অযথা আটকায়ে টাকা নেশ
গাড়ী আটকায়ে টাকা নেয়,কাগজ সব ঠিক থাকার পরও
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
গাড়ী আটকায়ে টাকা নেয়,কাগজ সব ঠিক থাকার পরও
টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি
আমার 2 মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করার জন্য দিয়ে ছিলাম,কিন্তু প্রায় ১ বছর পরে দিয়েছে কিন্তু এক মেয়ের নামে ভুল এবং অন্য মেয়ের জন্ম তারিখে ভুল।এখন আবার এটা সংসুধন করার জন্য দিছি প্রায় ৯ মাস হয়ে গেছে।ফোন দিলে বলে অফিস বন্দ।আমি অনেক অসহায় কারণ আমি প্রবাসে থাকি
বিধবা ভাতার জন্য আমার কাছে ৪০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল। আমি টাকা দেওয়ার পরও আমার বোনের বিধবা ভাতা হয় নি।
আমার গ্রামের মেম্বার বয়স্ক ভাতার নামে ১৫০০ কাটা চাইছে। টাকা দিতে পারি নাই বলে আজো বয়স্ক ভাতার কাড হয়বি।
টেন্ডার এর বিনিময়ে টাকা দেয়া হয়েছে।
আমার মা একজন পরিবার পরিকল্পনা সহকারী হিসেবে তার চাকুরীজীবন শেষ করার পর থেকেই উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে নানান ভাবে হয়রানি শুরু করে। যেমন: কাগজ সমস্যা, রিন পরিশোধ হয়নি, বকেয়া আছে, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থেকে ছাড়পত্র দিচ্ছে না, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর থেকে বাজেট বরাদ্দ নাই, পিআরএল অনুমোদন করতে হবে, হিসাবরক্ষণ অফিসে টাকা ছাড়া কাজ করে না সহ নানা হয়রানি মূলক কাজ করে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ২২০০০ টাকা, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ১০০০ টাকা এবং উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ৪০০০ টাকা নিয়েছে তাছাড়া ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সেই দায়িত্বশীল কর্মকর্তা আরও টাকা দাবি করে যাচ্ছে।
আমি সাধারণ ভাবে জমা দিতে গেলে ফাইল জমা না নিয়ে ফিরিয়ে দেন। এরপর বাধ্য হয়ে এক কম্পিউটার দোকানদার, যিনি এইসব এর দালালি করেন, তার সহায়তা নেই। তার সাংকেতিক সিল ও সাইন দেখে ফাইল দ্বিতীয় জমার দিন আর কোনো সমস্যা হয়নি।
হাওড় এলাকা, প্রায় তিন ঘন্টা নৌকায় জার্নি করে ছবি তুলতে আসে সাধারণ জনগণ, আসলে বলে মেসেস যাবে, আর প্রতি জন ২০০০-৩৫০০ টাকা এঈ দিনই ছবি তুলতে পারবে। না হলে মেসেস যাবে।
নামজারির আবেদন করা হয়েছিল। উল্লেখিত অর্থ প্রদান না করলে কাজ করতে অনেক বিলম্ব হয়। এমনকি ফাইল বাতিল করা হয়।
ট্রাফিক সার্জেন্ট প্রতিনিয়ত ড্রাইভারদের কাছ থেকে এক হাজার থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে না দিলে হুমকি দেয় এবং আমাকেও দিয়েছে আমার কাছে ভিডিও আছে প্রমান হিসেবে
জমি দলিল করতে ১৩ হাজার টাকার বেশি নিচে
আব্বু সরকারি প্রাইমারি স্কুল এর প্রধান শিক্ষক ছিলেন।তিনি মারা যাবার পর মাসিক পেনসন ও এককালিন টাকার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসে গেলে অফিস সহকারী পুরো কাজ করে দেওয়ার জন্যে ২০হাজার টাকা দাবি করে।
২০১৫ সালের ঘটনা আমি ডকুমেন্টস ভেলিড করার জন্য এক কর্মকর্তাকে দিয়েছি ২০০০, এবং ভেরিফিকেশনের জন্য এক পুলিশ ফোন দিয়ে বলে টাকা দিতে। ওরে দিয়েছি ২০০০।
সার্টিফিকেটের নাম ও বয়স সংশোধন। অনলাইনে আবেদন করার তিন বছর পরও মেসেজ আসছিল না তারপর খোঁজ নিলে নবম শ্রেণীর একজন কর্মকর্তা আমার কাছে ৬০০০০ টাকা দাবি করেন এবং তিনি বলেন সব ঠিক হয়ে যাবে; উনার পরিচিত লোক আছে; তারপর আমি দিতে বাধ্য হই
আমার কাজ পাওয়া বাবদ তাদের এই অর্থ পরিশোধ করতে হয়েছিল। এটাতো একটা লিখছি, এরকম বহুবার বহু আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠানে ঘুষ দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
দাবি ছিলো যে, কিছু লাইন খরচ, চা-পানি খরচ, হাত খরচ লাগবে। এগুলো না দিলে সিরিয়ালেও দাঁড়াতে দিবে না। কী আর করার! অবশেষে দিতে বাধ্য হয়েছি।
চট্টগ্রাম টু ঢাকা তেলের পাইপ লাইন যাওয়াতে সরকার জমি অধিগ্রহণ করেছিল। অধিগ্রহণ এর টাকা ফেরত নিতে হলে ৫% টাকা জমা দিতে হবে।
অগ্রণী ব্যাংকের একাউন্ট ওপেন করার সময় ২০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ব্যাংকের কর্মকর্তা না দিলে একাউন্ট ওপেনিং করবেনা আমার জরুরী বিদায় আমি দিতে বাধ্য হয়েছি দুঃখিত
কাগজ পত্র সব ঠিক থাকার পর ও নামজারি খতিয়ান করতে ১৫০০০ টাকা ঘুুষ চাইছে