মিসকেইস এর রায় লিখে দিবে।
মিস কেইস মামলার রায় হয়েছে সেই রায় লিখে দিবে তার জন্য দিতে হবে ৫০০০০ টাকা ৩০০০০ টাকা দিয়েছি তার পরেও কাজ শেষ করে দেয় নাই।
19,252 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
মিস কেইস মামলার রায় হয়েছে সেই রায় লিখে দিবে তার জন্য দিতে হবে ৫০০০০ টাকা ৩০০০০ টাকা দিয়েছি তার পরেও কাজ শেষ করে দেয় নাই।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা সরকারি ফি জমা দিতে হয় আমাকে বললে সরকারি ফি এত টাকা জমা দিতে হয় এবং আমাদের এত টাকা দিতে হবে তাহলে আমি লাইসেন্স করে দিতে পারব।
কোন TA/DA বিল এবং ওভার টাইম বিল সহ যে কেন বিল পাশ করাতে হলে SFC মীরপুর কে ১% টাকা দিতে হয় না হলে কেন বিল পাশ হয় না,, এটা থেকে প্রতিকার চাচ্ছি। এটা রেগুলার।।
দাদীর টেষ্টের রিপোর্ট করতে গিয়েছিলাম হৃদরোগ ইন্সটিটিউট শ্যমলী তে, ইমার্জেন্সি ছিলো, হার্ট এটাক এর রোগী, রিপোর্ট এর জন্য কোনো মানি রিসিট না দিয়ে টেষ্টের কাগজের উপর লাল দাগ দিয়ে ছিলো, আড় এক্সট্রা টাকা নিয়েছিল। আবার হৃদরোগ এর আই সি ইউ তে রোগীর সাথে একজন থাকা লাগে, সেখানে ঢুকতে বের হতেও আনসার কে টাকা দেয়া লাগছে।
বেসরকারি প্রভাষক পদের MPO আবেদন করতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি উন্নয়ন কাজের নাম করে ৫০০০০৳ দাবি করে। মূলত এটা ঘুষ।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আমি গেলে সব পেপার দেখে বলে ব্যাংক এর টাকা বাদে 4000 টাকা লাগবে না হলে হবে না আমার urgent houar karone taka diye diyechi
Cha pan khawar taka.
আমরা সরকার এর কাছে ধান বিক্রি করতে গেলে, খাদ্য গুদাম মহিলা করমকরতা আমাদের কাছে ৩০০০ টাকা নেন।
২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে আমি ঢাকার উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্টের সব কাগজ জমা দিতে গিয়েছিলাম ৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানোর পর যখন আমার পালা আসে, তখন সে তন্নতন্ন করে খুঁজেও আমার কোনো ভুল ধরতে পারেনি। পরিশেষে সে লাল কালি দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধনের নাম্বার কেনো একসাথে দিয়েছি জানতে চায়। আমি বলি দুটো অপশন ওপেন ছিল তাই দিয়েছি, সে বলে না এটা হবে না, আপনি নতুন করে আবেদন করুন। পরে আমি জানতে চাই টাকা রিফান্ডের প্রসেস, সে বলে অনলাইন পেমেন্ট রিফান্ডের কোনো সুযোগ নেই। পরে আমি বেশ হতাশ হয়ে ফিরে আসি, আবেদন আর প্রত্যাখ্যান করি নাই। ২০২৫ সালের জুনে আমার পাসপোর্ট বানানো অতিব জরুরি হয়ে পড়ে, তখন ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখি আমার আবেদন খারিজ হয় নি। পরে পাসপোর্ট অফিসে ৩০০০/- ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে পাসপোর্ট হাতে পাই।
জেলা পরিষদ সাতক্ষীরা কার্যক্রম বিহীন প্রতিষ্ঠানদের অর্থ ও ক্ষমতার বিনিময়ে কোটি কোটি টাকার বরাদ্দ প্রদান করে । যেমন: দেবহাটা উপজেলার অস্কারপুর শহীদ আসিফ বন্ধু মহল । আর যে সব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কার্যক্রম করে তাদের বরাদ্দ পেতে হয়রানি হতে হয়, চাঁদা দাবি করে। পরিবর্তন হওয়া জরুরী ।
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে (২০১৮ ইং সালে) আমার বাবা ভর্তি ছিলেন। আমরা আগে ভর্তি হওয়া সত্ত্বেও টাকা দেইনি বলে বেড পাইনি। রোগীকে বেড দেওয়ার/ব্যবস্থা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন আয়া/ঝারুদার টাকা দাবি নিচ্ছিল।
আমার একটি নামজারির আবেদনের ইউনিয়ন ভুমি অফিসার রিপোর্ট দিবেন।তার বিনিময়ে ২০০০ টাকা চেয়েছে। অনেক অনুরোধের পর ১৫০০ টাকা পরিশোধ করেছি।পাশাপাশি সরজমিনে তদন্তের জন্য ৫০০ টাকা দাবি করেছে তাও পরিশোধ করেছি।
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন করার জন্য বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে। আবেদন এ সব ঠিক থাকা সত্ত্বেও অনলাইন নিবন্ধন এ নামের বানানে ভুল আছে। পরে পুনরায় আবেদন করি পুনরায় ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে সংশোধন করতে হয়েছে। তারও ভুল আছে।
When I went to the Khilgaon Councilor's office to get my citizenship certificate for Dhaka Ward No. 4, they asked me for 200 BDT. When I refused to pay, they demanded at least 100 BDT. I paid the 100 BDT out of fear that they would intentionally delay issuing my certificate otherwise. Then I got my Citizenship Certificate after 2 days.
Thanay ghush dite hoyeche police clearance certificate er jonne.
নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র করতে ফরিদগঞ্জ নির্বাচন অফিসে গেলে দ্বায়িত্বরত পিয়ন কি কি কাগজ লাগবে সেটা জানানোর জন্য ১২০ টাকা দাবি করে
ফাইল আটকিয়ে। এর জিন্য আমি একমাসের বেতন পাইনি।
অফিসের পিয়নরা ইচ্ছাকৃত ভাবে ফাইল আটকে রাখে। তারা বলে ফাইল পাওয়া যাচ্ছে না, অমুক দিনে আসেন। এভাবে ঘুরাতে থাকে। কিন্তু তাদের টাকা পেলে আধা ঘন্টার মধ্যে ফাইল বের করে দেয়
ওইখানে যাওয়ার পর আন্সার বাহিনী আমাকে অপমান করেছে,, প্রত্যেকের কাছে ৩০০ করে টাকা চাইছে লাইনে দাড় করিয়ে দিবে তাই৷ যারা টাকা দেয় তাদেরকে সামনে দিয়ে দেয় আর তাদের কাজ অনেক সহজ করে দেয়,,, এভাবে ধাপে ধাপে তারা টাকা নিয়ে থাকে,, আর বিদেশ আসার আগে অনেক জায়গায় এমন টাকা নিয়ে থাকে৷ বিশেষ কিরে মেডিকেল করার আগে যে পেপার নিতে হয় এখন সম্ভবত যমুনা ফিউচার পার্কে,, সেখান থেকে বের হবার পর রিকশা ওয়ালা থেকে শুরু করে পুলিশ পর্যন্ত ঘুষের সাথে লিপ্ত,, তারা নানা ভাবে হয়রানি করে টাকা আদায় করে৷ বিশেষ করে তারা বিভিন্ন ফটোশপের দোকানে নিয়ে গিয়ে জোড় করে ছবি তুলিয়ে ৫০০-৬০০ টাকা হাতিয়ে নেয়৷ তাদের সাথে বসে থাকে পুলিশ৷ আমরা কিছু বললেই পুলিশের হুমকি খেতে হয় এতে করে টাকা না দিয়ে উপায় থাকেনা৷ তারপর আসে মেডিকেল করার পালা,,
ট্যাক্স সারকেলঃ২০৩, ট্যাক্স জোনঃ ১০ , লিফটের ৭/৮ তলায় অবস্থিত অফিস থেকে গত নভেম্বর ২০২৪, আমার কাছ থেকে শুধুমাত্র ট্যাক্স জমা দেয়ার প্রত্যয়ণ পত্র পেতে আমার কাছ থেকে তারা ৫০০০ হাজার টাকা চা নাস্তার টাকা দাবি করে, যেহেতু ব্যাংকের কাজের জন্য আমার এটা জরুরি ছিল, তারা আমাকে বলে ১ মাস ও লাগতে পারে এর জন্য, এই বলে আমাকে ভীতি প্রদর্শন করে, তারপর অনেক অনুনয় করার পর ২০০০ টাকা নিতে রাজী হয়, ৫ মিনিট পর তারা আমার প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করে।