পোস্ট অফিস এ টাকা রাখতে গেলে
সঞ্চয়পত্রে টাকা রাখতে গেলে সার্ভার দূর্বল বলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ৩ দিন ফেরত আসার পরে দেখলাম অনেকে টাকা রাখতে পারছেন জেনে ৫০০ টাকা দিয়ে আমিও টাকা রাখলাম। এই ভাবে যারা টাকা রাখতে ও তুলতে যায় সবার থেকে টাকা নিয়ে নেয়
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সঞ্চয়পত্রে টাকা রাখতে গেলে সার্ভার দূর্বল বলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ৩ দিন ফেরত আসার পরে দেখলাম অনেকে টাকা রাখতে পারছেন জেনে ৫০০ টাকা দিয়ে আমিও টাকা রাখলাম। এই ভাবে যারা টাকা রাখতে ও তুলতে যায় সবার থেকে টাকা নিয়ে নেয়
এটা খারিজ খাজনা সংক্রান্ত
বিভিন্ন কাজের জন্য সরকারি সংস্থ্যা হতে ডিএনসিসি'র বিভিন্ন আঞ্চলিক অফিসে সড়ক খননের জন্য অনুমোদন প্রত্যাশা করে আবেদন করা হয়।উক্ত আবেদন প্রসেস করতে সরকারী দফতরের লোকদের ও বিভিন্ন প্রক্রিয়ার ফাইল প্রসেসের জন্য ঘুষ নেয়া হয়, বা চাওয়া হয়। এই ঘুষের চাহিত অর্থ সড়ক খনন অনুমোদন প্রত্যাশি সংস্থার ঠিকাদারের মাধ্যমে লেনদেন করতে হয়।
জমি ওয়ারিশ মূলে নামজারি। যে সেবা দেওয়ার লোক সে একজন নিদিষ্ট দালাল লোককে সাজেস্ট করে ঐ লোক উক্ত ঘুষ দাবি করে সরকারি নামজারি করার জন্য।
আমার সমস্ত ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরও অতিরিক্ত ঘুষ দিতে বাধ্য করে আঞ্চলিক জেলা পাসপোর্ট অফিস শেরপুর এর সহকারী পরিচালক সবকিছু ঠিক থাকার পরেও তাকে আমার ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য
আমার এক চাচাতো ভাই তার মোবাইল কিনছিলো পরে ঐ ফোন পুলিশ নিয়ে যায়। কারণ আগে ঐ ফোনের জিডি করছিলো তাই কিন্তু পুলিশ কে বলছিলো জিডি টা তুলে ফেলতে কিন্তু তুলে নাই। পরে ঐ ফোন আনতে পুলিশ কে ১৭০০ টাকা দিতে হয়েছে।
পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে প্রথমে বিভাগীয় শিক্ষা অফিস পরে গোলাপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিস দুই অফিস মিলিয়ে ৫ লক্ষ দিতে হয়েছে
সেনাবাহিনীর একটি চাকরীতে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে আবেদন পত্র পাঠানোর জন্য চট্রগ্রাম পতেংগা পোস্ট অফিস, স্টিল মিল বাজার, ম্যানেজার আমার কাছে ১০০ টাকা নিয়েছে, টাকা না দিলে সেদিন নাকি আবেদন পত্র পাঠাতে পারবে না, পরের দিন আসতে বলছিল আমাকে, টাকা দিছি কাজ হইছে সেদিন। আগ্রাবাদ পোস্ট অফিসে FDR করতে ২০০/- নিয়েছে আমার কাছ থেকে।
গত ২৫/০৮/২০২৬ খ্রি. জমি রেজিস্টেশনের জন্য বিক্রেতারা সাব রেজিস্টারের এজলাসে হাজিরের পর দলিল লিখকরা সব ক্রেতা থেকে নিজ উদ্যোগে ২০০ টাকা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের একজনক স্টাফকে দিচ্ছে, যে দলিলে টিপসই ও নির্ধারিত ফরমে ক্রেতা ও বিক্রেতার নাম সনাক্তকরণ স্বাক্ষর নিচ্ছে । বিষয়টি একটি সেটেল ইস্যু হয়ে গেছে এবং দলিল লিখকদের সবাইকে দেখলাম প্রতি দলিলে টিপসই দেয়ার সময় ২০০ টাকা করে স্টাফের ড্রয়ারে রাখছে! আমিও টাকা না দিয়ে উপায় দেখিনি, আশংকা করেছি ২০০ টাকা নিয়ে কথা বললে ওরা আমার দলিলের ক্ষতি করতে পারে বা দলিল উঠাতে গেলে হয়রানির শিকার হতে পারি।
মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য এই- ঐ কাগজ লাগবে বলে ৫-৬ দিন ধরে ঘুরাচ্ছিলো, অতঃপর এক পিয়ন ৪০০০টাকা চায় যা পরে ২৫০০ টাকা দেওয়ায় ২ দিনে কাজ করে দেয়।।
Birth Certificate korte Shewrapara Metro Station er niche City Corporation Office e Buro akta lok ase. Amon ghurano ghuray manus gele mone hobe ei deshe Birth Certificate kora mushkil. 1000 taka chaise kichu lagbena emni kore dibe. jainai ar.
মহিলা অফিসার প্রথমে আমার ফাইলে সমস্যা আছে বলেছিলো। সাথে বলেছে খাজা এন্টারপ্রাইজ নামক দোকানে যেয়ে ফাইল ঠিক করে নিয়ে আসেন। যখন বললাম আমি এখানেই ঠিক করতে চাচ্ছি, তখন সেই মহিলা অফিসার বলেছে তাহলে আমাকে এখানেই ২০০০টাকা দেন। আমি টাকাটা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। কিন্তু সেই মহিলার নাম আমার মনে নাই।
সমবায় সমিতির কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে এবং সংশোধিত সমবায় আইন ও বিধিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার জন্য সমিতির উপবিধি হালনাগাদ ও সংশোধন করা জরুরি হয়ে পড়ে। সে অনুযায়ী উপবিধিটি একাধিকবার সংশোধন ও প্রয়োজনীয় সংযোজন-বিয়োজনের পর অনুমোদনের জন্য সমবায় অফিসে দাখিল করা হয়। কিন্তু উপবিধি অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সমবায় কর্মকর্তার পক্ষ থেকে এক লক্ষ টাকারও বেশি অর্থ দাবি করা হয়। সমবায় অফিসে বৈধ ও নিয়মিত কাজ সম্পন্ন করতেও অনানুষ্ঠানিক অর্থ প্রদান করতে হয়—এমন পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়ে উক্ত অর্থ পরিশোধ করা হয়। পরবর্তীতে সংশোধিত উপবিধিটি অনুমোদিত হয়। উল্লেখ্য, পরিশোধিত এক লক্ষাধিক টাকা সমবায় সমিতির উপবিধি সংশোধন ও অনুমোদন-সংক্রান্ত ব্যয় হিসেবে প্রতিষ্ঠানের অডিটকৃত হিসাবেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাংলাদেশ ক্যান্সার হসপিটালে বাবা কে জরুরি ভর্তি করাতে ৮০০ টাকা চায় বেডের জন্য।। পরিশোধ করার পর বেড নিয়ে গেলো, ডাক্তার চিকিৎসা করল কিন্তু আর বাচানো গেলো না। আরো আগে চিকিৎসা শুরু করলে হয়তো কিছু করা যেতো
আমি সার্টিফিকেট নাম সংশোধন করতে যাই পরে তারা অর্থ দাবি করে ঐখানকার কিছু চক্র মহলের লোক
রংপুর সরকারি হাসপাতালের ক্যাম্পাসে সাইকেল গ্যারেজের লোকজন প্রতি বাইসাইকেল এর জন্য ৩০ টাকা নেয়, অথচ নেয়ার কথা ২০ টাকা। মোটর সাইকেলের জন্য নেয় ৩০ এর বদলে ৪০ টাকা। গ্যারেজ থেকে মাঝে মধ্যেই হেলমেট হারিয়ে যায়। কিছুদিন আগে একটা মোটর সাইকেলও হারিয়েছিল। গ্যারেজের মালিক স্থানীয় সরকারি নেতা। কাউকেই তোয়াক্কা করে না।
আমার আম্মুর আইডি কার্ডে তার বাবা, অর্থাৎ আমার নানার নাম ভুল হওয়ায়, আমি সরকারি নিয়ম মেনে অনলাইনে আবেদন করি, ৬-৮ মাস পরও NID কার্ডটি সংশোধন না হওয়ায়, আমি উপজেলা NID অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করি। তারা বলেন এটা তাদের হাতে নেই এটা (খ) বিভাগে পড়ছে আমি বলছি এখন আমার করনিও কি এরপর উপজেলা NID অফিস থেকে আমার কাছে সরাসরি ঘুষ চাওয়া হয়। প্রথমে ৮-১০ হাজার টাকা চায় আমি অনেক কথা বার্তা বলে রিকোয়েস্ট করার পর তারা ৫০০০ হাজার টাকা হলে ঠিক করে দিতে পারবে বলে জানায়। আমি তাদের কাছে কত সময়ের মধ্যে ঠিক হবে এটা জানতে চাইলে তারা আমাকে ১ মাসের কথা বলে এরপর আমি টাকা দিয়ে আসি তারপর ১-২ পার হওয়ার পরও NID কার্ড ঠিক না হওয়ায় আমি তাদের অফিসে যাই তারপর তারা বলে আমরা য করার করছি এখন যদি ওনারা ঠিক করে না দেয় তাহলে আমার আর কিছু করার
এমপিওভুক্ত শিক্ষকপদে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন থেকে সুপারিশপ্রাপ্তদের যোগদানের জন্য ২০০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করা হয় শিক্ষকদের নিকট হতে। কেও দিতে অসম্মতি জানালে তাদের সম্মানহানির ভয় দেখানো হয় কিংবা না দিলে বিভিন্নভাবে সম্মানহানি করা হয় সেই প্রতিষ্ঠানের নিম্ন শ্রেণির কিছু মানষরূপি জানোয়ার দ্বারা। এইভাবে একজন শিক্ষক ঘুষের সাথে যুক্ত হয়ে পরে তাহলে সেই দেশে কিভাবে ছাত্ররা নীতিবান/সৎ হবে? আমার মনে হয় বাংরাদেশ থেকে ঘুষ নির্মুল করা অসম্ভব কারণ এই দেশের প্রত্যেকটা পর্যায়ে একদল ঘুষের জন্য প্রস্তুত থাকে আর তাদের হাত থেকে সাধারণ মানুষদের বাঁচানোর কেও নেই।
I was bound to pay otherwise they wouldn’t give me namjari
2024 সালে SSC ব্যাবহারিক খাতায় স্বাক্ষরের জন্য স্কুল কর্তৃক ৫০০ টাকা, SSC পরবর্তী মার্কশিট উত্তোলনে স্কুলে ৩০০ টাকা, আবার সার্টিফিকেট উত্তোলনে ৩০০ টাকা প্রদান করতে হয়েছে! অথচ ফরম পূরণের অফিশিয়াল টাকা জমা দেওয়ার পরেই প্র্যাকটিক্যালের খরচ, মার্কশিট উত্তোলন, সার্টিফিকেট ফিসহ সকল খরচ অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। হাইকোর্টের ঐতিহাসিক আদেশ (২০১৪ & ২০১৫): ২০১৪ সালের নভেম্বরে হাইকোর্ট এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় কেন অবৈধ হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে হাইকোর্ট ঢাকা অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোকে এসএসসি পরীক্ষার নামে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। অথচ এক যুগ পরেও ৯৯.৫% স্কুলে একই গতিতে চলছে ঘুষের আদান প্রদান!