জমির খারিজ করার জন্যে
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ি ইউনিয়ন ভুমি অফিসের একজন পিয়ন পোস্টের লোক, আমি আমার জমির খারিজ করতে গেলে আমার জমির দলিল দেখে তারপর আমাকে নানান ভাবে ভয় ভিতি দেখায়, যে দলিলে অনেক ভুল আছে, এই দলিল দিয়ে খারিজের আবাদন করলে জমি এই পাওয়া যাবে না, পুরাটাই লস, তারপর আমাকে নানান ধরনের উদাহরণ দেয়, যে মানুষের জমির খারিজ করায় দিছে কারো কাছে ৩০ হজার ৪০ হাজার টাকা নিয়ে সব করে দিয়েছে, আমাকে বলে যেহেতু পরিচিত তাই অল্পটাকার ভিতরে আমার খারিজ করে দিবে তারপর তার সাথে চুক্তি হয় ১৫ হাজার টাকা। আবেদনের দিনেই আমার কাছে ৬ হাজার টাকা নেয়, বলে ২০ দিনের ভিতরে কাজ করে দিবে, বাকি ৯ হাজার টাকা কাজ হওয়ার পরে নিবে। এভাবে টাকা ২ মাস হয়ে যায় কাগজ বের না হওয়ায় আবার ৪ হাজার টাকা নেয় আমাকে নানান ধরনের ভুল বুঝিয়ে।