পে ফিক্সেশন
নতুন চাকরিতে যোগদান, টাকা ছাড়া মাসের পর মাস বেতন বন্ধ ছিল। অতঃপর বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েই ফিক্সেশন করি আমরা নতুন নিয়োগ প্রাপ্তরা। প্রতি জনের থেকে ১৫০০ টাকা নেয়।
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নতুন চাকরিতে যোগদান, টাকা ছাড়া মাসের পর মাস বেতন বন্ধ ছিল। অতঃপর বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েই ফিক্সেশন করি আমরা নতুন নিয়োগ প্রাপ্তরা। প্রতি জনের থেকে ১৫০০ টাকা নেয়।
নতুন পাসপোর্ট বানাতে দালালকে দিতে হয়েছে
tax aar tk, pore online check kori only 20tk need
অনেক খারাপ ব্যবহার করেছিল। বারবার ঘোরাচ্ছিল। পরে আমি দুদকের এক বন্ধুকে দিয়ে ফোন করিয়েছিলাম পরে ছেড়েছিল এমনিতে।
জমির ৩৬০ টাকা কর রশিদ দিয়েছে আমাকে , আর আমার কাছ থেকে ১৮০০০ টাকা নিয়েছে। সরকার পেলো ৩৬০ টাকা আর আমি দিলাম ১৮ হাজার। তাও নিতে চায়নি, বড় স্যার রাগ করেছে এত কম টাকা নেয়াতে।
উচ্চতর ডিগ্রির অনুমতি চাইলে তা অনুমোদন এর জন্য এই টাকা চাওয়া হয়।
ভূমি নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। ঘুষ দেয়নি বলে নায়ক সাহেব ফাইল ছাড়ছে না
নতুন পাসপোর্ট করতে গেছিলাম পেপারর্স ভুল ভুং ভাং বুঝিয়ে হবে নাহ বলে দিলো,পরে দরবেশে ১০ হাজার এ করে দিলো তাও শুধুমাত্র NID দিয়ে
কাঙ্ক্ষিত সময়ের মধ্যে সেবা প্রদান করতে গড়িমসি করায় পরবর্তীতে আমি নিজেই হিসাবরক্ষণ অফিসে গিয়ে নিজের কাজ করিয়ে নিয়েছি।
অর্থঋন আদালতে বিবাদীর জমা দেয়া টাকা উত্তোলন করতে গেলে আমার কাছে ২০০/- টাকা দাবী করা হয়।ঋনখেলাপীর টাকা আদায় করার সময়েও টাকা নেয়া কতটুকু রুচির দুর্ভিক্ষ এ থেকেই বোঝা যায়।
মৌলভীবাজার পাসপোর্ট অফিসের প্রথমে আনসার সদস্যদের জন্য ভিতরে মোবাইল নিয়ে ডোকা যায় না - পরে দালাল হচ্ছে কাউন্টারে সব কাগজ ঠিক থাকার পরেও বলে কি করেন বললাম চাকরি পরে অফিস থেকে পাসপোর্ট করার পার্মিশন নিয়ে আসেন - লিখিত ভাবে আনার পরে বলে নাগরিক সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন - সেটাও নিয়ে আসলাম পরে বলে বারির টেক্স নিয়ে আসেন - পরে আমি বাদ্য হয়ে বাহিরে কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে টাকা দিলাম তারা একটা অক্ষর লিখে দিলো - পরে আর কিচ্ছু বল্লো না
এটি কাটমস হাউজের দৈনন্দিন ঘটনা । যেখানে পিয়ন থেকে কমিশনার পর্যন্ত বেশিরভাগ দুর্নীতিবাজ । ঘুষ দেয়া ছাড়া এখানে কেউ কাজ করতে পারে না । যার ফলপ্রসূ আমাদের দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস হতে শুরু করে সব কিছুর দাম বেশি থাকে ।
আমি নতুন ভোটার হয়েছি জুলাই মাসে। কার্ড এ আমার পোস্ট কোড এবং গ্রাম এর নাম ভুল এসেছে । তো নির্বাচন অফিস এ সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর আমার কাছে কাজ এর পারিশ্রমিক চাচ্ছে। উল্লেখ্য আমি সরকারি বিল পরিশোধ করেছি ৩৫০ টাকা। ফাইল এর জন্যে পারিশ্রমিক চেয়েছে ২০০ টাকা । সরিষাবাড়ী নির্বাচন অফিস।
আমাদের জায়গার ভুমি কর ৪৯ বছর বকেয়া দেখাচ্ছে, অথচ আমরা ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রদান করা আছে, সেই তথ্যটা অনলাইনে আপ্লোড করছে না, সেখানকার তহসিলদার। বিভিন্নভাবে হয়রানিমুলক কথা বলছে
১৭ জুন ২০২১, সাইন্সল্যাব, ঢাকা, আমার একটি মোবাইল চুরি হয়। নিউ মার্কেট থানা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা। আমি সাধারন ডাইরি করি। এস আই আমার মোবাইল খোজে দেওয়ার জন্য ১০,০০০ টাকা দাবি করে। মোাইলের দাম ছিল ৩০,০০০ টাকা। আমি ছাত্র অবস্থায় এত টাকা দিতে পারবনা বলেছিলাম, তাই সে আমার মোবাইল খোজে দেয়নি।
২০১৮ সালে পাসপোর্ট নিজে থেকে করতে গেলে প্রথমে জন্ম নিবন্ধ কার্ড ডিজিটাল করতে বলে। পরবর্তীতে জন্ম নিবন্ধন কার্ড ডিজিটাল করে নিয়ে গেলে বলে তোমার পেশা দেয়া প্রাইভেট সার্ভিস। প্রাইভেট সার্বিসের প্রমাণপত্র লাগবে বলে ফিরিয়ে দেয়। পরে এভাবে হ্যাসেলের শিকার হয়ে দালাল ধরতে বাধ্য হই। দালালকে ১৫০০ টাকা দিলে সে একই ফাইল দিয়ে পরদিন আবার পাঠায়। এবং পেশার কোনো প্রমাণপত্র ছাড়াই জমা নেয়। পরবর্তীতে পুলিশ ভ্যারিফিকেশনের জন্য ফোন দিয়ে থানায় যেতে বলে। এবং সরাসরি চা-নাস্তার টাকা দাবি করে। ১৫০০ টাকা চাইলে ৮০০ টাকা দিয়ে দফারফা হয়।
ফরিদপুর জেলার চর ভদ্রাসন উপজেলার অনেক ইউনিয়ন ভূমি অফিস তার মধ্য গাজিটেক ইউনিয়ন অফিসে ঘুষের ছড়াছড়ি একটু বেশি যে কোন কাজ করতে গেলে টাকা ছাড়া হয় না, ঔ অফিসে একজন মাষ্টার রোল এ ড্রাইভার আছে যে গাড়ি চালানো বাদ দিয়ে গাজিরটেক ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কম্পিউটারের কাজ করে, কেউ কোন কাজ নিয়ে অফিসে গেলে তিনি ঘূষ দাবি করেন, এই অফিসের যিনি ভূমি সহকারি আছেন তিনি প্রবিন হওয়ায় কম্পিউটার চালাতে পারে না সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একজন মাষ্টার রোল ড্রাইভার মাসে লাখ লাখ টাকা ঘুষ নিচ্ছে। আমরা চাই এর একটি প্রতিকার হোক
পাসপোর্ট বানাতে গেলে অফিসার আমাকে বলে কাবিননামার মুল কপি কেন আনি নাই এই জন্য আমার পসপোর্ট করা যাবেনা, মূল কপি নিয়া আসতে। আমি বাহিরে থাকা পুলিশের কাছে গেলে উনি আমাকে বলে এখানে এমনই হয়, আপনি আমাকে কিছু খরছ দেন (২০০০৳) আমি করাই দেই, ওদের কাছে গেলে আরো বেশি লাগবে, আমার ইমার্জেন্সি হওয়াতে কিছু করার ছিলো না। দিতে হয়েছে। আমি অফিসার কে জিজ্ঞেস করেছিলাম আমার পারপোর্টে করার জন্য কাবিননামার মেইন কপি কেন প্রয়োজন ফটোকপি কেন যতেষ্ঠ নয়? সে আমকে বলে আমি পাসপোর্ট কেন বানাবো!
আমি অনলাইনে মাধ্যমে নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি, এবং পরীক্ষার ডেট অনুযায়ী আমি রিটেন পরীক্ষা অ্যাটেন্ড করি রেজাল্টে পাস করি কিন্তু ব্যবহারীকে মোটরসাইকেল ভালো চালানোর পরেও, একবারের জন্য আমার পা মাটিতে পড়ে না তারপরেও আমার রেজাল্ট ফিল আসে। আমি জানতে চাইলে যিনি রেজাল্ট ঘুষোক তিনি আমাকে বলেন আপনি কি কোন মাধ্যম দিয়ে আসছেন আমি বললাম না আমি নিজে নিজে আবেদন করে পরীক্ষা দিতে আসছি, তখন সে বলে আপনি সারা জীবন খেলে পড়বেন পাস হবে না। আমি বললাম কি করলে পাস হবে তখন বলে মাধ্যম দিয়ে আসেন, আমি বললাম ভাই আমি কোন মাধ্যম চিনি না কাউরে চিনি না, তখন একজনকে ইশারা দিয়ে দেখায়া দিল তার সাথে কথা বললাম তারপরে সে আমাকে বলে ৩৫০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম ভাই আমি ছাত্র মানুষ অনুগ্রহ করে আমার প্রতি একটু দয়
Police Clarence এর জন্য আবেদন করা হইছে এর কিছুদিন পর কল আসলে আমি থানায় যায়। যাবার পর সব কিছু দেখার পর বললেন ( চা ) এর টাকা দোও। ৫০ টাকা দিছিলাম উনি নেয় নাই। ১০০০ টাকা দাবি করছে