ড্রাইভার লাইসেন্স
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১০৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, টাকা না দিলে ফেল করায় দেওয়া হয়
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১০৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, টাকা না দিলে ফেল করায় দেওয়া হয়
ভোটার ট্রান্সফার, সম্পন্ন হওয়ার পর আইডি কার্ড পাওয়ার জন্য গিয়েছি। তারা সার্ভার থেকে আমার আইডি কার্ড প্রিন্ট করে ২৫০ টাকা রেখে দিল।
এলাকার গলি যেখানে প্রাইভেট কার ঠিক মতো চলতে পারে না, মেইন রাস্তার থেকে গলি দেখা যায়। সেখানে থেকে ট্রাফিক পুলিশ ডেকেছে পিলিয়নের হেলমেট ছিলো না,, এই কারনে। আর কোনো ত্রুটি না পেয়ে মামলা দিবে বলে বাইকের কাগজ নিয়ে মেইন রাস্তায় চলে গেছে। ২০ মিনিট হইছে মামলা দেয় না, কাগজও দেয় না, আমার সাথে কথাও বলে না। পরে এক সিএনজি চালক ভাইয়ের পরামর্শে ১০০ টাকা দিতে গিয়েছি, তখন কনসটেবল বল্লো ২০০ টাকা না দিলে নিবে না। তখন কনস্টেবল কে ২০০ টাকা দিছি, উনি যেয়ে কাগজ নিয়া আসছে।
নার্সিং কলেজে নার্সিং রিসার্চ সাবজেক্ট এর জন্য রিসার্চ পেপার তৈরি করতে হয়। সেই রিসার্চ ঠিকমতো না করিয়ে সংশ্লিষ্ট টিচার জনপ্রতি পনেরশো টাকা করে নিয়ে তারপর আমাদেরকে রিসার্চ বুক বানিয়ে দিয়েছে। আমরা গ্রুপে ছিলাম ১২ জন। এরকম আরও কয়েকটি বেসরকারি কলেজ থেকে করেছে।
The person responsible for summon notice delivery to defendants demanded 500+ Taka from if they want to file report to the court where I am the plaintiff.
নামজারির জন্য সরকারি ফি মাত্র ১,২০০ টাকা হলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বেআইনিভাবে ৩০,০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে .নামজারির কাজে একজন মহিলা সার্ভেয়ার দায়িত্বে ছিলেন। তার আচরণ ও কাজের ধরণ আমার কাছে অস্বস্তিকর মনে হয়েছে।
বিভিন্ন কোম্পানি তাদের কর্মীদের ইচ্ছে মতো কাজ করাচ্ছে। নির্দিষ্ট কোনো কর্মঘন্টা ও ছুটি না থাকায় তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। সরকারি ছুটি তো পাওয়া যায় ই না বরং মাঝে মাঝে শুক্রবারের দিনও ডিউটি করতে হয়। এমনকি তাদের ওভার টাইম হিসেবে মজুরিও প্রদান করা হচ্ছে না। যা শ্রম আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আর এই শ্রম আইন ভঙ্গ করে কোম্পানীগুলো শ্রম অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অংকের অর্থ ও বিভিন্ন উপহার ঘুষ হিসেবে প্রদান করে আসছে।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরিহ্মা দিয়ে রেজাল্ট পাশ করছি।কিন্তু ড্রাইভিং লাইসেন্স পাইনি। শুধু স্লিপ দিয়ে এই স্লিপ নিয়ে আমি বাইক ড্রাইভ করার জন্য পুলিশ ১৫০০ টাকা ঘুস নিছে।না হয় ৫০০০ টাকার মামলা দিবে বলে চাপ দেয়
নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট ফাইল জমা দিলেই অতিরিক্ত এগারো শত টাকা দিতে হয়। দালালদের মাধ্যমে করলে টাকার পরিমাণ আরও ২/৩ হাজার টাকা বেশি দিতে। এমনকি দালাল দিয়ে পাসপোর্ট করলেও দালালদের পাসপোর্ট অফিসে ফাইল প্রতি জমা দিতে হয় ১১ শত টাকা । এই অফিসে প্রতিদিন ৩-৪ শত ফাইল জমা হয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩০ টি ফাইল সরাসরি হয় নানান ভোগান্তির পর। বাকী সব ফাইল চ্যানেল এর মাধ্যমে হয়।সেই হিসেবে প্রতিদিন সাড়ে ফাইল থেকে ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ঘুস আদায় হয়। প্রতি সপ্তাহের বুধবার ও বৃহস্পতিবার ঘুসের টাকা লেনদেন হয়। এখানে দালাল ছাড়া কোনো পাসপোর্ট হয়না। পাসপোর্টের ঊপপরিচালক থেকে আনসার সদস্য সবাই ভাগ পায়।
আমি একটি এলইডি লাইসেন্স তৈরি করতে গিয়েছিলাম, তখন এল জিডি লাইসেন্স এ টাকা লাগে ৫৭৫০ কিন্তু উনি আমার কাছ থেকে ৯০০০ টাকা দাবি করেন। উনি হল নরসিংদী এলজিইডি কার্যালয়ের ইউ ডি।
আমি ৩০,৮,২০২৬ রাত আনুমানিক দুইটার সময় সিলেট থেকে ঢাকার পথে আসছিলাম, সাথে চার প্যাকেট ইন্ডিয়ান চকলেট ছিল, পুলিশ চেক করে বলে এগুলো নেওয়া যাবে না নিতে হলে দুই হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে এগুলো রেখে যেতে হবে, এরমধ্যে এক কনস্টেবল এক প্যাকেট চকলেট নিয়ে খাওয়া শুরু করে, তারপর বাধ্য হয়ে এক হাজার টাকা দিয়ে আসতে হয়েছে, কারণ রাত দুইটা বাজে কোন তর্ক করার ইচ্ছে ছিল না
আমি জমি কেনার পরে নামজারি করতে গিয়েছি এবং ৬০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে না করলে নামজারি করে নাই। তাই বাধ্য হয়ে পরিশোধ করা হয় লাগছে।
আমি এবং আমার পাসপোর্ট আনতে যাই গিয়ে দেখি পাসপোর্ট হয়নি কি জন্য হয়নি পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়নি পরে ডিআইজি অফিসে গেলে ঐখানে একজন বললো কিছু টাকা দিয়ে দিতে হয়ে যাবে তাহলে পরে বললাম কতো বললো ৩ হাজার পরে আমার কাছে টাকা নেই পরে বিষয় টা আমার পরিচিত একজনকে জানায় উনি বললো আমরা বাড়িতে চলে যাইতাম বিষয়টা উনি দেখতেছে
আমার ছোট ভাইয়ের প্রতিবন্ধীর ভাতার কার্ডের জন্য তারা আমার কাছ থেকে পনেরশো টাকা ঘুষ নিয়েছে | এইটা হচ্ছে ঢাকার অবস্থিত সমাজসেবা অফিস ৭ নাম্বার সারকেল | এইখানে মূলত সব ধরনের কাজ একমাত্র বুয়াকে দিয়ে করা হয় | সেই বুয়ারকে ঘুষ দেওয়া লাগে | আর না হলে সেই কাজটি হয় না | এটা হচ্ছে তেজগা শিল্প এলাকায় অবস্থিত সমাজসেবা অধিদপ্তর অঞ্চল ৭ | দয়া করে খতিয়ে দেখবেন এইখানে বুয়া দ্বারা ঘুষ নিয়ে থাকে
বিএড স্কেলের জন্য প্রথমে বাঘারপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে ১৫০০ টাকা ঘুষ দেয়, এরপর জেলা শিক্ষা অফিসার কে ২০০০ টাকা ঘুষ দেয়, সর্বশেষ দুই হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে খুলনা থেকে ফাইল ছাড় করায়।
আমাদের জমি মাপতে হবে তাই। জমি মাপা আমিন বলেছে শুধু পুরাতন ম্যাপ হবে না নতুন ম্যাপ ও লাগবে।তাই বাবা সহ আমি গেলাম উপজেলা পরিষদ মিঠাপুকুর এ।নতুন ম্যাপ তোলার জন্য। সেখানে গিয়ে কথা বললাম বলছে ম্যাপ নাই।সময় লাগবে ১মাস।তারপর একজন ডেকে চুপি সারে বলছে একট্রা টাকা দিলে হবে।
দুটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ইস্যু বাবদ ঘুষ চাওয়া হয়। তদন্তকারী পুলিশ ২হাজার টাকা দাবি করে। তার ভাষ্যমতে প্রিন্টিং ও কাগজ এর খরচ বাবদ এই টাকা দিতে হবে। আমি বলেছিলাম ৩হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। সে বলে অই টাকা সরকার পেয়েছে। তার খরচ আমাকেই পে করতে হবে।
আমার বাইকে নাম্বার লাসেন্স করা জন্য বৈধ্য উপায় এ সকল কাগজপত্র জমা দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় সরকারি ফিস ও জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু যে দিন নাম্বার প্লেট বের হয় সেদিন একটা কর্মচারি ঘুষ ছাড়া নাম্বার প্লেট লাগিয়ে দেই নাই,, আমাকে বলেছিল ২০০ টাকা লাগবে তাহলে লাগায় দিবে অন্যাথায় নিজে যেখানে খুশি সেখানে থেকে লাগায় নিতে। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি আমি। এইটা সত্য কথা, যাচাই এর জন্য আমি আমার নাম ঠিকানা ফোন নাম্বার সব দিতে পারি
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম সেখানে সরকারি মূল্য নির্ধারিত হয়েছিল ৫৭৫০ টাকা কিন্তু অতিরিক্ত ঘোষ হিসাবে আমার লেগেছে ৭৫০০ টাকা প্রাইজ দেড় হাজার বেশি”
আমার জমির খাজনা ছিল ৭৬৯০০ ওরা আমর কাছ থেকে ৫০০০০ হাজার টাকা নিয়েছে আর বলছেন আর লাগবে না এখান থেকে আমি অফিসে সামনে রেখেই আমাকে ১৬০০০ টাকা দিয়েছ সরকারের আবেদন এ আমার পুরা টাকা সাথে সাথ পেইড দেখাইছে কিন্তু অন্য ৩৪৯০০ ওরা নিজেদের কাছে রেখে দিয়েছে