ভ্যাট রিটার্ন
প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন দিতে গেলে সবার কাছে ১০০০ বা তারও বেশি টাকা চায়। না দিলে বিভিন্ন ধরণের মামলার ভয় ভীতি দেখায়।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন দিতে গেলে সবার কাছে ১০০০ বা তারও বেশি টাকা চায়। না দিলে বিভিন্ন ধরণের মামলার ভয় ভীতি দেখায়।
আমি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গিছেলাম সকুল ডকুমেন্টস নিয়ে অন্য মন্ত্রনালয়ে ভাইভা পরীক্ষার অনাপত্তিপত্র এর জন্য। আমাকে ১০০০ টাকা চাইলো, আমি বললাম স্যার এত পারবো না, আমার কাছে এত টাকা নেই। আপনি ৫০০ টাকা রাখুন। কিছু দিন যখন ডকুমেন্টস আনতে গেলাম, তখন আমাকে আসার সময় ডাক দিয়ে আবার ৫০০ টাকা নিলো।। আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি....
সিট পেতে অসুবিধা। দেইনি টাকা
শুধু ঘুষ কেন, বিভিন্ন সরকারী অফিসের কার্যক্রম বিষয়ক কিছু থাকা উচিত ছিল, যেমন- কর্মকর্তা ও কর্মচারি তাদের কার্যক্রম কেমন চলে, এ রকম আরো কিছু বিষয় এড করা উচিত। তাহলে আরো অনেক কিছুই উঠে আসবে আর সংশোধন এর সুযোগ থাকবে।
২০২৩ সালের আগষ্টে বাবাকে ফৌজদারী মামলায় আটক করেছিল এসআই —। ওই সময় রিমান্ডে কম শাস্তি দেয়ার কথা বলে থানা পুকুর পাড়ের দক্ষিণ পাশের ২য় তলায় বসে আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা গুণে নেন। আলহামদুলিল্লাহ, পুলিশ অফিসারটি সৎ ছিল, এক লাখ টাকা দাবি করলেও ৫০ হাজারে খুশি হয়েছিলেন।
দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিগুলোতে আপনি দেখবেন যে পরিমাণ ঘুস লেনদেন হয় অবাক হয়ে যাবেন।
সাইতোর বোয়ালমারী সাইতর খ ভূমি অফিসে — নিয়মিত ঘুষ নিচ্ছে, চাকরি না থাকা পর ও
আমার দুই সন্তানের জন্য পাসপোর্ট করাতে গিয়েছিলাম। তাদের দুজনের বয়সই ৫ বছরের কম ছিল। ভেরিফিকেশনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে টাকা দিতে বাধ্য করে। তা না হলে আটকিয়ে দেবে।
টাকা না দিলে তারা যদি কেউ পরিক্ষায় পাশ তাহলেও তাকে ফেল করে দেয়। টাকা তারা সরাসরি চায় না বাহিরে থাকা বড় দালল ও জেলার বিভিন্ন প্রানেত থাকা ছোট দালালের মাধ্যমে টাকা আদায় করে। দাললের পরিচয়ে গেলে কোনো সমস্যা ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে পাওয়া যায়।
একটি অর্থ আত্নসাতের অভিযোগ করেছিলাম থানায়। আমার আবেদন ছিল আসামীর সচল মোবাইল নাম্বার থেকে লোকেশন ট্র্যকিং করে আসামীর অবস্থান সনাক্ত করা। সব তথ্য প্রমাণ থাকা স্বত্তেও গড়িমসি করছিল। বলছিল 3 মাস লাগবে লোকেশন বের করতে। পরে উনি 2000 টাকা দাবী করেন। টাকা দিলে 1 সপ্তাহের মধ্যে কাজ হয়ে যাবে। আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি । কথোপেকথন ভিডিও প্রমান সহ আছে আমার কাছে।
HSC পরীক্ষা চলাকালীন ছোট ভাইয়ের পা ভেঙ্গে যায়। জুলাই মাসের ১৭ তারিখে।ঐদিন সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পৌঁছায়। ছুটির দিন ছিল। ইমারজেন্সি যে পৌঁছানোর পর ডাক্তার রিপোর্ট দেখে প্লাস্টার করতে বলে। দায়িত্বরত সহকারীরা কাজ করার পর চা খেতে টাকা চাই। ১০০ টাকা দেয়। তাতে তারা সন্তুষ্ট না হলেও আমি আর দিতে অস্বীকার করি।
৩.৫ শতক জমি কিনতে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন খরচ হিসেবে প্রায় ৪৫,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। এরপর সেই জমির নামজারি করতে বলা হচ্ছে আরও ২০,০০০ টাকা। এর বাইরে তো নানা অজুহাতে হয়রানি আছেই—“এই কাগজ নেই, ওটা তুলতে হবে”, “ফটোকপি করতে এত টাকা”, “এই কাগজ আনতে হবে”—এভাবে প্রতিটি ধাপেই যেন বাড়তি খরচের বোঝা। একজন সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? আমাদের মতো মানুষ অনেক কষ্ট করে, বছরের পর বছর অল্প অল্প করে টাকা জমিয়ে সামান্য একটু জমি কেনার স্বপ্ন দেখি। জমির মূল্য পরিশোধ করতেই যখন হিমশিম খেতে হয়, তখন তার ওপর যদি সরকারি দপ্তরের কিছু অসাধু কর্মচারীর ঘুষ ও হয়রানির শিকার হতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? সরকারি হিসাব অনুযায়ী নামজারির নির্ধারিত খরচ যেখানে মাত্র প্রায় ১,১৭০ টাকা, সেখানে বাস্তবে একজন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কেন ১
Dife licenses renewal purpose
নাম ট্রান্সফার ফি ও জায়গা মেপে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য সরকারি খরচের অতিরিক্ত ৪০০০০.০০ টাকা দাবি মিটাতে হয়েছিল।
পাসপোর্ট অফিসের হেল্পলাইনে কল দিয়ে জানতে পারি স্টুডেন্ট পাসপোর্ট আবেদনের সময় স্টুডেন্ট আইডি কার্ড তাদেরকে শো করতে হবে কিন্তু বাস্তবে আবেদন করার সময় তারা প্রত্যায়ন পত্র দাবি করে এবং আমার আবেদনটি গ্রহণ করেনি। এরপরে পাশে থাকা আনসার আমার কাছে এসে বলে আপনি যদি এখনই কাজটি করে নিতে চান ১৫০০ টাকা হলে কোন কাগজপত্র আর লাগবেনা যা আছে তারা দেখে নেবে এরকম প্রস্তাব দেয় আমি সেটি না করে দেই পরবর্তীতে সকল ডকুমেন্ট দিয়েই কোন প্রকারের ঘুষ ছাড়া কাজটি করে নেই
নাম: — মোবাইল নাম্বার: — পদবী: মিউটেশন ভূমি সহকারী উপজেলা ভূমি অফিস বাগমারা রাজশাহী, সে নামজারি করতে গেলে বিশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে এবং ঘুষ নিয়ে কাজ করে ঘুষের টাকা ছাড়া সাধারণ মানুষ কাজ করতে পারে না।
গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার ঘোষেরচর মৌজার বিডিএস রেকর্ড হচ্ছে, সেখানে রেকর্ড করিয়ে নিতে আমার কাছে তিন লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছে। যার ২ লক্ষ পরিশোধ করেছি। কারণ ছিল আমার বাড়ির একটুখানি জায়গা খাস হয়ে গেছিল। সেটুকু মিলিয়ে আমাকে রেকর্ড করে দিবে এই ভিত্তিতে ২ লক্ষ পরিশোধ করা হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড সুমারি ও কার্ড বিতরণের জন্য স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনানুষ্ঠানিক অর্থ (ঘুষ) দাবি এবং আদায় করা হচ্ছে। সরকারি সেবার আওতায় এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়ার কথা থাকলেও সাধারণ মানুষের থেকে অন্যায়ভাবে অর্থ নেওয়া হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসেবে আমরা দীর্ঘদিন কার্যক্রম পরিচালনা করছি, সরকার নিবন্ধনের জন্য এনএসআই ভেরিফিকেশন রেখেছে। এই ভেরিফিকেশনে এনএসআই কর্তারা সঠিক পেপার , কার্যক্রম পেলে ও জড়াতে থাকে। এনএসআই অফিসের গার্ড অফার করে ৫০০০০ হাজার দিলে আপনার কাগজ পজেটিভ না হলে নেগেটিভ। আমরা না দিতে পারায় নেগেটিভ দিছে। নিবন্ধনে সরকারি মূল দপ্তর সমাজসেবার এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে টাকা না দিলে সাতক্ষীরাতে কাগজ ট্রান্সফার হতে বছর সময় লাগে।
আমি নামজারি করার জন্যে গিয়েছিলাম। বাবার থেকে পাওয়া জমি সেখানে তারা নানা অজুহাত দেখায় আর বলে ৩০০০ টাকা দিলে কাজ হবে।