নামজারি
পৈত্তিক সম্পত্তি নামজারি করতে গিয়েছিলাম, ২০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছিল। আমি রাজি হয়নাই বলে পর পর ২ বার নানান রকম অজুহাতে নামজারি অ্যাপ্লিকেশন বাতিল করে দিয়েছে ।
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পৈত্তিক সম্পত্তি নামজারি করতে গিয়েছিলাম, ২০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছিল। আমি রাজি হয়নাই বলে পর পর ২ বার নানান রকম অজুহাতে নামজারি অ্যাপ্লিকেশন বাতিল করে দিয়েছে ।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য প্রতিফিস জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে এক হাজার টাকা করে নিয়েছিল তিন পিজ ৩০০০ টা নিয়েচে
They called me for police verification at Vatara police station, and I went there. Then, after verifying my identity, the verification officer asked me for money. This was totally wrong and unethical work. I do not support this.
নামজারি হিসাবে সর্বমোট ৮৫০০ টাকা নিয়েছে তারা বলছে তাদের নাকি অফিস খরচ আছে।
আসসালামু আলাইকুম আমি আমার পরিচয় গোপন রাখতে হবে, না হয় আমাকে মেরে ফেলা হবে, আমাদের সিলেট ৩ আসনে এমপি মহোদয় সাথে ৪ জন লোক থাকে হয়তো এমপি ও জানেনা, অরা প্রতিটি কাজে ঘুষ নিচ্ছে মোটা অংকের এদের নাম এক নাম্বারে —, —, —, —, সরকারি যেকোনো কাজ পাস করাতে হলে তাদের কে টাকা দেওয়া লাগবে গভীর নলকূপ প্রায় ২২০ এসেছে প্রতিটি নলকূপের জন্য ৫০০০০ করে নিচ্ছে এরা আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন ওই নলকূপ গুলো কোথায় দেওয়া হচ্ছে কার কার বাড়িতে দেওয়া হচ্ছে সব টাকাওয়ালা মানুষের বাড়িতে দেওয়া হচ্ছে ১০০% শুধু তাই নয় টিয়ার কাবিটা পজেটে প্রতিটি রাস্তায় এরা ঘুষ নিয়ে কাজ করে, দয়া করে দ্রুত পদক্ষেপ নেন এদের কারণে বিএনপি'র ত্যাগি কর্মরা দূরে সরে গেছে।
মনগড়া টাকা চায় জায়গা জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে, একটা প্রকাশ নামের জন্য ১০/২০হাজার টাকা চায়, দানপত্র,হেবা কোনটাতেই ছাড় দেয়না, গরীব দুঃখী দেখার টাইম ওদের নেই, কক্সবাজার জেলার রামু সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মত দুর্নীতি আর কোথাও নেই, সেখানের সাব-রেজিস্টার একটা আস্ত বিবেকহীন জানোয়ার আর তার সহচরেরা তো আরও বেশি অমানুষ। প্লিজ, যদি সম্ভব হয় তাহলে এই রামু সাব রেজিস্ট্রি অফিসের এমন দুর্নীতি রোধে কিছু একটার ব্যাবস্হা নিন.....
আমি গত বছর পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে, আমার সকল কাগজ ঠিক থাকার পরও পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা আমার ফর্ম বারবার প্রত্যাখ্যান করে,এবং নানা তালবাহানা করে।আমি বেশ কয়েকদিন হয়রানির শিকার হই।চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা আগে সরাসরি ঘুষ দাবি করলেও বর্তমানে তারা এখন বিকল্প রাস্তা বহন করে পাসপোর্ট আবেদনকারীদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে থাকে।তা হচ্ছে, চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসের সামনে বেশ কয়েকটি কম্পিউটারের দোকান আছে। ওই দোকানের লোকরাই হচ্ছে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের এজেন্ট। তাদের মাধ্যমে যেসকল পাসপোর্ট আবেদনকারীর আবেদন ফর্ম জমা হয় তাদের ফর্ম সাথে সাথে এপ্রুব হয়ে যায় কোনরকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই।অথচ যারা ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ফর্ম জমা দিতে যায় তাদের ফর্ম রিজেক্ট করে দেয়।
খুলনা সিটি মেডিকেলে নার্স, ক্লিনার এবং দারোয়ানদেরও আলাদাভাবে টাকা দিতে হয়। নার্স: ১,০০০ টাকার নিচে দিলে অনেক সময় খুশি হয় না। ক্লিনার: সকাল ও বিকেলের শিফটের ক্লিনার আলাদা। তাই এক শিফটে টাকা দেওয়ার পর আরেক শিফটে আবার টাকা দিতে হয়। একজনকে দিলে আরেকজনকে না দিলে তারা বলে, “আমি তো পাইনি।” দারোয়ানের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা। টাকা দিলে রোগীর সঙ্গে লোকজনের যাওয়া আসায় তেমন বাধা দেয় না। কিন্তু টাকা না দিলে বিভিন্ন নিয়ম দেখিয়ে আটকে দেয়। যেমন, একজনের বেশি ঢুকতে দেওয়া যাবে না। অথচ অন্যদের ২/৩ জন করে ঢুকতে দিলেও কোনো সমস্যা হয় না। এমনকি একজন মুরব্বি সরাসরি বলেই বসেছেন, “আপনারা না দেখলে আমরা কই যাব?” অর্থাৎ, টাকা না দিলে নিয়মকানুন দেখিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয় ।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স করতে এবং রিনিউ করতে ১,০০০ টাকা করে অতিরিক্ত দিতে হয়। এটাকে ঘুষ না বলে উনারা “চা-পানি খরচ” বলে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আয়া, ক্লিনার, নার্স এবং যারা হুইলচেয়ারে করে রোগী নিয়ে যায়, তাদের অনেককেই আলাদাভাবে টাকা দিতে হয়। প্রত্যেকের টাকার পরিমাণও আলাদা। আয়া/ক্লিনার: ২০০ টাকা নার্স: ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা হুইলচেয়ার বহনকারী: ন্যূনতম ৫০০ টাকা টাকা না দিলে ঠিকমতো সেবা পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে আয়া ও ক্লিনাররা টাকা না দিলে অনেক সময় খুব খারাপ আচরণ করে। এছাড়া পরিচিত কোনো নেতা বা প্রভাবশালী ব্যক্তি না থাকলে বেড বা কেবিন পাওয়াও কঠিন হয়ে যায়।
গত ২০/৭/২৬ আমি আমার Ssc exam এর সার্টিফিকেট এ বাবার নাম মায়ের নামের ভুল সংশোধনের জন্য মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক বোর্ডে যাওয়া হয় আবার স্কুল রেফার করে তাদের কাছে তো সেখানে কর্মকর্তাগণ আমাকে এটা আশ্বস্ত করেন মাত্র চার দিনের মধ্যে এটা সংশোধন সম্ভব যদি বড় স্যারকে আর খুশি করতে পারি অর্থাৎ মিষ্টি খাওয়া বাবদ ১০০০০ হাজার টাকা দাবি করে।
ক্যাসিনো আমার মোবাইল এ লগইন নাই কিন্তু ইউটিউব এর এড লিংক এ ঢুকে ব্রাউজার এ ঢুকার ইতিহাস ছিল তা দেখে বিভিন্ন অযুহাতে চেকিং পোস্ট এ আমার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয় পুলিশ
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম এখানে দালাল ঘুষ নিয়েছিল সেটি পাসপোর্ট অফিসার কে দিয়েছিল
হারানো ফোন উদ্ধারের জন্য জিডি করে। পুলিশ ফোন পায় এবং ফোন নিতে গেলে উক্ত টাকা দাবি করে।
জমির মিউটেশন/নামজারির কাজ করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে মোট প্রায় ২৩,০০০–২৫,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। টাকা দেওয়ার পর কয়েকটি কাজ করে দেওয়া হলেও বাকি কাজগুলো এখনো সম্পন্ন করে দেওয়া হয়নি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
নোয়াখালী LGED লাইসেন্স নবায়ন বাবদ ২৩০০ টাকা। কিন্তু হিসাবরক্ষন — ৩০০০ টাকার নিছে নেয় না। ২৫০০ টাকা দিলে বিভিন্ন রকম জটিলতা দেখায়
Amar holding tax 2015 All clear chilo 2016 ar por 86500 tk hoye cay Ami tax office contact koray boli Bhai Ami akjon kudro babsayi 04 khata land owner tinseet work shop rent deye rent pai 73000 tk ki vabay ato tk tax debo .....
আমি অনলাইনে এসএসসি মার্কশিটের জন্য আবেদন করছিলাম, কিন্তু ৪-৬ সপ্তাহ পরেও কোনো সাড়া পাইনি। ফাইলটি ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয়েছিল। এরপর বোর্ডের একজন কর্মচারী, যিনি মূলত অনুমোদন দিতেন এবং আমার সার্টিফিকেট ছাপানোর কথা ছিল, তিনি আমাকে ২ দিন অপেক্ষা করিয়ে একজন পিয়নের কাছ থেকে টাকা নেন।
নোয়াখালী LGED লাইসেন্স নবায়ন বাবদ ২৩০০ টাকা। কিন্তু হিসাবরক্ষন ৩০০০ টাকার নিছে নেয় না। ২৫০০ টাকা দিলে বিভিন্ন রকম জটিলতা দেখায়। LGED তবে মোট ১৭০০ লাইসেন্স রয়েছে।
একটি অবিবাহিত সনদ সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত চার্জ ট্রেজারির মাধ্যমে পরিশোধ করে সুষ্ঠুভাবে আবেদন সম্পূর্ণ করি। তারপর পুলিশ ভ্যারিফেকিশনের নামে ৫,০০০৳ এবং ডিসি অফিস অনুদানের নামে ১০,০০০৳ চাওয়া হয়। আমি বাড়তি টাকা পরিশোধ না করে প্রায় ২মাস ডিসি অফিসে চক্কর কাটিয়ে ক্লানত হয়। পরবর্তীতে কোনো উপায়ন্তর না দেখে দাবীকৃত টাকা বিনা রশিদে পরিশোধ করি। — নামে একজন পুলিশ সদস্যকে ৫,০০০৳ এবং — নামে ডিসি অফিসে কর্মরত একজনকে ১০,০০০৳ টাকা পরিশোধ করার পর ২য় দিনেই আমি সনদ সংগ্রহ করি। — মোবাইল নাম্বার — — মোবাইল নাম্বার —