খারিজ খতিয়ান তেরি
খারিজ খতিয়ান করে দেবে এই জন্য আট হাজার টাকা লাগবে আর সরকারি খরচ কম
19,274 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
খারিজ খতিয়ান করে দেবে এই জন্য আট হাজার টাকা লাগবে আর সরকারি খরচ কম
ami jomir kagoj dekhte geacilam tara amr kace 3000 tk chai ami baddho hoiye diyesi
আমি আমাদের কেনা জমির রেকর্ড স্টোর করতে গিয়েছিলাম। সব ঠিক ছিল, তবুও ৩০-৩৫ হাজার টাকা দাবী করেছে। আমরা ৫-৮ হাজার দিব বলেছি, তারা আর কিছু বলে নি। এখনো হোল্ডে আছে।
Bhumi office khotian dea jonno ghush azide
basically pasport renew er somoy amar doccuments ee kichu jhamela chilo kintu oi jhamela gulo saranor jonno amake 3000 tk ghush dite bola hoi. amar emergency chilo tai dite hoi
আমার ভাইয়ের চাকরির জন্য জরুরি ভিত্তিতে এইচএসসির সার্টিফিকেট প্রয়োজন ছিলো। তো তারা দিতে রাজি হয়নি শুরুতে এরপরে সারাদিন কাটানোর পর বলল টাকা লাগবে। এরপরে জিজ্ঞেস করলাম কত ? এরপরে বলল ৭০০০। তারপরে অনেক জোর করে ৫০০০ টাকা দেওয়ার পর দিয়েছে।
আমি প্রথমে একটা সরকারি চিঠি নিয়ে যায় যা সেন্ড করতে হবে ইংল্যান্ড এ । তো তারা প্রথমে বললো এটা খুলে দেখতে হবে । একটা সরকারি অফিসের অফিস আদেশ কপি কী পোস্ট অফিস চাইলেই দেখতে পারে ? আর তারা প্যাকিং এর জন্য কী তারা রশিদ ছাড়া কোন টাকা আদায় করতে পারে ? তার পর তাদের ইনচার্জ এর কাছে গেলে সে বলে টাকা দিতেই হবে আর না হলে তারা নিতে পারবে না । এটা নাকি তাদের নিজের টাকায় কেনা তাই টাকা দিতে হবে । আর পর আমার চিঠির বিল আসছে 1951.40 টাকা আমার দিতে হবে 2050 । আর আমার মতো সবার কাছ থেকেই টাকা নিছে । তার ওপর কোন সাহায্য করার কোন নাম নাই । কাউন্টারে গেলেই ব্যবহার দেখে হতবাক হওয়ার উপক্রম । এই যদি হয় সরকারি পোষ্ট অফিস এর অবস্থা তাইলে তো ভালোই হইছে । এটা ময়মনসিংহ প্রধান শাখা ।
অভিযোগের বিবরণ আমি রং সাইডে ইউটার্ন নেওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী ট্রাফিক সার্জেন্ট আমাকে আটক করেন। পরবর্তীতে তার সঙ্গে থাকা আরেকজন পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে পাশে ডেকে নিয়ে যান এবং আমার কাছে ৩,০০০ টাকা দাবি করেন। তিনি আমাকে বলেন, “৩ হাজার টাকা দাও, তাহলে তোমার আর মামলা খাওয়া লাগবে না।” আমি উক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এরপর তারা আমাকে কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা না পেয়ে একটি মামলার কাগজ ধরিয়ে দেন এবং আমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি ঢাকার মহাখালী আমতলী ট্রাফিক বক্সে ঘটে। আমি ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে থাকলে আইন অনুযায়ী মামলা বা নির্ধারিত জরিমানা দেওয়ার বিষয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু মামলা না দেওয়ার বিনিময়ে ৩,০০০ টাকা দাবি করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনিয়মের বিষয়। তাই বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে ঘটনার সত্য
নাগরিক সনদ এর জন্য কাউন্সিলর অফিসে কর্মী দের গাড়ি ভাড়া বাবত ৫০০ টাকা / প্রতি আবেদনের জন্য নিয়ে থাকে, না দেয়ার কোন উপায় নাই.
নতুন জম্ম নিবন্ধন বানাতে টাকা দিতে হয়েছে৷
পাসপোর্টের কাগজ জমা দিয়ে গিয়েছিলাম অনলাইনে যে সকল কাগজ দেয়ার নিয়ম বলা ছিল সব ই নিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু তারা আমার আরো ৩ টি অপ্রয়োজনীয় কাগজ আনতে বলে সেগুলো পরের সপ্তাহে নিয়ে গেলে জানানো হয় আরো কিছু কাগজের কথা যা নিয়ম অনুযায়ী দিতে হয় না এভাবে ৩ সপ্তাহ ঘুরানোর পরে জানানো হয় 3000 টাকা না দিলে আমার প্রয়োজনীয় কাগজের লিস্ট কখনো শেষ হবে না ৩০০০ ঘুষ দেয়ার সাথে সাথে ই আমার সকল কাগজ পত্র জমা নেয়া হয় যেগুলো আমি প্রথম বারই নিয়ে গিয়েছিলাম
খাদ্য অধিদপ্তর হতে ১৫ টাকা কেজি মূল্যে চাল বিতরণের কার্ড নবায়নের জন্য অবৈধভাবে ২০০ টাকা দাবি করেছিলো।
এমপিওভুক্তির জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ৫০০০ ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ২০০০ টাকা নিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট এনজিও হতে প্রকল্প বর্ষ সমাপ্তির প্রেক্ষিতে প্রত্যয়ন পত্রের জন্য আবেদন করা হলে প্রকল্প এলাকায় তদন্ত সম্পন্ন করে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য ১০০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হচ্ছে। যেহেতু ঘুষ এনজিওর নীতিমালার লঙ্ঘন করে, তাই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং আবেদনটি উপেক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।
আমি পাসপোর্ট ৩ মাস পার হওয়ার পরেও সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট হাতে না পাওয়ায় অফিসে যাই। সেখানে কর্মরত আনসার আমার পাসপোর্ট এনে দেবেন বিনিময়ে তাকে 1000 টাকা চায়। তিনি বলল আমার পাসপোর্ট নাকি আটকে আছে। আমি নতুন মানুষ হয় অত ভালো বুঝতে পারিনি। বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিয়েছিলাম। পরে পাঁচ মিনিটের মধ্যে পাসপোর্ট আমার হাতে এনে দিয়েছিল। এটি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের ঘটনা। সে আনসারের ফোন নাম্বার সাথে থাকায় বাসায় ফিরে তাকে কল করে সবকিছু প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলাম পরে সে বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ব্যাক করেছিল। পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময় পুলিশকে ২০০০ টাকা দিতে হয়েছিল। নয়তো ভেরিফিকেশন পেপার জমা দেবে না বলে হুমকি দিয়েছিল। টাকা দেয়ার পরও অনেক ঘুরাঘুরি করেছিল। কারণ তার 5000 টাকা ডিমান্ড ছিল।
২০২২ সালে আমার পিতা ক্যান্সার হয়। আমি মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে ভর্তির জন্য সেখানে যাই। সেখানে অফিস থেকে বলে কোন সিট নেই। পরে আমি সেখানকার পিয়নের সাথে কথা বলে ভর্তি করানোর চেষ্টা করি, সে আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে, পরে আমি অনেক হাতে পায়ে ধরে ২০০০ টাকা দিয়ে ভর্তি করাই।
নামজারী করতে চাই কম্পিউটার দোকানে টাকা দিলে ফাইল পার হয়।সরাসরি করতে গেলে হয়রানি করে।
বৃদ্ধ দিদার সাথে বিদেশে ভ্রমণের জন্য পাসপোর্ট করতে গেছিলাম। ডকুমেন্ট জমা দেয়ার ১৫-২০ দিন পর একজন পুলিশ কর্মকর্তার কল আসে। তিনি প্রথমে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন কোথায় ঠিকানা, বর্তমানে কোথায় থাকি ইত্যাদি। এক পর্যায়ে তিনি বলেন কিছু ঝামেলা থাকায় বাতিল করছেন আমার পাসপোর্ট কার্যক্রম। কিছুই বুঝলাম না কি সমস্যা, উনি স্পষ্টভাবে কিছু বললে না। তারপর পরিচিত একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে থাকায় তাকে জানলাম ব্যাপারটা। তিনি যোগাযোগ করার পরও পরেরদিন একজন পুলিশ কর্মকর্তা আসলেন তাকে ৫০০ টাকা দিতে হলো বাধ্য হয়ে। মূলত আমার একটা ভূমিহীনের সার্টিফিকেট লাগত, সেটার কথা সেই পুলিশ কর্মকর্তা স্পষ্টভাবে তো দূর প্রথমে বলেনই নাই এবং পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ না থাকলে,উনি আরো টাকা দাবি,এমন কি আমার পাসপোর্ট বাতিল হতো।
রিসেন্টলি ট্রেন ভ্রমণের জন্য কাউন্টার এ টিকেট কাটতে গেলে জানায় "স্ট্যান্ডিং টিকেট ও শেষ, ট্রেনে উঠেন ব্যবস্থা হয়ে যাবে।" কারণ টিকেট না থাকায় টিটি এসে ধরলে তাকে ভাড়া দিয়ে দিলেই হবে, কোনো টিকেট লাগে না রশিদ লাগে না, পুরাটাই উনাদের পকেটে। আসলে স্ট্যান্ডিং টিকেট উনারা ইচ্ছা করেই ছারে না। সবশেষে ট্রেনে উঠার পর পুলিশ বললো টিকেট আছে, বললাম না! তখন উনি বললো এদিকে এসে দাঁড়ান, দেন বললো ভাড়া দেন, দিলাম। তারপর বললো টিটি আসলে বলবেন পুলিশের লোক।
চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি সড়ক প্রসস্ত করণে আমাদের বংশগত ভূমি সরকার অধিগ্রহণ করলে দীর্ঘসূত্র পর যখন ক্ষতিপূরণ ব্যাংকে জমা হওয়ার আগে ঐ শাখার কর্মকতা একটি কাগজে ১৫% কমিশন উল্লেখ করে একটি চেক বুঝে নিয়ে তারপর ব্যাংকে টাকা জমা করলে সে ঐ চেক বাবদ টাকা উত্তোলন করে নেয়।