বেতন করার জন্য
টাকা না প্রদান করিলে বেতন করতে অনীহা দেখায় এবং অনেক লেট করে আমরা হাত বন্ধ অবস্থায় টাকা দিতে বাধ্য।
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টাকা না প্রদান করিলে বেতন করতে অনীহা দেখায় এবং অনেক লেট করে আমরা হাত বন্ধ অবস্থায় টাকা দিতে বাধ্য।
শিক্ষার্থীরা SSC পরীক্ষা দিয়েছে। তাদের কলেজে ভর্তির জন্য প্রশংসা পত্র, মার্কশিট লাগবে। এগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বিনামূল্যে প্রদানের জন্য হলেও। একটা প্রশংসাপত্রের জন্যই ৭০০ টাকা দাবি করা হয়েছে। সেটা নাকি আবার দিতেই হবে না হলে কাগজ গুলো পাওয়া যাবে না। শিক্ষার্থীদের উপর জুলুম। এ বিষয়ে যথাযথ বগুড়া শিক্ষা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমি পাসপোর্ট এর জন্য অনলাইনে এপ্লিকেশন করে, ছবি তোলার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু আমার ডকুমেন্ট দেখে তারা বললো আপনার প্রফেশনাল সার্টিফিকেট দেখান। আমি দেখালাম তারা বল্লো এপ্লিকেশন ঠিক হয় নাই,উপরের একটা রূম এ যেতে বল্লো এবং আমি গেলাম। উনি ডকুমেন্ট দেখে বল্লো কি সমস্যা আমি বললাম জানিনা নিচ থেকে বল্লো ঠিক নেই। তিনি বললেন এটা ঠিক করা এখন সম্ভব না ৭ দিন পরে আসেন।আমি বের হয়ে একজন ৩য় ব্যাক্তির কাছে গেলাম তিনি আমাকে বললেন ২০০০ টাকা এক্সটা দিন আজই করে দিচ্ছি,টাকা ছাড়া করবে না। আমি টাকা দিলাম এবং তিনি আমাকে সাথে নিয়ে অফিসে গেলেন এবং পাসপোর্ট এর কাজ হয়ে গেল।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে আমাকে বার বার পরীক্ষায় ফেল করা হয় । পরে পরিচিত এক মাধ্যমে খোঁজ পেয়ে একজন অফিসারের সাথে যোগাযোগ করি । উনি আমার নিকট ৯০০০ টাকা দাবি করেন । দর কষাকষি করে ৭০০০ টাকায় চুক্তি হয় এবং আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পন্ন হয় ।
নামজারি নিবন্ধন ১২০০০ টাকার নিচে হলে প্রত্যাখ্যান করে দেয় অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তারা পরিচিত হলেও কমপক্ষে ৮ হাজার টাকা অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তারা পরিচিত হলেও কমপক্ষে আট হাজার টাকা
আমি নতুন ভোটার হওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিস মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ কার্যালয়ে গিয়েছিলাম, অফিসের স্টাফ বললো এখন ভোটার করা যাবে না। আমি অফিসারের কাছে গেলাম, অফিসার আবার আমাকে পিউন এর কাছে পাঠালো, তখন পিউন আমার কাছে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা চাইলো। বললো স্যার বলছে আপনি টাকা দিলে ভোটার হতে পারবেন। এর মধ্যে অন্য একজন লোক আসলো ভোটার স্থানান্তর করার জন্য, তখন পিউন তার কাছে ৩৫০ (তিনশত পঞ্চাশ) টাকা দাবি করলো। লোকটি টাকা নাই বলে অনুরোধ করতে চাইলো কিন্তু পিউন এবং অফিস স্টাফ ধমক দিয়ে লোক থেকে সরিয়ে দিলো। আমাকেও অসহায়ের মতো চলে আসতে হলো।
পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ ভাবে কোন আবেদন জমা নেয় না। জমা নিতে গেলে নানান ভুল দেখিয়ে কাগজ ফের দেয়। এছাড়া এমন এমন কাগজ বা ডকুমেন্ট চায় যার কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। অতঃপর পাসপোর্ট অফিস থেকে কোন এক কর্মকর্তা বা কর্মচারী কোন এক দালালের নাম ঠিকানা দিয়ে দেয়, যোগাযোগ করার জন্য। তার কাছে পাসপোর্টের নির্ধারিত ফি এর চেয়ে বেশি টাকা দিয়ে কাগজ জমা দিতে হয়। পাসপোর্টের দালাল টাকা বুঝে পেলে কাগজে কোন একটি চিহ্ন দিয়ে দেয়, এবং ফোন দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমাকারির নাম বলে দেয়। অতঃপর কাগজ জমা দিতে কাউন্টারে গেলে আর কোন ঝামেলা করে না। আবেদন পত্র জমা নিয়ে নেয়।
বিঙ জেলা নিবাহী মেজিস্টেট কতৃক ভোগ দখল রিপোর্ট সঠিক আছে তাই সঠিক টা দিতে বলার কারনে ২০,০০০/- টাকা দাবি করে
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করার সময় দালাল এর মাধ্যমে ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে
প্রত্যেক ক্রয় বিক্রয় এর জন্য ভূমি অফিসের ভূমি কর্মকর্তা সহ অই অফিসের প্রত্যেক শ্রেণির কর্মকর্তা কর্মচারি জমির দামের উপর শতকরা হারে ঘুষ নিয়ে থাকেন। এই টাকা না দিলে তারা দলিলে সই করবেন না। সুতরাং, দলিল লেখকের মাধ্যমে তারা এই ঘুষ দলিল লিখনি ফি এর মাধ্যমে আদায় করে থাকেন।
Tax Circle 227, asked for a bribe of about 2.5 million, but we gave 1.0 million Taka. It was demanded for the assessment of the previous tax file.
আমি বেতন টাকা থেকে সঞ্চয় করে ছোট একটি ফ্ল্যাট তৈরী করেছি একটু ঢাকার বাহিরে। সেটার ভাড়ার উপর নাকি ট্যাক্স দিচ্ছি না, সেজন্য অডিট হলো। অথচ, আমি সেটাতে বসবাস করি। এখন সেটাতে কি নিজে থাকি, নাকি ভাড়া দিয়েছে, সাইজ কত ইত্যাদি পরীক্ষা করবে। আমি ট্যাক্স অফিসে গেলে ওরা ইন্সপেকশন দেয়। ইন্সপেক্টর বলল, তাকে তার বাসা থেকে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে যেতে হবে, তাদের নাকি এটাই নিয়ম, তাকে আমি উবার ভাড়া করে নিয়ে গেলাম। যাওয়ার সময় ইশারা ইঙ্গিতে বুঝালো, সবাই হাজার হাজার টাকা দেয়। না দিলে রিপোর্ট নেগেটিভ হয় ইত্যাদি। সব মাপজোক করার পর বসে আছে আর বিভিন্ন কথা শোনাচ্ছে। আমি ভয়ে ৫০০০ টাকা দিলাম। বলল, মানুষ লাখ লাখ টাকা দেয়। আপনি কী দিলেন। মিনিমান ২০ হাজার দেন। আমি শেষে ১৫ হাজার দিয়ে তাকে তার বাসায় পৌঁছে দিলাম।
জমি খারিজ এর জন্য আবেদর করার পরে যখন শুনানি হয় সব কিছু ঠিক থাকার পরে ৪৫০০০ টাকা চাওয়া হয়। নাইতো খারিজ পার করে দেওয়া হবে না এখন আমার করনিও কি?
দাবি করা টাকা না দিলে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওকে করবে,তাই ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
ওয়ারিশান সনদ বা কোন প্রকার প্রত্যয়ন আনতে গেলে টাকাছাড়া সনদ দেওয়া হয়না, জন্ম সনদ উত্তলোন করতে গেলে বিভিন্ন্য অজুহাত দেখিয়ে বিভিন্ন পরিমান টাকা আদায় করা হয় এবং বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হয়। ট্রেড লাইছেন্স এর অতিরিক্ত ফি আদায় করা হয়। এবং ইউনিয়ন পরিষদের অর্থ তার একাউন্ট এ জমা না দিয়ে তা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারী ভাগ করে নেন।
খুব সম্ভবত ২০১৫ সালে, একটা প্রজেক্টের জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (BMRC) থেকে মাত্র পাঁচ লাখ টাকা অনুমোদন পায় আমার প্রফেসর। আমি ছিলাম তার ছাত্র গবেষণা সহকারী। ওই পাঁচ লাখ টাকার চেক হস্তান্তরের আগে ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে যা আমি নিজের হাতে দিয়েছি। আমার প্রফেসর বলেছিলেন, "না দিয়ে উপায় নেই – নাহয় এই পাঁচ লাখ টাকাও পাবো না। রিসার্চ কী নিজের পকেটের পয়সা দিয়ে করতে পারবো?"
সরকারী নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতালের জন্য নারকোটিক লাইসেন্স নিতে হয়। আমি ২০১৮ সালে নারকোটিক লেইসেন্সের জন্য কাজ করি। এটি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের একটি সেবা। সে সময়ে নারকোটিক লেইসেন্সের সরকারী ফি ছিল ১২০০ টাকা। কিন্তু উক্ত লাইসেন্স পাওয়ার সরকারী সকল রিকয়ারমেন্ট পূর্ণ করার পরও লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছিল না। উল্লেখ্য নারকোটিক লাইসেন্স এর আবেদনের ফাইলটি আনমানিক ৮/১০ টি টেবিলে যায়। প্রত্যেকটি টেবিলেই বিভিন্ন পরিমান ঘুস দিয়ে ফাইলটি ছাড়াতে হয়। আমি লেইসেন্সের জন্য এক বছরের অধিক সময় দৌড়াদৌড়ি করেছি এবং বিভিন্ন টেবিলে প্রায় দুই লক্ষ টাকা খরচ করে অবশেষে লাইসেন্স পেয়েছিলাম। এর মধ্যে সরকার পেয়েছে ১২০০ টাকা। আমার মতে ‘মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর‘ দেশের অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্ত একটি দপ্তর।
কলকারখানা অধিপ্তর বগুড়া অফিস হতে লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য ৬০০০ টাকা চাওয়া হয়, যদিও সকল কাগজপত্র সঠিক ছিল। ৬০০০ টাকা চাওয়া হলে ৫০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর লাইসেন্স নবায়ন করে দিয়েছেন।
বয়স সংশোধন এর জন্য ৭০ হাজার টাকা চেয়েছে
নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ জমি খারিজ করতে গিয়ে ১৮০০০ টাকা দিয়েছি।