মায়ের পেনশন
এক বছর আটকে রেখেছিল ফাইল টাকা না দেয়ায়। পরে বাধ্য হয়ে পরিশোধ করছি।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
এক বছর আটকে রেখেছিল ফাইল টাকা না দেয়ায়। পরে বাধ্য হয়ে পরিশোধ করছি।
কিছুদিন আগে আমার পরিবার চিকিৎসার জন্য ভারত ভ্রমণ করছিল। তারা তখন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত যাওয়ার সময় সরকারি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রথম সারির ব্যাংকের মাধ্যমে চালান করতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করে, যে ব্যাংকটি আখাউড়া স্থলবন্দর এর সাথে সংযুক্ত। ব্যাংকের নিজস্ব কোন শাখা না থাকলেও, সেখানে ব্যাংকটির দুইজন প্রতিনিধি সার্বক্ষণিক থাকেন চালান করার জন্য। আমার জানামতে তারা ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা।
এই অফিসে রাজস্ব আদায় হয় কিনা জানি না,তবে ঘুষ আদায় হয় রীতিমত। নোয়াখালীতে যত ব্যবসায়ী আছে, তারা রাজস্ব দেন বা না দেন তাকে প্রতিমাসে ৩৫০০ টাকা ঘুষ দিতেই হবে। না হলে ব্যবসা বন্ধের হুমকি, আইনে জটিলতা ফেলানোর হুমকি দিচ্ছে সরাসরি।এখন ব্যবসায়ীরা ঝামেলায় জড়াতে চান না তাই,অনুরোধ করে ৫০০ কমে বা বেশি দিয়ে আসতে বাধ্য হয়। বিশ্বাস না হলে আয়কর অফিস ভিজিট করতে পারেন।তাদের ঘুষের রেঞ্জ দেখলে আপনি ব্যক্কল হতে বাধ্য হবেন।
আমার বাবাকে নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে যাই, ডাক্তার রা, ক্যান্ডেলা এবং সেলাইন আনতে বাহিরে ফার্মিসিতে আমাকে পাঠায়, বেশ ভালো আমি আনছি।কিন্তু আমি লক্ষ করতেছি তাদের ব্যাবহার, অনেক বাজে।ধরে ধরেনা, কতো কি।অবশেষে যখন বুঝতে পারলাম এখানে বাবাকে রাখা যাবেনা, তারপর বাহির হলাম হাসপাতাল থেকে, কিন্তু আনসার আমাদের কাছে ৮০০ টাকা দাবি করলো,কিন্তু আমি দেইনি, তারপরে সেয়ি আবার আমাদের ক্লিনিক সিলেক্ট করে দেয়, কিন্তু আমিতো বোকা না, এম্বুলেন্স আনছে আমাদের নিয়ে যাবে ক্লিনিকে। কিন্তু আমি তাদের কথায় যাইনি,।
আমার সামনে ঘটনা ০৩/০৯/২০২৬ রাত ১০ টায় সিইপিজেড মোড় ফুটউভারের নিচে উত্তর সাইডে ২ জন ট্রাফিক ডিউটিতে ছিলো একটা বাইককে আটকালো ড্রাভিং লাইসেন্স টেক্সটুকেন রেজিষ্ট্রেশন কার্ড চেক করলো গাড়ির ডকুমেন্ট ছিলো না।গাড়ি রেখে ট্রাফিকের কাছে থেকে সময় নিয়ে বাসা থেকে কাগজ এনে দেখানোর পরেও চালক কে ২৫০০/- টাকা দিতে হইছে কারন দেখাইছে ট্রাফিকের সিগনাল মানে নাই। সেজন্য ২৫০০/- টাকা রেখে গাড়ি ছেড়ে দিছে।
বিআরটিএ অফিসে লাইসেন্স করতে গেলে ১২ হাজার টাকা দিতে হবে ওনাদের তাই এখন পর্যন্ত ড্রাইভিং মেসেজ করি নাই অথচ ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে তারা ফেল করে দেয় এটা নাকি তাদের রীতি-নীতি।
আমার বিরুদ্ধে করা একটা সিআর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন বা চার্জ সিট দিতে ASI আমার কাছ থকে ২৫ হাজার টাকা নিয়েছে।
আমি জমি খারিজ করতে দিলে তিনি অপিসের লোক দিয়ে টাকা দাবি করায়। দাবি পুরন না করায় খারিজ আবেদন বাতিল করে দেয় বিনা নেটিশে। দ্বিতীয় বার আবেদন করলে তিনি তহশিলদারকে তা ভূল ভাবে প্রেরণের পরামর্শ দেয় বলে জানতে পারি। আমার ছোটভাই কিডনি রুগি জমি বিক্রি করে তার চিকিৎসা করা জরুরী ছিল তাই আমার খারিজটা দরকার ছিল। উনাকে অনেক অনুরোধ করেছি তাতে কাজহয়নি। পরে টাকা দিলে পরদিনই কাজ হয়। উনি এখন বদলি হয়ে রাজশাহীর বাগমারায় আছেন।
আমার জানা মতে কোন ভুল ছিল না কিন্তু তারা বলছে বিবরণ প্রাইভেট সার্ভিস দেয়ার কারণে প্রথমবারের মতো তারা আমাকে পাসপোর্ট করা যাবে না বলে রিজেক্ট করে দেয় এটা সংশোধন করতে হবে তারপর তাদের দালাল চক্র যারা পাসপোর্ট এর আবেদন করে থাকে তারা আমার কাছ থেকে তিন হাজার টাকা দাবি করছে আমি সেই টাকাটা দেয়ার পরে আমাকে দালাল চক্র দোকানদার ওই অফিসারকে ফোন দেয় আর আমাকে বলে অফিসারের কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে তার নাম বলতে তারপর যেমন কথা তেমন কাজ পাসপোর্ট এর বিবরণ প্রাইভেট সার্ভিস দেখি আমাকে পাসপোর্ট করে দেয়
Trade Licence Renewal fee 10686 tk. Paid 4200 tk more as bribe.
প্রথমে আমার মোটরসাইকেল টাটকা তারপর ওদের কার্যালয়ে গিয়ে আমার থেকে ১২০০০ টাকা নিয়ে নিয়ে মোটরসাইকেলটা ছেড়ে দেয়
আমি সৌদির আরবে আসতে আমার একটি পুলিশ কিলারেন্সের জন্য ২০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে ঘুষ একটি মামলা করেছিলো আমার উপর এক লোক যানি না সে আমার উপর কেন মামালা টা করেছিলো যে করেছে উনার বাড়ি হচ্ছে ব্রাহ্মণবারিয়া তখন কার আওয়ামী লীগের এক নেতা ছিলো সেই লোক টি
সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও বলে মামলা দিব, এরপর বলে ৫০০ টাকা দে
Dhaka Shaheed Suhrawardy hospital e operation er por dressing er jonno jawa hoto, protidin dressing korar pore bolto cha panir jonno den... Na dile porer bar dressing korte oniha prokash korto er por theke 50-100 dewa legeche...patient er oboshta dekhe.
পাসপোর্ট তৈরী করতে গিয়ে সব তথ্য সঠিক থাকার পরও দায়িত্বরত কর্মকর্তা বলেন ওনার পক্ষে এই আবেদন গ্রহণ করা সম্ভব না। পরে পাশে এক দালাল কে ২০০০ টাকা অতিরিক্ত দিয়ে জমা করি।
ডাক্তার দেখাতে ঘুস চাইছে
ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন করতে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা দিতে হবে।তা না হলে নবায়ন হবে না।
আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। রিটায়ার নেওয়ার পরে। বাবার পেনশন আর প্রভিডেন্ড ফান্ডের টাকা উঠানোর জন্য অনেক কষ্টকর হয়ে উঠে। প্রথমে উপজেলা শিক্ষা অফিস বলে ফাইলে অনেক সমস্যা এটা লাগবে অমুক সারের সাইন লাগবে টাকা ছাড়া সাইন করে না।ধাপে ধাপে টাকা৷ নেয় উপজেলা শিক্ষা অফিস তার পরে ঘুরে ঘুরে জেলা শিক্ষা অফিস ৩ দিনের কাজ ফেলে রাখে ৩০ দিন।টাকা নেওয়ার পরে ৩ দিনে হয়ে যায় এবং সবশেষে উপজেলা একাউন্টস অফিস ও টাকা নেয় আর ভয় দেখায় টাকা না দিল পরবতর্ীতে ফাইলের সমস্যা হবে। প্রত্যেক অফিস টাকা না নেওয়া প্র্যন্ত কাজ বন্ধ রাখে। শেষে ৩০০০০ টাকা নিয়ে সব কাজ হয়। শিক্ষকরা বাধ্য থাকে কোনো স্পারিশ ও হয় না বলো এগুলা দিতে হয়।
ইসিজির ক্ষেত্রে টাকা নেয় ১০০ টাকা করে। এটা কি ক্ষেত্রে দিতে হয় আমার জানা নেই। সরকারি সেবা ফ্রি হওয়ার কথা কিন্তু ভিতরে টাকা দিতে হয় কেন।
আমার জন্ম নিবন্ধনে বাবার মায়ের নাম ছিল ভুল সংশোধন করার জন্য।নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি পৌরসভা এখান থেকে জানাইলো মাইজদিডিসি অফিসে যাওয়ার জন্য। মাইজদী ডিসি অফিস থেকে বলল স্থানীয় সরকারের আন্ডারে স্থানীয় সরকার আন্ডার আবার অনেকেই গোপনে নাম্বার দেয় তাদের সাথে কন্টাক্ট করার জন্য স্থানীয় সরকার বলল এটা বিশাল বড় এক সমস্যা উপজেলাতে যাওয়ার জন্য উপজেলাতে কেউ কথা বলতেই রাজি হয় না যাইহোক অনেক কিছুর পর একজনকে যখন পেলাম সে বলে পৌরসভাতে যাওয়ার জন্য সোনাইমুড়ি পৌরসভা পৌরসভা তে আসলে অনেক ঘুরাফুরি করে বলল যে কন্টাকে আসুন ১৭ হাজার টাকা একটা কথা সত্য মনে হচ্ছে দ্বিতীয়বার জন্ম নিলে হয়তো এত কষ্ট হতো না সরকারি অফিসগুলোতে যার সাথে কথা বলি আগের টাকা ঘুশের রাজ্জ্য বাংলাদেশ