টিএডিএ বিল, শ্রান্তি বিনোদন টাকা
অগ্রিম টাকা জমা দিলে তবেই ফাইল তোলা হয়। না হলে মাসের পর মাস ফাইল / বিল পড়ে থাকে। হিসাবরক্ষণ অফিসে বেতন বাদে অন্য সকল পাওনাদির ক্ষেত্রে ৫% দিতে হয়। অঘোষিত নিয়ম।
19,252 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অগ্রিম টাকা জমা দিলে তবেই ফাইল তোলা হয়। না হলে মাসের পর মাস ফাইল / বিল পড়ে থাকে। হিসাবরক্ষণ অফিসে বেতন বাদে অন্য সকল পাওনাদির ক্ষেত্রে ৫% দিতে হয়। অঘোষিত নিয়ম।
আমার একটি আয়কর রির্টান জমা দিতে যাই আয়কর অফিসে, সেখানে আমার কাছে মিষ্টি খাওয়ার জন্য ১০০০ টাকা দাবি করেন আমি সরাসরি প্রত্যাখান করি। এতে তিনি আমাকে ৫দিন ঘুরায় নানা বাহানায়। পরিশেষে কাজটি করতে রাজি হয় যে পরবর্তীতে সার্টিফিকেট নেওয়ার সময় তাকে অর্থ প্রদান করতে হবে।
আমি একটি মামলার রায়ের নকল তুলতে তিন চার দিন ধরে আমাকে হয়রানি করা হয়েছে পরবর্তীতে টাকার বিনিময়ে আমাকে নকল দেওয়া হয়েছে। স্বয়ং দিনাজপুর জেলা জজ আদালতে সিসিটিভি ক্যামেরা উপেক্ষা করে কোটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রচন্ড লেভেলের ঘুষখোর। যেখানে মানুষ আদালতে যায় ন্যায়বিচার জন্য কিন্তু প্রত্যেকটি আদালতে ঘুষ দিতে দিতে নাচতেনাবত অবস্থা।আপোষ মীমাংসা এর মাধ্যমে সমাধান হওয়ার কারণে মামলাগুলো আমরা তুলে নেই, মামলা তুলতে গিয়ে পদে পদে হয়রানি প্রায় ২২০০০ টাকা আমাকে ঘুষ দেওয়া লেগেছে। যেখানে মানুষ আদালতে যায় ন্যায়বিচার পাবার জন্য কিন্তু দিনাজপুর জেলা জজ আদালতেই মানুষ ন্যায় বিচার পায় না। তাহলে জেলা জজের কাজ কি??!! কোর্টের বিচারকগণ তাদের নিম্নস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!!
রাজউকের জমির ছারপত্রের জন্য অনলাইনে আবেদন করা হয়। তখনই বিভিন্ন সোর্স থেকে জানতে পারি টেবিল খরচ না দিলে এটা অনলাইনেই পরে থাকবে। তারপর বিভিন্ন সোর্সের সাথে আলাপ করে অতিরিক্ত ৩০০০০/ টাকায় দফারফা হয়। এখনো হাতে আসে নাই তারা আরও দাবি করছে।
আমার জমির কাগজপত্র সবকিছু ঠিক আছে। নামজারিতে দিয়েছিলাম কিন্তু মাসের পর মাস আটকে ছিল। কয়েকবার প্রত্যাখ্যানও হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে পৌর ভূমি অফিসে ১০০০ টাকা এবং উপজেলা ভূমি অফিসে ২০০০ টাকা এই মোট ৩০০০ টাকা দাবি করে এবং আমি সেটা পরিশোধ করি। সাত দিনের মধ্যে আমার নামজারিটা কমপ্লিট হয়ে যায়।
জমি কেনার পর নিজের নামে নামজারি করতে সরকারি ফি হিসেবে ১,১৭০ টাকা দিতে হয়। আমি অনলাইনে নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু প্রায় ৬–৭ মাস হয়ে গেলেও আবেদনটি অনুমোদন হয়নি। পরবর্তীতে দনিয়া ভূমি অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করলে নামজারি করে দেওয়ার জন্য ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। যেহেতু জমিটি নতুন কেনা এবং দ্রুত নিজের নামে নামজারি করানো আমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাই বাধ্য হয়ে ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দিই। টাকা দেওয়ার মাত্র দুই দিন পর আমার নামজারির আবেদনটি অনুমোদন হয়ে যায়।
২০২৪ সালের শেষের দিকে অথবা ২০২৫ সালের একদম শুরুতে, যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার (ইন্টেরিম গভমেন্ট) দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলো, আমি আমার জন্ম সনদে (বার্থ সার্টিফিকেট) সকল তথ্য বাংলার সাথে সাথে ইংরেজিতেও এন্ট্রি করা এবং বাবা মায়ের নামের সামান্য বানান সংশোধন এর জন্য ঢাকার দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন এর মূল অফিস অর্থাৎ নগর ভবনে যাই। এই কাজের জন্য ডিসি অফিসের অনুমোদন আর কাজটা দ্রুত করে দেবার জন্য ২০০০ টাকা চায় তথ্য কেন্দ্রে কর্মরত কর্মী। তাদের সাথে গেইটের ও লিফটের আসেপাশে থাকা সিকিউরিটি গার্ডরাও জড়িত। শেষমেশ ১৫০০ টাকা পরিশোধ করি কিন্তু আমার ডিসি অফিসের কাজটা তারা করতে পারেনি। ইন্টেরিমের কারণে যেহেতু ডিসি অফিসের অনেক কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে তাই ওরা ঠিকমতো সুবিধা করতে পারেনি। শেষমেষ ৮০০ টাকায় কাজটা করে।
আমি নতুন এনআইডি তৈরি করতে গেলে এক দালাল আমার কাছ থেকে টাকা চায়। আমি টাকা না দিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে অভিযোগ জানাই। পরের দিন আমি অফিসে গেলে অনারা আমার ফাইল সবার নিছে দেয়। পরে যখন আমার সময় আসে অনারা আমাকে বলে আপনার ফাইল আবার সবার নিছে চলে গেছে।
আইডি কার্ড বানাতে দেরি হবে সার্ভার কাজ করছে না,নির্বাচন কমিশন থেকে বন্ধ আছে,৩০০০ টাকা দিলাম অমনি সার্ভার কাজ হয়ে গেলো,,,
নামজারি করতে গিয়ে সার্ভেয়ার দাবি করছে
আমি আমার পুরান ঢাকার কলেজ সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে টংগী সরকারি কলেজে টিসি নিতে চেয়ে তাদের অফিসে যাই।কিন্তু তারা ৪ টি আসন ফাকা থাকায়। আমার কাছে নেতা আর অন্যান্য কথা বলে টাকা দাবি করে।
২০১৮ সালে কোন একদিন ব্যাঙ্কে গিয়ে জানতে পারি যে আমার আয়কর পরিশোধ না করার জন্য এনবিআর থেকে একাউন্ট ফ্রিজ করার নির্দেশ এসেছে। সার্কেল অফিসে যাওয়ার পর ওরা জানায় দুই বছর আগের একটি ফাইল দৈবচয়নের ভিত্তিতে নিরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছে,সেখানে অযথা কিছু অসংগতির কথা বলে আমার কাছ থেকে আর ও কিছু কর দাবি করে। কিন্তু তিনটা নোটিশের প্রতিটাতেই আমার বাসার ঠিকানা তারা ইচ্ছাকৃত ভাবে ভুল লিখে, কিন্তু একাউন্ট ফ্রিজ করার নির্দেশনা সঠিক ব্যাঙ্কেই পাঠায় । ভুলের ব্যাখ্যা জানতে চাইলে, ওই সরকারি কর্মচারী বলে - " ভুলে তো হয়েই গেছে, এখন কিছু টাকা দিন , ডিসিটিকে দিয়ে একাউন্ট আনফ্রিজ করার নির্দেশ পাঠিয়ে দিচ্ছি । ডিসিটির কাছে বিচার দিতে গিয়ে বুঝলাম যে সব একি গয়ালের গরু ।
my mother went to issue a new passport for her with her cousin who is working as OC in police department. despite bringing a police officer with her they refused to issue her passport. then they took 1500 taka and later 500 more.
BPDB এর অধীনে থাকা একটি মিটারে কিছু যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য পরিবর্তন করার জন্য আবেদন করা হলে বলে ৮০০০ টাকা দিতে হবে তাদের। এতটাকা কিসের জন্য জানতে চাওয়া হলে বলে এত টাকায় নাকি খরচ। টাকা দিতে অস্বীকার করলে বলা হয়, পরের মাস থেকে মিটার ত্রুটি দেখিয়ে ৫০০ ইউনিট বিল বা তাদের ইচ্ছামতো ৩০০০/৪০০০ টাকা করে বিল করার হুমকি দেয়। উপায় না দেখে টাকা দিতে বাধ্য হয়তে হয়েছে।
একটা পারিবারিক সনদ বানানোর জন্য ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে পারিবারিক সনদ বানানোর পর চেয়ারম্যানের রুমে গেলাম সিগনেচার নেওয়ার জন্য। কিন্তু সে ৫০০ টাকা ব্যতীত সিগনেচার করবে না। উল্টো তাকে চেয়ারম্যান বলায় আমার সাথে ক্ষিপ্ত হয়েছে কারণ আমি তাকে স্যার বলে সম্বোধন করি নাই। আমি এর আগে জীবনে কখনো ঘুষ দেই নাই। কিন্তু আমার ইমারজেন্সি কারণে পারিবারিক সনদ প্রয়োজন হওয়ায় ঘুষ দিতে বাধ্য হই। সেদিন এতটাই ছোট ফিল করেছিলাম যে, সেদিনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আল্লাহ যদি কখনো তৌফিক দান করেন দেশ ত্যাগ করবো।
দেশের প্রতিটি সাব- রেজিস্ট্রি অফিসে প্রত্যেকটি দলিল করার সময় উৎস কর এবং ৫.৫% সরকার নির্ধারিত করের বাইরে দলিল লেখক সমিতির নাম করে মানুষের টাকা হরিলুট করে দলিল লেখকেরা। এছাড়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসের প্রতিটা পদক্ষেপে টাকা দেওয়া লাগে। যে টিপসই নেয়, সেও ৫০ টাকা ঘুষ নেয়। এটা সবাই জানে কিন্তু এর কোন প্রতিকার নাই।
মুক্তাগাছা থানার আসেপাশে কম্পিউটার এর দোকান গুলোতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে ৩৫০০ টাকা নেয়া হয় চালান ১৫০০ আর ২০০০ টাকা আবেদন ও পুলিশ কে গুশ দিবে যদি শুধু আবেদন ও চালান নেন তাহলে ১৭৫০ টাকা নেয় কিন্তু পাসপোর্ট এর কপি সত্যায়িত না করার কারনে ত্রুটি যোক্ত করে দেয় একটা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য এত টাকা গুশ দিতে হবে দেইনি ভাবছিলাম হবে কিন্তু পাসপোর্ট এর কপি সতয়ায়িত করার কথা বলে নাই
amar babar property amader name mutation korar jonno taka dabi kora hoeche,
জাল জালিয়াতির মাধ্যমে একজন ফায়ার সার্ভিসে চাকুরী নেয়। তার সমস্ত তথ্য প্রমান, ডকুমেন্টস দিয়ে লিখিত অভিযোগ দেই। চার বছরে ২ বার তদন্ত হয়, অভিযোগের সত্যতা পেয়ে বিভাগীয় মামলাও করে। কিন্তু কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করে কালক্ষেপণ করতে থাকে ঢাকা অফিসে খোঁজ খবর নিতে গেলে তারা উক্ত টাকার বিষয়ে ইঙ্গিত দেয়।
আমার মায়ের অসুখ এর জন্য আমি আমার মাকে নিয়ে বিএসএমএমইউ (পিজি) হাসপাতাল এ যাই, করা গেছেন তারা জানেন সেখানে সব কিছু তেই অতিরিক্ত সিরিয়াল । ডাক্তার দেখাবেন সিরিয়াল, তবে যদি নার্সদের অথবা আনসার দের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করতে পারেন আপনি আগে দেখাবেন, রোগী প্রতি ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা । এবার আপনি ডাক্তার দেখালেন আপনাকে টেস্ট দেয়া হলো, টেস্ট করাতে গিয়ে দেখলেন টেস্ট করানো পর্যন্ত যেতে আপনাকে কয়েক ধাপে , সম্ভবত ৩ ধাপে সিরিয়াল দিয়ে টেস্ট এর সম্পোল দেয়ার জায়গা পর্যন্ত যেতে হয় এই ৩ ধাপ আপনাকে সহজ করে দিবে আনসার সদস্যরা যদি আপনি ১০০০- ২০০০ টাকা খরচ করেন প্রতি ধাপে টেস্ট এর খরচ ৬০০ টাকা সাথে আরও ৬০০০ টাকা আপনার ঘুষ দিতে হলো । আপনি ভাবতে পারেন ঘুষ দিবনা সিরিয়াল এ দাঁড়িয়েই টেস্ট করাবো, সে গুড়ে বালি।