কৃষি ব্যাংক লোন বাবদ
লোন দেওয়ার বাবদ খাইছিলো।
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
লোন দেওয়ার বাবদ খাইছিলো।
পাসপোর্ট বানাইবার লাগি এক্সট্রা দেওয়া লাগছে নাইলে ফাইলও নিছিলো না ফরে টাকা দিলে নিছে
আমরা জমি কিনতে টাকা বায়না করেছি,,।কিন্তু সেই জমি অন্য একজন কিনতে চায়,, পরে দলিল লেখক আমাদের থেকে দেড় লক্ষ টাকা চাঁদা চায় আমরা তা দিতে বাধ্য হই,, কারন টাকা না দিলে বিপক্ষ দলকে জমি দলিল করে লিখে দিবে,, নিরুপায় হয়ে টাকা দিয়ে দলিল করি
2 mash age ttc driving lisence sorkari vabe 3 mash korar por brta exam deyar jonno 3500 tk deya kotha bolche jara tk dite parche tader pass hoiche ami tk o dei nai pass o korte pari nai
স্কুলে অডিট, অডিটর সার্কিট হাউসে ছিল টাকা তারা ঐ হাউজেই নিয়েছিল। স্কুলে অডিট করে সার্কিট হাউসে রাত যাপন করত।
লাইসেন্স করার পরীক্ষা ও অন্যান্য
পাসপোর্ট আবেদন সবকিছু ঠিকঠাক ছিল।ওনাদের এত বড় সিন্ডিকেট অফিসে আপনি প্রতিবাদ করলে আপনাকে মেরেও ফেলতে পারে পরা।ভিতরে বাইরে সবটাই উনাদের লোক।তো প্রথমবার ফিঙ্গার দেয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ালাম অফিসার স্টেটাস প্রাইভেট দেয়ার কারনে বাতিল করে দিয়ে বললো ঠিক করে আনো।এর আগে লাইনের মধ্যেই দালালরা সিল নিয়ে ঘুরে ২০০০ টাকার বিনিময়ে সিল দেয়।ঐ সিল থাকা কাউরে আটকা না।তারপর বের হয়ে বাইরে থেকে সিল নিলাম আর ভেতরে সব ঠিক।
আজ ৩ বছর যাবদ সার্ভেয়ার রিপোর্ট এর জন্য ঘুরছি। এক সার্ভেয়ার ১২০০০ টাকা খেয়েও রিপোর্ট দেয় নাই। এর পর আরো অনেকেই পাল্টাইছে। এখন যে আছে টাকা দেওয়ার পরও রিপোর্ট না দিয়ে ঘুরাচ্ছে। আমি একজন ১ম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা। আমার পরিচয় দেওয়ার পরও কাজ হচ্ছে না। এবার ভাবেন, সাধারণ মানুষ কি সেবা পাচ্ছে।।।।
পাসপোর্ট বানাতে গেছিলাম, সেখানে আমার কাছে ৩০০০ টাকা ঘুষ চায়। আমি বাইরে পুলিশের কাছে বিচার দিলে আমাকে এডি (AD) স্যারের রুমে পাঠায়। সেখানে গিয়ে আমি যখন বলি যে আমি ব্যবস্থা নিব, আমার কাছে ঘুষ চাওয়ার ভিডিও আছে, তখন এডি স্যার রুম থেকে সবাইকে বের করে দিয়ে ওই পুলিশকে ডেকে আনে। এরপর তারা অনেক জোরাজুরি করে আমার ফোন কেড়ে নেয় আর ভিডিওটা ডিলিট করে দেয়। এসব টানাটানিতে আমার বোরকা পর্যন্ত ছিঁড়ে যায়। আমারে শরীরের এমন জায়গায় হাত দিছে আমি বলতেও পারছিনা! আমি এতিম, উল্টা আমাকে হুমকি দিয়ে বলছে যে আমি যদি আর উল্টাপাল্টা কিছু করি তাহলে আমার এমন অবস্থা করবে যে জীবনে আর বিয়ে হবে না।
ভাতার আবেদন করতে গেলে ১০০০ টাকা দাবি করে। অতপর তা পরিশ্রম করেছি।কিন্তু কাজ এখনো হয় নি।
আমি একজন ট্রাভেল এজেন্সির মালিক। সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পূর্ণ ও হালনাগাদ করে সিভিল এভিয়েশন লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। আবেদন প্রক্রিয়ায় প্রথমে ডিসি অফিস থেকে ‘অফিস খরচ’ বাবদ বলে ১৭,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসে ২০,০০০ টাকা দিতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, ২০,০০০ টাকার এক টাকা কম দিলেও লাইসেন্স অনুমোদন করা হবে না। ১৯,০০০ টাকা দিতে চাইলেও তা গ্রহণ করা হয়নি, ফলে শেষ পর্যন্ত ২০,০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। এভাবে মোট ৩৭,০০০ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হয়। সরকারি চালান ও অন্যান্য বৈধ খরচসহ লাইসেন্স প্রাপ্তিতে মোট প্রায় ১,৫৫,০০০ টাকা ব্যয় হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় ৩ মাস সময় লাগে এবং এ সময়ে ডিসি অফিস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসে ২০ বারেরও বেশি যাতায়াত করতে হয়েছে।
lged একটিরাস্তাঘাট এর জন্য ঘুষ নেয় কিন্তু মসজিদ মন্দিরে টাকায় ও ভাগ বসায় এটা কোন কথা
প্রতি খতিয়ানে গড়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা প্রকার ভেদে ৫০ হাজার টাকা
আমার সন্তানের মাথা কেটে গেলে হাসপাতালের জরুরূী বিভাগে নিয়ে গেলে ডাক্তারের সিরিয়াল পেতে।প্রথম দিনে ৫০ দ্বিতীয় দিনে ২০০ টাকা দেওয়া লাগে
নামজারির কাজ আগাচ্ছে না তাই স্পিড মানি দিতে হয়েছে
মৌলভীবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালত, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত- সবখানেই ঘুষ ছাড়া নথি দেখার কিংবা নথির কপি সংগ্রহ করার কোনো উপায়ই নেই। মামলাভেদে ঘুষের পরিমাণ উঠানামা করে। নথি দেখতে হলে কমপক্ষে ২০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, ক্ষেত্র বিশেষে এর পরিমাণ ১০০০ টাকাতেও গিয়ে উঠে।
হাসপাতালে থেকে গর্ভবতী কার্ড নিতে গিয়েছিলাম। ২২০ টাকা দাবি করছে, এবং এই টাকা পরিষদের পরে কার্ড করে দিয়েছে।
এমপিও ভুক্ত করনের জন্য পূর্ণাঙ্গ ফাইল জমা দেওয়ার পরেও বিভিন্ন ধরনের তাল-বাহানা দেখিয়ে ফাইল আটকে রাখে এর পরে যখন বকশিস নামক ঘুষ প্রদান করা হয় তখনই ফাইল তৎক্ষনাৎ শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ করা হয়। দ্রঃ আমার এবং আমার সাথে অন্যান্য সহকর্মীদের ফাইল অনেক দিন পরে ছিলো পরে অন্য কোনো উপায় না পেয়ে এবং সহকর্মীদের কথা বিবেচনা করে দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমি একটি জমি ক্রয়ের পর নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে যাই। সেখানে কর্মকর্তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে আমাকে প্রায় ৮–১০ দিন ঘুরান কখনো বলেন স্যার নেই, কখনো সার্ভার সমস্যা, আবার কখনো অন্য তারিখে আসতে বলেন।একপর্যায়ে একজন ব্যক্তি আমাকে বলেন, “এভাবে সারা জীবন কেটে যাবে, কাগজ পাবেন না। কিছু দেন, ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।” তার কথায় আমি তাকে ২০,০০০ টাকা দিই। এরপর দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো কাজ হয়নি। পরে আবার গেলে একইভাবে ঘোরাতে থাকে। একপর্যায়ে “জায়গা কিনেছেন, মিষ্টি খাওয়াবেন না?” বলে আরও ৬,০০০ টাকা নেয়।এরপরও নির্ধারিত তারিখে গিয়ে একই অজুহাত শুনতে হয়। সর্বশেষ আজও আমাকে ঘোরানো হয়। আমি অফিসে বসে থাকার পর কাজটি করে দেওয়া হলেও অতিরিক্ত ১,১০০ টাকা দাবি করা হয়। ইতোমধ্যে ২৬,০০০ টাকা দেওয়ার কথা জানালেও তারা কোনো কথা শোন
দুরনিতি র আখড়া এলজিআরডি সরকারি ভবন টাংগাইল,,বিশেষ ভাবে বলতে গেলে জা দিয়া নাম,,অফিসিয়াল খরচ ৫ থেকে ৭ হাজার,,সেখানে,আমার মাত্র ৭লাখ টাকার একটা বিল উত্তোলন করতে সে একাই নিয়েছে ৩০০০০ টাকা,,আর প্রতেক টা টেবিল ফাইল সই করতে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা ত লাগেই,,ভাই,, যে এই সরকারি ভবন গুলো তে যাতায়াত করছে সেই বুজে,,কেন এত টাকার টেন্ডারের কাজ সঠিক ভাবে,, কোন কন্টাক্টর,,করতে পারে না,,এর প্রতিকার অন্তত এই বাংলাদেশে সম্ভব না,,ধন্যবাদ