সিভিল সার্জন অফিসে সরকারি চাকরির মেডিকেল সনদ
সিভিল সার্জন অফিসে সরকারি চাকরির মেডিকেল সনদ পেতে মিষ্টি খাওয়ার জন্য জনপ্রতি ৫০০ টাকা দাবি করা হয়েছে।
19,252 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সিভিল সার্জন অফিসে সরকারি চাকরির মেডিকেল সনদ পেতে মিষ্টি খাওয়ার জন্য জনপ্রতি ৫০০ টাকা দাবি করা হয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর রেফারেন্স নম্বর পাওয়ার পর ২ বছর পার হয়ে যায় এর পর যোগাযোগ করলে জানতে পারি আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর তথ্য নাকি ওয়েব সাইট থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে, তথ্য ফিরে পেতে ৫০০ টাকা দিয়েছি এবং দ্রুত স্মার্ট কার্ড হাতে পেতে ৫০০ টাকা পরিশোধ করি। এর পর স্মার্ট কার্ড হাতে পাই।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গেছিলাম তার জন্য থানা থেকে ভেরিফিকেশন করতে ফোন দিছিল। তাই আমি থানায় যাওয়ায় অফিস সহকারী দাবি করে যে কিছু খরচ পাতি দিতে হবে সেই বাবদ ১ হাজার টাকা রাখে
প্রতি বছর বন্ড লাইসেন্স নবায়নের সময় তার ৫/৬ লাখ টাকা দাবি করে না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে। এছাড়া বন্ড কমিশনার , সুপার , পিওন ,সব কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে মাসোহারা দিতে হয় ১০/১৫ হাজার টাকা।
আমার মামানি ও মামাতো ভাই যার বয়স তখন ৩ বছর ছিল। সালটা ২০২৩ সাল। আমার মামা বিদেশে থাকেন তো উনি উনার ফ্যামেলিকে উনার কাছে নেয়ার জন্য পাসপোর্ট এর আবেদন করেন। আবেদনে উনার স্ত্রীর প্রফেশন ও বাচ্চার প্রফেশন দেয়া হয় নি। তো পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা এটা গ্রহণ করেন নি, বললেন ঠিক করে নিয়ে আসেন, এটা ভুল, আমরা তখনও জানতাম না যে ভুলটা কোন জায়গায়? তারপর উনাদের বললাম যে ভুলটা কী,উনি বললেন সেটা আপনারাই জানেন,তারপর উনি একটা নাম্বার দিলেন ফন করার জন্য,তো আমরা উনার সাথে কন্ট্রাক্ট করলাম,উনি আসলেন,কি যেনো লিখলেন! ব্যাস কাজ হয়ে গেছে,একই কাগজ,একই আবেদন। তখন আমাদের পাসপোর্ট করটা জরুরি ছিলো তাই আমরা এক্সট্রা ৪ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে সেটা করিয়েছিলাম।
ঢাপ্রপ্রবি, গাজীপুরের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের শিল্পকারখানা পরিদর্শন বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভিজিটের জন্য জনপ্রতি ৩,৮০০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও সেই অর্থ ব্যবহার করে বিভাগভিত্তিক ট্যুর বা লং ট্যুরের আয়োজন করা হয়। এতে যারা অংশগ্রহণ করে না, তাদের বরাদ্দের অর্থও অন্যদের ভ্রমণে ব্যয় হয়। একইভাবে শিক্ষার্থী কল্যাণ ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বাজেটের অর্থ র্যাগ ডে, কনসার্টসহ অন্যান্য অনুষ্ঠানে ব্যয় করা হয়। এমনকি শিক্ষার্থীদের ফেরতযোগ্য জামানতের অর্থও যথাযথভাবে ফেরত দেওয়া হয় না। শিক্ষামূলক ও শিক্ষার্থী কল্যাণমূলক তহবিলের এ ধরনের ব্যবহার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক জবাবদিহিতা ও সুশাসনের গুরুতর সংকট তুলে ধরে।
২০২১-২০২২ অর্থ বছরের আয়কর প্রদানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের পরে জমা দেয়ায় ফাইলটি অডিটের নামে অতিরিক্ত ২.৫লক্ষ টাকা অতিরিক্তি কর হবে মর্মে ভীতি প্রদর্শন করে ১০০০০টাকা ঘুষের মাধ্যমে আপত্তি নিস্পত্তি করে।
সরকারি সকল নিয়ম মেনে আমার আইডি থেকে ক্রয়কৃত জমির মিউটেশনের আবেদন করি। কিন্তু এসিল্যান্ড তা প্রত্যাখ্যান করে মিউটশন না মঞ্জুর করে দেয়। ঐ একই জমি দালালের মাধ্যমে ১২০০০ টাকার বিনিময়ে আবেদন করতে হয়। এবং ৫ দিনের মধ্যেই এসিল্যান্ড তা মঞ্জুর করে দেন। কি এক ম্যাজিক!!! যেখানে লাগার কথা ১১৭০ টাক সেখানে লাগে ১২ হাজার টাকা প্রায় ১১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় আমার। মিউটেশনর এই প্রমান আমার কাছে আছে
টাংগাইলের বাসাইলে ভূমি অফিসে ২৫০০ টাকার কমে তারা নামজারি হয় না৷ এই টাকা থেকে জেলা অফিসেও টাকা যায়। আর এখানের যারা পদক্রম অনুযায়ী জনপতি ভাগ করে নেয় নায়েব থেকে অফিসের যত লোক আছে। শুধু তাই না সাংবাদিক বিল ও আছে৷ এখানের একটা অংশ স্থানীয় সাংবাদিকরা পায়। এই শর্তে যে তাহলে বাসাইলের কোন অফিস নিয়ে সাংবাদিক রা কোন দুর্নীতির সংবাদ পরিবেশন করবে না।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য কোনো সাহায্যই ইএনও অফিস করেনাই,বার বার শুধু গিয়ে ব্যর্থ হতে হয়েছে। অগত্যা সেখানের এক কর্মচারীকে ৪০০০টাকা দিলে কাজটি ২দিনেই করে দেন।অথচ লিগ্যাল উপায়ে আমি ৭মাস মাস ঘুরেছি অফিসে।
টাকা না দিলে ফাইল ফরওয়ার্ড করবেনা।
To Export any kind of goods in South Asia Country under Free Trade agreement (SAFTA). Authority of EPB issue a certificate name is SAFTA. There is a fix rate of speed money (Ghus) Per Document Tk. 500/= (Payment Slip=50, Seal =50, Sign =200, Register Entry = 200).
একটি আবেদনে করার জন্য একটি সই লাগতো, আমাকে সই না দিয়ে শুধু ঘুরানো হচ্ছিলো ও হয়রানি করা হচ্ছিল। পরবর্তীতে টাকা দাবী করলে ও দেয়া হলে কাজটি করে দেয়।
সরকারি অফিসে অডিট করতে এসেছিল হিসাবরক্ষণ অফিসের আওতাভুক্ত অডিট দপ্তর থেকে। সব ঠিক থাকলেও ৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছে। না দিলে অযথা অডিট অবজেকশন দিয়ে হয়রানি করবে তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
Demands Money for Each Cerification
i had to pay to get birth registration certificate
ব্যাংকের মরগেজ করতে ৫০,০০০/- টাকা নিয়েছে বর্তমান সাব রেজিস্ট্রার ।
My mother was a cancer patient, after chemotherapy need a bed seat to go for operation. but everyday we submit documents in hospital in morning and reject after afternoon. 22days we done the same thing. but no seat arranged as a normal process. then contact with a ward boy, he claimed 8k for this purpose. and after the deal we get a seat. and paid him 8k.
লাইসেন্স করতে ৫০০০ টাকার মত ঘুষ নিয়েছিলো নাহলে বলছিলে ১ বছর লাগবে।এজন্য বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছিলো।
মিউটেশন করতে গেলে নানা ধরনের সমস্যার কথা বলে,এই কাগজ ঠিক নেই,অই কাগজে সমস্যা, অমুক স্যার নেই,,,এধরণের হাজারো অপশন বের করে।