোনো কিছু হয়না
নামজারি আবেদন করি,ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়া সময় বলে খতিয়ানে ভুল আছে বাতিল করে দিবে।পরবর্তী টাকা প্রস্তাব দিয়ে বলে কাজ হয়ে যাবে।
রেকর্ড করার জন্য, হাতের টিপ নেওয়ার বিনিময়ে ২০০ টাকা দাবি, সোনাগাজী সাব রেজিস্টার অফিস এ
আমার বাবার পেনশন বাবার মৃত্যুর পর মায়ের জন্মনিবন্ধন তথ্য গড়মিল সংশোধন করে পুনরায় এন্ট্রি করতে এই অর্থ দাবি করে।আমি নিরুপায় হয়ে এই অর্থ পরিশোধ করি।
নায়েব আমার কাছে ১লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করেন আমি প্রত্যাখ্যান করেছি জবাবে সে বলে কোর্টের রায় আনতে এতো টাকা খরচা করসেন তাহলে আমাকে দিবেন না কেনো। আমি অপারগতা প্রকাশ করাতে সে বলে আপনি আপনার জমির নামজারী কিভাবে নেন আমিও দেখে নেবো সত্যি সত্যিই সে আমাকে নামজারীর জন্য ৮ মাস যাবৎ নানান অজুহাতে ঘুরাচ্ছে