টিএ/ডিএ বিল
ঢাকায় আমার ডিপার্টমেন্টাল পরীক্ষা দিতে যাওয়ার টিএ/ডিএ বিল হয়েছিল ৭৫০০ এর মত। এর জন্য ৭০০ টাকা কমিশন নিয়েছে বরিশাল হিসাব শাখা।
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঢাকায় আমার ডিপার্টমেন্টাল পরীক্ষা দিতে যাওয়ার টিএ/ডিএ বিল হয়েছিল ৭৫০০ এর মত। এর জন্য ৭০০ টাকা কমিশন নিয়েছে বরিশাল হিসাব শাখা।
আমরা বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়ার সময় পল্লিবিদ্যুৎ তে প্রতি ১৫০০০ টাকা সব মিলে ১৭৮০০০ টাকা ঘুষ নিসে
চাঁদপুর সদর রেকোর্ড রুমে খতিয়ান প্রতি অতিরিক্ত ৩০০ টাকা নেয়। যদিও আমি খতিয়ান খরচ অনলাইনে পরিশোধ করি।
একটি প্রচ্ছন্ন শিল্প (এক্সাসরিজ) প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক নিরীক্ষা করলাম সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে দিলাম 500,000 রাজস্ব কর্মকর্তাকে দিলাম 200,000, সহকারী কর্মকর্তাকে দিয়েছে 100,000 এবং অতি: কমিশানার কে দিয়েছি 100,000 বিভিন্ন সেকশনে দিয়েছি 65,000 মোট দিয়েছি 965,000 টাকা ওনার আরো বেশি চেয়েছিলো, অনেক দেন দরবার করে কমিয়েছি। আমাদের মতে প্রত্যেক দিন প্রত্যেক দিন শত শত ফাইল এ ভাবেই হয়। যা দেখার কেউ নেই
জমি খারিজ করতে গিয়েছি ১০০% সঠিক তারপর ও আমার নিকট ১৫০০০ টাকা চায় আমি ১০০০০ টাকা দিয়েছি কিন্তুু তাতেও রাজী হয়নি এবং এখনো আমার কাজটা হয়নি
Did not accept my passport application but when I went through broker everything went through without an issue.
হিসাবরক্ষণ অফিসে কোন পেনশন যে জিপিএফ হতে কোন অগ্রিম লোন নিতে গেলে অডিটর কে ১% ঘুষ দিতে হবে। আরেকটা টিএ বিল নিতে গেলেও টিএ বিলের ৫% টাকা তাদেরকে দিতে হবে না হলে বিল দেবেনা। অ্যাকাউন্ট জমা দিতে গেলে এখন নাকি প্রত্যেক অফিসকে ১০০০ করে টাকা দিতে হবে এটা নাকি তাদের সি ও সাহেবের নির্দেশ।
জীবনে বহুবার থানায় গেলেও কোন দিন সেবা পাইনি। কারন আমি টাকা দেইনি।
রহনপুর পৌরসভা,গোমস্তাপুর থানা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সমামসেবা অফিসে সমাজসেবা অফিসার প্রতিবন্ধী কার্ড অনলাইনে নিবন্ধন করার জন্য ৩০০০টাকা করে দাবী করে। টাকা না দিলে প্রতিবন্ধী কার্ড অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন করে না।
— রেস্টুরেন্টে ভ্যট দাবি করে ১৫০০০
বাংলাদেশ সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী জন্ম নিবন্ধনের জন্য একটি নির্দিষ্ট ও সামান্য ফি (বয়সভেদে ২৫ থেকে ১০০ টাকা) রয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদে ‘—’ নামে এক ব্যক্তি একটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের কাজ করে দেওয়ার বিনিময়ে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা অবৈধ ঘুষ দাবি করছেন। —
আমার বয়স ৬৮+ আমার জায়গার সাথে জেলা পরিষদ-এর অকৃষি জমি রয়েছে, তাই আমি ২১/০৩/২০২২ইং তারিখে জেলাপরিষদ বরাবর একটি আবেদন করি- অনুলিপি যেমন- (০১) জেলাপ্রশাসক, নোয়াখালী (০২) উপজেলা নিবাহী অফিসার, সেনবাগ, নোয়াখালী (০৩) সহকারী কমিশনার (ভূমি), সেনবাগ, নোয়াখালী জানাই সীমানা নির্ধারণ করার জন্য। আজ ২৭/০৮/২০২৬ইং তারিখ যার কোন সমাধান পাইনি-
প্রতি মাসে আমার কোম্পানি থেকে আমার বিক্রয়ের উপরে সরকারি ভ্যাট দেই ৩০০০০ থেকে ৪০০০০ টাকা যা বিক্রয়ের উপরে নির্ভর করে। সরকারি ব্যাংক জমার পরে অতিরিক্ত প্রতি মাসে ১২০০০ টাকা আমাকে ঘুষ দিতে হয়, যদি না দেই কয় দিন পর পর তারা আমাদের প্রতিষ্ঠান গুলো তে অভিযান চালায় ও হয়রানি করে। এতে আমার কাস্টমার দের হয়রানির শিকার হতে হয়। তাই বাধ্য হয়ে আমার প্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষার্থে প্রতি মাসেই আমি আমার উপর ধার্য হওয়া ১২০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে থাকি। কখনও ব্যবসা তে লস হয় তারপরেও দেয়া লাগে সেই ঘুষের ১২০০০ টাকা। শুধু আমার না ভ্যাট অফিসে মাসিক ভিত্তি তে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান কেই ঘুষ দিয়েই ব্যবসা করতে হয়
দেশের বাহিরে পড়তে যাব সে রিকোয়ারমেন্টে মেডিকেলে যে পাঁচটি টেস্ট করানো লাগে, পাঁচটি টেস্ট আমি পিজি থেকে করিয়েছিলাম। পরবর্তীতে সে রিপোর্টটি আমার নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিলসার্জন থেকে সত্যায়িত বা তার স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম। সেখানে যাওয়ার পর দেখি সে পাঁচটি টেস্টের পরেও আরো চারটি টেস্ট ওনারা আমাকে করতে দেয়। এর মধ্যে একটি হলো ব্লাড গ্রুপ অন্যটি হলো কোলেস্টেরল মাপা, যা আমার কোনভাবেই দরকার নেই। কিন্তু তারা ওই চারটি টেস্ট না করালে আমাকে সিগনেচার দিবে না। তারা নিজেরা ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের সাথে মডার্ন ডায়গনস্টিক সেন্টার এর ঠিকানা দিয়ে এবং ফোন নাম্বার দিয়ে সেখানে যোগাযোগ করতে বলে। এবং বলে দেয় অন্য কোন জায়গা থেকে যদি তাদের দেয়া টেস্টগুলো করালে তা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবেনা।
এখানে প্রতিটি খারিজ আবেদন থেকে ১৫০০/- করে ন্যুনতম নেয়া হয়। না দিলে হয়রানি করা হয়। মিসকেসের তদন্ত করে না। আর অনেক বিষয় আছে।
খারিজ এর জন্য ৬০০০ টাকা পেইড করতে হয়েছিলো
প্রতিটা পাবলিক পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়। ব্যাহারিক পরীক্ষার সময় সাবজেক্ট পতি নেয়া হয় বিভিন্ন পরিমানের টাকা
SSC Science, ৪ টা প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার খাতায় সাইন করানোর জন্য স্কুল থেকে প্রতি সাবজেক্টে ১৫০ টাকা করে মোট ৬০০ টাকা নেওয়া হইছে । না দিলে সাইন করে না। পরিস্থিতির শিকার হয়ে দিতে হইছে।
holding tax re calculation, the person asked 30 otherwise he will put us in highest slab
—, —, — সহ বেশির ভাগ সময় ওরা টাকা চায়, টাকা ছাড়া ওরা কিছু বুঝে না কেউ কিছু বলে না ঠিকাদাররা জিম্মি