আম-মোক্তার দলিল থেকে সাব কবলা হলেই কাঠা প্রতি 10000 টাকা দিতে হয় । কিন্তু কেন দিব ?
সাব রেজিষ্ট্রার অফিস কালীগঞ্জ । আম-মোক্তার দলিল থেকে সাফ কবলা করেছি । এটাই কিন্তু ইস্যু । সুতরাং টাকা নিয়ে দিলে জমি রেজিঃ করতে পারব না । তাই বাধ্য হয়েই দিতে হলো
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সাব রেজিষ্ট্রার অফিস কালীগঞ্জ । আম-মোক্তার দলিল থেকে সাফ কবলা করেছি । এটাই কিন্তু ইস্যু । সুতরাং টাকা নিয়ে দিলে জমি রেজিঃ করতে পারব না । তাই বাধ্য হয়েই দিতে হলো
জমির নামজারি করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা কিন্তু সব রেজিস্ট্রি অফিসে ২০,০০০ টাকা ফিক্সড এবং কোন খাতে, কাকে কত টাকা দিতে হয় সব ফিক্সড করা আছে। এর নিচে কোনো নামজারি হয় না।
Sedin amra taka uttolon er somoy ekta januar je ander taka role dibe se cha khawer tska babod 500 tka dabi korle anr ammu taka die dei
২০-৪-২৬ মিস কেস করার পর বিভিন্ন ভাবে আমাদের কাছে থেকে ১৪৭০০/- নেয়। বর্তমানে কেস টি ২৩৩/১০-০৮-২৬ নাম্বার সারকে জেলা ভূমি অফিসে যাওয়ার পর আর কোন খোঁজ খবর পাওয়া যাচ্ছে না। ভূমি অফিসে গেলে শুধু তারিখ দেয়। আর বলে কাগজ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
when we visited Electrical License Board (ELB) office in Chittagong during Substation approval renewal application, The chief directly ask for money 70000 BDT for renewal application approval. After a lot of negotiations and approach, we have given 35000 BDT although all legal updated documents are there.
পেনশনের সব কাগজপত্র রেডি ছিল, তারপরও তার অডিট সামলানোর খরচ হিসাবে দাবী ছিল টাকা, না হলে বেতন চালু হবে না।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং মোটর বাইকের কাগজ করার জন্য।
ঢাকা পল্লিবিদুত সমিতি -১ নতুন মিটার আবেদনের ক্ষেত্রে আমার কাছে মিটার প্রতি ৪০০০ টাকা এবএনজি মোট ২০০০০ টাকা চেয়েছে।
I went to receive a chaque for bill, They have a fix rate .8% of total Amount.
শুধু আমি নই আমার মতো ভূক্তভুগি বহু মানুষ আছেন। মানুষকে বিভিন্ন উপায়ে জোড়পূর্বক, জিম্মী করে বাধ্য করা হচ্ছে। মানুষ নিরুপায়/বাধ্য হয়ে জটিলতাসময় অপচয় এড়াতে অর্থ দিয়ে কাজ করাতে। এই সকল মামলা গুলো বেশীরভাগ জমি/বাসা-বাড়ী সম্পত্তি বিষয়ক। জজ কোর্টের প্রতিটা সরকারী সকল কর্মচারীগন থেকে শুরু করে জজ এবং উকিল পর্যন্ত ঘুষ নেন। আপনাকে বিভিন্ন ভাবে বাধ্য করা হবে, বিভিন্ন মামলার সময় তৈরী, সহজ বিষয়কে জটিলতা তৈরী করে বা জিতে (রায়/ডিগ্রী) যাওয়া মামলায় অহেতুক ভাবে কার্নিকাল ভূল দেখিয়ে রায়ের শব্দের বানান ভূল করে প্রচুর অর্থ দাবি করা হয়। যার মূল্য নিম্ন ২০ থেকে ৫০+ হাজার টাকা। একজন সহকারী পেশকারের প্রতিদিনের উপরি ইনকাম নিম্ন ৩০ হাজার থেকে ১ (+/-) লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। AC/DC Land office গুলো তো আরও খারাপ।
প্রথমে জুরুরী বিভাগে টিকিট সংগ্রহ then আমি ডাক্তারের চেম্বারে গেলে তিনি সব ঢেকে শোনে বাহিরে ওয়ার্ডে পাঠালো গিয়ে দেখি সেই লোক যে আমাকে প্রথমে ইমপ্রেস করে ছিল এবং তর্ক করলো খুব রাখ দেখালো আর বললো ২৫০০ টাকা লাগবে ড্রেসিং করে সেলাই করে দিবে। আমি রাজি না হয়ে প্রসেস এ থাকলাম এবং ইমার্জেন্সিতে পাঠালো। সেখানে আর এক চিত্র ১৫০০ টাকা সিকিউরিটিকে না দিলে সিরিয়েল দিবে না এবং বাধ্য হয়ে দিলাম সাথে সাথে সিরিয়াল দিল এবং ভিতরে ডাকলো। ভিতরে যাওয়ার পর মেডিসিন লিস্ট দড়িয়ে দিল এবং বললো ৪০০০টাকা দিলে ভিতর থেকে ব্যবস্থা করবে, বাহির থেকে আনলে ৭০০০টাকা লাখবে আমি লিস্ট এর দিকে তাকিয়ে দেখলাম ৭০০০এর মতোই লাগতে পারে। টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই পাশের রুম থেকে ডাক এলো আপনার রোগীর কাজ শেষ, নার্স ১০০০ টাকা লাগবে বখশস এবং দিলাম.
আমি আমার নিজ বাড়ির ভূমি উন্নয়ন কর প্রতি বছর পৃরিশোধ করি অনলাইনে যা আসে মাত্র ৩০ টাকা, কিন্তু এই অর্থবছরে অনলাইনে অর্থ পরিশোধের সাইটে পেমেন্ট অপশন অফিস থেকে বন্ধ করে রাখছে, জয়কৃষ্ণপুর ভূমি অফিস, নবাবগঞ্জ, ঢাকা অফিসে গেলে তারা আমার ৩০ টাকার খাজনা কেটে দিব বলে ৩০০ টাকা দাবি করে অফিসের কর্মরত লোকজন একজন লোক
বিষয়: জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এর আওতাধীন সরকারি ক্রীড়া কার্ডের ভাতা থেকে ৭০% অর্থ প্রদানের অনৈতিক দাবির প্রতিবাদ করায় হয়রানি, মানহানি, ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান এবং প্রশিক্ষণ ও বাংলাদেশ কিকবক্সিং জাতীয় দলীয় কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ
আমি একটি ফ্ল্যাটের নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাকে বলা হয়, আপনার জমি এবং আপনি যে এলাকায় বসবাস করছেন, সেটি নিয়ে সরকারি অফিসের সঙ্গে কিছু সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যাটি ১৯৮০ সাল এর। তারা বলেছে, আমি যদি ১ লাখ টাকা দিই, তাহলে তারা সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করবে, তবে এর কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারবে না। আমার আপত্তি হলো, সরকারি অব্যবস্থাপনার কারণে এ ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে, আর এই ধরনের মানুষজন সেই সমস্যার সুযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করে।
ফুলবাড়ী উপজেলার কুড়িগ্রাম ভূমি অফিসের বড়বাবু — একজন ছিলেন কুড়িগ্রামের ডিসি অফিসের হোটেল ব্যবসায়ী সেখান থেকে তিনি ভূমি অফিসে চাকরি নেন এই ব্যক্তি এমন একজন খারাপ লোক তার টেবিলে টাকা ছাড়া সে কোন কিছু বোঝেনা এক টেবিল থেকে আরেক টেবিল ফাইল গেলেই উনাকে টাকা দিতে হয় তিনি প্রচন্ড লেভেলের একজন ঘুষখোর মানুষ
নামজারির কাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট AC Land অফিসের লোকজন আমার বাবার কাছে ৮,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা না দিলে নামজারির কাজ করা হবে না বলে জানানো হয়। বাধ্য হয়ে আমার বাবা ৮,০০০ টাকা প্রদান করার পর নামজারির কাজ সম্পন্ন করা হয়। বিষয়টি তদন্ত করে ঘুষ নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন কোনো নাগরিককে ঘুষ দিতে না হয়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
গত ২১ তারিখ আমি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর পরিচয়পত্র সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কক্সবাজার আঞ্চলিক কেন্দ্রের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি প্রত্যেক স্টুডেন্টের কাছে পরিচয়পত্র দেওয়ার সাথে সাথে বলা হচ্ছে 'খুশি করেন'। শেষ পর্যন্ত সবাইকেই ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে । আমি নিজেও বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা পরিশোধ ও করেছি৷
নিয়োগ বানিজ্যঃ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ন নিজেদের মত নিয়োগ দেওয়া হলো: ১. প্রশ্ন তারা নিজেরাই করলো, এবং আগে থেকে প্রশ্ন দিয়ে দিলো, কারণ BSC লেভেল এর প্রশ্ন কি ভাবে Diploma করা ব্যক্তি পারে। ২. একই ফ্যামিলির ২ ভাই, বড় ভাই JPO, ছোট ভাই ট্রেইনার পদে জব দেওয়া হলো। ৩. অযোগ্য লোক স্কিল সেক্টর এ ডুকে দেশটা শেষ করে দিলো
আমি ভূমি অফিসে গিয়ে ওখানে কর্মরত কর্মকর্তা কাছে গিয়ে বললাম আমার একটি খতিয়ান কপি লাগবে। কর্মকর্তা আমার কথা শুনে একজন পিয়নকে দেখিয়ে দিয়ে বললেন ওনাকে বলেন, আমি পিয়নের সাথে খতিয়ানের কথা বলার পর তিনি আমার কাছে ৫০০টাকা দাবি করেন। আমি প্রথমে ২০০টাকা দিতে চাইলে তিনি বলেন হবেনা, পরে ৫০০টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে।
ভুল গুলো কারেকশন করার জন্য দিতে হয়েছিলো। এর আগে কয়েকবার মেনুয়ালি চেষ্টা করেছি, কিন্তু হয়নি। পরে টাকা দিয়ে করিয়েছিলাম।