ফিটনেস নবায়ন
প্রাইভেট কারের ফিটনেস নবায়ন বাবদ, কাজ শেষে সার্টিফিকেট দেয়ার আগে ১০০০ টাকা দাবি করে, পরে ৫০০ টাকা দিয়ে কাজ শেষ করি
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রাইভেট কারের ফিটনেস নবায়ন বাবদ, কাজ শেষে সার্টিফিকেট দেয়ার আগে ১০০০ টাকা দাবি করে, পরে ৫০০ টাকা দিয়ে কাজ শেষ করি
NID তে বানান ভূল, জন্মস্থান এর বানান ও ভূল। অনলাইনে আবেদন করা হয়েছে। ১ বছরেও ঠিক করে দেয় নি। অত:পর ফেসবুকে তাদের এড দেখলাম। ৩ ঘন্টায় কারেকশন করে দিবে। ৬০০০০, কেও ৩০০০০ আবার অনেকে কত নম্বর রুমে বসে সিটিও উল্লেখ করে সার্ভিস দিচ্ছে।
ভুমি সেবা নিতে টাকা ছাড়া কাজ খুব কম। প্রতিটা খারিজের বিপরিতে ১০০০ টাকা দাবি করে। টাকা না পরিশোধ করলে কাজ হয় না। খারিজ বাতিল হয়ে যায়।
হেবা ঘোষণা দলিল রেজিস্ট্রি করতে দলিল লেখক ও অন্যান্যকে নির্ধারিত ফিস এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়েছে।
মিউটেশন করতে গেলে বলে সরকারী খরচ ১১০০ টাকা কিন্তু আমরা ৪০০০ টাকা নিয়ে থাকি।কারণ বিভিন্ন স্যারদের টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে আবেদন না মুন্জুর করা দিবে।
Every passport holder who wnat to go india via Vomra land port, have to must pay 500+ taka to custom officer . otherwise they will not release or stamp on passport.
নামজারি মিউটেশন। তাদের এল আর ফান্ড আছে তারা বলেযে ওই খানে টাকা জমা দেন আমি দেই নি এই টাকা উপর লেবেল পর্যন্ত টাকা পায়
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের শাখা ০৪ হতে বদলি হতে টাকা চাই।
আমার বাবার নামে এনআইডি তে মো: ছিলো ও আমার পুরাতন পাসপোর্ট এ বাবার নামে মো: নাই তাই
আসামির জামিন হওয়ার পর বেইলবন্ড দাখিল করার সময় ৫০০ থেকে ১০০০ পর্যন্ত টাকা দেওয়া লাগে। এইটা একপ্রকার বাধ্যতামূলক নিয়মে পরিনত হইছে ঢাকা জজ কোর্টে।
সিলেট পুলিশ লাইন্স রিজার্ভ অফিসার এসআই — কে গোয়াইনঘাট থানায় পোস্টিং নিতে ৪০,০০০/- দিতে হয়েছে। সে আমাকে বাধ্য করে টাকা গুলো আদায় করেছে।
উকিলের ডেট পড়ায় সার্টিফিকেটটা খুব জরুরী ছিল কিন্তু তারা দিচ্ছিল না পরবর্তীতে টাকা না দিয়ে কোন উপায় ছিল না।
আমাদের মোটা ১.৫ একর জমি নামজারি করতে চেয়েছিলাম আমারা জানি যে নামজারি করার জন্য ১১৭০৳ সরকার থেকে নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের কাছে চেয়েছে ১৩০০০৳
আমরা স্বামী স্ত্রী ২ জন ২ জায়গায় জব করি, একটা চার বছরের বাচ্চাও আছে, স্ত্রী পোস্টিং এর জন্য আবেদন দিলে বাতিল করে দেয়, পরে মাধ্যমে যোগাযোগ করলে ৩৫ হাজার টাকা দাবি করে।
আমার দাদি একজন৷ দৈত্য বাংলাদেশী স্থায়ী নাগরিক। ওনার বাংলাদেশের NID এবং সুইডিশ পাসপোর্ট আছে। সিলেট সিটি করপোরেশনে ওনার নামে জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে ১০০০০ (দশ হাজার টাকা) দাবি করে। কর্মকর্তার নাম —।
৩ বার এমপিও ভুক্তির জন্য আবেদন করি কিন্তু বার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে রিজেক্ট করে দেয়। পরে অফিসে যোগাযোগ করলে,ডিডি অফিসের প্রোগ্রামার — 50 হাজার টাকা দাবি করে,আমি 30 হাজার টাকা দিয়ে আসি। তারপর ও কাজ হয়নি।
আমি আমার পঞ্চম শ্রেণির সার্টিফিকেট সংশোধন করতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় যায়।হাতে লেখা ফরমে আবেদন আমি করি স্কুল প্রধানের সাক্ষরসহ যাবতীয় কাজ আমি করি।ওই অফিসের কম্পিউটার অপারেটর শুধু আমাকে ফোন দিছে যে আমার সার্টিফিকেট আসছে অফিসে গিয়ে সংগ্রহ করতাম।সার্টিফিকেট আনতে গেলে আমাকে বলে খরচ দিতে আমি বলি কিসের খরচ ওনি বলে ওনি নাকি উপজেলা মিটিং, জেলা মিটিং নাকি তিনি নিজ তাগিদে করছে সে খরচ দিতাম।মজার কথা হচ্ছে সেই অফিসে লেখা আছে এখানে চায়ের খরচ নেওয়া হয় না।
— তফসিলা দার তার সাখরতে অফিস সয়ায়ক বা পিয়ন — ঘুষের এক সম্রাজ বানিয়েছে নওগা সদর হাপানিয়া অফিস কে তারা প্রতিদিন কম করে ২-৩ লাখ টাকা ঘুষ বানিজ্য করে দলিও প্রভাব খাটিয়ে তাদের ঘুষ বানিজ্য চালাচ্ছে কিছু বললে তারা হুমকি দেই বলে আমাদের চাকরি কি করবে করুক আমরা দেখবো এই সেই মানুষ জিম্মি করে ২০০ টাকার খাজনা ৫০০০০ করে দেই বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয় এছারা অফিস এর ভিতরে নারী নিয়ে আমদ ফুর্তি পিকনিক সরকার অফিস কে বস্তি বানিয়ে ফেলেছে — সহ সরকার এর কোন লোক এটা দেখলে আল্লাহ দোয়ায় নওগা বাশীকে বাচান এই দুই জালেম এর হাত থেকে
আমি যতটুকু জানি একটা জমি খারিজ করতে সরকারি খাতে দেওয়া লাগে ১৬০০ টাকা আর কম্পিউটার খরচ বাবদ আর মুড়িকে 500 সব মিলে ৩০০০ হাজার টাকার মধ্যে হওয়ার কথা কিন্তু আমার ভূমি অফিসে মোহরি এবং ভূমি অফিসের কর্মচারীরা মিলে আমার কাছে প্রতিটা খারিজের জন্য 10000 টাকা করে নিয়েছে এবং আমি একটু ইমারজেন্সির কারণে ১০০০০ টাকাদিতে বাধ্য হয়েছি
ঢাকা কাঁচা মহাখালী বাজারের পেছনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি শাখা আই.ই. ডি. সি. আর প্রতিষ্ঠানের স্টোর কিপার — গত বছর আমার একটি আউটসোর্সিং টেন্ডার পাইয়ে দিবে বলে আমার কাছে চার লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি টাকা দিতে স্বীকৃতি জানাই এবং আমার ফার্ম যোগ্য থাকা সত্ত্বেও অন্য একটি ফার্ম গলফ এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানটিকে ঠিকাদারির অনুমতি দিয়ে দেয় এতে — সাথে এই প্রতিষ্ঠান ডিরেক্টর একজন মহিলাও জড়িত আছেন। উল্লেখ্য এই স্টোর কিপার — বিগত ২৫ বছর যাবত একই পোস্টে কর্মরত আছেন একই প্রতিষ্ঠানে তিনি তার প্রোমোশন ঠেকানোর জন্য ২০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে ঠেকানোর অভিযোগ আছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যত অনিয়ম তার হাত দিয়ে সংঘটিত হয় বিষয়টি তার অফিসে গেলে প্রমাণ পেয়ে যাবেন