Passport renewal
Passport renewal er jonno
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Passport renewal er jonno
পত্নীতলা উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী —, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সেবাপ্রত্যাশিদের নিকট থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করে দিতে বিভিন্ন অযুহাতে ছোট বড় অংকের টাকা নেয়। কিন্তু বিনিময়ে দেয় কম্পিউটার দিয়ে বানানো ভুয়া আইডি। যা গ্রাহক বুঝতেও পারেনা। বা তার কর্মকর্তারও কোনো ভ্রুখেপ নাই। আমার থেকে নিয়েছে ৭০০টাকা।
অহেতুক হয়রানি করার উদ্দেশে মহিলা ট্রাফিক হেল্পার বাইক দাড়া করিয়ে শুধু শুধু ফাও মামলা দিয়েছে ট্রাফিক অফিসার ডেকে এনে। এই মামলায় তাদের ভাগ আছে উনি তা বলছিলেন, আপনাদের মামলা দিলেই তো আমরা কিসু পাবো।
সহকারি কমিশনার ভূমি অফিসে (কোতোয়ালি)গিয়েছিলাম নামজারির জন্য তারা লক্ষ টাকা চাইছে নামজারি করলে এখানে কন্টাক করতে হবে এখানে এভাবেই হয় আপনি যদি চান করতে পারেন, না হলে অন্য কাউকে দিয়ে করাতে পারেন সর্বশেষ ১৬০ হাজার টাকায় সম্মতি দিলাম এবং এটা পরিশোধ করেছি।
Shob doc thik thakar por o extra 2500/- dite hoyechilo Aar officer der behaviour chilo sei level er kharap
নাম পরিবর্তন এর জন্য গেলে বলে দলিল ভুল৷ ৮০০০ টাকা দিলে ঠিক করে দেবে তহসিলদার। ১০ বছর আগের দলিল, টাকা ও দি নি, বিবর্তন ও করাইনি।
সেবা নেয়ার সময় কোনো চাপ ছিলো না। দু'জন অফিসার বসে ছিল, তারা অযথা সময়ক্ষেপন করছিলো, তারা এক পর্যায়ে আমার সাথে বাংলাদেশের প্রচলিত ঘুষ দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে। প্রায় ২ ঘন্টা পরে আমাকে মেইল করে ডকুমেন্ট দেয়। এর পর টাকা দাবী করে। এক পর্যায়ে আমি দিতে বাধ্য হই। এবং অবাক হলাম কারন তারা আমার সাথে ঘুষ দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে টাকা চাইলো।
Tax return diye gecilam. File dekbe kintu Cha khawate bolece. Ami boleci bosore akBar mehman er moto asi ekhane amake Cha khawan...na hole ami Bose Bose disturb Korbo..Ulta daroan ke ber Kore dibo🙂. Tarpor return joma niyece
When someone goes for basic health issue like fever, headache, gastric problem etc., the clinic govt employer first charges BDT10 taka per person to get govt medicine. It's totally illegal. Anyone can come here anonymously to verify it. It's happening almost during 5 years.
somobay er upazila er head amar kache ghus cheyecilo ami dei nai ami jante pari ase pase onno je somobay songstha ache sekhan theke o ghus niyevhe uni . r ei ghuser taka diye dhakay duita flat korece .
বগুড়া ডিসি অফিসে মৌজা নকশা উত্তোলন করতে সরকারি চালান ৫০০ ও কোট ফি ৪৫ টা নিজে পরিশোধ করেছি । ১৫ দিন পর মৌজা নকশা উত্তোলন করতে গিয়ে সব ঠিক থাকার পর ও চা খাবার জন্য ২০০ টাকা নিয়েছে তারপর স্টোর রুম থেকে নকশা এনে দিয়েছে।
টাকা না দিলে নামজারি অনুমোদন হয় না। উপ সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে ৩০০০ টাকা দেওয়ার শর্তে অনুমোদন হয়। সম্পর্কে আত্নীয় ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত হলেও দিতে হয়েছে। তাছাড়া ওই ভূমি অফিসে — ও — নামে দুইজন সক্রিয় দালাল রয়েছে। ওদের মাধ্যমে ডিল করতে হয়। না হলে কাজ হয় না।
আমি নিজে পাসপোর্টের অনলাইন আবেদন করি এবং ৮,০০০ টাকা দিয়ে ভুলবসত জন্ম নিবন্ধন দিয়ে চালান তৈরি করি। পরবর্তীতে ওয়ার্ড নম্বর না দেওয়ায় ত্রুটি দেখিয়ে পাসপোর্ট অফিস থেকে আবেদন বাতিল করতে বলা হয়, যা বাতিল হতেই প্রায় এক মাস লেগে যায়। এরপর চালানটি সচল রাখা ও ঝামেলা এড়াতে এলাকার এক দালালকে অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকা দিই। দালাল নতুন আবেদন ফর্মে মায়ের নাম ভুল করলেও পাসপোর্ট অফিসের বিশেষ সিলের সৌজন্যে কোনো সমস্যা হয়নি; বায়োমেট্রিকের সময় নাম ঠিক করে দেওয়া হয় এবং মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পাই। আরও কিছু বলতে চাইছিলাম কিন্তু বলতে পারিনি এখানে লেখার লিমিট থাকার জন্য।
This bribe payment was for zonal LUC documents, and the payment was received at the RAJUK Gulshan office. I am an employee of a known company and assigned for that task. No one helps resolve problems at the RAJUK office. Instead, if any dispute arises regarding a building’s documents, people are often asked for bribes through local agents.
যখনই আমি NGOAB-এর অনুমোদনের জন্য কোনো ডকুমেন্ট জমা দিয়েছি, তারা ঘুষ দাবি করেছে। প্রতিটি কাজের জন্য আমাদের ১০,০০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়েছে। গত দুই বছরে বিভিন্ন সেবার জন্য আমরা প্রায় ৩,০০,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, তাদের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবাই ঘুষখোর।
বিদেশি ডিগ্রি সার্টিফিকেট গুলো দিয়ে দেশে সরকারি চাকরিতে আবেদন করা যায়না আবার অনেক প্রাইভেট সেক্টরেও। এই সার্টিফিকেট ছাড়া দেশেও কোনো ইউনিভার্সিটিতে সেটা সরকারি হোক বা বেসরকারি হোক কোনোটাতেই আবেদন করা যায়না। তার জন্যে দেশে UGC থেকে Equivalent certificate নিতে হয়। এখানে পদে পদে টাকার খেলা। একেকজন একেক টাকা দাবি করে। আগে এমনটা ছিলনা। এখন অনলাইনে সব করতে হয় সেই সুবাধে একজন — নামে অফিসার সবার ফাইল আটকাই রাখে। বিশেষ করে আমেরিকা কানাডা অস্ট্রেলিয়া থেকে পিএইচডি করা স্টুডেন্ট কেউ ১-২ বছর করে ঘুরায় এই — নামে লোকটা। একজন শিক্ষার্থী কেনইবা দেশে আসবে যদি তার ক্যারিয়ার গ্যাপ ইচ্ছাকৃত করা হলে?
আমি জমির খারিজ করতে গিয়েছি দুই শতাংশ জমি খারিজ করার জন্য আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে তখন আমি আর খারিজ করি নাই আমি বাসায় চলে আসছি সরকারকে টাকা দিব ট্যাক্স দিবো খারিজ করব পঞ্চাশ হাজার টাকা আমার ঘুষ দিতে হবে তাহলে সরকার কিভাবে টাকা পাবে।।।।
বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থানায় হাটকড়ই ডিগ্রী কলেজের ল্যাব এসিস্ট্যান্ট পদে নিয়োগ ছাড়া হয় নিয়োগ ২০ লাখ টাকা প্রতি পদে দাবি করা হয় এবং ওই টাকা যারা দিতে সক্ষম তাদের শুধু চাকরি দেয়া হয় যেখানে চাকরির বেতন ১২ হাজার টাকা
আমার জমির বিআরএস খতিয়ান সংশোধনের জন্য আমি ল্যান্ডসার্ভে ট্রাইবুনাল মামলা করি দীর্ঘ ৩ বছর পর আদালত আমার পক্ষে আদেশ দেন। ডিগ্রির আদেশ পাওয়া জন্য পেসকার কে ডিগ্রির আদেশের জন্য ১৫০০০/= টাকা ঘুস দিয়ে আদেশ পাই। অতপর নামজারি জন্য আবেদন করি তসিলদার, কানোনগো, এসিল্যান্ড সবাই মিলে আমার কাছ থেকে ৩০,০০০/= টাকা ঘুস নেয়। হায়রে বাংলাদেশ এমন কোনো জায়গা নাই যেখানে ঘুস লেনদন হয় না।
করোনাকালীন সময়ে দারিদ্র্য বিমোচন ও অতিদরিদ্রদের মাঝে বণ্টনের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত পিকেএসএফ (PKSF) প্রায় ৫,০০০ কোটি টাকা অনুদান পায়। অভিযোগ রয়েছে, সংস্থাটি সেই পুরো টাকা দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন না করে বিভিন্ন ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে সরিয়ে রেখে ধীরগতি নীতি অবলম্বন করে। পরবর্তীতে এই টাকা তারা নিজেরা বিনাসুদে ঋণ হিসেবে গ্রহণ করে এবং অফিসের কর্মকর্তাদের বেতন-বোনাস হিসেবে বণ্টন করে। এমনকি করোনার বহু পরে নারীদের প্রশিক্ষণের নামে এই অর্থ নিজেদের সিন্ডিকেটের সদস্যদের মাঝে বিতরণ করা হয়। এমনকি অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সংস্থাটির একজন পিয়ন পর্যন্ত অবসরকালীন প্রভিডেন্ট ফান্ড, আনুতোষিক (গ্র্যাচুইটি) ও অন্যান্য সুবিধা মিলিয়ে প্রায় ৭০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করেছেন।