পেনশনের ফাইলের
আমার মরহুম বাবার পেনশনের টাকার জন্য বিগত ১৪ মাস হিসাব রক্ষণ অফিস,রামু আমাকে ৩৫০০০ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন হয়রানী করেছে৷
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার মরহুম বাবার পেনশনের টাকার জন্য বিগত ১৪ মাস হিসাব রক্ষণ অফিস,রামু আমাকে ৩৫০০০ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন হয়রানী করেছে৷
রংপুরের পীরগাছার হিসাবরক্ষণ অফিসার কোনো বিলের ফাইল ৫% টাকা না দিলে ছাড়ে না।সে ঘুষের টাকা দিয়ে রংপুর শহরে খলিফা পাড়াতে বিল্ডিং করেছে। তাকে আইনের আওতায় আনা হোক
সার্টিফিকেট এর সাথে মায়ের নামের বানান গরমিল ছিল। ২বার সংশোধনী আবেদন রিজেক্ট হলে ঘুষ দিয়ে কাজটি করিয়ে নিই।
জমির নামজারি করে দিবে
মোবাইল চুরি হওয়ার পর, পুলিশকে ৩ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার পর মোবাইল এনে দিয়েছে, তার আগে জিডি হাতেও নেয় নাই।
একটি সংযোগ নির্ধারিত স্থান থেকে নিচতলায় স্থানান্তর কোথায় পুরো ভবনের সংযোগ (৪০ টি চুলা) বিচ্ছিন্ন করা হয়
আমি সরাসরি বিআরটিএ অফিসে গেলাম কেরানীগঞ্জ, আমি বিআরটিএ একজন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি নিজে মালিকানা পরিবর্তন করতে চাই, আমি অফিসের এক কর্মকর্তার কাছে গেলাম, আমার মোটরসাইকেলের পুরানো ফাইলটি বের করার জন্য, সে আমার ফাইলটি খোঁজার জন্য ভিতরে গেল এবং ৩০ মিনিট পর আসলো, সে আমাকে বলল আপনার ফাইলটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তারপর সে অনেকক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখার পর আমাকে বলল নিজে নিজে কিছু করা যাবে না আমাদের মাধ্যমে করতে হবে, সে বলল আমাদেরকে ৬০০০ টাকা দিতে হবে তাহলে আপনার মালিকানা পরিবর্তন হবে, সে আমাকে আর বলল এ টাকা আমি একা খাব না এখানে বিভিন্ন লোককে দিতে হবে, তারপর কোন কিছু উপায় না পেয়ে আমি তাকে বললাম ঠিক আছে আমি আপনাকে ৬০০০ টাকা দিব আপনি কাজটি করিয়ে দেন, তারপর সে ফাইলটি খুঁজে পেলো।
খাগড়াছড়ি পাসপোর্ট অফিসে একদিন 🇧🇩 আজকে ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করাতে গেলাম খাগড়াছড়ি পাসপোর্ট অফিসে। গেটে ঢুকতেই সিকিউরিটি গার্ড জিজ্ঞেস করলো, "কী জন্য আসছেন?" ভাই, পাসপোর্ট অফিসে মানুষ কী জন্য আসে? বিরিয়ানি খেতে? যাক, ভেতরে গেলাম। ১০৪ নম্বর রুমে কাগজপত্র দেখে বললো, "অনেক ভুল আছে।" ছোট ভাই জিজ্ঞেস করলো কী করতে হবে। উত্তর পেলাম, "বাইরে যাও, বাইরে বলে দিবে।" কে বলবে? কীভাবে বলবে? কিছু বলা নেই। গেট থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে তিন-চারজন এসে ঘিরে ধরলো। "এই সমস্যা, ওই সমস্যা, একটা দরখাস্ত লাগবে।" পাশাপাশি পনেরোশো টাকা চাইলো। দিলাম। কারণ না দিলে কাজ হবে না, এটা সবাই জানে। টাকা দেওয়ার পর দেখি সব ম্যাজিকের মতো ইজি হয়ে গেলো। বাইরের লোক বলে দিলো ২০৬ নম্বর রুমে যেতে। সেখানে সুন্দর করে সীল লাগিয়ে পাঠ
পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে সরকার নির্ধারিত ফি থেকে ২০০০/- টাকা বেশি দাবী করেছিল। "চ্যানেল" নামক সিন্ডিকেট কুমিল্লা জেলার পাসপোর্ট অফিসে।
ডোপ টেস্ট পরীক্ষা, নিজ জেলা না হওয়ায় আমার জেলায় করতে বলে,, টাকা দিলে আবার করে দিসে,,
জেলা পরিষদ এর কাছে আমার একটি ৫০০০ টাকার আর্থিক অনুদান এর জন্য আবেদন জমা দিতে গেছিলাম। চেয়ারম্যান অফিস কক্ষের দারোয়ান কে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে চেয়ারম্যান এর সাথে আবেদনপত্রসহ সাক্ষাৎ করার জন্য।
গর্ভবতী কাড্ জন্য ইউনিয়সে যাই এখানের লোকে বলে দিছে আমাকে। এইভাবে ঘোরাঘুরি করে পাবেন না ৩০০০ টাকা লাগবে তাহলে পাবেন।
"Actually, no money is supposed to be taken for amending or replacing the by-laws of a cooperative society. According to the rules, the cooperative office is supposed to approve the application within a maximum of three months. However, from the Upazila Cooperative Office inspector to the Upazila Cooperative Officer, and from the Dhaka District Office inspector to the District Cooperative Officer, no work is done without a bribe ranging from 150,000 to 200,000 Taka. In total, we have paid 150,000 Taka in bribes. It has been about 3 years, and the replacement of the society's by-laws has still not been approved."
একটি ছয় কোটি টাকার বন্ধুকী দলিল করার জন্য কোটি প্রতি ১ লক্ষ টাকা করে মোট ৬ লক্ষ টাকা দাবি করে । পরবর্তীতে অতিরিক্ত ৫০০০০ টাকার বিনিময় ও অনেক অনুরোধের কার্য সম্পাদন হয়।
আমার সকল কাগজ পাতি থাকার পরেও ওরা আমাকে বার বার আটকে দিয়ে ছিল, বলতেছিল কাউন্সিল এর পরিচয় নিয়ে আসতে যা তখন আমার পক্ষে আনা সম্ভব ছিল না,,,,,, পরে আনসার সদস্য ১৫০০ টাকা ঘুস নিয়ে ভিতরে একটা চিন্হ দিয়ে দিছিল, কোন কথায় বলছে না বাকি কোন কাগজ ই দেখছে না
আমি নিজে পাসপোর্টের সেক্টরে কাজ করি। সারা দেশে পাসপোর্ট অফিসের যে সিস্টেমে হাজার কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন হয় সেইটা উন্মুক্ত করবো। পাসপোর্ট অফিসের ঘুষ সরাসরি লেনদেন হয়না। এটা হয় একটি চেনেল সিস্টেম বা মাধ্যমে। এখন প্রশ্ন এই চেনেল আসলো কীভাবে চেনেল কী এবং এইটা কীভাবে কাজ করে? চেনেল তৈরি করা হয়েছে মূলত পাসপোর্ট অফিসে এডি তার নিচের লেভেলের কিছু কর্মকর্তার সাথে ঐ জেলার ট্রাভেল সমিতির চুক্তিপত্র মাধ্যমে। চুক্তির বিষয়টা মূলত এরকম থাকে যে, ট্রাভেল সমিতির ভেতরে যতটা ট্রাভেল অফিস থাকবে তারা প্রত্যেকের নির্দিষ্ট জিমেইল ইউজ করবে যে জিমেইলটা পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে লিস্টেড থাকবে।যেটা দেখার পর পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা বুঝতে পারে যে এটা অমুখ ট্রাভেল অফিসের জিমেইল বা চেনেল। পরবর্তী অভিযোগে আরও বিস্তারিত
আপনি খুশি হয়ে আমাকে চা নাস্তা খাওয়ার জন্যে ২০০ টাকা দেন ছাড়পত্র এখনি দিয়ে দিচ্ছি।নয় তো অপেক্ষা করতে হবে।
আমি একটি সেকেন্ড হ্যান্ড মোটরসাইকেল কিনেছিলাম সেটির কাগজপত্র নাম ট্রান্সফারের জন্য আমি বিআরটি তে অনেকবার গিয়েছি কিন্তু কেউ তেমন গুরুত্ব দেয়নি এবং কাজ খুবই ধীরগতিতে করছে যখনই আমি একটি দালাল ধরে ১০ হাজার টাকা দিয়েছি আমার কাজ করার জন্য তখনই এক সপ্তাহের মধ্যে নাম ট্রান্সফার সম্পন্ন হয়েছে এমন একটি দেশে থাকি যেখানে টাকা ছাড়া কিংবা দালাল ছাড়া একটি কাজ করারও সম্ভব নয়
Basay bose koyek bar try korecilam but reject kore dey. Tarpore physically narayanganj kashipur vhumi office a jai, officer kothai bolar sujog na diye bole online kore niye asen. Online korar jonno dokaner lok amake niye gelen, mone korecilam 1170 taka goverment rate er kaj somponno korte sobmiliye 2500-3000 khoroch hote pare but dokani 80000 taka khoroch lagbe bole den. Onekkhon alap kore jante chesta korlam, tini bolen boro sir sotoke 10000 taka niben, aro officer der miliye 5000-7000 taka nibe, baki ta onar.
আমার বাবা গত ২০২৫ এর অক্টোবর মাসে ১৫ তারিখ আখিরাত এর বাসিন্দা হয়ে যায়, আল্লাহ তাকে জন্নাত বাসী করুন আমিন। আমি তার ছেলে ওয়ারিশ হিসাবে, আব্বার রেখে যাওয়া সম্পদ সকল ওয়ারিশ এর নামে নাম জারি প্রয়োজন মনে করে স্থানী একটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ নাম জারি আবেদন করতে যায়। তারা এই কাজ সঠিক ভাবে করিয়ে দিতে চায়, তবে অতিক্রম অর্থ দাবি করে। “তারপর নামজারি ১১৭০ টাকার কথা বললে তারা বলে, ঠিক আছে আবেদন করে দিচ্ছি, এর পর সকল কাজ আপনি নিজে থেকে করে নিয়েন। বিষয়টি সমস্যা দেখে আমার খালু (পূর্বে অভিজ্ঞতা) থেকে তাদের কিছু টাকা দিয়ে কাজ টি করিয়ে নিতে বলে। এর পর বিভিন্ন কিছু বুঝার পর তাদের হতে টাকা দিয়ে কাজটা করিয়ে নেই। #এগুলো প্রথম অভিজ্ঞতা ছিলো, তাই বেশ অবাক হয়েছি।