warish sanad
jessore paurosava theke pion ra tk khasse, jal wasrih sonod prodan korsa tk khate.
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
jessore paurosava theke pion ra tk khasse, jal wasrih sonod prodan korsa tk khate.
প্রতি টা ফাইলে ৫শত থেকে ১০০০ টাকা নেওয়া হয়।এবং ডাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষায় পাশ করা জন্য ১টা রোল ৩ হাজার করে নেওয়া হয়
অর্পিত সম্পত্তির "ক" তফসিল মামলার রায়ে (ডিগ্রী/রায়ের সার্টিফাইড কপি) অসংখ্য বানানে ভূল (কর্ণিক ভূল ) তাই সংশোধন করতে ৩০ হাজার টাকা দাবি করসে আমি দেই নাই। কিছু কম বেশী করতে বলে সংশোধন করতে বলেছিলাম রাজি হয় নাই। এইসব কি ইচ্ছাকৃত ভূল কারণ মামলার দলিল ও অনান্য কাগজপত্র, ঠিকানা সহ মামলার আমমোক্তারনামাতে কোন প্রকার ভূল নাই। কিছু বলার ভাষা নাই।
25 সালের নিয়োগে আমার সাথের একজন টাকা দিছে ওকে নিছে আমি না দেওয়ায হাত ঘামে বলে বাতিল করে দিছে যোগাযোগ গ্রামে বা বাজারের কিছু লোকের মাধ্যমে করে না হয়
যে কোন সেবা পেতে গেলে কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারে গুষ চারা কিছু হ্য় নস
সকল কাগজপত্র নিয়ে প্রথম গেছি, তখন বলে আপনার পুরাতন ডাটা সার্ভারে নেই।এক সপ্তাহ পর আসেন,এক সপ্তাহ পর আসলাম কাজ হয়নি। পরে গেলাম যেখান থেকে আবেদন করেছি ওখানে, তখন দোকানদার বলল যাবেন আসবেন কিছুই হবে না ১৫০০ টাকা দেন সব হবে। ঠিকই ১৫০০ টাকা দিয়ে অফিসে গেলাম কাগজপত্র দিলাম,অফিসার কাগজপত্র না দেখেই ওকে লিখে দিলো।
2022 আমার জন্মনিবন্ধন করতে 2k নিচ্ছে। যেখানে এখন মাত্র 150t করে লাগে অনলাইন করতে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করে দেওয়ার শর্তে এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেওয়ার শর্ত ছিল। যার ফলে টাকা দাবি করেছিল ১০০০০ টাকা
নামধারী কিছু সাংবাদিক বিভিন্ন ভূমি অফিসে ঘুরাঘুরি করে। ভূমি অফিসে আমাকে আমার নামজারী পাইয়ে দেবে বলে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে আমি অনলাইনে আবেদন করে ১১/১২ শত টাকা খরচে এবং ২০/২২ দিনে নামজারি হাতে পাই। কিছু স্বার্থ লোভী সাংবাদিক বা হলুদ সংবাদিক এ কাজের সাথে ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িত আছে।
"নামজারি করতে ২৫ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাবে। এটা নাকি তাদের খরচ এবং খুশী হয়ে দেওয়া লাগে। আমি প্রত্যাখ্যান করেছি এবং নামজারি করাই নাই।"
পাসপোর্ট অফিসে সঠিক কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও বিভিন্ন ভুলত্রুটি দেখিয়ে আমাকে বারবার হয়রানি করা হয় এবং পুনরায় আবেদন করতে বলা হয়। পরে অফিসের বাইরে একজন দালাল ২,০০০ টাকার বিনিময়ে একই দিনের মধ্যে আমার কাগজপত্র ঠিক করে ছবি তোলার ব্যবস্থা করে দেয়। এতে আমার সন্দেহ হয়, আবেদনকারীদের ইচ্ছাকৃতভাবে হয়রানি করে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার একটি পরিকল্পিত ব্যবস্থা সেখানে থাকতে পারে।
আমি একটি জমি ক্রয় করেছি, জমিটি মালিকানা সমস্যার কারনে মামলা হইয়েছিল, সেই মামলার রায় হয় আমার পূর্ববর্তী মালিকের পক্ষে, জমিতে মামলা নিষ্পত্তি থাকার কারনে নাকি এইটা মিউটেশন করতে ঝামেলা হবে, তাই এইটা করতে হলে আমাকে দিতে হবে 1,10,000-1,20,000 টাকা, এই ছারাও তাদের নরমাল মিউটেশন খরচ নিতেছে ২৫,০০০-৪০,০০০ টাকা করে,
এত ভালো চাকরি পেয়েছেন।মিষ্টি খাওয়ার টাকা দেন। জানেন তো সবাই দেয় কম- বেশি। এখনো বেকার যেহেতু ১০০০ দেন।উপরের অফিসারকেও দিতে হয়। আর রাজনৈতিক ঝামেলা এগুলো তো সবারই আছে। তাহলে কিন্তু চাকরি হবে না।
আমি পাসপোর্ট তৈরি করার সময় ৩০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি তাতে আমার কোন ডকুমেন্টের প্রয়োজন হয়নি অন্যথায় তারা অনেক হয়রানি করে
চাঁদা দাবির উড়ো চিঠি পাওয়ার পর আমার আত্মীয় থানায় গিয়েছিল জিডি করতে। পরে পুলিশ দোকান টা পরিদর্শন করতে আসে। তারা কিছুই করতে পারবে না এই ব্যাপারে, কিন্ত যাচ্ছিল না, শেষে বলল চা খাওয়ার টাকা দিতে। তা দিলে ওরা গেল।
জমির খারিজ করার জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিলো। না দিলে খারিজ করবে না। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে
I bought a tiny flat at Uttar Badda. I went to Uttar badda city corporation for paying tax. They ask me 20000 taka. if i pay 20000 taka then my tax will be 2200 taka per year. if i dont pay then they will make my tax 4000 to 5000 taka per year. I ask them that will you give me receipt for 20000 taka which will u take. they said they will not give me any receipt. i said i will not pay tax. i will not give you Ghush. When you and your office will change, i will pay. I have complete video of that conversation. if you want i can send you. I know that they will ask ghush from me so i made complete video.
আইবাসে বেতন চালু করানোর ফাইল জমা নেয় পাশাপাশি টাকা রাখে এবং রেজিস্টার বইয়ে লিখে রাখে। আমি শুরুতে বুঝিনি। তারা একেক সময় একেক রকম কথা বলে। একবার বলে এই টেবিলে যান, ঐ টেবিলে যান, আজ আর হবে না। আগামীকাল আসুন। এভাবে কয়েক দিন ঘুরে ১০০০ টাকা জমা দিই। এই টাকায় সন্তুষ্ট না তাই আবার ঘুরায়। পরে আমি পাশের রুমে বড় অফিসার কে বলি ১০০০ টাকা জমা দিয়েছি কিন্তু কাজ করে দেয়না। পরে একজনকে ডেকে এনে করে দেয়।
আমি আমার বাবার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে একটি জমি পাই নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে। সেই জমির নামজারি করার প্রয়োজনে ভূমি অফিসের দ্বারস্ত হতে হয়। আমার ভাইবোনেরা তাদের অংশটুকু আমার নামে হেবা করে দেন, তার দলিলও করা দরকার ছিল। ভূমি অফিসে অনেকদিন ধরনা দেয়ার পরেও কোনভাবেই কাজ উদ্ধার করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত দালালের সাহায্য নিতে হয়, যে সরকারি ফি এর বাইরে মোট ৬৫০০০ টাকার বিনিময়ে হেবা দলিল ও নামজারি সম্পন্ন করে দেয়।
হোলডিং ট্যাক্স ফাইল তৈরি বাবদ ১৫০০ টাকা চেয়েছিল। আমি বাধ্যহয়ে ১২৫০০ টাকা দিয়েছি।