ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি
বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে তারা ফেল করে দেয় পরবর্তীতে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা দিলে পরীক্ষা ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে দেয়
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে তারা ফেল করে দেয় পরবর্তীতে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা দিলে পরীক্ষা ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে দেয়
রেলের স্টান্ডিং টিকিট না দিয়ে এমনি রেলের এটেনড্যান্ট টাকা নিয়েছিল, রেল ওয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়, টিকিট যারা কাটে না তাদের থেকে ঘুস নেওয়া হয়
আমি ৩,৩০,০০০ টাকা বিল দাখিলের পর প্রায় দুই মাস হতে চললো, বিল পাচ্ছিনা। আকারে ইঙ্গিতে টাকা চায়।
License renew korte eita dite hobe nahoy license update kore dibe na
রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রায় সকল কাজেই ৫০০ থেকে কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়।
ফ্ল্যাটের জন্য ই-নামজারি করে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গেলে দালালের মাধ্যমে টাকা দাবি করে।
Passport e police varificatrion krte 5000 taka cheyechilo
basically amar cerificate er name change er time e pray 6 month dhore dhaka board e giyechilam, and amar sms eshechilo je name change done, shekaronei giyechilam, but jawar pore bolto je ashenai ekhono. then ekdin amar uncle amar shathe jay, pore jokhon unara same bhabe bole je still ashenai tokhon uni 1000tk offer korate instant amake amar name changed certificates and admit card marksheet shob diye dey.
Amr Ager passport and present NID information match kore ni . Ami Present NID dea passport apply kori but ager passport er all information chole ase . amr nid correction na korle applycation hobe na ,tara tk chi 4500tk dala . Tk delai r kono problem nai passport paya jabo.
জমির নকল দলিল উঠানোর জন্য গেলে কাহালু ভূমি অফিসে ৩০০০/- টাকা দাবী করা হয়। অথচ সরকারীভাবে এই দলিল উঠাতে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা লাগার কথা। কি জন্য এত বেশি জিজ্ঞেস করলে তারা জানায় এটা ভূমি অফিসে সবার জন্য।
Licence er sob kaj 1din e koriye dibe bole govt fee er sthe additional 5000 dabi kore. onk bolar por o kaj hoy nai. nijer job er chuti na thakay mene nici.
সরকারি চাকরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে ক্লিয়ারেন্স পেতে ৫০০০০ টাকা দাবি করা হয়।
একটি ছোট কারখানায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য গৌরীপুর ওয়াপদা অফিস ৬০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে, পরবর্তীতে বিদ্যুৎ সংযোগের জরুরি প্রয়োজন থাকায় ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে বাধ্য হই।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য গেছিলাম, ২৩৫০ টাকা সরকারী হিসেবে আসে তারা ৫০০০ টাকা দাবি করে তারপর জোরাজুরি করে ৪০০০ টাকা দেই। লাইসেন্স জরুরি ছিল
আলজেরিয়া জেল এই বন্ধি ছিলো।আমরা আবেদন করেছি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কিন্তু সাইডে গিয়ে বলে ওনার মাধ্যমে কাজ করাবো নাকি তাহলে খরচ আছে সাথে সাথেই করে দিবে।আমরা নাহ করেছিলাম যেটা ছিলো জীবনের সবচেয়ে বড় ভূল।এরপর থেকে আজ ২ বছরের কাছাকাছি কোন খোজ নেই।জানি নাহ বেচে আছে কিনা।সবাই দোয়া অওরবেন আমার ভাইয়ের জন্য।
যেহেতু আমি দেশের বাহিরে যাবো কোম্পানি থেকে সিলেক্টেড ট্যুর ছিল। হাতে সময়ও ছিল কম,তাই দিতে বাধ্য হলাম।
নাম পরিবর্তন করতে সর্বমোট ৯০০০ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছিল। মিরপুর বিআরটিএ থেকে দালাল ধরে কাজ করাতে হয়েছে অন্যথায়, অফিস থেকেই নানা তাল বাহানা করে ঘুরাতো।
নতুন গাড়ি রেজিস্ট্রেশন করানোর সময় বাধ্যতামূলক অতিরিক্ত 6 হাজার টাকা দিতে হয়.
বণ্টননামা দলিল রেজিস্ট্রির সময় কর্তা আমার কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নিয়েছেন। তিনি আমাকে বলেন যে, জমির মূল্যের ওপর নির্ধারিত উৎস কর প্রদান করতে হবে। আমি তাকে জানাই যে, এটি ২০২৪ সালের গেজেট অনুযায়ী বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি বলেন, এই টাকা ছাড়া কাজ হবে না। পরবর্তীতে আমি একজন পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে অন্য একটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যে, এ ধরনের বণ্টননামা দলিল রেজিস্ট্রি করতে সর্বোচ্চ প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ হওয়ার কথা। কিন্তু আমার কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছে।
ভাকুর্তা, সাভার, ঢাকাতে ভূমি বিডিএস জরিপ করার সময় ইচ্ছেকৃতভাবে জমির রেকর্ডে ভুল তোলা হয়েছে। অথচ কাগজপত্রে কোন সমস্যাই ছিল না। এখন ১০,০০০ টাকা দিলে সংশোধন করে দিবে বলেছে। এইটা ইচ্ছকৃত কাজ।