মার্কশিট আর প্রশংসা পত্র নিতে
স্কুল থেকে এসএসসির মার্কশিট নিতে আর প্রশংসা পত্র নিতে,,সরকারি স্কুল হাওয়া সত্বেও,, লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
19,252 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
স্কুল থেকে এসএসসির মার্কশিট নিতে আর প্রশংসা পত্র নিতে,,সরকারি স্কুল হাওয়া সত্বেও,, লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
ডায়াগনন্স্টিক সেন্টার চালু করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স করতে হয়। লাইসেন্স করতে সরকারি টাকা দিতে হয় ১২ হাজার টাকা কিন্তু আমাকে পরিশোধ করতেছে ৩০ হাজার টাকা
আমি অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করেছিলাম। সব ঠিক ছিল। কোন ঝামেলা ছিল না। কিন্তু যিনি পাসপোর্ট ভোরিফিকেশনের জন্য আমার বাসায় এসেছিলেন উনাকে ৮০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
নামে ভুল ছিলো, আইডিতে ঠিক করা হয়েছে, নতুন আইডি অনুযায়ী নাম পরিবর্তন করে দরখাস্ত করা হয়েছে তাই এটা ৬ মাস পরে করতে হবে, বলে ফিরিয়ে দেয়, অনেক জায়গায় ঘোরাঘুরি করেও কাজ না হলে পাশে এক দোকানদার বলে আপনার কাছে চাওয়ার সাহস পায়নি, ২০০০ টাকা সাথে দিলেই সব হবে, পরে তাই হয়েছে। তরখাস্ত জমা দেওয়ার কাউন্টার।
পাসপোর্টের আবেদন ফাইলে ভুল আছে বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়ে ছিলো পরে ৩০০০ টাকায় পাশের কম্পিউটার দোকান থেকে গোপন সংকেত দিয়ে একই ফাইল জমা নিয়েছিলো
শতকে ৫০০০ জমি রেজিস্ট্রি করতে দৌলতপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে নির্ধারিত দলিল লেখক সরকারি নির্ধারিত ট্যাক্স ও অন্যান্য খরচের বাইরে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। জানা যায়, জমি রেজিস্ট্রি করতে হলে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের জন্যও একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হয় বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই টাকা অফিসের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা নেন এবং বিএনপির নেতাদের মধ্যে একটি অংশ ভাগ হয়ে যায়। সরকারি নির্ধারিত খরচের বাইরে এ ধরনের টাকা কেন দিতে হবে এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত করে দেখার দাবি জানাচ্ছি।
বাবার মৃত্যূ পরবর্তী সময়ে তার নমিনি আমার আম্মার চিকিৎসা ভাতা বাবদ বকেয়া পেনশন এর অর্থ উত্তোলন এর জন্য আমরা জনতা ব্যাংক মতিঝিল এর প্রধান শাখা তে ব্যাংক ১.৫ বছর ঘুরেছি কিন্তু তাদের নানা বাহানায় (আমার বাবার প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র হারিয়ে গিয়েছে এই মর্মে ) অর্থ উত্তোলন 'করতে পারিনি পরে ফোন করে অতিরিক্ত দাবি করা হয় , সেই অর্থ প্রদান পরবর্তী দুইদিনের মাঝেই অর্থ প্রদানের অনুমতি প্রদান করা হয় , যা খুবই বিব্রতকর।
Passport renewal. He asked for NOC, I said I don't think NOC is needed for passport renewal process. Then he said I won't be able to process further without paying him 1500. Sarcastically, after paying him the money he said now tell me any paper you need I can arrange. He asked if I need marriage certificate! He can do it in a minute if I want xD
নিজের পাসপোর্ট করতে গেলে বাবা-মায়ের অরিজিনাল এনআইডি (NID) কেন নিলাম না, তার জন্য ১৫০০ টাকা দিতে হলো গেটে। গেটে পুলিশ নামের দালাল ওরাই সবাইকে এভাবে অফার করে।
আগের পাসপোর্টে আমার মা এর নাম এবং জন্মস্থান ভুল থাকে। পরে আমি তা সংশোধনের আবেদন করি এবং সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করি। তবে এরপরেও জন্মস্থান কেন পরিবর্তন হবে তার জন্য আঁগারগাঁও নির্বাচন অফিস থেকে আমাকে সত্যায়িত কপি নিয়ে আসতে বলে NID এর। তবে বারবার বলার পরেও তারা এইটা বুঝার চেষ্টাই করে না যে নির্বাচন অফিস থেকে সত্যায়িত কপি এখন আর দেওয়া হয় না। পরে নিচে নামার পরে আমাকে বলে দালাল ৫০০০ টাকা দিলে করে দিবে। কোন কিছু লাগবে না। তারপরেও আমি দেই নি। কয়েকদিন কেরাণীগঞ্জ থেকে আঁগারগাঁও দৌড়াদৌড়ি এর পরে আমি এটি সমাধান করি ঠিকভাবেই।
সেবা নিতে যাবার পর শিক্ষা অফিসের পিয়ন ৫০০ টাকা দাবি করেছে। এমারজেন্সি হবার কারনে টাকা পরিশোধ করে পিএসসি সার্টিফিকেট নিয়েছি। ঘটনাটি ২০১৮ সালের দিকে।
অর্থোপেডিক জরুরি (ER) অপারেশনের জন্য একটি সিট পেতে রোগীকে দীর্ঘ ৩ মাস ধরে হন্যে হয়ে ঘুরতে হয়েছে। পরবর্তীতে হাসপাতালের একজন ওয়ার্ডবয় হিসেবে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তি সিট ম্যানেজ বা জোগাড় করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে এর বিনিময়ে তিনি রোগীর কাছ থেকে ৮,০০০ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন।বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় |
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রত্যেক উপজেলায় শিক্ষকদের সমন্বিত গ্রেডেশন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ প্রেক্ষিতে আমরা আমাদের সকল ডকুমেন্টস জমা দিলে ডেপুটেশনে কর্মরত শিক্ষক আমাদের কাছে ২০ জনের জন্য জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে দাবি করেন। জোর গলায় আরও বলেন, যারা দিবেন না তাদের নাম গুলো যেন তাকে লিখে দিই।
আমি একজন শিক্ষার্থী, এইবার এসএসসি পরিক্ষা দিয়েছি এবং আলহামদুলিল্লাহ পাস করেছি জিপিএ ৫.০০ পেয়ে। আমি আমার বিদ্যালয় থেকে প্রশংসা পত্র আনতে গেলে সেখানে ৩৫০ টাকা করে দাবি করতেছে এবং তা ছাড়া দিতেছে না। বরঞ্চ আমাদের ক্লাসমেট একজন যে কি ফ্রি তেই তা নিছে। অথচ তাদের থেকে আমার আর্থিক অবস্থা অসচ্ছল। সুধু এইটুকুই না, সারা বছর আমাদের সাথে এভাবে অনেক টাকা বেশি নিছে। আমরা চুপ ছিলাম, এখন প্রশংসা পত্রের জন্য কথা বললে আমাদের সাথে এমন ভাবে কথা বলতেছে যেনো আমরা কোনো ছাত্র না। বিদ্যালয়ের নাম : কাঠালবাড়ি দ্বীমুখি উচ্চ বিদ্যালয়, জুম্মাহাট, উলিপুর, কুরিগ্রাম।
লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ১০০০০ টাকা ঘুষ নিচ্ছে নতুন আবেদন করলে প্রতিটি ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক ১ লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ পর্যন্ত নিচ্ছে, আমি ১ লক্ষ টাকা দিয়ে লাইসেন্স নিয়েছি এখন নবায়ন ১০ হাজার চায়। ফায়ার সার্ভিস কুষ্টিয়া প্রতিটি ক্লিনিক থেকে ৫-৮ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে নবায়ন করছে না
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে নিয়োগের পর যোগদানপত্র পাওয়া নিয়ে দেরি হচ্ছিল। ভেরিফিকেশন হয়েছে মেডিক্যাল সব হয়েছে কিন্তু যোগদানপত্র পাচ্ছি না, যোগাযোগ করলে বলল 'স্পিডে পেতে স্পিড মানি লাগে'। আমার পারিবারিক আর্থিক টানাপোড়নে রাজি হয়েছি। ১০০০০ (দশ হাজার চেয়েছিল), ৫০০০ পাঁচ হাজারে মিটমাট করেছি। ১ মাস দেরি হলে ১ মাসের বেতন অপেক্ষা ৫০০০ টাকা কম মনে হয়েছে।
999 ফোন করে ভূমি জগত দখলকারীকে উচ্ছেদ করার জন্য সহযোগিতা চেয়েছিলাম। থানা থেকে টিম পাঠানো হয়েছিল, পর্বতের থানায় মীমাংসর জন্য ডাকা হয় এবং মীমাংস করে দেওয়া এবং মীমাংসার শেষে অর্থের দাবী করা হয়, বলা হয় ওসি সাহেবকে দেওয়া লাগবে এই পরিমাণ অর্থ।
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসেবে একটি এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনা করছি, সরকার নিবন্ধনের জন্য সমাজসেবা ও এনএসআইকে রেখেছে। টাকা না পেলে জড়াতে থাকে সঠিক পেপার , সঠিক কার্যক্রম পেলে ও । টাকা না দিলে সমাজসেবা অফিসের লোক বলে আপনাদের এসব ফালতু কাজ কে করতে বলে। টাকা না হলে সমাজসেবা কাগজ দেয় না অন্যদিকে এনএসআই ও নেগেটিভ দেয়। টাকা না দিতে পারায় অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এনএসআই নেগেটিভ রিপোর্ট দিছে, যারা প্রচন্ড ভালো কাজ করে। নিবন্ধনে সরকারি দপ্তর সমাজসেবার এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে টাকা না দিলে সাতক্ষীরাতে কাগজ ট্রান্সফার হতে বছর সময় লাগে। ভালো কাজ করে তাদের নিবন্ধন দেয় না অন্যদিকে কাজ না করে টাকা ও ক্ষমতার জন্য বেনামে ও নিবন্ধন দেয়।
আসসালামু আলাইকুম আমি একজন শাক সবজি এবং ফলমূল রপ্তানি কারক। দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তাজা শাকসবজি এবং ফলমূল রপ্তানি করে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশে আমি আরোহন করছি। বাংলাদেশ বিমানের মাধ্যমে আমরা কার্গো পাঠাতে গেলে স্পেস বাড়ার জন্য পার কেজিতে 10 টাকা থেকে শুরু করে আরো বেশি পর্যন্ত তারা বিভিন্ন ধরনের টাকা দাবী করে আপনি সাপোজ ১০০০ কেজি কার্গো বুকিং এর জন্য আবেদন করেছেন আপনার কাছ থেকে তারা পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করে। এ টাকা না দিলে আপনাকে স্পেস বরাদ্দ দিবে না। এই ব্যাপারটা মোটামুটি এয়ারপোর্ট এর কার্গ সেকশনে সবাই অবগত আছে। এবং এই টাকাটা বিমানের কার্গো-ডাইরেক্টর থেকে শুরু করে নিচ পর্যন্ত সবাই ভাগাভাগি করে নিয়ে থাকে। আমরা এর দ্রুত প্রতিকার চাই।
পৈত্রিক ভূমির ৩০ বছর আগের সরকারীভাবে প্রস্তুতকৃত নামসূচিতে দাগ নাম্বারে ভুল লিখিত ছিল। নামজারীর আবেদনে এই সমস্যার সম্মুখীন হলে দীর্ঘদিন এখানে সেখানে হ্যানস্থা হয়ে এক ব্যক্তির মাধ্যমে ১৫০০০ টাকায় সংশোধনের চুক্তি করতে বাধ্য হই।