প্রামানিক হার্ডওয়ারর
একটি পর্চা খাজনা ছাড়া ও এক হাজার দিতে হবে না হলে হবে না, আর জাই নি।
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
একটি পর্চা খাজনা ছাড়া ও এক হাজার দিতে হবে না হলে হবে না, আর জাই নি।
আমি একজন প্রবাসী আমার আইডি কার্ড এবং পাসপোর্ট ডে আমার নাম বাবার নাম এবং মার নাম সংশোধন চেয়েছিলাম সেখানে অনলাইনে আবেদন করে কোন সারা না পেয়ে প্রধান নির্বাচন অফিসে গিয়েছিলাম আমার বাড়ি কুমিল্লা কুমিল্লা থেকে আমি প্রায় ১০ থেকে ১৫ বার অফিসে গিয়ে পর্যাপ্ত ডকুমেন্ট দিয়েও কোন ধরনের সাড়া পাইনি পরবর্তীতে এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে কাজটি করতে হয়
২০১৫ সালেরর শেষ দিকের কথা, সেবার বিজ্ঞান বিভাগের থেকে বাগেরহাট জেলায় ৭ জন রিকুট করার সার্কুলারে যোগদান করতে যাই। এবং খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে রিকুট পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক মেডিকেল, লিখিত পরিক্ষা, চুড়ান্ত মেডিকেল সবকিছুতেই ভালো ফলাফল করে টিকে ছিলাম। কিন্তু ভাইবা বোর্ডে রেফারেন্স না থাকার জন্য আমাকে আনফিট করে দেওয়া হয়। আমি তাদের জিগ্যেস করলাম আমার আনফিট হওয়ার কারন কি কোন প্রশ্নইত করলেন না। শুধু নাম আর রোল নাম্বার শুনেই আনফিট সিল মারলেন কেনো। তখন আমাকে বলা হলো বাবা পরের বার আবার চেষ্টা করো। একসাথে ১০ জন করে ভাইবা রুমে ঢুকানো হয়েছিলো। আবার একসাথে ১০ জন করেই বাহির করা হয়েছিলো। যাদের কাগজে ফিট সিল মারা হয়েছিলো। কার মামার রেফারেন্স আছে আবার কারো দলের রেফারেন্স আছে।
একজনের কাছে ১৬ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল।বহু দরবার করেও টাকা না পেয়ে মামলা করি।৪ বছর মামলা চালিয়ে সর্বশেষ টাকা দেয়ার আদেশ দিল আদালত।তা না দিয়ে জেলার বিএনপি চেয়ারম্যানে নিকট যায়।উনি ডেকে একপ্রকার হুমকি দিয়ে মামলা তুলতে নির্দেশ দেয়।আমাকে মাত্র ৩ লাখ দিবে বাকী ওরা ৫ লাখ নিবে।৮ লাখে সব শেষ। ওদের ৮ লাখ মাপ।
পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন দরকার ছিল। টাকা ছাড়া কোনোভাবেই দিচ্ছিল না পুলিশ। ১৫০০ টাকা তাকে বিকাশ করার পর ভেরিফিকেশন দিয়েছিল।
জমি খারিজ বাবদ দবি ২৫০০০ দফা রফা।
আমার দলিলে নাকি ভুল ছিলো আমি একজন প্রবাসি কিন্তু কি ভুল ছিলো আমি ঠিক মত বুঝতে পারি নাই আমি ৫ থেকে ৬ বার ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম আমাকে শুধু গুরায় পরে একদিন ভূমি অফিসের নায়ের আমাকে বলে নামজারি করতে সাধারণতো ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা লাগে কিন্তু তোমার নামজারি করতে ডাবল টাকা লাগবে কারণ অন্যান্য স্যারদেরকে টাকা দিতে হবে
আমি অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। সকল কিছু ভালোভাবে দেখেশুনেই আবেদন করেছি। কোথাও কোনো গ্যাপ রাখিনি। তবে অপশনাল একটা ঘর পূরণ করিনি। তাই আবেদন বাতিল করে দিল। বললাম, এটা তো অপশনাল। অফিসার বলল, অপশনাল বলতে কোনো কথা নাই। দিতেই হবে। আবেদনটা বাতিল করে দিতে বললাম, সেটাও করল না। তখন পাসপোর্ট পাওয়া আমার খুব জরুরি ছিল। কোনো উপায় না পেয়ে দালালকে বললে সে দুই ঘণ্টার মধ্যে ২২০০ টাকা নিয়ে আবেদন জমা করিয়ে ছবি তুলিয়ে দেয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন কপি জমা/রাখার সময় প্রথমে ১,৫০০ টাকা দাবি করা হয়। পরে আপনার সঙ্গে কিছু কথা কাটাকাটি হওয়ার পর আপনার কাছ থেকে ১,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
আসসালামু আলাইকুম ভাই আমি একদিন আমাদের চেয়ারম্যান অফিসে গিয়েছিলাম কাশিনগর কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম মাতৃ সেবার আবেদন করার জন্য তো ওখান থেকে বলেছে যে আপনি সরকারি হসপিটালে যান এখান থেকে একটি সার্টিফিকেট নিয়ে আসার অফিস থেকে বলেছে যে আপনি ওই হসপিটালে যান ওখানে গেলে একটি সার্টিফিকেট দিবে আপনাকে ফ্রি আমি ওখানে গিয়েছিলাম তা তারা বলতেছে যে আমাকে ২০০ টাকা দেওয়ার জন্য পরে আমার সাথে অনেক বার্গেডিং হয়েছে পরে শেষমেষ আমাকে ২০০ টাকা দিতেই হল ২০০ টাকা দিয়ে আমি একটি সার্টিফিকেট নিয়ে আসছিলাম ওখানে ওষুধও সরকারি ওষুধ তো আমি যতটুকু জানি ফ্রী ওষুধ নিতে হলে নাকি টাকা দিতে হয় ওদেরকে প্লিজ আপনারা একটু দেখবেন বিশেষ করে আমরা প্রবাসীরা একটু বেশি হয়রানি হই
ভূমি উন্নয়ন ফি অনলাইনে প্রদানের রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিলাম প্রথমে তারা খুব অল্প বয়সে টাকা দেখিয়ে কোন উন্নয়নশ নির্ধারণ করে কিন্তু অনুমতি দেয় বেশ কিছুদিন পরে দেখা যোগাযোগ না করার কারণে খতিয়ানে করোনিক অনেক ভুল বলে বাতিল করে দেয়। কিন্তু যেয়ে দেখা করলে কিছু অর্থ প্রদান সাপেক্ষে অনুমতি দেয়।
আমার পাসপোর্ট নবাশন করতে ৫০০০ টাকা ঘুসদিতে হয়েছে। কারন হিডেবে বলা হয়েছে এখানে টিকানা সংশোধন করা হয়েছে
মূলত গত ৪ বছর ধরে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে ৩,০০০ টাকা করে ঘুষ রাখতো ঐখানে কর্মরত একজন দাপ্তরিক কর্মকর্তা। পরবর্তীতে গতবছর আমি কোন ঘুষ ছাড়া নবায়ন করতে পারি। কিন্তু আমি যে ১২,০০০ টাকা ৪ বছরে দিয়েছি তার কোন হিসাব নেই।
আমি মিটারের আবেদন করি অফিসিয়াল সব খরচ নিজে করি। কিন্তু ওয়্যারিং রিপোর্ট টাকা ছাড়া সাবমিট করতে লেট করে বিধায় ৫০০ টাকা পরিশোধ করি। এরপর তার নাই মিটার নাই বলে মিটার অর্ডার করেনা আবার ৫০০ দিলে মিটার অর্ডার হয়। তাও সকল প্রসেসিং শেষ হতে ৬মাস পার হয়। এরপর বলে তার নাই আর অপেক্ষা করার পর এজিএম স্যার বলেন তার কিনে দিলে লাগিয়ে দিবে অন্যথায় অপেক্ষা করার জন্য পরবর্তীতে একজনকে ৫০০ টাকা দিলে ৮ মাসের সময় মিটার সংযোগ পায় এমন অভিযোগ নতুন মিটারের ক্ষেত্রে চকরিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে প্রায় ৮০%+ গ্রাহক যথেষ্ট ভোগান্তিতে থাকে....কোনো বিচার নাই
মৌলভীবাজার ডিসি অফিসে জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের চেকটি LAO অফিস থেকে Accounts শাখায় পাঠানো হয়েছিল। Accounts-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ঘুষ না দিলে তিনি চেকটি তাৎক্ষণিকভাবে ইস্যু করতেন না; ঘুষ দিলে একই দিনেই চেক পাওয়া যেত। আমার চেকটিও ইস্যুর জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু আমি প্রথমে কোনো টাকা দিইনি। এর মধ্যে কিছু অসাধু ব্যক্তি অযৌক্তিক আপত্তি তুলে চেকটি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে LAO অফিস কাগজপত্র যাচাই করে চেক ইস্যুর বিষয়টি পরিষ্কার করে দেয়। আরও বিলম্ব বা নতুন কোনো জটিলতার আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে ওই দিনই Accounts-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ৮,০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে চেকটি সংগ্রহ করি।
আমার ছোট ভাই ২০২৪ সালে এসএসসি পাশ করে একটি কিন্টারগাডের্ন স্কুুল থেকে , সেখানে সার্টিফিকেট উত্তলনের জন্য গেলে প্রতিষ্ঠান কৃপক্ষ ৩০০০ টাকা দাবি করে তাছাড়া সাটিফিকেট দিচ্ছেনা । কিন্তু সার্টিফিকেট তো সরকার থেকে ফ্রি দেওয়ার কথা । প্রত্যাগ স্টুডেন্টকেই ৩ হাজার টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে আমার ভাই এর টা এখনো তুলতে পারিনি অতিরুক্ত টাকার জন্য ।
For getting my driving smart card earlier, they wanted 3000 BDT, but we decided to fix it with 2000 bdt.
পুরান ঢাকার ঢাকা মেডিকেলে, আই সি ইউ সেবা নাম করে, প্রতিমাসে তিন কোটি টাকারও বেশি, বাগবাটোরা হচ্ছে, এইসব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে, ওয়ার্ড মাস্টার, ও ওয়ার্ড বয় থেকে শুরু করে, ঢাকা মেডিকেলের আশেপাশে, বিভিন্ন ডায়গনিক সেন্টার ও ছোটখাটো ক্লিনিক গুলো, এই ব্যবসার সাথে জড়িত, এখানে সবাই পার্সেন্টেজ পায়,
আমি সৌদি আরব প্রবাসী ৬ ডিসি মেন্ট যায়গায় খরিদ করি, ৫৬ রেকর্ড ছিল বা সাবেক দরন বা জমির শ্রেণী ছিলো ছাড়া বাড়ি আমি যখন খরিদ করি তখন ও টিক ছিল, বি এস রেকর্ড আগের জমির মালিকের নামে চলমান রেকর্ড আগের মালিকের নামে চলে যায়, শ্রেণী ছিল চারা বাড়ি এটা এখনো বতমান রেকর্ড বিট বাড়ি এটা চেঞ্জ করতে এতো টা দিতে হবে না হলে হবে না,
I have apply as new voter at NID site. they verification process want the money