নামজারি
নামজারি করার জন্য ২ লাখ টাকা দাবি করেছিল এবং তা দিতে হয়েছে । আমার সমস্ত কাগজ পত্র ১০০% ঠিক ছিল।
19,252 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারি করার জন্য ২ লাখ টাকা দাবি করেছিল এবং তা দিতে হয়েছে । আমার সমস্ত কাগজ পত্র ১০০% ঠিক ছিল।
বেসরকারি ব্যাংকে চাকুরি দিয়ে এক জন যুগ্ম সচিব এই টাকা নিয়েছে।উনি এমন৫-১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জনকে চাকরি দিয়েছেন।বর্তমানে ২০ জনের মত টাকা উনার কাছে আছে।উনার ছোট ভাই এই লেনদেন করে।আগে অর্থ মন্ত্রনালয়ে ছিলেন বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে আছেন।
আমি নতুন লাইসেন্স করতে চাচ্ছিলাম, আমাকে বলা হয়েছে যদি তিন হাজার টাকা দেন তাহলে তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে না হলে আপনার লাইসেন্স হবে না।
আমার একজন আত্মীয়ের বিয়ের ডেট হটাৎ ফিক্সড হয়। তো ওর জন্ম নিবন্ধন ১৫ ডিজিট এর ছিল। মানে নতুন করে করতে হবে। তো মাতুয়াইল কাউন্সিল অফিস এ গেসি করতে। তো ওরা ৩০০০ টাকা চেয়েছে। আমাদের যেহেতু দুই দিনের মধ্যে বিয়ের জন্যে এটা করা লাগতো তোঃ বাধ্য হয়েই ৩০০০ টাকা দিয়ে করতে হইসে। আমার কথা হলো গরিব অসহয় এসব মানুষ দের থেকে এভাবে চাপ দিয়ে টাকা খাওয়ার মানে কি?
হইমোবেলা বালিকা উচ্চবিদ্যালয় হতে ২০২৬ সালের জুলাই মাসে সার্টিফিকেট উত্তোলনের জন্য দপ্তরী এবং প্রধান শিক্ষক ঘন্টার পর ঘন্টা বসিয়ে রাখে এবং ফুপুর পার করে টাকা দাবী করে, টাকা দেওয়ার পর সারটিফিকেট দেয়
কয়েক দিন আগে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল রেকর্ড নিয়ে রেকর্ড সংশোধন করতে সিলেট আলমপুর সেটেলমেন্ট অফিসে আমরা যাই কথা বলি কমকর্তার সাথে সরকারি এই কমকর্তা বলে আপনাদের প্রতিপক্ক ৪লাখ দিয়ে গেছে এই বিষয় আপনারা ৫ লাখ দেন কাজ হয়ে যাবে আমরাও সাথে সাথে ৫ লাখ দিয়ে আসি ২ দিন পর কল করে আমাদের প্রতিপক্ক নাকি আরও ২ লাখ দিয়ে গেছে এখন আমরা নাকি আরও ৩লাখ টাকা দিলে আমাদের পক্কে রায় আসবে । এই সরকারি অফিসে পতিটি বালু কনা ঘুষ বানিজ্যর সাথে জড়িত
NID correction officer er Kase jauyar por se bole correction kora jabe na, eta lagbe, oita lagbe, aro koto kiso. Onar lunce time porjonto wait Korte bole. Pore amake deke niye 3000 taka dabi Kore. Amar NID correction kora ta onek jorori silo tai 3000 taka dite baddho hoyesi. 6 mas ghore pore NID ta correction Kore diyesen.
নিয়ম মেনে আমি বিএড সম্পন্ন করি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে, কিন্তু প্রধান শিক্ষক আমার বিএড ফাইলের জন্য রেজুলেশন করে দিচ্ছেন না। মে ২০২৬ এ রেজাল্ট পাওয়া। রেজুলেশন করে দেওয়ার জন্য ২০০০০ টাকা দাবি করছেন। সামনের মাসে ফাইল পাঠাতে হবে, দাবি মুলতবি আছে।
আমি জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম আমার, আমার বাচ্চার । সব পেপার দেয়ার পরও ২০ দিন চলে যায় কোন মেসেজ না পেয়ে যাই আবার ঢাকা সিটি কর্পোরেশন মিরপুর ১০ এ , যেয়ে দেখি ঘুষের জন্য সবাই লাইন এ আছে, আমি আমার জন্ম নিবন্ধন এর বেপারে বললে বলে পরে আসেন । এর ১ মাস চলে যায়, বলে সার্ভার সমস্যা । পরে ফোন দিয়ে বিকাশে ১০০০ টাকা নিয়ে জন্ম নিবন্ধন ইস্যু করেছিল ১২ ঘণ্টায় ।
Ntrca কর্তৃক ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে নিয়োগ পাওয়ার পর। mpo বা বেতন করানোর জন্য ৩৩/৩৪ পেজ সম্বলিত তথ্য জমা দিতে হয়। কাগজ ঠিক থাকলে ও নানা অজুহাতে ফাইল রিজেকশন হয়। পরে যোগাযোগ করলে টাকা দাবি করা হয়। টাকা প্রদান না করলে ফাইল পরবর্তী ধাপে পাঠানো হয় না। ৩/৪ টি ধাপে কাজটি সম্পন্ন হয়। প্রতিটি ধাপে ২/৩/৪ টাকা লাগে ফাইল ছাড় করতে। বাধ্য হয়ে দেয়া লাগে।😐
আমি পাসপোর্ট আবেদনের ফাইল জমা দিতে গিয়ে পরপর কয়েকদিন ঘুরে আসি। নানান অজুহাতে আমাকে ঘুরিয়ে দেয়া হয়, একদিন রীতিমতো বাকবিতণ্ডা হয় আমার সাথে। পরে এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনের এক অনলাইনের দোকানে যোগাযোগ করি। তারাই টাকার অফার করে, আমারও জরুরি দরকার থাকাতে সেটা দিই। পরে সেদিনই আমার ফাইলও জমা হয়ে যায় আর বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টও।
অফিস সহকারীকে মাতৃত্বকালীন ছুটির আবেদনের জন্য ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
বগুরা থেকে ঢাকা যাবার পথে সামান্য ওভার স্পীড ধরা পরে। তারা বেশ অনেক্ষন আমার গাড়ির কাগজ পত্র চেক করে। কিছু না পেয়ে শেষ মেশ স্পীডিং এর মামলা দেবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়। আমি এক পর্যায়ে বলি মামলা দিয়ে দেন তখন তাল বাহানা করে। আসলে কোন ভাবেই মামলা হয় না। যা বুঝলাম তাদের মামলা দেয়ার মত ঘুষ এর ও একটা টার্গেট থাকে। আমি সেই টার্গেটের শিকার। এর পরে ১৫০০ টাকা দিয়ে প্রায় আধা ঘন্টা পরে বের হয়ে আসি।
আমি নতুন BPDP বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য বিদ্যুৎ অফিসে গিয়েছিলাম তখন নির্বাহী প্রকৌশলী অন্য রুমে পাঠিয়েছিল সেই রুমে আরেক রুমে পাঠিয়ে ছিল সে খানে গিয়ে দেখি এক অফিসার কে বললাম আমার ঘটনাটা সে আরেক জনকে দেখিয়ে দিয়েছিল সে অফিসের সহকারী তিনি আমাকে বললেন নতুন সংযোগের জন্যসব মিলে নতুন মিটারসহ মোট ১০ হাজার ৫০০ টাকা লাগবে, এর ভিতরে নতুন মিটার বাবদ ৫৫০০ আবেদন জন্য ৩৫০ টাকা আর বাকিগুলো অফিস খরচ বলছিল
নামজারি খতিয়ানঃ আমি একটা নামজারি করতে কুড়িগ্রাম, উলিপুর উপজেলার বুড়াবুড়ি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে বলে, নামজারি করতে ৫০০০ টাকা লাগবে। পরে আবশ্য দামদর করে ৪০০০ টাকায় করে দিতে রাজি হয়। অবশেষে আমি নামজারি খতিয়ান পাই।
পাসপোর্টটি অফিসারের কাছে সাবমিট করার পর তাহারা পাসপোর্টটি পিতার নামের বানান ভুল হওয়ায় প্রত্যাখ্যান করে কিন্তু আমার প্রথম পাসপোর্টটি সেই ভুল উল্লেখ্য ছিল, পরে আমি কোন কম্পিউটার দোকান থেকে সংশোধন করতে গেলে তারা বলে আমার পাসপোর্ট অফিসে লোক আছে আপনি আমাকে ২০০০ টাকা দিন আমি কাজটি করে দিব, পরে বাধ্য হয়ে ২ হাজার টাকা দিয়ে নবায়ন করি।
আমার ট্যাক্স ফাইলটি অডিটের জন্য তলব করা হয়েছিল। নির্ধারিত দিন নির্ধারিত সময়ে আমি উপস্থিত হলে কর পরিদর্শক বলেন যে, আমার ফাইলটি মামলা হয়ে গেছে। গৃহনির্মান ঋণ নিয়ে তৈরী করা বাড়িতে নাকি আমি অবৈধ অর্থ বিনিয়োগ করেছি। কারণ, যে পরিমান ঋণ নেয়া হয়েছে তার চেয়ে বেশি খরচে আমি বাড়ি করেছি। আমি বললাম যে বাড়তি খরচ যা হয়েছে তা আমার পারিবারিক উৎস থেকে নেয়া। কর পরিদর্শক বললেন যে পারিবারিক উৎসের কথা আমি আমার ফাইলে উল্লেখ করিনি। তাই বাড়তি ব্যয় হওয়া অর্থ অবৈধ। এখন বিপুল পরিমান জরিমানা আরোপ হবে। আমাকে প্রায় দশ লক্ষ টাকার জরিমানার কথা বলা হয়। এবং প্রস্তাব করা হয় যে, যদি পরিত্রাণ পেতে চান তবে আমাদের অফিসকে ম্যানেজ করতে হবে। অতঃপর প্রথমে দাবী করা হয় পঞ্চাশ হাজার এবং ধাপে ধাপে বাড়তে থাকে ঘুষের পরিমান। শেষ হয় ১২০০০০ তে।
একজন সার্ভেয়ার তার সহকারী ও ড্রাইভার নিয়ে মিস কেস এর বাদী ও বিবাদীর বাসায় যান। সরেজমিনে ভূমির পরিমান ও দখল দেখতে। তিনি দেখলেন। বাদী ও বিবাদী আপোষ মিমাংসা করে দখল ঠিক রেখেছেন। দুই পক্ষের সই গ্রহন করে চলে আসলেন। গাড়ী ভাড়া ২,০০০/ টাকা পরিশোধ করা হলো। অফিসে আসলে বিভিন্ন কথা বলে টাইম পাশ করে। শেষে বলেন উকিলের মাধ্যেমে সমাধান করতে হবে। উকিল সাহেব আসলে ১০,০০০/- টাকার কমে রিপোরট দিতে পারবেন না জানিয়ে দিলেন। অতবএব ১০,০০০/- পরিশোধ করতে হবে। অনুরোধ করেছিলাম। গরীব পরিবার, ছেলেটির বাবা নাই। দেখেন ৫ হাজার টাকায় রিপোর্ট টা করে দেয়া যায় কিনা? না হবে না। এভাবেই ঘুষ দিতে হলো।
অগ্রিম বর্ধিত বেতন দাখিলের সময় বেতন অনুমোদনের জন্য উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা তার অফিস সহকারীর মাধ্যমে দাবি করেছিল
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।