সমাজসেবা অধিদপ্তরে প্রাপ্ত ভাতা
সমাজ সেবা অধিদপ্তরর,২০২১ সরকারি প্রতিবদ্ধি ভাতা পায় তখন ১ম বারের মত। সেখান থেকে ৬০০০ টাকা যে অফিসারের মাধ্যমে পাই তিনি নিয়ে নিই।কর্ণপুলী উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে।
19,252 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সমাজ সেবা অধিদপ্তরর,২০২১ সরকারি প্রতিবদ্ধি ভাতা পায় তখন ১ম বারের মত। সেখান থেকে ৬০০০ টাকা যে অফিসারের মাধ্যমে পাই তিনি নিয়ে নিই।কর্ণপুলী উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে।
লাইসেন্স নবায়নের জন্য টাকা চায়। টাকা না দেয়াতে বলে দেরি হবে।
আমার একটা ৫৭ শতকের জমি রেওয়াজ বদল খেতাম। আমার বদলের জমি দুইটাই বাদীপক্ষ তার নামে নাম জারি করে রাখে সেটা দিনাজপুর সদর ভূমি অফিসে কেস দাখিল করলে রায় দেয় নাম পরিবর্তনের জন্য সেই কাগজটা আবার সাব অফিসে উত্তোলনের জন্য প্রেরণ করে সেখানে প্রথমে এক লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়, পরবর্তীতে সে অফিসে একজন কর্মকর্তারপ সাথে কয়েক দফায় অনুরোধ করার পরে ৫০ হাজারে কাগজ দিতে রাজি হয়। ৫০ হাজার টাকা দিলে উনি কাগজটা দিবে। এমত অবস্থায় আমার বাবা অনেক কয়েকজন আকার শরণাপন্ন হয় কিন্তু কোন কাজ হয়নি।
আইডি কার্ডের অরিজিনাল কপি ছিল না এর জন্য বাড়তি টাকা দিতে হলো। ফটোকপি নাকি গ্রহণযোগ্য নয়। টাকা দেওয়ার পর ঠিক গ্রহণ যোগ্যতা পেলাম।
I applied for our family land mutation on behalf of my family. All documents attached on the land website. When I contact the surveyor for completing the mutation work, he asked me to provide him 100000tk. First I'm trying to negotiate his asking amount and he strick on the mentioned amount. Later, I don't contact with him and he refused the application by writing a false statement. Also, I have all land tax submission bill (Dakhila) till 2020. I have the name, but I seems all stuff of Batiyaghata Land office are fully or partially corrupted. If you have the authority to take action on them, please do the needful as your earliest.
আমার বাবা ২০১৮ সালে মারা যান। তখনও বাবার সম্পদগুলো ছেলেদের নামে বণ্টন করা হয়নি, তাই বাবার পক্ষ হয়ে আরও কয়েক বছর ইনকাম ট্যাক্স দিয়ে আসছিলাম। এর মধ্যে ২০২২ সালে আমাদের ফাইল কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই অডিটে ফেলা হয়। পরে আমাদের বলা হয়, কোনো ফাইল অডিটে পড়লে নাকি অডিট রিপোর্টে অতিরিক্ত টাকা দেখাতেই হয়। কারণ, বাড়তি টাকা না দেখালে কর্মকর্তাদের কাছে প্রশ্ন ওঠে—“এই ফাইল অডিটে পড়ল কেন?” এই নিয়মের কারণে অনেক সময় কোনো ধরনের অনিয়ম না থাকলেও ফাইল নিয়ে হয়রানি করা হয়, নানা কাগজপত্র চাওয়া হয়, অতিরিক্ত কর ও জরিমানা চাপিয়ে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ঝামেলা এড়াতে এবং কম জরিমানা দেওয়ার আশায় মানুষ বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, যার নামে এই আয় ও সম্পদ—তিনি ২০১৮ সালেই মারা গেছেন। তারপরও ২০
“দাদ্রর মৃত্যুর পর, ওয়ারিশগণের নামে মাত্র ২৪ শতাংশ জমি নামজারি করতে গেলে ইউনিয়ন ভুমি অফিস ১২০০০ টাকা চায়। পরে ১০,০০০ টাকায় রফাদফা হয়। এর মধ্যে ৮০০০ টাকা অগ্রীম দেই। বাকী টাকা নামজারি হয়ে যাওয়ার পর দেই । সময়টা তখন ২০২৬ সালের । জুলাইয়ের শেষের দিকে নামজারি কমপ্লিট হয়। ভুমি অফিস থেকে কল করে নামজারির কাগজ নিয়ে যেতে বলা হয় । পরে নামজারি ও খাজনার কাগজ নিয়ে চলে আসি।”
পাসপোর্ট করার সময় যে হার্ডকপিটি(আবেদনপত্র) ডকুমেন্টস সহ জমা দেয়া লাগে ওটাতে প্রত্যেকবার নানান ভুল দেখিয়ে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছিলো। একসময় টাকাই দাবি করে বসে এবং বলে পাসপোর্ট কর্মকর্তা টাকা না দিলে আবেদনপত্র গ্রান্ট করতে সই করবেন না। অফিসারের কেরানিকে আমরা ২০০০ টাকা ঘুষ দেই ২ টা পাসপোর্ট এর জন্যে। ২০১৬ সালের ঘটনা এটি।
আমার মেয়ের জন্ম সনদের তথ্য ভুল ছিল। সেটা সঠিক করার জন্য আবেদন করি। সচিব আমাকে বললো ১০০ টাকা দিতে। আমি জানি যে ফি হলো ৫০ টাকা। কিন্তু আমি তার ভাবভঙ্গি, আচরণ, ব্যবহার দেখে বুঝলাম আমি যদি তাকে ১০০ টাকা না দেই, সে আমাকে প্রচণ্ড হয়রানি করাবে। আমি একেবারে অসহায় হয়ে গেলাম এবং বিনা বাক্যে ১০০ টাকা দিয়ে দিলাম। সে আমাকে কোন receipt দেয় নি। এইভাবে সে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
আমার প্রতিষ্ঠানের নাম চৌধুরী প্রিন্টিং প্রেস, স্টেশন রোড, গাইবান্ধা। আমি আমার প্রতিষ্ঠানের বৈধতার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর অফিস কর্তৃক প্রেরিত ফরম মোতাবেক একটি দরখাস্ত করি। সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র জমা দেই। প্রথমে কোন রশিদ ছাড়া অফিস খরচ বাবদ 2000/- নিয়ে প্রায় 6 মাস ঘোড়ায়। তার পর আমি নিজে ডিসি সাহেবের সঙ্গে দেখা করি এবং তিনি বিষয়টি আমলে নিয়ে ফাইলের কাজ করার নির্দেশ দেন। কাজ শুরু হয়। কাজের চুড়ান্ত পর্যায়ে এসে আমার নিকট 50000/- টাকা দাবি করে আমি টাকা দিতে অস্বীকার করলে আমার কাজটি এখন পর্যন্ত হয় নাই। আমি এখন কি করতে পারি।
“মিউটেশন করতে ঘুষ না দিলে বিভিন্নভাবে ঝামেলা করে এবং হয়রানি করে। মিউটেশন আবেদন করেছি প্রায় 2 মাস এখনও সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার কাছে আটকে আছে। মিউটেশন করা খুব জরুরী, তদুপরি ঘুষ দেব না বিধায় ২ মাস থেকে সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার কাছে ফাইল আটকে আছে। সিচুয়েশন এমন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে মিউটেশন বা নামজারি করতে হবো তা না হলে কাজ হবেনা।”
আমি আর আমার বোন এর রিটার্ন করতে উকিল আনতে হবে নাহয় কেস হবে কিন্তু উনি করে দিলে প্রবলেম হবেনা, পরে আমি নিজেই এক করেছি
আমি ট্রেডলাইসেন্স নবায়ন করব, বলল 12000 টাকা লাগবে। প্রশ্ন করলাম, আমি আপনাকে যা টাকা দেব সেই টাকাই কি লাসেন্স এ উল্লেখ থাকবে? বলল, করলে করান না হয় চলে যান। বধ্যগত করাতেই হলো, কিন্তু 10155 টাকা ট্রেডলাইসেন্স এ উল্লেখ ছিল। বাকি 1845 টাকা তার পকেটে।
পাসপোর্ট করতে গিয়ে যা যা ডকুমেন্টস ছিল সবই ঠিক ছিল কিন্তু তবুও তারা ইচ্ছাকৃত ভাবে কাগজ আটকে দেয় এবং পরবর্তীতে কাজ ১ ঘন্টার মধ্যে করে দিবে বলে ১৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করে কোন উপায় না দেখে আমার মতো আরও ১০ জনের থেকে সেম কাহিনি করে। যদি ঘুষ না দেওয়া হয় তারা কাগজ আটকে রেখে বিভিন্ন হয়রানি করতে থাকে। দেখার কেউ নেই বিধায় সবাইকে বাধ্য হয়ে কাজটি করতে হয়।
আমার নতুন চাকুরী হওয়ায় আগের চাকুরী থেকে ইস্তফা দেয়ার সময় অফিস সহকারী দাবি করে। টাকা দিলে এক দিনেই করে দেয় সব কাজ।
Obtaining a passport turned out to be less about paperwork and more about extortion. My application was repeatedly rejected for alleged errors until I paid a 1,500 TK bribe to a broker right outside the office. He wrote a secret code on my papers, signaling to the officials inside that the price had been paid. Instantly, my previously 'flawed' documents were accepted without a second look—proving that without grease in the palm, legitimate applications are deliberately kept stuck.
একটি রপ্তানীমুখী ফ্যাক্টরির জন্য এসিড লাইসেন্স প্রয়োজন ছিলো, নীলফামারী ডিসি অফিসের দায়িত্বরতরা ধাপে ধাপে 2 লক্ষ টাকা ঘুষ নেবার পর সনদ প্রদান করে।
আমি আমার বিআরএস খতিয়ানের 'নবাব স্টেট' রেকর্ডটি সংশোধন করার জন্য গিয়েছিলাম । কিন্তু এখানকার অফিস পিয়ন এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর সহায়ক আমার কাছে কাজ করে দেওয়ার কথা বলে প্রতিটি শতাংশ বা ডকুমেন্টের জন্য আলাদাভাবে ৪,০০০ টাকা করে ঘুষ দাবি করেছে। আমি অবাক হলাম যে সবাই দিচ্ছে এবং নিরুপায় হয়ে আমার ৪ শতাংশ জমির জন্য আমাকে ১৬০০০ টাকা দিতে হয়েছে। জায়গার লোকেশন : সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস ঢাকার হেমায়েতপুরের আলমনগর হাউজিং (সুগন্ধা হাউজিং) এলাকায় অবস্থিত।
আমি পরপর দুইবার ঘুষ প্রত্যাখ্যান করি। প্রত্যেকবার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশনে দেখায় ঠিকানা ভুল। তৃতীয়বার বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করায় পাসপোর্ট পেয়েছিলাম
বিল্ডিংয়ের প্ল্যান অনুমোদনের জন্য নোয়াখালী পৌরসভায় টেবিল খরচের নামে ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে।