Lecturer recruitment
Public University lecturer recruitment, they contacted me to negotiate money for this recruitment, and i refused in the name of Allah, Alhamdulillah
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Public University lecturer recruitment, they contacted me to negotiate money for this recruitment, and i refused in the name of Allah, Alhamdulillah
Bank teke Police verification r jonno dicilo 2no. Gate sholo shohor Police Karjaloiye...Taka chara oni amader report valo dibe na bolce,tai amra baddo hyci taka dite.
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে যায়, আমার সব কাগজ পত্র ঠিক থাকা সর্তেও, তার বলে আমার নাগরিকত্ব সনদ লাগবে কিন্তুু পরে একজন আনসার সদস্য ডাক দিয়ে নিয়ে গিয়ে বলে কিছু লাগবে না ১২০০ টাকা দিলে, এই হচ্ছে পাসপোর্ট অফিসের অবস্থা
সাধারণ ডাইয়েরি তুলতে এই টাকা নেয়
মাদারীপুর সদর থানার এসআই একটি তদন্ত প্রতিবেদন আমার পক্ষে দেওয়ার জন্য ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি উক্ত ঘুষের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করি। পরবর্তীতে, আমার কাছে থাকা সঠিক ও প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র/দলিলাদি উপেক্ষা করে এবং প্রকৃত তথ্য যথাযথভাবে যাচাই না করে আমার বিরুদ্ধে নেতিবাচক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
আমার ও আমার সহকর্মীদের এডভান্সড ইনক্রিমেন্টের টাকা উত্তোলনের জন্য প্রত্যেক ফাইলে ৪০০০/ টাকা দাবি করে, আমরা পরিশোধ পূর্বক বিল উত্তোলন করি।
২০০৫ অথবা ২০০৬ সালের দিকে একটা বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদন করতে সিডিএ তে প্রায় ৫০০০ টাকার উপরে ঘুষ দেয়া লাগছে।
MPO অনুমোদন করে না। উপজেলা শিক্ষা অফিসার। এর পর তিন দিন ধরে ঘুরে বুঝতে পারলাম কিছু না দিলে হবে না। আর তিনি ফোনে বললেন না আসলেও হবে। বিকাশ করলেই হবে। আমি সরাসরি গিয়ে খামে দিলাম। রাতেই আমার ফাইল অনলাইন এ জেলা শিক্ষা অফিসে ফরোয়ার্ড হয়ে গেল।
আমার মৃত বাবার Toyota AE110 গাড়ির মালিকানা আমার আম্মুর নামে পরিবর্তনের জন্য বিআরটিএ নানান লিগাল কাগজপত্র সহ ২ লাখ টাকা দাবি করেছিল। ওটা না দিয়ে শেষমেশ আমার ও আব্বার এই শখের গাড়ি অর্ধেক দামে কাগজ ছাড়া বিক্রি করে দেই
সরকারি ভ্রমন ভাতা তুলতে গেলে বিলের ১০% টাকা দাবি করে,এর সাথে জড়িত সরকারি অফিসের ক্যাশ সরকার এবং হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তারা।
আমার বাবার বাড়ি। আমাদের ভাই বোন দের নামে নামজারি তিন বার প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তৃতীয় বার প্রত্যাখ্যানের কারণ ছিল, আমার বাবা তার নামে নাম খারিজের সময়,খারিজের জন্য যে ফি হিসেবে টিকা জমা দিয়ে ছিল তার কপি তাদের লাগবে।
আমার মাটি একটি দাগ ছিল পরে দেখি ২ টি দাগ আমি বললাম আমার মাটি ১ টি দাগ rs খতিয়ানে করা আছে আপনি একটি দাগ করে দেন উনারা বলছে টাকা লাগবে আমি বললাম এইটা আপনাদের ভুল টাকা কেন দিব উনারা বললো তাহলে ২দাগে নিতে হবে এমন কি আমারা দাগ হাত ছাড়ার উপাই
জন্ম নিবন্ধন করার জন্য সরকারি ফি ৫০/- টাকা হলেও ২০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে। পরবর্তীতে আরেকটা করার জন্য গিয়েছি তারা আমার প্রয়োজনিয় ডকুমেন্ট ফটোকপি করার জন্য প্রতিটি দশ টাকা চেয়েছে অন্যথায় বাজার থেকে করে এনে দিতে হবে যা অটো দিয়ে গেলেও আসা যাওয়া দশ টাকার ভাড়া লাগে।
সারা বাংলাদেশের যতগুলো ফায়ার সার্ভিস এর অফিস আছে সেইখানে ফায়ার লাইসেন্স করতে গেলে ছোট ব্যবসায়ী কিংবা বিভিন্ন কোম্পানি আপনাদের শোরুম দোকান আছে তোদের প্রত্যেকের কাছেই ২০০০ থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়। তাদের দাবি পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা নেই, কিংবা এক্সিট ডোর নাই। যারা ছোট ব্যবসায়ী তাদের তো একটা শোরুমে কখনো দুইটা দরজা থাকে না। এবং পানির ব্যবস্থা থাকে না। এই কারণেই অনেক শোরুম কিংবা দোকান মালিক ঘুষ দিতে বাধ্য থাকে। যদিও আমি জানি এটা কোন সরকারি কাজ না। তবুও বিষয়টা আপনাদের সাথে শেয়ার করে রাখলাম। আপনার নিজেরাই খোঁজ নেবেন তখন জানতে পারবেন বিষয়টা। আমি একাধিক বার এই ফায়ার লাইসেন্স করছিলাম প্রত্যেকবার অতিরিক্ত টাকা দেওয়া লাগে।
আমি একজন এমপিও ভুক্ত শিক্ষক। আমি বিএড স্কেলের জন্য স্বাভাবিক নিয়মে আবেদন করছিলাম।কিন্তু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আমার কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে, বারবার আমার ফাইল রিজেক্ট করে দেয়।কিন্তু এই দূর্নীতিবাজ অফিসার বদলি হওয়ার পরে আমি বিনা ঘুষে আমার উচ্চতর গ্রেট প্রাপ্ত হই।
ওয়ার্ড সিটি করপোরেশন অফিসে (বিবিরহাট ৭ নং ওয়ার্ড) গেছিলাম টিসিবি কার্ড তৈরি করতে। প্রথমে বললো এখন হবে না পরে। এর বারবার বিরক্ত করায় বললো ৩০০ টাকা লাগবে। না পারতে দিতে হলো। মধ্যবিত্তের একটু সাশ্রয়ের আশায়।
জমি বিক্রয়ের দলিল রেজিস্টারি সম্পন্ন করতে গেলে সাব রেজিস্টার কাগজ আটকিয়ে রেখে উকিলের মাদ্ধমে এক লাখ টাা নেন। তার পর রেজিস্টারি কাজ সম্পন্ন করেন।
ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে নোটিশ জারি করতে চেয়েছিলাম, দুইটা ফাইল আমার কাছে ১৫০০০ টাকা চেয়েছে।
এই ঘটনা টা আমার সাথে কিছু দিন আগে ঘটে গেছে। আমার হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ২ মাস পর সনাক্ত করেছে বলে থানা থেকে একজন এএসআই ফোন করে আমার ছোট ভাইয়ের কাছে বলে ৪ হাজার টাকা দিলে তারা মোবাইল উদ্ধার করে দিতে পারবে। তার পর ২-৩ দিন পরে থানা থেকে এএসআই কল দিয়ে বলে আমার মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে থানা থেকে নিয়ে আসার জন্য আমাকে আমার ছোট ভাই এই সব কথা বলার পর যখন আমি সেই এএসআই কে কল দেই তিনি কল ধরেন নাই। পরে যখন আমাকে তিনি কল দেন আমার মোবাইলে কল রেকর্ড হয়ে যায়।তাই পুলিশ আমাকে আর কোনো টাকা পয়সার কথা বলেন নাই। পরে যখন আমি থানায় যা-ই আমার মামা একজন কে নিয়ে তখন থানা থেকে বাহিরে নিয়ে আমার মোবাইল ফোন আমার হাতে দেওয়া হয়। আর বলে যে ২৬৫০ টাকা দিতে হবে। তখন আমি বলি আমি যখন আপনাকে কল দেই আপনি ত এই সময় কোনো টাকা পয়সা লাগবে
দালালের মাধ্যম ছাড়া এখানে কেউ ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে পারবে না। এই দালাল বি আর টি এ কর্মকর্তা এবং কম্পিউটার অপারেটর ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের একটা সিন্ডিকেটের যুগ সাজসের ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেয়। আমার কাছ থেকে ১২০০০ টাকা নিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিয়েছে। টাকা ছাড়া এমন কোন ব্যক্তি নাই যে এখান থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে আমি এটা হচ্ছে নরসিংদী বিআরটিএ