নতুন গাড়ি রেজিস্ট্রেশন
নতুন গাড়ি রেজিস্ট্রেশন করানোর সময় বাধ্যতামূলক অতিরিক্ত 6 হাজার টাকা দিতে হয়.
19,252 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নতুন গাড়ি রেজিস্ট্রেশন করানোর সময় বাধ্যতামূলক অতিরিক্ত 6 হাজার টাকা দিতে হয়.
বণ্টননামা দলিল রেজিস্ট্রির সময় কর্তা আমার কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নিয়েছেন। তিনি আমাকে বলেন যে, জমির মূল্যের ওপর নির্ধারিত উৎস কর প্রদান করতে হবে। আমি তাকে জানাই যে, এটি ২০২৪ সালের গেজেট অনুযায়ী বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি বলেন, এই টাকা ছাড়া কাজ হবে না। পরবর্তীতে আমি একজন পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে অন্য একটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যে, এ ধরনের বণ্টননামা দলিল রেজিস্ট্রি করতে সর্বোচ্চ প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ হওয়ার কথা। কিন্তু আমার কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছে।
ভাকুর্তা, সাভার, ঢাকাতে ভূমি বিডিএস জরিপ করার সময় ইচ্ছেকৃতভাবে জমির রেকর্ডে ভুল তোলা হয়েছে। অথচ কাগজপত্রে কোন সমস্যাই ছিল না। এখন ১০,০০০ টাকা দিলে সংশোধন করে দিবে বলেছে। এইটা ইচ্ছকৃত কাজ।
আমার nid কার্ড বানানোর জন্য অনেক ডকুমেন্ট ছিল না।এরপর আমি একজন দোকানদারের সাথে যোগাযোগ করি।উনি আমাকে জানায় ১৬০০০ টাকা দিলে নাকি আমার জন্মনিবন্ধন পর্যন্ত লাগবে না।কোনো কাগজ পত্র কিছুই লাগবে না।খালি উনি নাকি কল দিবেন তখন গিয়ে ভেরিফাই করে আসলেই nid পেয়ে যাব দুই দিনের মধ্যে।
আমি আমার এলাকার ইউনিয়ন অফিসে(বাজারখোলা) গিয়েছিলাম জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে তারা সেখান থেকে উপজেলা অফিসে (দাউদকান্দি) পাঠায় ওখানে যাওয়ার পর UNO স্যার না থাকায় আমার কাজটি ইমারজেন্সি করে দেয়ার জন্য অফিস সহকারী ২০০০ হাজার টাকা চায় কিন্তু আমি দিতে প্রত্যাখ্যান করেছি কারন এটা আমার নাগরিক অধিকার আমি কেন টাকা দিব
হেলমেট না থাকায় মামলা দেওয়া ভয় দেখিয়ে 1000 টাকা দাবি করে,,,,ঘটনাটি ঘটে উত্তরা ০৭ নং সেক্টর, শহীদ মুগ্দ মঞ্চের সামনে থেকে,,,,(উল্লেখ্য উক্ত রাস্তাটি কোনো হাইওয়ের অন্তর্ভূক্ত নয়), আমি তাকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করি এটা আমার এলাকার রাস্তা,,,আমি বাড়ির নিচে,,,তারপরও সে মামলা দিতে চায়,,পরে আর সিনক্রিয়েন না করার জন্য ১০০০/- দিয়ে দেই,,,,
সরকারি খরচ একটি খতিয়ান পতি ১১৭০ টাকা, একটি খতিয়ানে। একটি খতিয়ানে, এক শতক বা একশতক নামজারি করি না কেন সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা, কিন্তু আমাদের এখানে সচিবের সহকারি, সে আমাদের কাছ থেকে একশত জমির জন্য ২০০০ টাকা করে নিচ্ছে, অর্থাৎ এক বিঘে জমির খরচ পড়ছে ৬৫ হাজার টাকা, যেখানে সরকারি খর চ ১১৭০ টাকা। আমার মনে হয় বাংলাদেশে ভূমি অফিস এবং পাসপোর্ট অফিস এই দুইটাই সবথেকে বেশি ঘুষ বাণিজ্য চলে।
আমার শশুর এর একটি জায়গা খারিজ করতে পারছিলাম না, তার বলে এই জায়গা খারিজ করা যাবে না, কিন্তু ৮০,০০০/- টাকা দিলে খারিজ করে দিবে। এইসব কথা ওইখানে থাকা কর্মকর্তা সরাসরি না বলে, তাদের কম্পিউটার অপারেটর দিয়ে বলিয়েছে। যদি কেউ ওইখানে সেবার জন্য যায় তাদের সকল ধরনের কাজ টাকার বিনিময় করে থাকে কিন্তু ওই কর্মকর্তা নিজে টাকা নেয় না, টাকা তাদের কম্পিউটার অপারেটর দুজন আছে তাদের হাত দিয়ে নেওয়া হয়।
বাংলাদেশের ফিশিং ভেসেল যখন বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে যায় মাছ ধরার উদ্দেশ্যে, তখন আমাদের একটা অনুমতি পত্র লাগে যেটাকে সেলিং পারমিশন বলে । সেই সেলিং পারমিশন নেওয়ার জন্য প্রতিবার ঘুষ দিতে হয়। এবং সাগর থেকে ফিরে আসার পর উনাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমাণ মাছ দিতে হয়। এবং এই জাহাজগুলা সার্ভে করার সময় সার্ভেয়ারকে অনেক টাকা ঘুষ দিতে হয়।
আমাদের অফিস ভাড়ার বাবাদ ১৫% ট্যাক্স সরকারী কোষাগারে জমা দেওয়ার পর ঐ স্লিপটা NBR এর রাজারবাগ সার্কেল, তোপখানা রোডে জমা দেয়া লাগে। উনারা এইটি অনলাইনে আপডেট করে দেন। যে ব্যাক্তি এইটা নেন উনি ৫০০ টাকা নেন এবং আরেকজন সীল দিয়ে দেন যে, এই ডকুমেন্টস গ্রহন করা হইল উনি ২০০ টাকা নেন। আর মজার ব্যাপার হলো সবাই টাকা দিচ্ছে কেউ না করে না। এবং অফিসারও সবার সামনে টাকা নিচ্ছে। আপনি কাউকে ট্রেস করতে পরবেন না, কারন ৫-৬ মাস পর পর নতুন লোক বা সেটআপ আসে। কিন্তু এই টাকার অংক ঠিক থাকে মানে আপনাকে জিজ্ঞেস করবে আপনি তো আগে ৫০০ দিতেন এখন কেন দিবেন না। মানে ওদের কাছে নোট থাকে যে, কোন প্রতিষ্ঠান কত দিচ্ছে।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দায়িত্বশীল অফিসার যাকে সাধারণত নায়েব বলে সে জমিগুলো নামজারি করার জন্য গেলে হিসাব করে ৮০,০০০ টাকা দাবি করে। তাদের একটা ফিক্সড রেট আছে ঘুষ নেয়ার, এটা মোহনগঞ্জ সবাই জানে, মানে আপনি একটা জমি নামজারি করতে ৭/৮ হাজার টাকা ঘুষ দিবেন। আমাদের সবগুলো জমির হিসাব করে মোট ৮০ হাজার টাকা দাবি করলে পরে সেটা ৫৫০০০ টাকায় রফাদফা হয়। অথচ সরকারি হিসাবে এটার খরচ ১৭/১৮ হাজার টাকা হবে। যেহেতু ওই অফিসের উক্ত ব্যক্তি ছাড়া এই কাজ করানো সম্ভব নয় তাই টাকা দিয়েই কাজটা করিয়ে নেই। এটা গোপন কোন বিষয় নয়, এই উপজেলার ভূমি সংক্রান্ত সকল কাজ এরকম ওপেন ঘুষের রেটের মাধ্যমে করা হয় যার ভাগ এসি ল্যান্ড সহ ভূমি অফিসের সবাই পায়।
Ami oi khane darai chilam police ekta gari dhorlo pore garite je chilo pore mone hoy 1500 takar moto police ke dilo pore amnite oi police oi manush ke chare dilo
২০২৪ সালে পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য থানায় ডেকে নিয়ে ৫০০ টাকা নিয়েছিল, তারপর রিপোর্ট দিয়েছে। সবাই তা দিতে বাধ্য হয়েছে; না হয় রিপোর্ট দীর্ঘদিন আটকে রাখত, দেখার কেউ ছিল না। আবার পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা এই বিষয়ে কোনো কথা বলে না; বলে যে, "এটা আলাদা সেক্টর।"
নওগাঁ জিলা স্কুলে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট উত্তোলনের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০–১০০ টাকা করে দাবি করে। সার্টিফিকেট প্রদান বা উত্তোলনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থেকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে এই অর্থ দাবি করেন। একজন শিক্ষার্থীর জন্য ৫০ বা ১০০ টাকা হয়তো বড় অঙ্ক নয়, কিন্তু প্রতিবছর অসংখ্য শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এভাবে অর্থ নেওয়া হলে তা একটি গুরুতর অনিয়মে পরিণত হয়। এভাবে নানা কৌশলে নওগাঁ কেডি সরকারি ও নওগাঁ সরকারি বালিকা বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় ঘুষ নেওয়া হয়েছে।
আমার মা মারা যাওয়ার সময় ছিল। তখন আমি ৩ মাস আমাদের লাইসেন্স এর ভ্যাট রিটার্ন করতে পারি নাই। তখন আমি অফিসে গেলে জানায় আমাদের কিছু করার নাই। এটা এ্যাডজাস্টমেন্ট করতে ৩০০০০/- লাগবে। আমি উপপরিদর্শক এর সাহায্য নিতে গিয়েছিলাম। তখন উনি বলল আমার কিছু করার নাই(মায়ের পরে সবচেয়ে মধুর কন্ঠে)। দিতে হয়েছিল আমাকে। পরবর্তীতে ১ বছর পরে আমি আবার ভুলে গেলে কম্পিউটার অপারেটর কে ২০০০/- দিলে সে এ্যাডজাস্টমেন্ট করে দেয়।
৩ নং খানপুর ইউনিয়ন: রতনপুর, বিরামপুর, দিনাজপুর এর ইউনিয়ন পরিষদের ৫/৬ বছর আগের ঘটনা। জন্ম নিবন্ধন হালনাগাদ করে দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ৩০০০ টাকা দাবি করে। জন্ম নিবন্ধন ২ দিনের মধ্যে আমার জরুরি প্রয়োজন ছিলো। সেটা আমার শিক্ষা জীবন, ক্যারিয়ার এবং জীবনের সাথে জড়িত ছিলো। সে বলে ৩০০০ টাকা দিলে কালকেই জন্ম নিবন্ধন এর কাজ হয়ে যাবে। আর টাকা দিলে পাবেন না, আপনি যেখানে ভর্তি হওয়ার কথা সেখানে ভর্তি হতে পারবেন না। বাধ্য হয়ে তাকে ৩০০০ টাকা দিয়ে হয় এবং তার বিনিময়ে সে জন্ম নিবন্ধন এর কাজ করে দেয়। সেই সময় অনেক অভাবে ছিলাম, এবং ৩ হাজার টাকা আমার কাছে অনেক বেশি ছিলো।
সরাসরি,অফিস চলাকালীন, অফিস সহকারী
আমার বাবাকে নিয়ে হাসপাতালে জাই সেখানের আয়া এবং কিছু নার্স আমাকে বলে টলি নাই হাতে উঠান বাবার জন্য কষ্ট লাগলে আর না হলে চার্জ দেন আমি বললাম কিসের চার্জ বললো এটা এখানের নিয়ম জানেননা ধমকের সহিত অত:পর টলির জন্য ১০০০ হাজার টাকা নেয়।
I am buy a flat and apply for nam jari but 3 times they refuses for some silly reason . And they demand 45000 tk for nam jari . When i paid this amount they do the work . Computer operator and office secretary take the amount. Even ACland also them to do the work but they don't do the work.
ব্যাংক একাউন্ট এ ক্লোজিং করতে গেলে ২ ঘন্টা ওয়েয়াত করতে বলে তারপর পিয়ন কানেকানে বলে স্যার আমাকে ১ হাজার টাকা দিন আমি আপনাকে স্যারের ডেস্কে নিয়ে যাচ্ছি। কথিত আছে তার প্রভাব পুরো ব্যাংক জুরে অনেক কর্মকর্তা তাকে ভয় পায় আজ নিজে দেখলাম।